ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক, রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কায় আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০৪ মানুষ জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড়ধসে ৯মাসের শিশুর মৃত্যু প্রথম এআই-চালিত সাইবার হামলা ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম? পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন চাঁদপুরে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল নিয়ে ডুবে গেছে কার্গো কিশোরগঞ্জে  লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি, মোবাইল-টাকা লুট মোনাফিকদের চেনার সুনির্দিষ্ট কিছু আলামত হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নতুন মামলায় গ্রেপ্তার অবস্থা উত্তরণে কৌশল নির্ধারণ জরুরি চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু সিলেটে ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড দিনাজপুরে টানা বৃষ্টিতে স্থবির জনজীবন আর্জেন্টিনার জয়ের মানসিকতা ও নেইমারকে পারেদেসের বার্তা যুবদল ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: মোনায়েম মুন্না পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি টেকনাফে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে মেমোরি চিপের সংকট ব্যাপক পরিসরে মানবসদৃশ রোবট ব্যবহারের দিকে চোখ টাটকার চেয়ে বাসি খেলে লাভ এই ৩ খাবার জনবল নেবে সোনারগাঁও হোটেল, দ্রুত আবেদন করুন মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০ ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাসের মুহূর্তে সমর্থকের মৃত্যু আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ফিফায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করল মিসর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম সাতকানিয়ায় হু হু করে ঢুকছে সাঙ্গুর পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার
ছবি: সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। 

টানা তিন দিন শুনানি শেষে রায়ের জন্য আদালত এদিন ঠিক করেন।

পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত বিষয় সংসদের ছেড়ে দেয়ার আবেদন জানিয়ে শুনানি শেষ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে সোমবার সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, জামায়াতে ইসলামীসহ অন্য পক্ষভুক্তরা শুনানি শেষ করেন।

বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া বলেন, পঞ্চদশ সংশোধন ছিল প্রতারণা। তাই এটি পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানান তিনি। তবে, শুনানিতে তিনি ৯৬ ও ১০২  অনুচ্ছেদের সুরক্ষা চান।

এদিকে, পঞ্চদশ সংশোধনীর যে সমস্ত বিষয় মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক সেগুলো বাতিল ও বাকিগুলো সংসদের উপর ছেড়ে দেয়ার আবেদন করে আপিল বিভাগে পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক বাতিল চেয়ে শুনানি শেষ করেন জামায়াতের আইনজীবী শিশির মনির।  

এর আগে গত বছরের ১৩ নভেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

 প্রসঙ্গত, পৃথক দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অসাংবিধানিক ও বাতিল করে রায় দেন।

১৫ বছর আগে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। 

হাইকোর্টের রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরার পথ খুললেও কিছু জটিলতা থেকে যাওয়ায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি আপিল করা হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদকসহ চার ব্যক্তি একটি আপিলটি করেন। নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে পৃথক আপিল করা হয়। 

আওয়ামী লীগ সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনে ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস করে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ ওই সংশোধনীতে সংবিধানে ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছিল।

রিফাত/

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নতুন মামলায় গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নতুন মামলায় গ্রেপ্তার
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে এবার রাজধানীর বনানী থানার হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান ভার্চুয়ালি শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ২ জুলাই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম। 

সাবেক প্রধান বিচারপতি কারাগারে থাকায় তার উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়। 

গত ৬ জুলাই ধার্য তারিখে তাকে আদালতে আনা হলেও মামলার নথি না থাকায় ভার্চুয়ালি শুনানির জন্য পুনরায় তারিখ নির্ধারণ করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর মহাখালীর সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে শাহবাগের দিকে যাওয়ার পথে তাদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ, ককটেল ও হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন।

এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বনানী থানায় এ মামলা করেন।

খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করার পর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি, দুদকের দায়ের করা দুর্নীতি, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের হত্যাসহ মোট আট মামলায় তাকে আসামি করা হয়।

হাইকোর্ট থেকে সবকটি মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পান। রাষ্ট্রপক্ষ ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে। 

গত ২ জুলাই সর্বশেষ মামলার শুনানি শেষে তার জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ। ফলে কারামুক্তিতে কোনো বাধা ছিলোনা। 

তবে একইদিন বিকেলে বনানী থানার এ হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করায় আর মুক্তি পাননি তিনি। 

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে আলোচিত সাবেক এ বিচারপতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। 

২০১১ সালের ১০মে তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।

জলিল উজ্জ্বল/রিফাত/

জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম
জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলো-পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। আর খালাস পাওয়া আসামি হলেন ইদ্রিস আলী। তারা সবাই বকশীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাত ১২টার দিকে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ শেরপুর জেলার ঝগড়ারচর বাজার থেকে ইদ্রিস আলীর ইজিবাইক করে বকশীগঞ্জের জানকিপুরের ভাড়া বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে গাড়িটি থামিয়ে গৃহবধূকে একটি ভ্যান গাড়িতে তুলে নেয় আসামিরা। পরে বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া উত্তরপাড়ায় ফরিদ নামে এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত রান্নাঘরে নিয়ে আসামিরা ওই গৃহবধূকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ৬ জনের নামে ও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। আট মাস পর মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরবর্তীতে ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া শেষে আজ সব আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মোকাম্মেল হক।

রিফাত/

দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা করতে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা করতে হাইকোর্টে রিট
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের সময় ধার্য করা দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা তৈরি করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। এতে কেন মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১০ নম্বর ধারার অধীনে একটি নির্দেশিকা প্রণয়ন ও জারি করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহমিদা আখতার এ রিট আবেদন করেন। জনস্বার্থে করা এই রিটে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটের আর্জিতে দেনমোহর আদায়ের পদ্ধতি, নীতিমালা এবং উপায় নির্ধারণের উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে, বিবাহে নারীদের অধিকার ও আর্থিক স্বার্থ রক্ষা ও সংরক্ষণ করা এবং মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১০ নম্বর ধারার অস্পষ্টতা দূর করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। 

আ.লীগের বিচার হবে কি না, তদন্ত চলছে

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আ.লীগের বিচার হবে কি না, তদন্ত চলছে
ছবি: সংগৃহীত

সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত) বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এ বিষয়ে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল রবিবার নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্ত করার পরে যদি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া যায়, আমার কাছে রিপোর্ট দাখিল করা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। আপাতত এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান আছে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে একটা ফ্যাসিজম রাষ্ট্র কায়েম করল। সেই ফ্যাসিজমের মধ্য দিয়ে জনগণের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সবকিছু কেড়ে নিয়েছিল তারা। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

রাজনৈতিক দল হিসেবে ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। ১৬ বছর মানুষের কোনো স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল না।

ওই সময়ের জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনটি নির্বাচনের কোনোটি রাতের, কোনোটি একদলীয়, কখনো আমি-ডামি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে। নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর তাদের সরকারের বিভিন্ন বাহিনীকে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

হামের টিকা না কেনা এবং চিকিৎসায় অবহেলায় দেশজুড়ে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ আবেদন করেন হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সী শিশু সাউদা মুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ পরে দেবেন বলে অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

মামলায় অন্য দুই বিবাদী হলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

মামলার আর্জিতে বাদী উল্লেখ করেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে এবং মার্চের শুরুতে শরীয়তপুর সদরের বাসিন্দা তার ৯ মাস বয়সী মেয়ে সাউদা মুসকান হঠাৎ মারাত্মক জ্বরে আক্রান্ত হয়। স্থানীয় চিকিৎসায় কোনো উন্নতি না হওয়ায় মার্চের প্রথম সপ্তাহে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

সেখানে হামের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পেয়ে গত ২২ মার্চ শিশুটিকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চরম অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে আর্জিতে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ কর্তব্যরত চিকিৎসক বাদীর স্ত্রীর হাতে অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলেন। শিশুর মা তা লাগাতে ব্যর্থ হলে এক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো হয়। এর ঘণ্টা দুয়েক পরই শিশুটি মারা যায়।

আর্জিতে আরও দাবি করা হয়, দেশে শিশুদের টিকার সময়মতো জোগান না থাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া এবং টিকা কেনা ও তা প্রয়োগ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘মারাত্মক খামখেয়ালিপনা’ ও অবহেলাজনিত কারণে দেশজুড়ে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে শিশু সাউদা মুসকান অন্যতম। 

বিবাদীরা কোনোভাবেই এ সব মৃত্যুর দায় এড়াতে পারেন না বলে আর্জিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে ঢাকার আদালতে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার আবেদন করা হলেও, পরবর্তীতে তা খারিজ হয়ে যায়।

এএফ/