ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন কিশোরগঞ্জে  লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি, মোবাইল-টাকা লুট মোনাফিকদের চেনার সুনির্দিষ্ট কিছু আলামত হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নতুন মামলায় গ্রেপ্তার অবস্থা উত্তরণে কৌশল নির্ধারণ জরুরি চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু সিলেটে ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড দিনাজপুরে টানা বৃষ্টিতে স্থবির জনজীবন আর্জেন্টিনার জয়ের মানসিকতা ও নেইমারকে পারেদেসের বার্তা যুবদল ৩০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: মোনায়েম মুন্না পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি টেকনাফে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে মেমোরি চিপের সংকট ব্যাপক পরিসরে মানবসদৃশ রোবট ব্যবহারের দিকে চোখ টাটকার চেয়ে বাসি খেলে লাভ এই ৩ খাবার জনবল নেবে সোনারগাঁও হোটেল, দ্রুত আবেদন করুন মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০ ঝিনাইদহে আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাসের মুহূর্তে সমর্থকের মৃত্যু আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ফিফায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করল মিসর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম সাতকানিয়ায় হু হু করে ঢুকছে সাঙ্গুর পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে সব রেফারিই আর্জেন্টিনার চাঁদপুর যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটেও ট্রেন চলাচল বাতিল পশ্চিমবঙ্গে ১১ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার আসামিকে এনকাউন্টার হালান্ডের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে কোচ সলবাকেন আইডিয়া ছড়িয়ে দেওয়ার ৬টি কৌশল

দিনাজপুরে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু, স্বামী আটক

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
দিনাজপুরে স্বামীর শাবলের আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু, স্বামী আটক
ছবিঃ নিহত স্ত্রীর বাড়ির আশেপাশের চিত্র

দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে পারিবারিক কলহে স্বামীর খুন্তির (লোহার শাবল) আঘাতে স্ত্রী কুলসুম আক্তার মিমি (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত তিনটায় ফুলবাড়ী পৌরসভার স্বজনপুকুর (রুন্দিপাড়া) এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মানিক হোসেন (৩৫)-কে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত মিমি ওই এলাকার মৃত আব্দুল কাশেমের মেয়ে। অভিযুক্ত মানিক হোসেন ফুলবাড়ী পৌর এলাকার পূর্ব গৌরীপাড়া গ্রামের মৃত মতিনের ছেলে। বিয়ের পর থেকেই তিনি স্ত্রীর বাবার বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দাম্পত্য জীবনে তাদের তিনটি ছেলে সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মানিক হোসেন কোনো পেশায় নিয়োজিত না থাকায় সংসার পরিচালনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত।

ঘটনার দিন রাতে মিমি স্বামীকে অন্য কক্ষে গিয়ে ঘুমানোর কথা বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মানিক হোসেন স্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘরে থাকা একটি শাবল দিয়ে তার মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। পরে শাবলের পেছনের অংশ দিয়ে বুকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মিমির মৃত্যু হয়।

মায়ের চিৎকারে তিন সন্তান ও আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মানিক হোসেনকে আটক করে বেঁধে রাখেন। পরে খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের মা মেহেরুন নেছা বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় মানিক হোসেনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।

নিহতের বড় ছেলে আল-আমিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমাদের চোখের সামনেই আমার মাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই, হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ শাহ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর  মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়। গ্রেপ্তার  স্বামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সুলতান/হীরা

সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন
সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় আহতরা। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী এবং রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত পৌনে ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও আশপাশের এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বুধবার সকাল থেকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

আহতরা হলেন- ইন্টার্ন চিকিৎসক তাসপিয়ানুল হক ও রেজা নিলয়। নগরীর বালুচর এলাকার আবরার হোসেন ও জাহিদ। ওসমানী মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী এবং রোগীর আরেক স্বজন আহত হয়েছেন। আহত সবাই ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে এক শিশুকে জরুরি বিভাগে আনার পর রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দায়িত্বে থাকা এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা মারামারিতে লিপ্ত হন।

তবে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বাইরে থেকে আরও লোকজন এনে ওই ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা চালান। খবর পেয়ে অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা সেখানে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে জরুরি বিভাগে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে ইন্টার্ন চিকিৎসক রাকিন হান্নান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আহত দুই ইন্টার্ন চিকিৎসকের একজনের অবস্থা গুরুতর। অন্যজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আহত রোগীর তিন স্বজনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে খবর পেয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। 

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মাইনুল জাকির বলেন, পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরদিকে এ হামলার ঘটনার পর মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে পৃথক বিবৃতিতে হাসপাতালটির ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম, ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। হামলার প্রতিবাদে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের একাডেমিক শাটডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম, ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে বলা হয়, কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর আঘাত নয়, এটি পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর আঘাত। চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম ও ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। পাশাপাশি দাবি পূরণ ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিবৃতিতে বলা হয়, হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর সংঘটিত ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আমরা, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর এ ধরনের হামলা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর আঘাত নয়, এটি সমগ্র স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর সরাসরি আঘাত। চিকিৎসকরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাধারণ মানুষের সেবা দিয়ে থাকেন। তাদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম দায়িত্ব।

এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা, হাসপাতালের সব চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি। আমাদের ন্যায্য দাবিসমূহ পূরণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা করছি।

রিফাত/

কিশোরগঞ্জে  লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি, মোবাইল-টাকা লুট

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
কিশোরগঞ্জে  লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি, মোবাইল-টাকা লুট
ছবি: খবরের কাগজ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ হাওরে একটি লাশবাহী নৌকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নৌকায় থাকা যাত্রীদের তিনটি মোবাইল ফোন, নৌকার সোলার প্যানেলের ব্যাটারি ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও সুইজগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নৌকায় থাকা মৃত শিশুটির দাদা আবদুল হক জানান, মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের চমকপুর গ্রামের বাবু মিয়ার ১৫ দিন বয়সি কন্যাশিশু জন্মের পর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার শেষে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে শিশুটি মারা যায়। পরে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে নৌকাযোগে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।

পরে করিমগঞ্জের বালিখলা ঘাট থেকে নৌকা ছাড়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর একটি ছোট নৌকায় করে ৬ সদস্যের ডাকাতদল তাদের গতিরোধ করে।নৌকায় একটি শিশুর মরদেহ রয়েছে জানানোর পরও ডাকাতরা তা উপেক্ষা করে যার কাছে যা ছিল তা ছিনিয়ে নেয়। মারধরের ভয়ে তারা তিনটি মোবাইল ফোন ও সঙ্গে থাকা কিছু নগদ টাকা ডাকাতদের দিয়ে দেন।

নৌকার মাঝি রতন মিয়া জানান, নোয়াগাঁও সুইজগেট এলাকায় পৌঁছালে ডাকাতরা নৌকায় উঠে সোলার প্যানেলের ব্যাটারি এবং তাদের কাছে থাকা প্রায় ৪ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নৌ পুলিশের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

চামড়াঘাট নৌ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইস্কান্দার বলেন, ঘটনাটি শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তাসলিমা আক্তার/অন্তরা/

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন চশমা হিল এলাকায় পাহাড়ধসে ১২ বছর বয়সী এক ঘুমন্ত শিশু মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুপুর সোয়া ১টার দিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। 

নিহত শিশুর নাম সুমাইয়া, সে ওই এলাকার বাসিন্দা ফারুক হোসেনের মেয়ে।

জানা গেছে, পাহাড়ধসের সময় সুমাইয়া ও তার মা-বাবা ঘরেই ছিলেন। ধসের সময় মা-বাবা ঘর থেকে বের হয়ে গেলেও পাশের ঘরে থাকা সুমাইয়া বের হতে পারেনি।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শাহ ইমরান বলেন, ’চশমা হিলের পাদদেশে একটি টিনশেড ঘরের উপর পাহাড় ধসে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যেই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

ইতেখারুল ইসলাস/খাদিজা রুমি/

সিলেটে ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
সিলেটে ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড
আষাঢ়ের টানা বর্ষণে চরম দৈনন্দিন কাজ কর্ম করতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষজন। ছবি মামুন হোসেন

সিলেট অঞ্চলে গত ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে সিলেট আবহাওয়া অফিস। 

গত ৩০ ঘণ্টায় সিলেটের অনেক অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হয়েছে। পাশাপাশি কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা ১২টায় সিলেট আবহাওয়া অফিসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। 

বলা হয়,মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত ৫২.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি পাত রেকর্ড করা হয়েছে। এবং বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেটের আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে সাময়িক মেঘাচ্ছন্ন থাকবে।

সিলেটের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, সঙ্গে থাকতে পারে সাময়িক দমকা হাওয়া ও বজ্রপাত। কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। সিলেটে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন খবরের কাগজকে বলেন, এখন বর্ষাকাল বৃষ্টিপাত হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সিলেটে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

রিফাত/

দিনাজপুরে টানা বৃষ্টিতে স্থবির জনজীবন

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
দিনাজপুরে টানা বৃষ্টিতে স্থবির জনজীবন
ছবি: খবরের কাগজ

দিনাজপুরে কখনো ভারি বর্ষণ, কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। টানা বৃষ্টিতে শহরের সড়কগুলোতে মানুষের চলাচল কমে গেছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবিকায় এর প্রভাব পড়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার (৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত আকাশ ছিল ঘন মেঘে ঢাকা। থেমে থেমে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হননি। শহরের বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের চাপও ছিল তুলনামূলক কম।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবহন খাতের শ্রমজীবী মানুষেরা। তারা জীবিকার তাগিদে রাস্তায় বের হলেও যাত্রীসংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত আয় করতে পারেননি। বৃষ্টির কারণে পথচারীদের উপস্থিতিও ছিল অনেক কম। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডেও প্রভাব পড়েছে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জুল রহমান খবরের কাগজকে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামীকালও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া এবং সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

সুলতান মাহমুদ/থিওটোনিয়াস/