ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার হবে কবে এইউএসটি ও জার্মানির UNU-FLORES-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উত্তাল নদী, বিচ্ছিন্ন হাতিয়ার জনজীবন সিলেট সীমান্তে জিরা, চা পাতা ও চিনিসহ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জাককানইবি ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গুর পানি, বান্দরবানে বন্যা-আতঙ্ক হাতিরঝিলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় মাদরাসার উপর পাহাড়ধস, কয়েকজনের মৃত্যুর শঙ্কা আইএসইউতে ওবিই ভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অ্যাসেসমেন্ট রুব্রিক্স বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ৪২ বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড বোয়ালমারীতে ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক, আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০৪ জন জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড়ধসে ৯মাসের শিশুর মৃত্যু প্রথম এআই-চালিত সাইবার হামলা ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে ভিএআর বিতর্ক: কী বলছে ফিফার নিয়ম? পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ১০ আগস্ট থেকে চলবে অভিযাত্রী কমিউটার সিলেট ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় কর্মবিরতি ও একাডেমিক শাটডাউন চাঁদপুরে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল নিয়ে ডুবে গেছে কার্গো পাটগ্রামে পাওনা ১০০ টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে কোপালেন যুবদল নেতা কিশোরগঞ্জে  লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি, মোবাইল-টাকা লুট মোনাফিকদের চেনার সুনির্দিষ্ট কিছু আলামত হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক নতুন মামলায় গ্রেপ্তার অবস্থা উত্তরণে কৌশল নির্ধারণ জরুরি চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু সিলেটে ৩০ ঘণ্টায় ১২৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

প্রথম এআই-চালিত সাইবার হামলা

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
প্রথম এআই-চালিত সাইবার হামলা
ছবি: সংগৃহীত

ক্লাউড নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিসডিগের গবেষকরা গত সপ্তাহে ইতিহাসের প্রথম ‘এজেন্টিক র‍্যানসমওয়্যার’ হামলার তথ্য প্রকাশ করেছেন। ‘জেডপাফার’ নামের এই সাইবার হামলায় কারিগরি পর্যায়ে কোনো মানুষের সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল না। একটি এআই এজেন্ট এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেছে। মানুষের মতো এটি পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে সার্ভারে প্রবেশ করে, তথ্য চুরি করে ফাইল লক বা এনক্রিপ্ট করে দেয়। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, কারিগরি কাজে মানুষ না থাকলেও এই হামলার পেছনে মানুষের পরিকল্পনা ছিল।

সিসডিগের থ্রেট রিসার্চ বিভাগের প্রধান মাইকেল ক্লার্ক জানিয়েছেন, একজন মানুষ মূলত এই হামলার পুরো পরিকাঠামো তৈরি করেছেন। তিনি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সার্ভার সেটআপ করেন এবং আক্রমণের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেন। এমনকি ডেটাবেজে প্রবেশের পাসওয়ার্ডও পূর্ববর্তী একটি হ্যাকিং থেকে সংগ্রহ করে ওই এআই এজেন্টকে দেওয়া হয়। তাই একে সম্পূর্ণ স্বাধীন হামলা বলা যাবে না।

হামলার কারিগরি দিকগুলো বেশ চমকপ্রদ। এআই এজেন্টটি ল্যাংফ্লো অ্যাপের একটি পরিচিত ত্রুটি ব্যবহার করে সিস্টেমে প্রবেশ করে। এরপর মাইএসকিউএল সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ১ হাজার ৩০০টির বেশি কনফিগারেশন ফাইল এনক্রিপ্ট করে। এটি নিজে মুক্তিপণ বার্তা লেখে এবং বিটকয়েন ঠিকানা যুক্ত করে। পুরো প্রক্রিয়াটিতে হামলার পদ্ধতি সাধারণ হলেও এআই অত্যন্ত দ্রুত কাজ করেছে। একটি লগইন জটিলতা এটি মাত্র ৩১ সেকেন্ডে নিজে নিজে সমাধান করে ফেলে। পুরো প্রক্রিয়ায় এটি সাধারণ ভাষায় নিজের কাজের ব্যাখ্যা কোডের মন্তব্যে লিখে রেখেছিল।

তদন্তে দেখা গেছে, এজেন্টটি ওপেনএআই, অ্যানথ্রোপিক, ডিপসিক ও জেমিনাইয়ের মতো বড় এআই মডেলের এপিআই কী চুরি করেছে। তবে এগুলো ছিল চুরির অংশ, যা দিয়ে মূল হামলা চালানো হয়নি। সিসডিগ এখনও নিশ্চিত নয় কোন মডেলটি এই হামলা চালিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে ফেলা কোনো ওপেন-সোর্স এআই মডেল এর পেছনে কাজ করেছে।

কম খরচে এআই ব্যবহার করা যায় বলে গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, ভবিষ্যতে একসঙ্গে হাজার হাজার স্বয়ংক্রিয় সাইবার হামলা চালানো সম্ভব হতে পারে। তবে মানুষের পরিকল্পনা ছাড়া এআই এখনো পুরোপুরি স্বাধীনভাবে বড় কোনো হামলা চালাতে পারে না। সিসডিগ মনে করছে, সস্তা হওয়ার কারণে আগামী দিনে এ ধরনের এআই-চালিত সাইবার আক্রমণ প্রযুক্তি বিশ্বে ঝুঁকি তৈরি করবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে মেমোরি চিপের সংকট

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে মেমোরি চিপের সংকট
ছবি সিএমজি বাংলা

বিশ্বে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দাপটের ফলে মেমোরি চিপের বাজারে বড় ধরনের সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে চীনের মেমোরি চিপ নির্মাতারা তাদের উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিপ শিল্পের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ২০২৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
আইডিসি চায়নার রিসার্চ ম্যানেজার শিন ই-এর মতে, মেমোরি চিপের দাম বাড়ার মূল কারণ কেবল সাধারণ গ্রাহকদের চাহিদা বৃদ্ধি নয় বরং এআই চিপের উৎপাদন বাড়ার ফলে প্রচলিত চিপের ওপর তৈরি হওয়া প্রভাব বা ‘সাইফনিং ইফেক্ট’। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, চিপ নির্মাতারা তাদের উৎপাদন লাইনগুলোকে অধিক লাভজনক এআই চিপ উৎপাদনের উপযোগী করে তুলছে। যার ফলে কমছে প্রচলিত মেমোরি চিপের উৎপাদন। এদিকে, সম্ভাব্য সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগেভাগেই পণ্য মজুদ করতে শুরু করেছে, যা বাজারে এক ধরনের প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কিত ক্রয়ের জন্ম দিয়েছে।
চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে চীনের প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন বাড়ানোর গতি বাড়াচ্ছে। শেনজেনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘বিউইন স্টোরেজ টেকনোলজি’ এন্টারপ্রাইজ-লেভেলের মেমোরি মডিউলের উৎপাদন সক্ষমতায় বড় বিনিয়োগ করেছে।  এই চিপ সংকটের ফলে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স, এসকে হাইনিক্স এবং মাইক্রনের মতো শীর্ষস্থানীয় চিপ নির্মাতাদের শেয়ারের দামও বেড়েছে। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের বাজার মূলধন এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সূত্র: সিএমজি বাংলা

বিশ্ববাজারে ব্যবসা বাড়াতে নতুন রূপে ‘টিপসই’

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
বিশ্ববাজারে ব্যবসা বাড়াতে নতুন রূপে ‘টিপসই’
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত (এআই) কর্মী ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ‘টিপসই’ নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতি উন্মোচন করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নিজেদের নতুন করে সাজিয়েছে ইনোভেস টেকনোলজিসের এই প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশে তৈরি এই প্রযুক্তি এরই মধ্যে বিশ্বের ১১টি দেশে পৌঁছে গেছে।

নতুন পরিচিতির অংশ হিসেবে লোগোসহ পুরো ব্র্যান্ড ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। টিপসইয়ের নতুন লোগোটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় সংস্করণে প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া দৃশ্যমান সব ডিজাইন ও ভাষার ধারাতেও এসেছে পরিবর্তন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রাহকদের সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে আরও উন্নত সেবা দিতে এই উদ্যোগ। এআই-ভিত্তিক টিপসইয়ের সফটওয়্যার, বায়োমেট্রিক ও অ্যাক্সেস কন্ট্রোল প্রযুক্তি গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একদল প্রকৌশলীর হাত ধরে যাত্রা শুরু করে টিপসই। বর্তমানে ১০ হাজারেরও বেশি সক্রিয় ডিভাইসের মাধ্যমে ১ হাজার ২০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠান ও ২ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি ব্যবহারকারীকে সেবা দিচ্ছে তারা। বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরিশাস, মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের ১১টি দেশের বিমানবন্দর, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কারখানা, হাসপাতাল ও এনজিওতে ব্যবহৃত হচ্ছে টিপসইয়ের প্রযুক্তি। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২৫ সালে দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় তিন গুণ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পর নতুন রূপে হাজির হওয়ার এ সিদ্ধান্ত নেয় টিপসই। ২০২৬ সালেও প্রবৃদ্ধির এ ধারা ধরে রেখে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বড় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা তাদের। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রকে আরও নিরাপদ ও উৎপাদনশীল করতে এআই এবং স্মার্ট হার্ডওয়্যারের ওপর গবেষণায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে প্রতিষ্ঠানটি।

টিপসই এর বিপণন বিভাগের প্রধান অর্ণব সিকদার বলেন ‘প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্র্যান্ড বদলায়। আমাদের প্রযুক্তি এগিয়েছে, প্ল্যাটফর্ম বড় হয়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে স্বপ্নও। তাই ব্র্যান্ডকেও সেই অগ্রগতির ছবি তুলে ধরতে হবে। নতুন এ পরিচিতি আমাদের সামনের পথের উপযোগী একটি ব্র্যান্ড দিয়েছে। এর ফলে নতুন বাজারে যাওয়া, নতুন পণ্য আনা এবং বাংলাদেশে তৈরি প্রযুক্তিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার গল্পটা এখন আরও স্পষ্টভাবে বলতে পারব আমরা।’

বৈশ্বিক বাজারে টিপসইয়ের এই সম্প্রসারণে সহায়তা করছে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অ্যাক্সিলারেটর প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাক্সিলারেটিং এশিয়া’ এবং ‘অরবিট ভেঞ্চারস’। অত্যন্ত বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এশিয়ার সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করে থাকে প্রতিষ্ঠানগুলো।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে টিপসইয়ের সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, বায়োমেট্রিক ও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ধাপে ধাপে নতুন এই ব্র্যান্ড পরিচিতি চালু করা হবে।

এআই ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
এআই ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) নতুন একটি স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করেছে। ‘ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ইন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স’ নামের এই প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। গত ২৪ জুন ইউজিসি এই অনুমোদন দেয়। প্রোগ্রামটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডভান্সড সায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটিং অনুষদের অধীনে পরিচালিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাশ্রয়ী খরচে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরি করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবেন। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

১৫২ ক্রেডিটের এই প্রোগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস ও সাইবার সিকিউরিটির মতো আধুনিক বিষয়গুলো পড়ানো হবে। তাত্ত্বিক পাঠদানের পাশাপাশি এতে ল্যাবভিত্তিক শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ থাকবে। মেধার ভিত্তিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফিতে ছাড় বা ওয়েভারের ব্যবস্থাও রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে আইএসইউতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে আটটি বিভাগ চালু রয়েছে। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে বিবিএ ও এমবিএ প্রোগ্রাম রয়েছে। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের অধীনে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট। এ ছাড়া মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ইংরেজি ও আইন পড়ানো হয়। এর বাইরে মাস্টার অব পাবলিক হেলথ প্রোগ্রামও চালু রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

গেম ডিস্ক বন্ধ করছে সনি প্লেস্টেশন

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পিএম
গেম ডিস্ক বন্ধ করছে সনি প্লেস্টেশন
ছবি: সংগৃহীত

২০২৮ সালের পর প্লেস্টেশনের কোনো গেম ডিস্ক আর বাজারে পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে প্লেস্টেশন-৩ ও প্লেস্টেশন ভিটার ডিজিটাল স্টোরগুলোও পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে সনি। সনির এই সিদ্ধান্ত ফিজিক্যাল মিডিয়া এবং পুরোনো গেম সংরক্ষণের ভবিষ্যতের জন্য বড় একটি ধাক্কা।

দুই দশক ধরে সনি ডিজিটাল গেমের দিকে ঝুঁকছে। প্লেস্টেশন ব্লগে সনির কনটেন্ট কমিউনিকেশনস দলের জ্যেষ্ঠ পরিচালক সিড শুমান জানান, গ্রাহকরা এখন ফিজিক্যাল ডিস্কের চেয়ে ডিজিটাল মিডিয়া বেশি পছন্দ করছেন। তাই এই পরিবর্তন বর্তমান ক্রেতাদের চাহিদার সঙ্গে মানানসই।

সনি জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্লেস্টেশন-৪ ও ৫-এর প্রায় ৮০ শতাংশ গেম ডিজিটাল ফরম্যাটে বিক্রি হয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে এই হার ছিল ৮৫ শতাংশ। অন্য প্রকাশকদের ক্ষেত্রে এই অনুপাত আরও বেশি। ক্যাপকমের মতো প্রতিষ্ঠানের ৯৫ শতাংশ বিক্রি এখন ডিজিটাল।

সনির জন্য পুরোপুরি ডিজিটাল মাধ্যমে যাওয়া লাভজনক। ডিস্ক তৈরি ও বিতরণের খরচ কমবে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী প্লেস্টেশন-৬-এ কোনো ডিস্ক ড্রাইভ থাকবে না। এতে কনসোল তৈরির খরচ কমানো সম্ভব হবে। তবে এই সিদ্ধান্তটি মূলত ভোক্তাদের স্বার্থের পরিপন্থী। এর ফলে গ্রাহকদের হাতে গেম কেনাবেচা বা পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ থাকবে না। প্লেস্টেশন স্টোরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়লে সনি গেমের দাম নিজেদের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। গেমের সেকেন্ড-হ্যান্ড বাজার পুরোপুরি বিলুপ্ত হবে।

সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরি হবে গেম সংরক্ষণে। ফিজিক্যাল ডিস্ক থাকলে গেমগুলো দীর্ঘদিন খেলা যায়। কিন্তু ডিজিটাল স্টোর বন্ধ হলে অনেক এক্সক্লুসিভ ডিজিটাল গেম চিরতরে হারিয়ে যাবে। এর আগে সনি স্টোর বন্ধের চেষ্টা করলে প্রায় ২ হাজার ২০০টি গেম হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এছাড়া ডিজিটাল গেম কেনার মাধ্যমে ব্যবহারকারী মূলত গেমটি খেলার একটি লাইসেন্স পান। সনি চাইলে যেকোনো সময় এই লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।

অন্যদিকে মাইক্রোসফটের পরবর্তী এক্সবক্স কনসোলে পিসি গেম খেলার সুবিধা থাকতে পারে। তারা থার্ড-পার্টি প্ল্যাটফর্মগুলোকে সমর্থন দেওয়ায় সেখানে গেম সংরক্ষণের ঝুঁকি কিছুটা কম। তবে শেষ পর্যন্ত তারাও হয়তো ডিস্কবিহীন ভবিষ্যতের দিকেই হাঁটবে। সনির এই পদক্ষেপ গেম সংরক্ষকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ।

হলিউড স্টুডিওগুলোর এআই ব্যবহারের তথ্য জানতে চায় মিডজার্নি

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পিএম
হলিউড স্টুডিওগুলোর এআই ব্যবহারের তথ্য জানতে চায় মিডজার্নি
ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন দুনিয়ার শীর্ষ প্রযুক্তি ও কপিরাইট নিয়ে চলমান আইনি লড়াইয়ে এবার নতুন মোড় নিয়েছে। হলিউডের বড় স্টুডিওগুলোর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে এবার পাল্টা কৌশল নিয়েছে জনপ্রিয় এআই ইমেজ জেনারেটর ‘মিডজার্নি’। ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারি, ডিজনি ও ইউনিভার্সাল স্টুডিওর মতো প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলো সিনেমা ও শো তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কীভাবে ব্যবহার করছে, তা আদালতে দেখতে চেয়েছে মিডজার্নি। বিনোদনবিষয়ক মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত বছর সুপারম্যান ও ব্যাটম্যানের মতো কপিরাইটযুক্ত চরিত্রের ছবি অনুমতি ছাড়া তৈরির অভিযোগে মিডজার্নির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল হলিউডের এই স্টুডিওগুলো। তাদের দাবি ছিল, মিডজার্নি কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করেছে।

এর জবাবে মিডজার্নির যুক্তি, ইন্টারনেট থেকে উন্মুক্ত ছবি ব্যবহার করে এআই মডেল প্রশিক্ষণ দেওয়া ‘ফেয়ার ইউজ’ বা ন্যায্য ব্যবহারের আওতাভুক্ত। একই সঙ্গে মিডজার্নির দাবি, স্টুডিওগুলো নিজেরাও তাদের নিজস্ব এআই প্রযুক্তি তৈরিতে একই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করতে স্টুডিওগুলোর এআই ব্যবসা পরিকল্পনা, গবেষণা প্রতিবেদন, ডেটাবেস এবং বোর্ড মিটিংয়ের উপস্থাপনা আদালতে জমা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে মিডজার্নি। তবে গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক স্টুডিওগুলোকে তাদের এআই ব্যবহারের অধিকাংশ তথ্য গোপন রাখার অনুমতি দেন। আদালত কেবল সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত বা ‘কনজিউমার ফেসিং’ এআই সম্পর্কিত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এখন সেই আদেশ বাতিলের জন্য ফেডারেল আদালতের কাছে আবেদন করেছে মিডজার্নি। আইনিবিষয়ক সাময়িকী মিলিস-এর তথ্য অনুযায়ী, মিডজার্নির আইনজীবীদের দাবি, স্টুডিওগুলো নিজেরাও যদি কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট দিয়ে নিজেদের এআই মডেল প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, তবে তাদের মামলার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।

মিডজার্নির আইনজীবী ববি গাজার বলেন, ‘বাদীরা যে অভিযোগ করেছে, তারা নিজেরাও যদি ঠিক একই কাজ করে থাকে, তবে তা মিডজার্নির আত্মপক্ষ সমর্থনে বড় প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।’ আইনজীবীদের মতে, ফেডারেল বিচারকের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে এআই ও কপিরাইটসংক্রান্ত অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে একটি বড় নজির হয়ে থাকবে।