ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার হবে কবে এইউএসটি ও জার্মানির UNU-FLORES-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উত্তাল নদী, বিচ্ছিন্ন হাতিয়ার জনজীবন সিলেট সীমান্তে জিরা, চা পাতা ও চিনিসহ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জাককানইবি ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গুর পানি, বান্দরবানে বন্যা-আতঙ্ক হাতিরঝিলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় মাদরাসার উপর পাহাড়ধস, কয়েকজনের মৃত্যুর শঙ্কা আইএসইউতে ওবিই ভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অ্যাসেসমেন্ট রুব্রিক্স বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ৪২ বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড বোয়ালমারীতে ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক, আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০৪ জন জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড়ধসে ৯মাসের শিশুর মৃত্যু প্রথম এআই-চালিত সাইবার হামলা ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম? পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট থেকে চলবে অভিযাত্রী কমিউটার সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন চাঁদপুরে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল নিয়ে ডুবে গেছে কার্গো পাটগ্রামে পাওনা ১০০ টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে কোপালেন যুবদল নেতা কিশোরগঞ্জে  লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি, মোবাইল-টাকা লুট মোনাফিকদের চেনার সুনির্দিষ্ট কিছু আলামত হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নতুন মামলায় গ্রেপ্তার অবস্থা উত্তরণে কৌশল নির্ধারণ জরুরি চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু সিলেটে ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট থেকে চলবে অভিযাত্রী কমিউটার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট থেকে চলবে অভিযাত্রী কমিউটার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে আগামী ১০ আগস্ট থেকে নতুন আন্তঃনগরধর্মী কমিউটার ট্রেন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’  চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্টের রাজশাহী কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন ট্রেন চালুর ফলে গোপালগঞ্জসহ ওই রুটের বিভিন্ন এলাকার যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। 

রেলওয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১০ আগস্ট ১৩৬ নম্বর ট্রেনের মাধ্যমে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে নতুন এই কমিউটার ট্রেন।

ট্রেনটি ঢাকা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জ পৌঁছাবে। ফিরতি ১৩৫ নম্বর ট্রেন গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।

ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী ট্রেনটি কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিকারপুর, ভাঙ্গা জংশন ও নগরকান্দা স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। অন্যদিকে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি মহেশপুর, কাশিয়ানী জংশনসহ নির্ধারিত স্টেশনগুলোতে থামবে।

রেলওয়ের তথ্যমতে, ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ট্রেনটির মোট চলাচলের দূরত্ব ১৮৮ কিলোমিটার।

ট্রেনটি প্রতি শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। জয়দেবপুর কমিউটারের আট কোচবিশিষ্ট রেক দিয়ে ট্রেনটি পরিচালিত হবে এবং রেকের বেইজ, ওয়াটারিং ও ক্লিনিংয়ের কাজ ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে।

নতুন ট্রেনটি নির্বিঘ্নে পরিচালনার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর মধ্যে রয়েছে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা, লোকোমোটিভ ও কর সরবরাহ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্টেশন মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সময়সূচি জানানো।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আশা, নতুন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ চালুর ফলে গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ এ রুটের বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।

খাদিজা রুমি/

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
সংসদে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মায়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি...

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২১তম কার্যদিবসে পৃথক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি জানান, প্রত্যাবাসনের ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই (ভ্যারিফিকেশন) কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মায়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ ও আলোচনার বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অগ্রাধিকার ইস্যু হিসেবে ধরে রাখতে জাতিসংঘ, বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। রাখাইনে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার প্রতি বাংলাদেশের নৈতিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক পতন ও বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির পেছনে বাজার কারসাজি, আইপিওতে অনিয়ম, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বল তদারকি, কর্পোরেট সুশাসনের ঘাটতি, নীতিগত অসঙ্গতি ও আস্থার সংকটসহ একাধিক কারণ কাজ করেছে।

তিনি জানান, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন অনুসন্ধান চালিয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। আরও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জড়িত রয়েছে কি না, তা উদঘাটনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজার কারসাজি ও অনিয়মে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইতোমধ্যে ১ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করেছে। এ ছাড়া তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিষয় দুদকে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকার নতুন বিএসইসি কমিশন নিয়োগ, বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত, শক্তিশালী নজরদারি, পুঁজিবাজার সংস্কার, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

এলিস/নাঈম

৪২ বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
৪২ বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে গত ৪২ বছরের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ভেঙেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে নগরের বিস্তীর্ণ এলাকা, স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন, ব্যাহত হয়েছে যোগাযোগ ও স্বাস্থ্যসেবা। একই সঙ্গে বেড়েছে পাহাড়ধসের আশঙ্কা। বিভিন্ন সড়ক জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। 

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল।

বুধবার (৮ জুলাই) ভোর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি জমে জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর সমান পানি জমে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহমদ বলেন, টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এটি গত ৪২ বছরের মধ্যে বন্দরনগরীতে এক দিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। ভারী বর্ষণের কারণে নগরীর নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, বাদামতলী, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, মোহরা, কাতালগঞ্জ, হালিশহর, পতেঙ্গা, চকবাজার ও বন্দর এলাকার নিম্নাঞ্চলে বিভিন্ন সড়কে পানি জমে আছে। অনেক স্থানে সড়ক ও ড্রেন একাকার হয়ে যাওয়ায় যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। কিছু এলাকায় ছোট যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ভারী বৃষ্টির কারণে অনেক বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে পড়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি বজায় থাকবে।

এদিকে, জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় খাল, নালা ও ড্রেন পরিষ্কার এবং পানি নিষ্কাশনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারাও মাঠে রয়েছেন।

টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ঘেঁষা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টির কারণে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা ও অন্যান্য ঝুঁকি এড়িয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসন থেকে।

এর আগে, মঙ্গলবার (৮ জুলাই) নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে দেওয়াল ধসে শফিকুল ইসলাম নামে একজন নিহত ও আরও চারজন আহত হয়েছেন।

অন্তরা/

ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট থেকে চলবে অভিযাত্রী কমিউটার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট থেকে চলবে অভিযাত্রী কমিউটার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে আগামী ১০ আগস্ট থেকে নতুন আন্তঃনগরধর্মী কমিউটার ট্রেন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’  চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্টের রাজশাহী কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন ট্রেন চালুর ফলে গোপালগঞ্জসহ ওই রুটের বিভিন্ন এলাকার যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। 

রেলওয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১০ আগস্ট ১৩৬ নম্বর ট্রেনের মাধ্যমে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে নতুন এই কমিউটার ট্রেন।

ট্রেনটি ঢাকা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জ পৌঁছাবে। ফিরতি ১৩৫ নম্বর ট্রেন গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।

ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী ট্রেনটি কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিকারপুর, ভাঙ্গা জংশন ও নগরকান্দা স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। অন্যদিকে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি মহেশপুর, কাশিয়ানী জংশনসহ নির্ধারিত স্টেশনগুলোতে থামবে।

রেলওয়ের তথ্যমতে, ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ট্রেনটির মোট চলাচলের দূরত্ব ১৮৮ কিলোমিটার।

ট্রেনটি প্রতি শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। জয়দেবপুর কমিউটারের আট কোচবিশিষ্ট রেক দিয়ে ট্রেনটি পরিচালিত হবে এবং রেকের বেইজ, ওয়াটারিং ও ক্লিনিংয়ের কাজ ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে।

নতুন ট্রেনটি নির্বিঘ্নে পরিচালনার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর মধ্যে রয়েছে টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা, লোকোমোটিভ ও কর সরবরাহ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্টেশন মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সময়সূচি জানানো।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আশা, নতুন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ চালুর ফলে গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ এ রুটের বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।

খাদিজা রুমি/

হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হামে আক্রান্ত শিশু। ছবি: খবরের কাগজ

দেশে হামের উপর্সগ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আর ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে ৯০২টি শিশুর।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

সারাদেশে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫২টি শিশু। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪৫টি শিশু মারা গেছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৯৬। এই সময়ে ৭৪৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৮৪টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ১৮০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৭০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯১ হাজার ২৭০ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৭ হাজার ৬২৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

অন্তরা/

চাকরি হারানো ১৬২ সৈনিক পাচ্ছেন ভূতাপেক্ষ সুযোগ সুবিধা

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
চাকরি হারানো ১৬২ সৈনিক পাচ্ছেন ভূতাপেক্ষ সুযোগ সুবিধা
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

বৈষম্যের শিকার এবং অযৌক্তিকভাবে চাকরিচ্যুতির শিকার হওয়া ১৬২ জন পর্যায়ের সেনা সদস্য এবার পাচ্ছেন ভূতাপেক্ষ সুযোগ সুবিধা। এছাড়া একই প্রক্রিয়ায় রয়েছেন আরও অন্তত ৫০০ জন।

বুধবার (৮ জুলাই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।  

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈষম্যের শিকার এবং অযৌক্তিকভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ এনে প্রায় ১৩শ'র বেশি সৈনিক পর্যায়ের বরখাস্ত/ অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেনা সদস্য চাকরি ফিরে পাওয়া অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও সুযোগ সুবিধার জন্য আবেদন করেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত পর্ষদ কয়েক ধাপের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে প্রায় ৮৫০টি আবেদনকে যৌক্তিক হিসেবে নির্ধারণ করে। পরে সেখান থেকে পর্যালোচনা পর্ষদ বা কমিটি প্রথম ধাপে প্রায় ৩৫০ জনের আবেদন পর্যালোচনা করে প্রায় ১৬২ জনেরও মতো বরখাস্ত/ অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি বা সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যেই চাকরি হারানো বেশ কয়েকজন সাবেক সেনা সদস্য অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা পেতে শুরু করেছেন বলেও মন্ত্রণালয়ের ওই সূত্র নিশ্চিত করেছে। যেকোনো সময়ে অন্যরাও তাদের সুযোগ-সুবিধা পাওয়া শুরু করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, বর্তমানে পর্যালোচনা পর্ষদে বাছাই হয়ে থাকা বাকি প্রায় ৫০০টি আবেদন প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। সেগুলোও পর্যায়ক্রমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রক্রিয়ার মধ্যেই একশ্রেণীর সাবেক সেনা সদস্যদের উস্কানিমূলক তৎপরতা নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে বলেও জানিয়েছেন তারা। 

পর্যালোচনা পর্ষদ ও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল পুত্রগুলো জানিয়েছে, প্রতিটি আবেদনই কয়েকটি ধাপে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা বা যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যে অভিযোগে তাদের চাকরি চলে গিয়েছিল, সেগুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, অনেকে মাদকাসক্ত, পরকীয়া সম্পর্কসহ বিভিন্ন নৈতিক স্খলন জনিত কারণে চাকরি হারিয়েছেন। কিন্তু তারাও সময় এবং সুযোগ বুঝে বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার দাবি করে চাকরি ফিরে পাওয়া বা ভূতাপেক্ষ সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বর্তমানে সাবেক সৈনিকদের মধ্যে যারা আন্দোলনে নামার তৎপরতা চালাচ্ছেন, তাদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে জড়ানো ওই জাতীয় সাবেক সেনা সদস্যরা অগ্রগামী ভুমিকা রাখছেন। বাস্তবতায় তাদের উস্কানিমূলক এই আন্দোলনের ফলে সুপারিশপ্রাপ্ত বা যৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হতে যাচ্ছেন এমন সৈনিকরাও ক্ষতিগ্রস্তের সম্মুখীন হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা। 

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ জন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তথা  সরকার। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর প্রায় একই ধরনের বিষয়ে আবেদন করা সৈনিকদের মধ্যেও কেউ কেউ তীব্র উস্কানি বা ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। 

আলমগীর হোসেন/রিফাত/