ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ঈশ্বরগঞ্জে একরাতে ১০ গরু চুরি, আতঙ্কে কৃষক মুক্তির আগেই বিতর্ক থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন ইবি ছাত্রশক্তির কমিটিকে ‘হাইব্রিড পকেট কমিটি’ দাবি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার ধৈর্যই আমাদের জয়ের চাবিকাঠি:  স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১৩ বিরতি ভেঙে ফিরছেন বুবলি নামাজের শেষ মুহূর্তের এক মহামূল্যবান সুযোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী কলকাতার নন্দনে নন্দিত বাংলাদেশের ‘সম্পর্ক’ মহাকালের পটে এক ঋজু পদচ্ছাপ: আবুল কাসেম ফজলুল হক ও বাঙালির মননবিশ্বের বিবর্তন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫৪ গবেষকের পিএইচডি-এমফিল ডিগ্রি অর্জন এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর স্মরণে বরিশালে দোয়া মাহফিল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে! যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে বাজেট প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নাকি সংস্কারের হারানো সুযোগ ঢলে ভাসছে চকরিয়া-পেকুয়া, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু ‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র মেসি ও সালাহর সামনে রেকর্ডের হাতছানি জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫ ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সদাচারী জ্ঞানসাধক আবুল কাসেম ফজলুল হক কিনব্রিজের পাদদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন চট্টগ্রামে দেয়ালধসে নিহত ১, শিশুসহ আহত তিন টানা বৃষ্টির প্রভাব, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র অবিরাম বৃষ্টিতে ঝুঁকিতে বান্দরবান, খোলা হলো ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমীক্ষা কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে, সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

মন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য তিস্তা নদী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে উজানে বাঁধ নির্মাণসহ বিভিন্ন কারণে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় তিস্তা সেচ প্রকল্প ও কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। আবার বর্ষাকালে উজানে অতিবৃষ্টির ফলে আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, তিস্তা তীরবর্তী রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলায় ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২২২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪২ দশমিক ১৭ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ১১০ কিলোমিটার ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বাঁধের ওপর সড়ক নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক দিকগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ, নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, নৌ-যোগাযোগ ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের প্রসারের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে সমীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এলিস/নাঈম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী
পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমীক্ষা কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে, সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

মন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য তিস্তা নদী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে উজানে বাঁধ নির্মাণসহ বিভিন্ন কারণে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় তিস্তা সেচ প্রকল্প ও কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। আবার বর্ষাকালে উজানে অতিবৃষ্টির ফলে আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, তিস্তা তীরবর্তী রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলায় ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২২২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪২ দশমিক ১৭ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ১১০ কিলোমিটার ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বাঁধের ওপর সড়ক নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক দিকগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ, নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, নৌ-যোগাযোগ ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের প্রসারের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে সমীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এলিস/নাঈম

বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিনা খরচে কর্মী পাঠানো শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউসে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান ও মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়েও সুখবর আসবে।

তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং অ্যাজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার এবং অ্যাজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে তা আবার চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।

এরপর ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারও বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিলের বিষয়ে আলোচনা চলতে থাকে।

এদিকে, ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরেও দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। দুই দেশের সরকারের আলোচনার মাধ্যমে আইনি জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে শ্রমবাজার আবারও চালুর ঘোষণা এসেছে।

রিফাত/অমিয়/

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
১৭৪ বাংলাদেশি/ ছবি: খবরের কাগজ

লিবিয়ার বেনগাজীতে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার এবং ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি মোট ১৭৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবাসন করা হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের ফ্লাইটে তারা দেশে ফেরেন।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বলে জানা যায়।

তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এ দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

তামান্না রুপা/

বিমা খাতকে আইনি কাঠামোয় আনার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
বিমা খাতকে আইনি কাঠামোয় আনার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর
বক্তব্য রাখছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: পিআইডি

আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গতি বাড়াতে বিমা খাতকে একটি শক্ত ও সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে জনগণের আস্থা ফেরানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, ‘কোনো আধুনিক অর্থনৈতিক লেনদেন কেবল বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে চলতে পারে না। নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে এবং এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে একটি যুগোপযোগী আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে।’

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে দেশের অন্যতম বিমা প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি’র ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘বিমা কেবল একটি সেবামূলক কাজই নয়, এটি দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করার অন্যতম উপাদান। যখন একজন সাধারণ নাগরিক বা উদ্যোক্তা জীবনের নিরাপত্তা ও বিমার নিশ্চয়তা পান, তখন তিনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিরাপদ বোধ করেন। একই সঙ্গে সুচিন্তিতভাবে তার প্রতিভা ও উদ্যোগকে কাজে লাগাতে পারেন। আর এভাবেই সমষ্টিগত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে একটি বড় ধরনের উল্লম্ফন ও গতি তৈরি হয়।’

বিগত আমলের অর্থনৈতিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কেবল গতানুগতিকভাবে দেশ পরিচালনার জন্য ক্ষমতা গ্রহণ করেননি, আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছি। কী পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, কত টাকা কর-ব্যবস্থার বাইরে পড়ে আছে, রাজস্বের আওতায় আনা যায়নি তা আমাদের চিহ্নিত করতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার আগেই আমরা রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করেছি। এখন এই সমস্যাগুলো সংস্কার ও মেরামত করা না হলে সমাধানের মূল লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।’

এ সময় তথ্যমন্ত্রী বীমা খাতের বিরাজমান সমস্যাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে অর্থমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার জন্য বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে বিমা জগতকে আরও বিস্তৃত করতে এবং শক্তিশালী নীতি কাঠামো তৈরিতে সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ এমপি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের সিইও মো. কাজিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিমা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আজহার/অমিয়/

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়, তিনটি পাঠানো হলো ঢাকায়

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়, তিনটি পাঠানো হলো ঢাকায়
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে বৈরী আবহাওয়ার কারণে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে তিনটি ফ্লাইটকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে।

তীব্র ঝড়ো বাতাসের কারণে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এই বিমানবন্দর দিয়ে আসা-যাওয়া (অ্যারাইভাল ও ডিপার্চার) করা প্রায় সব ফ্লাইটের শিডিউল বিপর্যস্ত হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রতিটি ফ্লাইট প্রায় ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে চলাচল করছে।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে দায়িত্বরত প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল খবরের কাগজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার। তীব্র বাতাসের কারণে রানওয়েতে নিরাপদ অবতরণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের ৩টি ফ্লাইট চট্টগ্রামে নামতে না পেরে ঢাকায় অবতরণ করেছে। রানওয়েতেও পানি জমে গেছে।

তিনি জানান, আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইট BS350 বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামে নামতে না পেরে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। শারজাহ থেকে আসা ফ্লাইট G9-526 একই পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামে নামতে ব্যর্থ হয় এবং পরে ঢাকায় ডাইভার্ট করা হয়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট BG121 চট্টগ্রামের আকাশসীমা থেকে পুনরায় ঢাকায় ফিরে যায়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচলে এই বিলম্ব বা সাময়িক পরিবর্তন বজায় থাকতে পারে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এই প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কার্যক্রমেও মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট ওঠানামা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রিফাত/