ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার হবে কবে এইউএসটি ও জার্মানির UNU-FLORES-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উত্তাল নদী, বিচ্ছিন্ন হাতিয়ার জনজীবন সিলেট সীমান্তে জিরা, চা পাতা ও চিনিসহ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জাককানইবি ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গুর পানি, বান্দরবানে বন্যা-আতঙ্ক হাতিরঝিলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় মাদরাসার উপর পাহাড়ধস, কয়েকজনের মৃত্যুর শঙ্কা আইএসইউতে ওবিই ভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অ্যাসেসমেন্ট রুব্রিক্স বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ৪২ বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড বোয়ালমারীতে ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক, আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০৪ জন জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড়ধসে ৯মাসের শিশুর মৃত্যু প্রথম এআই-চালিত সাইবার হামলা ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম? পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট থেকে চলবে অভিযাত্রী কমিউটার সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন চাঁদপুরে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল নিয়ে ডুবে গেছে কার্গো পাটগ্রামে পাওনা ১০০ টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে কোপালেন যুবদল নেতা কিশোরগঞ্জে  লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি, মোবাইল-টাকা লুট মোনাফিকদের চেনার সুনির্দিষ্ট কিছু আলামত হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নতুন মামলায় গ্রেপ্তার অবস্থা উত্তরণে কৌশল নির্ধারণ জরুরি চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু সিলেটে ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম?

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম?
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হারের পরও আলোচনায় রয়েছে মিসর-আর্জেন্টিনা লড়াই। ম্যাচে মিসরের একটি গোল বাতিল এবং শেষ মুহূর্তে পেনাল্টির আবেদন নাকচ হওয়াকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। মিসরীয় শিবিরের অভিযোগ, রেফারিংয়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণেই তারা জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল বিশ্লেষকদের একটি অংশ বলছে, ভিএআর ও ম্যাচ অফিসিয়ালরা ফিফার বিদ্যমান নিয়ম মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি অ্যান্ডি ডেভিসসহ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে এবং ভিএআর টিমের সিদ্ধান্ত ছিল প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক।

ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল হওয়াকে ঘিরেই মূল বিতর্কের সূত্রপাত। মোহাম্মদ সালাহর পাস থেকে গোল করে মিসর যখন এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিল, তখন ভিএআরের পরামর্শে রেফারি মাঠের মনিটরে গিয়ে আগের আক্রমণটি পর্যালোচনা করেন। পরে তিনি গোলটি বাতিল করে দেন।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোলের ঠিক আগে মিসরের ডিফেন্ডার মারওয়ান আত্তিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের জার্সি টানেন এবং পায়ে পা দিয়ে ফাউল করেন। ফুটবল আইনের ১২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রতিপক্ষকে জার্সি ধরে টানা বা পায়ে আঘাত করা ফাউল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যেহেতু ওই ফাউলের ধারাবাহিক আক্রমণ থেকেই গোলটি হয়েছিল, তাই ভিএআর প্রটোকল অনুযায়ী গোল বাতিলের সুযোগ ছিল।

আইএফএবি ও ফিফার ভিএআর নীতিমালা অনুযায়ী, গোলের আগে আক্রমণকারী দলের কোনো ফাউল, হ্যান্ডবল বা অফসাইড থাকলে সেটি পর্যালোচনা করা যায়। অ্যান্ডি ডেভিসের মতে, আত্তিয়ার চ্যালেঞ্জটি স্পষ্ট ফাউল হওয়ায় রেফারির পক্ষে গোল বহাল রাখা সম্ভব ছিল না।

অন্যদিকে, ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনার পেনাল্টি বক্সে দুটি ঘটনায় পেনাল্টির দাবি তোলে মিসর। প্রথম ঘটনায় আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের বিরুদ্ধে হামদি ফাতির জার্সি টানার অভিযোগ ওঠে। দ্বিতীয় ঘটনায় মোহাম্মদ সালাহ জুলিয়ান আলভারেজের চ্যালেঞ্জে পড়ে গিয়ে পেনাল্টির আবেদন করেন।

ভিএআর দুটি ঘটনাই পর্যালোচনা করে মাঠের রেফারির সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যাক আলিস্টারের ঘটনায় জার্সি ধরার ঘটনা থাকলেও তা ছিল খুব অল্প সময়ের এবং ফাতির খেলা বা আক্রমণে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেনি। আর সালাহর ঘটনায় আলভারেজের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ফাউলের প্রমাণ পাওয়া যায়নি; ঘটনাটি ছিল স্বাভাবিক শারীরিক সংস্পর্শের অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, মিসরের বাতিল হওয়া গোল এবং পেনাল্টির দাবির ঘটনাগুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আত্তিয়ার ঘটনায় স্পষ্ট ফাউলের প্রমাণ থাকলেও সালাহর ঘটনায় তেমন কোনো অপরাধ দেখা যায়নি।

তবে প্রযুক্তিগতভাবে ভিএআর ও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়মসম্মত হলেও মিসরীয় শিবির ও অনেক সমর্থকের কাছে বিষয়টি এখনো বিতর্কিত। মাঠের আবেগ, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন সিদ্ধান্তগুলো স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পাপ্পু/রিফাত/

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম?

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম?
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হারের পরও আলোচনায় রয়েছে মিসর-আর্জেন্টিনা লড়াই। ম্যাচে মিসরের একটি গোল বাতিল এবং শেষ মুহূর্তে পেনাল্টির আবেদন নাকচ হওয়াকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। মিসরীয় শিবিরের অভিযোগ, রেফারিংয়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণেই তারা জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল বিশ্লেষকদের একটি অংশ বলছে, ভিএআর ও ম্যাচ অফিসিয়ালরা ফিফার বিদ্যমান নিয়ম মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি অ্যান্ডি ডেভিসসহ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে এবং ভিএআর টিমের সিদ্ধান্ত ছিল প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক।

ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল হওয়াকে ঘিরেই মূল বিতর্কের সূত্রপাত। মোহাম্মদ সালাহর পাস থেকে গোল করে মিসর যখন এগিয়ে যাওয়ার পথে ছিল, তখন ভিএআরের পরামর্শে রেফারি মাঠের মনিটরে গিয়ে আগের আক্রমণটি পর্যালোচনা করেন। পরে তিনি গোলটি বাতিল করে দেন।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোলের ঠিক আগে মিসরের ডিফেন্ডার মারওয়ান আত্তিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের জার্সি টানেন এবং পায়ে পা দিয়ে ফাউল করেন। ফুটবল আইনের ১২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রতিপক্ষকে জার্সি ধরে টানা বা পায়ে আঘাত করা ফাউল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যেহেতু ওই ফাউলের ধারাবাহিক আক্রমণ থেকেই গোলটি হয়েছিল, তাই ভিএআর প্রটোকল অনুযায়ী গোল বাতিলের সুযোগ ছিল।

আইএফএবি ও ফিফার ভিএআর নীতিমালা অনুযায়ী, গোলের আগে আক্রমণকারী দলের কোনো ফাউল, হ্যান্ডবল বা অফসাইড থাকলে সেটি পর্যালোচনা করা যায়। অ্যান্ডি ডেভিসের মতে, আত্তিয়ার চ্যালেঞ্জটি স্পষ্ট ফাউল হওয়ায় রেফারির পক্ষে গোল বহাল রাখা সম্ভব ছিল না।

অন্যদিকে, ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনার পেনাল্টি বক্সে দুটি ঘটনায় পেনাল্টির দাবি তোলে মিসর। প্রথম ঘটনায় আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের বিরুদ্ধে হামদি ফাতির জার্সি টানার অভিযোগ ওঠে। দ্বিতীয় ঘটনায় মোহাম্মদ সালাহ জুলিয়ান আলভারেজের চ্যালেঞ্জে পড়ে গিয়ে পেনাল্টির আবেদন করেন।

ভিএআর দুটি ঘটনাই পর্যালোচনা করে মাঠের রেফারির সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যাক আলিস্টারের ঘটনায় জার্সি ধরার ঘটনা থাকলেও তা ছিল খুব অল্প সময়ের এবং ফাতির খেলা বা আক্রমণে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেনি। আর সালাহর ঘটনায় আলভারেজের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ফাউলের প্রমাণ পাওয়া যায়নি; ঘটনাটি ছিল স্বাভাবিক শারীরিক সংস্পর্শের অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, মিসরের বাতিল হওয়া গোল এবং পেনাল্টির দাবির ঘটনাগুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আত্তিয়ার ঘটনায় স্পষ্ট ফাউলের প্রমাণ থাকলেও সালাহর ঘটনায় তেমন কোনো অপরাধ দেখা যায়নি।

তবে প্রযুক্তিগতভাবে ভিএআর ও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়মসম্মত হলেও মিসরীয় শিবির ও অনেক সমর্থকের কাছে বিষয়টি এখনো বিতর্কিত। মাঠের আবেগ, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন সিদ্ধান্তগুলো স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

পাপ্পু/রিফাত/

আর্জেন্টিনার জয়ের মানসিকতা ও নেইমারকে পারেদেসের বার্তা

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
আর্জেন্টিনার জয়ের মানসিকতা ও নেইমারকে পারেদেসের বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের একপর্যায়ে মিসরের দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর, মাত্র ১৩ মিনিটের ব্যবধানে ৩টি গোল করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তেরা।

এই জয়ের পর আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার লিয়েন্দ্রো পারেডদস ম্যাচটির কঠিন মুহূর্ত এবং দলের লড়াকু মানসিকতা নিয়ে কথা বলেন। 'কাজেটিভি'- কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এটি একটি অসাধারণ অনুভূতি। এত কঠিন একটি ম্যাচের পর যেভাবে আমরা জয় ছিনিয়ে এনেছি, তা দলের সবার জন্য দারুণ ফলপ্রসূ।’

বর্তমানে বোকা জুনিয়র্সের হয়ে খেলা এই ফুটবলার আরও বলেন, ‘আমরা সবসময় নিজেদের সেরাটা দিয়ে লড়াই করার চেষ্টা করি, এটাই আমাদের জয়ের মানসিকতা। আমরা এমন একটি দল যা সবসময় আরও বেশি কিছু অর্জন করতে চায়, লড়াই করতে চায় এবং জিততে চায়। বেশ দীর্ঘ সময় ধরেই আমরা মাঠে এর প্রমাণ দিয়ে আসছি।’

নেইমারকে বিশেষ বার্তা
ব্রাজিল জাতীয় দলের আকস্মিক বিদায় নিয়েও কথা বলেন প্যারেডেস। শেষ ১৬ এর ম্যাচে আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় ব্রাজিল। পিএসজিতে নেইমারের সাবেক সতীর্থ পারেদেস এই ব্রাজিলীয় তারকার উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দেন। 

নেইমারকে নিয়ে এই আর্জেন্টাইন তারকা বলেন, ‘গতকালও আমি নেইমারকে নিয়ে কথা বলেছি। সবাই জানে তার প্রতি আমার গভীর ভালোবাসা রয়েছে। আমি তাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করি, সে আমার খুব ভালো বন্ধু। ব্রাজিলের এই ফলাফলে আমি মোটেও খুশি হতে পারিনি, তবে এটাই ফুটবল। যাই ঘটুক না কেন, সে সবসময় আমাদের বন্ধুই থাকবে।’

পাপ্পু/রিফাত/

আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ফিফায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করল মিসর

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ফিফায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করল মিসর
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রেফারিং নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দিয়েছে মিসর। আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পর ম্যাচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলোর তদন্ত দাবি করেছে মিসরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

মিসরের কোচ হোসাম হাসান ম্যাচ শেষে রেফারিং নিয়ে কঠোর সমালোচনা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফিফার কাছে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ম্যাচের ফল নিয়ে প্রশ্ন তুলে একে ‘পাতানো’ বলেও মন্তব্য করেন। পাশাপাশি ফরাসি রেফারির ওপর আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে আগে থেকেই চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মিসরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হেনি আবু রিদা ফিফার কাছে রেফারি ফ্রাঁসোয়া ল্যাতেক্সিয়ে এবং তার সহকারী প্যানেলকে বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচ পরিচালনা থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। মিসরের দাবি, রেফারির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে।

মিসরের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে দুটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো, ভিএআর পর্যালোচনার পর আগের একটি ফাউলের কারণে মিসরের একটি গোল বাতিল করা। দ্বিতীয়টি হলো, আর্জেন্টিনার জয়সূচক তৃতীয় গোলের আগে সংঘটিত সম্ভাব্য ফাউল নিয়ে ভিএআরের হস্তক্ষেপ না করা।

তবে মিসরের অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি ফিফা।

ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে সব রেফারিই আর্জেন্টিনার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে সব রেফারিই আর্জেন্টিনার
ফাকুন্দো তেল্লো। ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফ্রান্স ও মরক্কোর মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য রেফারি প্যানেল ঘোষণা করেছে ফিফা। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে সম্পূর্ণ আর্জেন্টাইন একটি রেফারি দল। মাঠের প্রধান দায়িত্বে থাকবেন অভিজ্ঞ রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো।

চলতি বিশ্বকাপে এই প্রথম কোনো ম্যাচে রেফারি প্যানেলের সব সদস্য একই দেশের হতে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপের শেষ দিকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার যে নীতি ফিফা অনুসরণ করে, এই নিয়োগও তারই অংশ।

ফাকুন্দো তেল্লোর জন্য মরক্কোকে ঘিরে এটি নতুন অভিজ্ঞতা নয়। এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মরক্কো ও পর্তুগালের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন তিনি। ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে মরক্কোর টানা দুই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে দায়িত্ব পালন করা রেফারি হতে যাচ্ছেন এই আর্জেন্টাইন।

ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে তেল্লোর সহকারী হিসেবে থাকবেন জুলিয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গ্যাব্রিয়েল চাদে। চতুর্থ অফিশিয়ালের দায়িত্ব পালন করবেন দারিও হেরেরা। রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে থাকবেন ক্রিস্টিয়ান নাভারো।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে রেফারিংয়ের মান ও সিদ্ধান্ত নিয়ে বরাবরই বাড়তি নজর থাকে। তাই ফ্রান্স-মরক্কোর মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফিফার এই নিয়োগও ফুটবল মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

পাপ্পু/রিফাত/

হালান্ডের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে কোচ সলবাকেন

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
হালান্ডের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে কোচ সলবাকেন
আর্লিং হালান্ড। ছবি: সংগৃহীত

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে মায়ামিতে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে নরওয়ে। মহাগুরুত্ব এই ম্যাচের আগে স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডকে ‘অনন্য’ ও ‘ব্যতিক্রমী’ বলে অভিহিত করেছেন নরওয়ের কোচ স্তালে সলবাকেন। মাঠের এই লড়াইয়ে ইংলিশ ডিফেন্ডারদের মুখোমুখি হবেন এই দানবীয় স্ট্রাইকার, যাদের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই দুর্দান্ত ফর্মে আছেন হালান্ড। ১৯৯৮ সালের পর এটিই নরওয়ের প্রথম বিশ্বকাপ মিশন। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় বল পেয়ে গোল করার দক্ষতা রয়েছে তার। টুর্নামেন্টে ইতিমধ্যে সাতটি গোল করে দলকে শেষ আটে টেনে তুলেছেন তিনি।

সলবাকেন বলেন, ‘সব বড় খেলোয়াড়দেরই নিজেদের মেলে ধরার একটা তাড়না থাকে। ম্যাচে যখন তারা বল পান না, তখন তারা প্রায়ই পজিশন ছেড়ে বাইরে চলে আসেন এটা বোঝাতে যে-‘আমি এখানে আছি’। কিন্তু আর্লিং এসবের তোয়াক্কাই করে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে খুব ভালো করেই জানে তার শক্তির জায়গা কোনটা এবং কোন জায়গায় সে দলকে সাহায্য করতে পারবে। গত রবিবারও ঠিক এমনটাই দেখা গেছে... ফুটবল ইতিহাসে এর আগে এই ধাঁচের কোনো ফুটবলার আসেনি।’

পাপ্পু/রিফাত/