ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আর্জেন্টিনার জয়ের মানসিকতা ও নেইমারকে পারেদেসের বার্তা যুবদল ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: মোনায়েম মুন্না পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি টেকনাফে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে মেমোরি চিপের সংকট ব্যাপক পরিসরে মানবসদৃশ রোবট ব্যবহারের দিকে চোখ টাটকার চেয়ে বাসি খেলে লাভ এই ৩ খাবার জনবল নেবে সোনারগাঁও হোটেল, দ্রুত আবেদন করুন মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০ ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাসের মুহূর্তে সমর্থকের মৃত্যু আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ফিফায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করল মিসর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম সাতকানিয়ায় হু হু করে ঢুকছে সাঙ্গুর পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে সব রেফারিই আর্জেন্টিনার চাঁদপুর যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটেও ট্রেন চলাচল বাতিল পশ্চিমবঙ্গে ১১ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার আসামিকে এনকাউন্টার হালান্ডের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে কোচ সলবাকেন আইডিয়া ছড়িয়ে দেওয়ার ৬টি কৌশল রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের ভিএআর বিতর্ক: মিশরকে কি ‘ডাকাতি’ করল আর্জেন্টিনা? চাকরি হারানো ১৬২ সৈনিক পাচ্ছেন ভূতাপেক্ষ সুযোগ সুবিধা নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারে পর্যবেক্ষকদের সুপারিশকে গুরুত্ব দেবে ইসি সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বাঁশখালীতে ভারি বর্ষণে জলাবদ্ধতা, পানিবন্দি প্রায় অর্ধ লাখ মানুষ রাজধানীতে ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৩২ মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাইফুল গুলিবিদ্ধ পাহাড় উজাড় ও বিরূপ আবহাওয়ায় সংকটে আলীকদমের মৌচাষিরা ভারী বর্ষণে চবির সব ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ভারতে পাচারের শিকারদের জন্য বেনাপোলে চালু হলো হাফওয়ে শেল্টার হোম

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
ভারতে পাচারের শিকারদের জন্য বেনাপোলে চালু হলো হাফওয়ে শেল্টার হোম
ছবিঃখবরের কাগজ

ভারতে পাচারের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে যশোরের বেনাপোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে হাফওয়ে শেল্টার হোম।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে বেনাপোল হোটেলে সান রুফে আয়োজিত হাফওয়ে হোমের এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক সংস্থা (ইউএনওডিসি) পরিচালিত 'গ্লোবাল অ্যাকশন এগেইনেস্ট ট্রাফিকিং ইন পারসন্স অ্যান্ড স্মাগলিং অব মাইগ্রেন্টস' প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রাইটস যশোর।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তি এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের জন্য জেন্ডার-সংবেদনশীল ও প্রতিবন্ধী-বান্ধব সুরক্ষা সেবা নিশ্চিত করাই এই হাফওয়ে হোমের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। এখানে ভুক্তভোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসন, নিরাপদ আশ্রয়, খাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা, আইনি সহায়তা এবং মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং সেবা দেওয়া হবে।

বেনাপোলের ভবেরবেড় এলাকায় স্থাপিত এই শেল্টার হোমটিতে একসঙ্গে ৩০ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী দুই থেকে সাত দিন পর্যন্ত এখানে রাখা হবে। কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য একজন হোম ম্যানেজার, একজন হোম মাদার, দুজন মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলরসহ ৯ সদস্যের একটি দক্ষ টিম নিয়োজিত রয়েছে।

রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্থাটির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর প্রদীপ দত্ত।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের ন্যাশনাল প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর তাসনীম বিনতে করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বেনাপোল পৌর প্রশাসক ফজলে ওয়াহিদ, প্রেসক্লাব বেনাপোলের সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন।

এ সময় হাফওয়ে হোমের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন রাইটস যশোরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এস এম আজহারুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

নজরুল/হীরা

টেকনাফে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
টেকনাফে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারে টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচর সমুদ্র উপকূল থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে সমুদ্রের কিনারায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা।

জানা গেছে, মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহটি বেওয়ারিশ হওয়ায় স্থানীয় ইউপি সদস্য বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানা ও নৌপুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

দুপুর ২টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) সঞ্জীব বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শাহপরীর দ্বীপ সমুদ্র উপকূল থেকে উদ্ধার অজ্ঞাত নারীর মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

শাহীন/খাদিজা রুমি/

ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাসের মুহূর্তে সমর্থকের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১০ পিএম
ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাসের মুহূর্তে সমর্থকের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়ের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে গিয়ে ঝিনাইদহে রসুল উদ্দীন নামে এক সমর্থকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌরসভার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত রসুল উদ্দীন আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। পেশায় তিনি একজন ভ্যানচালক ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাতে স্থানীয় দর্শকদের সাথে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচটি বড় পর্দায় দেখছিলেন রসুল উদ্দীন। 

খেলার একপর্যায়ে মিশর ২-০ গোলে এগিয়ে গেলে তিনি প্রচণ্ড মন খারাপ করে খেলা দেখা ছেড়ে বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ২-২ গোলে সমতায় ফিরলে তিনি আবারো খেলাস্থলে ছুটে আসেন। অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অতিরিক্ত আনন্দের রেশ ধরে তিনি জর্দা দিয়ে পরপর তিনটি পান খান। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থবোধ করেন।

স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রসুল উদ্দীনের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি আগে থেকেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। অতিরিক্ত উত্তেজনা এবং পানের জর্দার প্রতিক্রিয়ায় তার স্ট্রোক হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রিয় দলের জয়ের এমন আকস্মিক ও বেদনাদায়ক মৃত্যুতে রসুল উদ্দীনের পরিবার ও পুরো বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মাহফুজুর/খাদিজা রুমি/

সাতকানিয়ায় হু হু করে ঢুকছে সাঙ্গুর পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
সাতকানিয়ায় হু হু করে ঢুকছে সাঙ্গুর পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পাড় উপচে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাত থেকে সাঙ্গু নদীর বাজালিয়া ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া পয়েন্ট দিয়ে পাড় উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে। যা এখনো পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এতে বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক, বাড়িঘর, কৃষিজমি ও মাছের খামার তলিয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া পয়েন্টে সাঙ্গু নদীর পাড় উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এ ছাড়াও একই নদীর বিশ্বেশ্বর হাট পয়েন্ট ঘেঁষে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে; রামদা, কাটাখালীকুল, মাহালিয়া ও হাঙ্গর খালের পানি দুপাড় উপচে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে বাজালিয়া, ছদাহা ও কেঁওচিয়া ইউনিয়নের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

এ ছাড়াও বুড়ির দোকান ব্রিজ ও দস্তিদার হাট ব্রিজ এলাকায় কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়কের উপর দিয়ে একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে সীমিত পরিসরে পানি প্রবাহিত হলেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বাজালিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বড়দুয়ারা গ্রামের বাসিন্দা মো. সাইফুদ্দিন বলেন, ’ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে এ এলাকার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আমাদের বাড়িতেও পানি ঢুকে পড়েছে। বর্তমান আমরা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় অবস্থায় নিয়েছি। এ ছাড়াও আমাদের চলাচলের একমাত্র সড়কটিতে কোমড় সমান পানি হওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।’

মাছচাষি শহিদুল ইসলাম বলেন, ’গত রাতে (৭ জুলাই) একটি পুকুরের চারপাশে জাল দিয়ে ঘেরা করার পরও ডুবে গেছে। ফলে ওই পুকুরে থাকা কয়েক লাখ টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এ ছাড়াও হরিণতোয়া সড়কের প্রবেশ মুখের পুকুরটিতে পানি ঢুকতে শুরু করছে। তারপরও চারপাশে জাল দিয়ে মাছ রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

বুধবার (৮ জুলাই) পানি বিজ্ঞান উপ-বিভাগের প্রকৌশলী ইমরান হাসান বলেন, সাঙ্গু নদীর দোহাজারী পয়েন্টে সকাল ৬টায় ৫ দশমিক ৭২ মিটার, ৯টায় ৫ দশমিক ৮৭ মিটার এবং দুপুর ১২টায় ৫ দশমি ৯২ মিটার সীমা বরাবর প্রবাহিত হচ্ছে। 

চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। আমরা সার্বক্ষণিকভাবে নদীর পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। যেসব এলাকায় মানুষ বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন সেসব এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা প্রদানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে। এ ছাড়াও আমরা জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ দ্রুত সহায়তা পান।

সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. অমিত দে বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ইউনিয়নভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। খরব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, পাহাড়ধস ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। এ ছাড়াও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরিফুল/খাদিজা রুমি/

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটেও ট্রেন চলাচল বাতিল

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটেও ট্রেন চলাচল বাতিল
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আটকে পড়া পর্যটক এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এ রুটেও ট্রেন চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে প্রবল বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রামের জানালীহাট স্টেশনের কাছে রেললাইনের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। এতে সেখানে পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকা পড়ে। বিকেলেও পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ট্রেনটির যাত্রা বাতিল ঘোষণা করে রেল কর্তৃপক্ষ।

অপরদিকে, রেললাইনের ওপর গাছ পড়ে যাওয়ায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা প্রবাল এক্সপ্রেস দোহাজারীতে আটকা পড়ে। পরে ট্রেনটি জানালীহাট রেলস্টেশনে নিয়ে আসা হয়।

জানালীহাট স্টেশনের স্টেশনমাস্টার নিজাম উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, রেললাইন তলিয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস থামিয়ে দেওয়া হয়। পরে রাতে এর যাত্রা বাতিল করা হয়। যাত্রীরা রাতেই ফিরে গেছেন। টিকিটের টাকা সবাই ফেরত পাবেন। রেললাইন তলিয়ে যাওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। অপরদিকে, দোহাজারীতে আটকে থাকা প্রবাল এক্সপ্রেসকে জানালীহাট স্টেশনে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে রেললাইনের ওপর গাছ পড়ে ছিল। বৈরি আবহাওয়ার কারণে রেললাইন তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পানি নেমে গিয়ে রেললাইন নিরাপদ হলে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হবে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ষোলশহর স্টেশন থেকে ঢাকা থেকে আসা কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ছেড়ে যায়। তবে সুন্নিয়া মাদরাসা এলাকায় রেললাইন পানির নিচে থাকায় ট্রেনটি থামিয়ে দেওয়া হয়। ট্রেনটিতে প্রায় ৮০০ জন যাত্রী ছিলেন।

রিফাত/

বাঁশখালীতে ভারি বর্ষণে জলাবদ্ধতা, পানিবন্দি প্রায় অর্ধ লাখ মানুষ

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
বাঁশখালীতে ভারি বর্ষণে জলাবদ্ধতা, পানিবন্দি প্রায় অর্ধ লাখ মানুষ
ছবিঃখবরের কাগজ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে টানা চার দিনের বৃষ্টিতে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ। হুমকির মুখে পড়েছে সাগর উপকূলীয় বেড়িবাঁধ।

অপরদিকে টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন থেকে লোকজনকে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের প্রেমাশিয়া কদমরসুল এলাকায় বেড়িবাঁধের বড় অংশ ভেঙে গেছে। এতে যেকোন সময় বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে সাগরের নোনাপানি প্রবেশ করতে পারে। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি জায়গা দিয়ে পানি প্রবেশ করায় লোকালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত উপজেলা সদর ছাড়া কোথাও বিদ্যুৎব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়নি। এতে একদিকে পুরো উপজেলা অন্ধকার অন্যদিকে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই পানি তুলতে পারেননি। 

পল্লী বিদ্যুতের বাঁশখালী উপজেলার দায়িত্বরত ডিজিএম তৌহিদুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন স্থানে গাছ পড়ে তার ছিড়ে গেছে। তাছাড়া জাতীয় গ্রিডে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

বাঁশখালীর খানখানাবাদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম জানান, ভারী বর্ষণে খানখানাবাদ ইউনিয়নের প্রেমাশিয়া, কদমরসুল ও রায়ছটা এলাকায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি। বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে। যে কোনো সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে উপকূলীয় এলাকার ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যেতে পারে।

বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারসহ সংশ্লিষ্টদের ঝুঁকি এড়াতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শফকত হোসাইন/হীরা/