ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মিসরের গোল বাতিলে যা বললেন সাবেক রেফারির ভিএআর সমালোচনায় সাবেক ফুটবলার, কোচ ও বিশ্লেষক খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ইতালিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু টুয়েলভ ক্লদিংয়ে চলছে ইনস্ট্যান্ট ভাউচার হুমকিতে সিরিয়া, ম্যাক্রোঁর দামেস্ক সফরকালীন হামলার নেপথ্যে কারা? ইরানে নতুন করে হামলা জরুরি ছিল: ন্যাটোপ্রধান মিসরীয় কোচের ফিফার বর্ণবাদ-বিরোধী অঙ্গভঙ্গি ভারতে পাচারের শিকারদের জন্য বেনাপোলে চালু হলো হাফওয়ে শেল্টার হোম মেসির পেনাল্টি আটকে দেওয়া কে এই গোলরক্ষক? ৮ জুলাই মুদ্রা বাজার: বেড়েছে কানাডিয়ান ডলার, ইন্ডিয়ান রুপির দাম কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ নিয়ে সংঘর্ষ, ব্রাজিল সমর্থক নিহত বিশ্বকাপ বিতর্ক: কে এই ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেটেক্সিয়ার? দিনাজপুরে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু, স্বামী আটক মার্কিন-ইরান সংঘাতে আফ্রিকার ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের হাওয়া পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী আবাসন প্রকল্পে শতাধিক গাছের চারা কর্তন, শাস্তি দাবি কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি: বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাতে জনজীবন বিপর্যস্ত, পাহাড়ধসের শংকা কোয়ার্টার ফাইনালের কার প্রতিপক্ষ কে? আইশোস্পিডকে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ, তদন্তে ফিফা ভারতে সাজাভোগ শেষে ফেরত আসলেন ১০ বাংলাদেশি ভারী বর্ষণে ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত সেন্টমার্টিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মেহেরপুরে চুরি হওয়া প্রায় ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন ঈশ্বরগঞ্জের আলমগীর কবির ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের ৬০ মিলিয়ন ইউরো অর্থায়ন পেল ব্র্যাক ব্যাংক ভেবেছিলাম আমিই দলকে ডুবালাম: মেসি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস বেরোবি ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা অর্থ মন্ত্রনালয় ও যমুনা ব্যাংকের যৌথ আয়োজনে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধন

কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি: বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ এএম
কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি: বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন
ছবি: সংগৃহীত

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায়, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রে (কপাবিকে) বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়ছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পানির স্বল্পতা কাটিয়ে অবশেষে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একযোগে চালু করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব ইউনিট চালু হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৪৪ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান আরও জানান, ‘গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই লেকের পানির লেভেল সন্তোষজনক হারে বাড়ছে। পানির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল এই কেন্দ্রের উৎপাদন সচল রাখতে আমরা মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটই এক সঙ্গে চালু করতে সক্ষম হয়েছি।’

এদিকে কেন্দ্রের কন্ট্রোলরুমে দায়িত্বরত প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কাপ্তাই লেকে পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ৭৯ দশমিক ৮৬ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। যদিও রুলকার্ভ (পানির পরিমাপক নির্দেশিকা) অনুযায়ী বছরের এই সময়ে লেকে পানি থাকার কথা ৮৪ দশমিক ৯৬ ফুট এমএসএল। অর্থাৎ, রুলকার্ভের চেয়ে এখনও কিছুটা কম পানি থাকলেও বর্তমান প্রবাহ উৎপাদন সচল রাখার জন্য পর্যাপ্ত।

কন্ট্রোলরুম সূত্রে জানা গেছে, চালু হওয়া ৫টি ইউনিট থেকে বর্তমানে মোট ১৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে ইউনিটভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিত্র- ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের প্রতিটি ইউনিট থেকে ৩২ মেগাওয়াট করে মোট ৬৪ মেগাওয়াট। ৩ নম্বর ইউনিট ইউনিট থেকে উৎপাদিত হচ্ছে ৩০ মেগাওয়াট, ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটের প্রতিটি ইউনিট থেকে ২৫ মেগাওয়াট করে মোট ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

উল্লেখ্য, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এই ৫টি ইউনিটের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বা ইনস্টলড ক্যাপাসিটি হলো ২৪২ মেগাওয়াট (পিক আওয়ারে যা ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত ধরা হয়)। পানির স্তর আরও বাড়লে উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকৌশলীরা আরও জানান, তীব্র খরা ও লেকের পানি আশঙ্কাজনকহারে কমে যাওয়ার কারণে বিগত কয়েক মাস ধরে এখানে চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয় চলছিল। বাধ্য হয়ে কখনো ১টি বা সর্বোচ্চ ২টি ইউনিট চালু রেখে নামমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা হয়েছিল। তবে বৃষ্টির সুবাদে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটে। গত ৬ জুলাই ৩টি ইউনিট এবং গতকাল মঙ্গলবার রাতে ৫টি ইউনিটই ধাপে ধাপে চালু করা হয়।

কাপ্তাই লেকে পানির সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ১০৮ ফুট এমএসএল। পাহাড়ি ঢলের এই ধারা অব্যাহত থাকলে লেকের পানির স্তর স্বাভাবিক রূপ ধারন করবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

খাদিজা রুমি/

কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি: বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ এএম
কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি: বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন
ছবি: সংগৃহীত

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেকে টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায়, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রে (কপাবিকে) বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়ছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পানির স্বল্পতা কাটিয়ে অবশেষে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একযোগে চালু করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব ইউনিট চালু হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৪৪ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান আরও জানান, ‘গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই লেকের পানির লেভেল সন্তোষজনক হারে বাড়ছে। পানির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল এই কেন্দ্রের উৎপাদন সচল রাখতে আমরা মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটই এক সঙ্গে চালু করতে সক্ষম হয়েছি।’

এদিকে কেন্দ্রের কন্ট্রোলরুমে দায়িত্বরত প্রকৌশলীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কাপ্তাই লেকে পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ৭৯ দশমিক ৮৬ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। যদিও রুলকার্ভ (পানির পরিমাপক নির্দেশিকা) অনুযায়ী বছরের এই সময়ে লেকে পানি থাকার কথা ৮৪ দশমিক ৯৬ ফুট এমএসএল। অর্থাৎ, রুলকার্ভের চেয়ে এখনও কিছুটা কম পানি থাকলেও বর্তমান প্রবাহ উৎপাদন সচল রাখার জন্য পর্যাপ্ত।

কন্ট্রোলরুম সূত্রে জানা গেছে, চালু হওয়া ৫টি ইউনিট থেকে বর্তমানে মোট ১৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে ইউনিটভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিত্র- ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের প্রতিটি ইউনিট থেকে ৩২ মেগাওয়াট করে মোট ৬৪ মেগাওয়াট। ৩ নম্বর ইউনিট ইউনিট থেকে উৎপাদিত হচ্ছে ৩০ মেগাওয়াট, ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিটের প্রতিটি ইউনিট থেকে ২৫ মেগাওয়াট করে মোট ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

উল্লেখ্য, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এই ৫টি ইউনিটের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বা ইনস্টলড ক্যাপাসিটি হলো ২৪২ মেগাওয়াট (পিক আওয়ারে যা ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত ধরা হয়)। পানির স্তর আরও বাড়লে উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকৌশলীরা আরও জানান, তীব্র খরা ও লেকের পানি আশঙ্কাজনকহারে কমে যাওয়ার কারণে বিগত কয়েক মাস ধরে এখানে চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয় চলছিল। বাধ্য হয়ে কখনো ১টি বা সর্বোচ্চ ২টি ইউনিট চালু রেখে নামমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা হয়েছিল। তবে বৃষ্টির সুবাদে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটে। গত ৬ জুলাই ৩টি ইউনিট এবং গতকাল মঙ্গলবার রাতে ৫টি ইউনিটই ধাপে ধাপে চালু করা হয়।

কাপ্তাই লেকে পানির সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ১০৮ ফুট এমএসএল। পাহাড়ি ঢলের এই ধারা অব্যাহত থাকলে লেকের পানির স্তর স্বাভাবিক রূপ ধারন করবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

খাদিজা রুমি/

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪ এএম
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এছাড়াও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দুর্বল হয়ে পূর্ব মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

রিফাত/

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৪ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৯ এএম
চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত
ছবি: খবরের কাগজ

বন্যা পরিস্থিতি ও বৈরী আবহাওয়া বিবেচনায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলায় বুধবারের (৮ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে প্রথমে চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলায় পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। 

পরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হলে জেলা প্রশাসকদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার বুধবারের পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়। 

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলা অর্থাৎ চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার বুধবারের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

মঙ্গলবার মধ্যরাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে। 

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যা পরিস্থিতি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে বুধবারের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এসব পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরে জানানো হবে।

এদিকে গত চার দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে চট্টগ্রামের জনজীবন। কর্মজীবী মানুষের পাশাপাশি ভোগান্তি পোহাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়ির মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। পানি প্রবেশ করায় ঘরের আসবাবপত্র ও দোকানের মালামাল ক্ষতি হয়েছে অনেকের। 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই বৃষ্টিপাত আগামী শুক্রবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

এদিকে পাহাড় থেকে লোকজনকে সরে যেতে জনসচেতনতামূলক মাইকিং করছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছে। তাছাড়া সিটি করপোরেশন ও রেড ক্রিসেন্টের ভলান্টিয়ারদের সহযোগিতায় ১০১ সদস্যের র‌্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিতে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনকে আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। যেকোনো দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই র‌্যাপিড রেসপন্স টিম তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে কাজ করবে।

এ সময় রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে নগরবাসীকে যেকোনো জরুরি সহযোগিতার জন্য ০১৮০৫-৭৮৩৩৮৯ নম্বরে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল, অক্টোবরে শুরু ইউপি নির্বাচন: ডা. জাহেদ

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল, অক্টোবরে শুরু ইউপি নির্বাচন: ডা. জাহেদ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আগামী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ডা. জাহেদ বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক রোডম্যাপ প্রণয়ন করছে। চলতি মাসের শেষ দিকে এসব রোডম্যাপ চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে।’

ইসির তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে–হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চল, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল। হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউপি নির্বাচন দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে।’

জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কি না, এ নিয়ে নানা আলোচনা ছিল। তবে সরকার বলে আসছে, এ বছরের মধ্যেই নির্বাচন শুরু হবে। আবহাওয়া বিবেচনায় শুষ্ক ও শীত মৌসুমে বেশিসংখ্যক নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’ তার মতে, ‘অক্টোবরে নির্বাচন শুরু করা গেলে ২০২৭ সালের অক্টোবরের মধ্যে সব ধাপের নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে কটূক্তিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বিদ্যমান আইনে এটি বর্তমানে ফৌজদারি অপরাধ নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্যকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘শেখ হাসিনা চেহারা দেখাতে কুণ্ঠাবোধ করেন। আমার ধারণা, পরাজিত ও বিধ্বস্ত চেহারা দেখাতে তিনি চান না। কিন্তু অডিওবার্তায় তিনি নানা নির্দেশনা ও বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। মিডিয়ায় প্রচারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। টাকা আছে, তাই টাকা খরচ করে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনার চেষ্টা করছেন।’

তিনি বলেন, ‘টাকা দিয়ে কিছু লোককে ব্যবহার করা সম্ভব। কিন্তু এভাবে দেশে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। কিছু চোর-ডাকাত ও দুর্বৃত্তকে টাকা দিয়ে ব্যবহার করা গেলেও তাদের আহ্বানে দেশে কোনো সাড়া মেলেনি, ভবিষ্যতেও মিলবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।’

ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রসঙ্গে বলেন, ‘তাদের অনেকেই বিভিন্ন মামলার আসামি। কারও বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, আবার কেউ কেউ সাজাপ্রাপ্ত। তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়মিতভাবে উত্থাপন করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সাভারে এনসিপির জনসভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা
ছবি: খবরের কাগজ

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে রাজধানীসহ সারা দেশে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকায় ভোর থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিতে বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কোথাও ড্রেন উপচে পানি রাস্তায় উঠে আসে, কোথাও নিচু এলাকায় হাঁটুপানি থেকে কোমরসমান পানি জমে ব্যাহত হয় যান চলাচল। এতে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, দিনমজুর, রিকশাচালক ও সাধারণ পথচারীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির চিত্র দেখা যায় পুরান ঢাকার বংশাল থানার পাকিস্তান মাঠ (বর্তমানে বাংলাদেশ মাঠ) ও আশপাশের এলাকায়। সকাল থেকেই সেখানে কোমরসমান পানি জমে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। দোকানপাটে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক ব্যবসায়ী তাদের প্রতিষ্ঠান খুলতে পারেননি। অনেকে বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ রাখেন। নিচু এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতে পানি প্রবেশ করায় অনেক পরিবার ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হতে পারেননি। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই অল্প সময়ের বৃষ্টিতে এ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

ওই এলাকার রিকশাচালক আব্দুল কাদের বলেন, ‘সকাল থেকে পানির মধ্যেই রিকশা চালাচ্ছি। কোথায় গর্ত আর কোথায় রাস্তা বোঝা যায় না। কয়েকবার রিকশা আটকে গেছে। কষ্ট বেশি হলেও কাজ না করলে সংসার চলবে না।’

এদিকে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, কাঁঠালবাগান, মালিবাগ, শান্তিনগর, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী, মুগদা, মিরপুর, ধানমন্ডি ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের গতি কমে যায়। সড়কে পানি জমে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। বাসস্ট্যান্ডে গণপরিবহনের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের। অনেক এলাকায় বাসের সংকট দেখা দেওয়ায় রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি নেওয়ার অভিযোগ করেন যাত্রীরা।

মতিঝিলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকালে অফিসের উদ্দেশে বের হয়েছিলাম। কিন্তু রামপুরা এলাকায় পানি জমে থাকায় দীর্ঘক্ষণ বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। অফিসে পৌঁছাতে এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে।’

আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিজনিত দুর্ভোগ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে। একই সঙ্গে একটি লঘুচাপের প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দেশের অধিকাংশ এলাকায় দফায় দফায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৭ জুলাই সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১০ জুলাই পর্যন্ত দেশের বেশির ভাগ এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে।

অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীতে। এ ছাড়া টেকনাফে ১৯৫ মিলিমিটার, সন্দ্বীপে ১৬৭ মিলিমিটার, ফেনীতে ১২৯ মিলিমিটার এবং কুতুবদিয়ায় ১২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব ও উপকূলীয় অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টির প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

এদিকে টানা বর্ষণের কারণে কক্সবাজার, বান্দরবান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের কয়েকটি এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি কয়েকটি নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলা, বজ্রপাতের সময় খোলা স্থানে অবস্থান না করা এবং পাহাড়ি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধ এলাকায় চলাচলের সময় বিদ্যুতের খুঁটি, ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার ও খোলা ম্যানহোল থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।