ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে! যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে বাজেট প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নাকি সংস্কারের হারানো সুযোগ ঢলে ভাসছে চকরিয়া-পেকুয়া, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু ‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র মেসি ও সালাহর সামনে রেকর্ডের হাতছানি জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫ ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সদাচারী জ্ঞানসাধক আবুল কাসেম ফজলুল হক কিনব্রিজের পাদদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন চট্টগ্রামে দেয়ালধসে নিহত ১, শিশুসহ আহত তিন টানা বৃষ্টির প্রভাব, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র অবিরাম বৃষ্টিতে ঝুঁকিতে বান্দরবান, খোলা হলো ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র কারণ জানুন বিশ্ববাজারে ব্যবসা বাড়াতে নতুন রূপে ‘টিপসই’ মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে যেভাবে শুরু হয়েছিল মেসি-অধ্যায় এআই ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী কম্বোডিয়ায় মানবপাচার ও তরুণ নিহতের ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার লাকড়ির স্তূপে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর পাবলিক স্পিকিংয়ে মঞ্চ মাতাবেন যেভাবে মহাকাশে পতনশীল সুইফট অবজারভেটরি উদ্ধারে নাসার সফল অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের রাতের রানিতে সেজেছে পেকুয়ার পাহাড় নোয়াখালীর ২ হাসপাতালকে জরিমানা লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি ৭৩১ জনকে চাকরি দেবে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বিমা খাতকে আইনি কাঠামোয় আনার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

এআই ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
এআই ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) নতুন একটি স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করেছে। ‘ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ইন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স’ নামের এই প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। গত ২৪ জুন ইউজিসি এই অনুমোদন দেয়। প্রোগ্রামটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডভান্সড সায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটিং অনুষদের অধীনে পরিচালিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাশ্রয়ী খরচে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরি করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবেন। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

১৫২ ক্রেডিটের এই প্রোগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস ও সাইবার সিকিউরিটির মতো আধুনিক বিষয়গুলো পড়ানো হবে। তাত্ত্বিক পাঠদানের পাশাপাশি এতে ল্যাবভিত্তিক শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ থাকবে। মেধার ভিত্তিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফিতে ছাড় বা ওয়েভারের ব্যবস্থাও রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে আইএসইউতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে আটটি বিভাগ চালু রয়েছে। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে বিবিএ ও এমবিএ প্রোগ্রাম রয়েছে। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের অধীনে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট। এ ছাড়া মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদে ইংরেজি ও আইন পড়ানো হয়। এর বাইরে মাস্টার অব পাবলিক হেলথ প্রোগ্রামও চালু রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

বিশ্ববাজারে ব্যবসা বাড়াতে নতুন রূপে ‘টিপসই’

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
বিশ্ববাজারে ব্যবসা বাড়াতে নতুন রূপে ‘টিপসই’
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত (এআই) কর্মী ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ‘টিপসই’ নতুন ব্র্যান্ড পরিচিতি উন্মোচন করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নিজেদের নতুন করে সাজিয়েছে ইনোভেস টেকনোলজিসের এই প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশে তৈরি এই প্রযুক্তি এরই মধ্যে বিশ্বের ১১টি দেশে পৌঁছে গেছে।

নতুন পরিচিতির অংশ হিসেবে লোগোসহ পুরো ব্র্যান্ড ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। টিপসইয়ের নতুন লোগোটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় সংস্করণে প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া দৃশ্যমান সব ডিজাইন ও ভাষার ধারাতেও এসেছে পরিবর্তন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রাহকদের সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে আরও উন্নত সেবা দিতে এই উদ্যোগ। এআই-ভিত্তিক টিপসইয়ের সফটওয়্যার, বায়োমেট্রিক ও অ্যাক্সেস কন্ট্রোল প্রযুক্তি গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একদল প্রকৌশলীর হাত ধরে যাত্রা শুরু করে টিপসই। বর্তমানে ১০ হাজারেরও বেশি সক্রিয় ডিভাইসের মাধ্যমে ১ হাজার ২০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠান ও ২ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি ব্যবহারকারীকে সেবা দিচ্ছে তারা। বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরিশাস, মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের ১১টি দেশের বিমানবন্দর, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কারখানা, হাসপাতাল ও এনজিওতে ব্যবহৃত হচ্ছে টিপসইয়ের প্রযুক্তি। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০২৫ সালে দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় তিন গুণ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পর নতুন রূপে হাজির হওয়ার এ সিদ্ধান্ত নেয় টিপসই। ২০২৬ সালেও প্রবৃদ্ধির এ ধারা ধরে রেখে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বড় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা তাদের। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রকে আরও নিরাপদ ও উৎপাদনশীল করতে এআই এবং স্মার্ট হার্ডওয়্যারের ওপর গবেষণায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে প্রতিষ্ঠানটি।

টিপসই এর বিপণন বিভাগের প্রধান অর্ণব সিকদার বলেন ‘প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্র্যান্ড বদলায়। আমাদের প্রযুক্তি এগিয়েছে, প্ল্যাটফর্ম বড় হয়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে স্বপ্নও। তাই ব্র্যান্ডকেও সেই অগ্রগতির ছবি তুলে ধরতে হবে। নতুন এ পরিচিতি আমাদের সামনের পথের উপযোগী একটি ব্র্যান্ড দিয়েছে। এর ফলে নতুন বাজারে যাওয়া, নতুন পণ্য আনা এবং বাংলাদেশে তৈরি প্রযুক্তিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার গল্পটা এখন আরও স্পষ্টভাবে বলতে পারব আমরা।’

বৈশ্বিক বাজারে টিপসইয়ের এই সম্প্রসারণে সহায়তা করছে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অ্যাক্সিলারেটর প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাক্সিলারেটিং এশিয়া’ এবং ‘অরবিট ভেঞ্চারস’। অত্যন্ত বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এশিয়ার সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করে থাকে প্রতিষ্ঠানগুলো।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে টিপসইয়ের সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, বায়োমেট্রিক ও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ধাপে ধাপে নতুন এই ব্র্যান্ড পরিচিতি চালু করা হবে।

গেম ডিস্ক বন্ধ করছে সনি প্লেস্টেশন

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পিএম
গেম ডিস্ক বন্ধ করছে সনি প্লেস্টেশন
ছবি: সংগৃহীত

২০২৮ সালের পর প্লেস্টেশনের কোনো গেম ডিস্ক আর বাজারে পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে প্লেস্টেশন-৩ ও প্লেস্টেশন ভিটার ডিজিটাল স্টোরগুলোও পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে সনি। সনির এই সিদ্ধান্ত ফিজিক্যাল মিডিয়া এবং পুরোনো গেম সংরক্ষণের ভবিষ্যতের জন্য বড় একটি ধাক্কা।

দুই দশক ধরে সনি ডিজিটাল গেমের দিকে ঝুঁকছে। প্লেস্টেশন ব্লগে সনির কনটেন্ট কমিউনিকেশনস দলের জ্যেষ্ঠ পরিচালক সিড শুমান জানান, গ্রাহকরা এখন ফিজিক্যাল ডিস্কের চেয়ে ডিজিটাল মিডিয়া বেশি পছন্দ করছেন। তাই এই পরিবর্তন বর্তমান ক্রেতাদের চাহিদার সঙ্গে মানানসই।

সনি জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্লেস্টেশন-৪ ও ৫-এর প্রায় ৮০ শতাংশ গেম ডিজিটাল ফরম্যাটে বিক্রি হয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে এই হার ছিল ৮৫ শতাংশ। অন্য প্রকাশকদের ক্ষেত্রে এই অনুপাত আরও বেশি। ক্যাপকমের মতো প্রতিষ্ঠানের ৯৫ শতাংশ বিক্রি এখন ডিজিটাল।

সনির জন্য পুরোপুরি ডিজিটাল মাধ্যমে যাওয়া লাভজনক। ডিস্ক তৈরি ও বিতরণের খরচ কমবে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী প্লেস্টেশন-৬-এ কোনো ডিস্ক ড্রাইভ থাকবে না। এতে কনসোল তৈরির খরচ কমানো সম্ভব হবে। তবে এই সিদ্ধান্তটি মূলত ভোক্তাদের স্বার্থের পরিপন্থী। এর ফলে গ্রাহকদের হাতে গেম কেনাবেচা বা পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ থাকবে না। প্লেস্টেশন স্টোরের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়লে সনি গেমের দাম নিজেদের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। গেমের সেকেন্ড-হ্যান্ড বাজার পুরোপুরি বিলুপ্ত হবে।

সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরি হবে গেম সংরক্ষণে। ফিজিক্যাল ডিস্ক থাকলে গেমগুলো দীর্ঘদিন খেলা যায়। কিন্তু ডিজিটাল স্টোর বন্ধ হলে অনেক এক্সক্লুসিভ ডিজিটাল গেম চিরতরে হারিয়ে যাবে। এর আগে সনি স্টোর বন্ধের চেষ্টা করলে প্রায় ২ হাজার ২০০টি গেম হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এছাড়া ডিজিটাল গেম কেনার মাধ্যমে ব্যবহারকারী মূলত গেমটি খেলার একটি লাইসেন্স পান। সনি চাইলে যেকোনো সময় এই লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।

অন্যদিকে মাইক্রোসফটের পরবর্তী এক্সবক্স কনসোলে পিসি গেম খেলার সুবিধা থাকতে পারে। তারা থার্ড-পার্টি প্ল্যাটফর্মগুলোকে সমর্থন দেওয়ায় সেখানে গেম সংরক্ষণের ঝুঁকি কিছুটা কম। তবে শেষ পর্যন্ত তারাও হয়তো ডিস্কবিহীন ভবিষ্যতের দিকেই হাঁটবে। সনির এই পদক্ষেপ গেম সংরক্ষকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ।

হলিউড স্টুডিওগুলোর এআই ব্যবহারের তথ্য জানতে চায় মিডজার্নি

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পিএম
হলিউড স্টুডিওগুলোর এআই ব্যবহারের তথ্য জানতে চায় মিডজার্নি
ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন দুনিয়ার শীর্ষ প্রযুক্তি ও কপিরাইট নিয়ে চলমান আইনি লড়াইয়ে এবার নতুন মোড় নিয়েছে। হলিউডের বড় স্টুডিওগুলোর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে এবার পাল্টা কৌশল নিয়েছে জনপ্রিয় এআই ইমেজ জেনারেটর ‘মিডজার্নি’। ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারি, ডিজনি ও ইউনিভার্সাল স্টুডিওর মতো প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলো সিনেমা ও শো তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কীভাবে ব্যবহার করছে, তা আদালতে দেখতে চেয়েছে মিডজার্নি। বিনোদনবিষয়ক মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত বছর সুপারম্যান ও ব্যাটম্যানের মতো কপিরাইটযুক্ত চরিত্রের ছবি অনুমতি ছাড়া তৈরির অভিযোগে মিডজার্নির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল হলিউডের এই স্টুডিওগুলো। তাদের দাবি ছিল, মিডজার্নি কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করেছে।

এর জবাবে মিডজার্নির যুক্তি, ইন্টারনেট থেকে উন্মুক্ত ছবি ব্যবহার করে এআই মডেল প্রশিক্ষণ দেওয়া ‘ফেয়ার ইউজ’ বা ন্যায্য ব্যবহারের আওতাভুক্ত। একই সঙ্গে মিডজার্নির দাবি, স্টুডিওগুলো নিজেরাও তাদের নিজস্ব এআই প্রযুক্তি তৈরিতে একই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করতে স্টুডিওগুলোর এআই ব্যবসা পরিকল্পনা, গবেষণা প্রতিবেদন, ডেটাবেস এবং বোর্ড মিটিংয়ের উপস্থাপনা আদালতে জমা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে মিডজার্নি। তবে গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক স্টুডিওগুলোকে তাদের এআই ব্যবহারের অধিকাংশ তথ্য গোপন রাখার অনুমতি দেন। আদালত কেবল সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত বা ‘কনজিউমার ফেসিং’ এআই সম্পর্কিত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এখন সেই আদেশ বাতিলের জন্য ফেডারেল আদালতের কাছে আবেদন করেছে মিডজার্নি। আইনিবিষয়ক সাময়িকী মিলিস-এর তথ্য অনুযায়ী, মিডজার্নির আইনজীবীদের দাবি, স্টুডিওগুলো নিজেরাও যদি কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট দিয়ে নিজেদের এআই মডেল প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, তবে তাদের মামলার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।

মিডজার্নির আইনজীবী ববি গাজার বলেন, ‘বাদীরা যে অভিযোগ করেছে, তারা নিজেরাও যদি ঠিক একই কাজ করে থাকে, তবে তা মিডজার্নির আত্মপক্ষ সমর্থনে বড় প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।’ আইনজীবীদের মতে, ফেডারেল বিচারকের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে এআই ও কপিরাইটসংক্রান্ত অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে একটি বড় নজির হয়ে থাকবে।

আসছে নতুন ডিজাইনের ম্যাকবুক প্রো

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
আসছে নতুন ডিজাইনের ম্যাকবুক প্রো
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল তাদের জনপ্রিয় ল্যাপটপ ম্যাকবুক প্রো-এর নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরের ম্যাকবুক প্রো ল্যাপটপে এই দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে পারে। আগামী বছরের প্রথমার্ধে এই নতুন প্রযুক্তির ডিভাইস বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রযুক্তিবিষয়ক সাংবাদিক মার্ক গুরম্যানের এক নতুন প্রতিবেদনে সম্প্রতি এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বেসলাইন বা প্রাথমিক স্তরের ম্যাকবুক প্রো বাজারে ছাড়তে পারে অ্যাপল। ১৪ ইঞ্চির এই ল্যাপটপটিতে সম্পূর্ণ নতুন একটি চমৎকার নকশা দেখা যাবে। এই নকশাটি মূলত অ্যাপলের উচ্চপ্রযুক্তির ও দামি অন্যান্য কম্পিউটারের সঙ্গে মিল রেখে তৈরি করা হবে। বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, নতুন এই ল্যাপটপ লাইনআপে অ্যাপল তাদের ইতিহাসে প্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির ম্যাকবুক যুক্ত করতে পারে। এর আগে এম৬ মডেলের ল্যাপটপে এই বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের জোর গুঞ্জন ছিল।

নতুন ম্যাকবুক প্রো-এর পাশাপাশি অ্যাপল বর্তমানে চারটি নতুন আইপ্যাড প্রো মডেলের পরীক্ষামূলক কাজ চালাচ্ছে। যদিও এই নতুন ট্যাবলেটগুলোর সুনির্দিষ্ট কারিগরি তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন আইপ্যাডগুলো মূলত ডিভাইসের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বেশি জোর দেবে। এই নতুন ট্যাবলেটগুলো বর্তমান মডেলগুলোর মতোই ১১ ইঞ্চি এবং ১৩ ইঞ্চি পর্দাবিশিষ্ট আকারে বাজারে পাওয়া যাবে।

সাধারণত বসন্তকালে অ্যাপল তাদের সাশ্রয়ী ও প্রাথমিক স্তরের বিভিন্ন পণ্যের ঘোষণা দিয়ে থাকে। কখনো কখনো এই সময়ে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানটি বেশকিছু চমকপ্রদ নতুন পণ্যও উন্মোচন করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৬ সালের বসন্তে অ্যাপল মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাকবুক প্রো-এর পাশাপাশি নতুন ‘ম্যাকবুক নিও’ বাজারে এনেছিল।

সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালের বসন্তকালও অ্যাপলের নতুন পণ্যের খবরে পুরোপুরি মুখর থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্মার্টফোনের বাজারে তখন আইফোন ১৮-এর মূল মডেল এবং আইফোন এয়ারের নতুন সংস্করণ আসার কথা রয়েছে। এ ছাড়া অ্যাপল তাদের প্রচলিত প্রসেসর সংস্করণের ধারা ভেঙে সরাসরি এম৭ সিলিকন চিপ প্রযুক্তিতে চলে যেতে পারে। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য আগামী বছরটি তাই বেশ আকর্ষণীয় ও উদ্দীপনাপূর্ণ হতে চলেছে।

স্মার্টফোনের দাম কমাল টেকনো

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
স্মার্টফোনের দাম কমাল টেকনো

বাজারে যন্ত্রাংশের খরচ বাড়লেও গ্রাহকদের জন্য দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেকনো। বর্তমান বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর ও মেমোরি চিপের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার ফলে স্মার্টফোন বাজারে উৎপাদন খরচ ও দামের চাপ বাড়ছে। এতে অনেক দেশেই স্মার্টফোনের দাম বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশেও জুলাই থেকে করনীতি পরিবর্তনের কারণে স্মার্টফোনের বাজারে দাম বাড়তে পারে। যেখানে অন্য স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, সেখানে এআই-চালিত গ্লোবাল প্রিমিয়াম স্মার্ট ইকোসিস্টেম ব্র্যান্ড টেকনো হাঁটছে ভিন্ন পথে। দেশের আরও বেশি মানুষের হাতে উন্নত প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে টেকনো ১ জুলাই থেকে ক্যামন ও পোভা সিরিজের দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

৩০ জুন কর ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং বিশ্বজুড়ে চিপ, প্রসেসর, মাদারবোর্ড ও ব্যাটারির মতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের দাম বাড়তে থাকায় অনেক কোম্পানি এখন ফোনের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে। গ্রাহকদের এই বাড়তি চাপ থেকে স্বস্তি দিতে এবং উন্নত প্রযুক্তি সহজলভ্য করতে ১ জুলাই থেকে টেকনোর প্রিমিয়াম সিরিজের ফোন মিলবে আরও কম দামে। এর মধ্যে জনপ্রিয় একটি ডিভাইস ক্যামন ৫০। ক্যামন ৫০ (২৫৬+৮ জিবি)-এর আগের দাম ছিল ৩৮ হাজার ৯৯৯ টাকা, যা এখন পাওয়া যাবে ৩৬ হাজার ৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য) এবং ক্যামন ৫০ (১২৮+৮ জিবি)-এর আগের দাম ছিল ৩৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। বর্তমানে তা পাওয়া যাচ্ছে ৩১ হাজার ৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য); যার ফলে সবার জন্য ফ্ল্যাগশিপ মানের ক্যামেরার অভিজ্ঞতা হবে আরও সহজলভ্য।

নির্বাচিত ডিভাইসের দাম কমিয়ে ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য উদ্ভাবনী প্রযুক্তি আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে। জুলাই মাস থেকে সম্ভাব্য দাম পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে টেকনোর এই সিদ্ধান্ত দেখায় যে, উদ্ভাবন, পারফরম্যান্স এবং মান বজায় রেখে অতিরিক্ত খরচ সরাসরি গ্রাহকের ওপর না চাপিয়েও ব্যবসা করা সম্ভব।