আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ ও একাধিক সুযোগ পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেনি কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ড। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য সমতায় থাকায় ম্যাচটি গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। যেখানে দুই অর্ধে ১৫ মিনিট করে খেলা হবে। তাতে কোনো ফল না এলে টাইব্রেকারে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিখ্যাত বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। তাতে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্থের খেলা।
বিরতি থেকে ফিরেই গোলের দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেছিল সুইজারল্যান্ড। বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের মধ্যে নিচু ক্রস পাঠান ড্যান এনদোয়ে। তার বাড়ানো বলে সুযোগ পেয়ে যান বদলি খেলোয়াড় জিব্রিল সো। তবে শট নেওয়ার মুহূর্তে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি, তাতে তার নেওয়া শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাইরে চলে যায়।
ম্যাচের ৫০ মিনিটে ড্যান এনদোয়ে কলম্বিয়ার পেনাল্টি বক্সের ভেতরে ঢোকার পর মুনোজ তাকে টেনে ধরেন- এমন অভিযোগে মাটিতে পড়ে যান সুইস ফরোয়ার্ড। পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানালেও ভিএআর পর্যালোচনায় পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
ম্যাচের ৬২ মিনিটে গোলের দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিল কলম্বিয়া। মাঝমাঠে গ্রানিত জাকার কাছ থেকে বল কেড়ে নেন লুইস সুয়ারেজ। এ সময় ফাউলের দাবি করেন জাকা, তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি। সুযোগ পেয়ে আক্রমণ চালিয়ে এগিয়ে যান সুয়ারেজ। কিন্তু গোলের সামনে থেকে তার নেওয়া শটটি ছিল হতাশাজনক। বল লক্ষ্যের অনেক বাইরে দিয়ে চলে যায়। সুয়ারেজের এই ভুল শটে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় সুইজারল্যান্ড।
শেষ মুহূর্তে বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হয়েছে দাবি করে দুই দলই দুটি পেনাল্টির আবেদন জানায়। কিন্তু রেফারি তাদের সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি।
যোগ করা সময়ে (৯০+১) ডান দিক দিয়ে ড্যান এনদোয়ের গোলমুখে পাঠানো নিচু ক্রসটি অল্পের জন্য নাগাল পাননি সেড্রিক ইটেন। তাতে বড় সুযোগ হাতছাড়া হয় সুইজারল্যান্ডের।
এতে শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য থেকে শেষ হয় দ্বিতীয়ার্ধের খেলা। নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোল না পাওয়ায় ম্যাচ গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। ৩০ মিনিটের দুই অর্ধেও কোনো ফল না এলে টাইব্রেকারে ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
এসজি/