আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে দুই দল। গোলের একাধিক সুযোগও তৈরি করেছে। কিন্তু দুই গোলরক্ষকের নৈপুণ্যে সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়া মধ্যকার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিখ্যাত বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের শুরু থেকে দুই দলই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ চালাতে থাকে। ম্যাচের ১৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক দলীয় আক্রমণে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে কলম্বিয়া। জেমস রদ্রিগেজ লুইস দিয়াজকে লক্ষ্য করে একটি পাস বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত তা প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার প্রতিহত করেন।
ম্যাচের ২১ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ তৈরি করে কলম্বিয়া। মাঝমাঠে সুইজারল্যান্ডের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে মুহূর্তেই দ্রুত আক্রমণে ওঠে তারা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পৌঁছে যায় প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের সামনে। দ্রুত কয়েকটি ওয়ান-টাচ পাসে সুইস রক্ষণভাগকে ছিন্নভিন্ন করে দেয় কলম্বিয়ার আক্রমণভাগ। বল পেয়ে পুয়ের্তা বাঁকানো শটে লক্ষ্যভেদ করার চেষ্টা করেন। তবে সুইজারল্যান্ডের গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল দারুণ দক্ষতায় তা ঠেকিয়ে দেন।
ম্যাচের ৩০ মিনিটে হঠাৎ করেই দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করে সুইজারল্যান্ড। পেনাল্টি বক্সের কিনারায় দাভিনসন সানচেসের ক্লিয়ারেন্সের চেষ্টা আটকে দেন রিডার। এতে মুহূর্তেই একা গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে শট নেন তিনি। তবে কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কেভিন মিয়ের ভার্গাস অসাধারণ দক্ষতায় শটটি প্রতিহত করেন। তাতে গোল থেকে বঞ্চিত হয় সুইজারল্যান্ড।
এরপর আবারও সুইসদের সামনে সুযোগ তৈরি হয়। গ্রানিত জাকার বাড়ানো পাস ধরে গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে জোরালো শট নেন ড্যান এনদোয়ে। তবে আবারও গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভে বিপদমুক্ত হয় কলম্বিয়া।
ম্যাচের ৩৯ মিনিটে একের পর এক আক্রমণে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে কলম্বিয়া। বক্সের ভেতরে আসা বলে দৃষ্টিনন্দন বাইসাইকেল কিকের চেষ্টা করেন লুইস দিয়াজ। তবে বলের সঙ্গে ঠিকমতো সংযোগ স্থাপন করতে পারেননি।
একের পর এক দুর্দান্ত আক্রমণ গড়েও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি কলম্বিয়া। তবে পিছিয়ে ছিল না সুইজারল্যান্ডও। তারাও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। কিন্তু প্রথমার্ধে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। তাতে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে প্রথমার্ধের খেলা।
এসজি/