ঢাকা ২২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে নারীকে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ বরিশালে কথিত যুবদল নেতা গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে সুপার টাইফুনে নিহত ৫ কূটনৈতিক টানাপড়েনে আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি আয়ে ভাটা স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বোমা ফাটালেন রোনালদো বরগুনায় সংরক্ষিত বন দখল ও গাছ কাটার অভিযোগে ৫ জন কারাগারে ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৫০ নারী-পুরুষ নান্দাইলে ধর্ষণের বিচার চড়থাপ্পড় ও জরিমানায় হালান্ডের জোড়া গোলে বিদায় ব্রাজিল, মধ্যরাতে উল্লাস মৌলভীবাজারে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র পাবনায় পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার ৭ স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারমূলক ভাষণ ২৩ বছর ধরে আমাকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: রোনালদো কৃষিকে আধুনিকায়নে ঝিনাইদহে ৯০ কৃষকের হাতে উঠল স্প্রে মেশিন দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা করতে হাইকোর্টে রিট জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান ট্রাম্পের ফোনে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ফিফা, বিশ্বকাপে তোলপাড় ৩ বছর পর বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে মুখোমুখি ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টি, ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা ইস্টার্ন ব্যাংকের আলী রেজার দুর্নীতি: তথ্যের অপেক্ষায় অনুসন্ধান স্থবির আ.লীগের বিচার হবে কি না, তদন্ত চলছে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ শিশু বলাৎকার ও যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ শূলের মঞ্চে দুই রাকাত নামাজ লুঙ্গি পরা যুবকের ‘প্যান্টের পকেটে’ মিলেছে গাঁজা! কোয়ার্টার ফাইনালে কার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড? কালো লেডিবার্ড বিটল ‘ট্রাম্পকে হত্যা করো’ স্লোগান, ইরানে ক্ষোভের আগুন এনসিটি পরিচালনার ভার পাচ্ছে ডিপি ওয়ার্ল্ড!

দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা করতে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা করতে হাইকোর্টে রিট
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের সময় ধার্য করা দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা তৈরি করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। এতে কেন মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১০ নম্বর ধারার অধীনে একটি নির্দেশিকা প্রণয়ন ও জারি করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহমিদা আখতার এ রিট আবেদন করেন। জনস্বার্থে করা এই রিটে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটের আর্জিতে দেনমোহর আদায়ের পদ্ধতি, নীতিমালা এবং উপায় নির্ধারণের উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে, বিবাহে নারীদের অধিকার ও আর্থিক স্বার্থ রক্ষা ও সংরক্ষণ করা এবং মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১০ নম্বর ধারার অস্পষ্টতা দূর করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। 

আ.লীগের বিচার হবে কি না, তদন্ত চলছে

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আ.লীগের বিচার হবে কি না, তদন্ত চলছে
ছবি: সংগৃহীত

সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত) বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এ বিষয়ে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল রবিবার নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্ত করার পরে যদি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া যায়, আমার কাছে রিপোর্ট দাখিল করা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। আপাতত এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান আছে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে একটা ফ্যাসিজম রাষ্ট্র কায়েম করল। সেই ফ্যাসিজমের মধ্য দিয়ে জনগণের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সবকিছু কেড়ে নিয়েছিল তারা। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

রাজনৈতিক দল হিসেবে ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। ১৬ বছর মানুষের কোনো স্বাভাবিক জীবন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল না।

ওই সময়ের জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনটি নির্বাচনের কোনোটি রাতের, কোনোটি একদলীয়, কখনো আমি-ডামি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে। নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর তাদের সরকারের বিভিন্ন বাহিনীকে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

হামের টিকা না কেনা এবং চিকিৎসায় অবহেলায় দেশজুড়ে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ আবেদন করেন হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সী শিশু সাউদা মুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ পরে দেবেন বলে অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

মামলায় অন্য দুই বিবাদী হলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

মামলার আর্জিতে বাদী উল্লেখ করেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে এবং মার্চের শুরুতে শরীয়তপুর সদরের বাসিন্দা তার ৯ মাস বয়সী মেয়ে সাউদা মুসকান হঠাৎ মারাত্মক জ্বরে আক্রান্ত হয়। স্থানীয় চিকিৎসায় কোনো উন্নতি না হওয়ায় মার্চের প্রথম সপ্তাহে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

সেখানে হামের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পেয়ে গত ২২ মার্চ শিশুটিকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চরম অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে আর্জিতে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ কর্তব্যরত চিকিৎসক বাদীর স্ত্রীর হাতে অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলেন। শিশুর মা তা লাগাতে ব্যর্থ হলে এক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো হয়। এর ঘণ্টা দুয়েক পরই শিশুটি মারা যায়।

আর্জিতে আরও দাবি করা হয়, দেশে শিশুদের টিকার সময়মতো জোগান না থাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া এবং টিকা কেনা ও তা প্রয়োগ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘মারাত্মক খামখেয়ালিপনা’ ও অবহেলাজনিত কারণে দেশজুড়ে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে শিশু সাউদা মুসকান অন্যতম। 

বিবাদীরা কোনোভাবেই এ সব মৃত্যুর দায় এড়াতে পারেন না বলে আর্জিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে ঢাকার আদালতে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার আবেদন করা হলেও, পরবর্তীতে তা খারিজ হয়ে যায়।

এএফ/

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর ছয় টুকরো করে লাশ গুমের অভিযোগে ফাতেমা বেগম শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এ রায় দেন।

হত্যার দায়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া লাশ গুমের দায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাকে তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শফি নেওয়াজ নাসির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বিচার চলাকালে ২৬ জনের মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ মামলায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম ফাতেমার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় একটা নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা-পুলিশ এক ব্যক্তির মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করে। একই দিন রাত ১১টার পর মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে একটা ব্যাগের মধ্যে উরু থেকে খণ্ডিত দুইটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুইটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ। দুই দিনে আলাদা আলাদা স্থান থেকে লাশের ছয় টুকরো উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তৎপরতায় ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার হয় ফাতেমা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে পুলিশকে জানায়, পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বণ্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। এক পর্যায়ে পরিকল্পনা করে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করে। জবাইয়ের পর দেহকে ছয়টি টুকরো করে।

লাল রঙের একটি কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশ নীল রঙের পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখে। এরপর ১ হাজার ৩০০  টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেয়, পরে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত, দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে বাসায় আসে। সেখান থেকে খণ্ডিত মস্তকের ব্যাগটি বনানী ১১ নম্বর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে গুলশান লেকে ফেলে দেয়।

পরে আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় ফাতেমা।

নিহত ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ১ জুন মামলা করেন।

এম এ জলিল উজ্জ্বলে/এএফ

ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈকত হাসান আকাশ হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও দুই আসামিকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মো. শামছউদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, রায়ে এনামুল হক ও নাজমুল হককে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে এনামুল হক পলাতক। এ ছাড়া জিয়াউল হক ও জুলহাস উদ্দিনকে সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈকত হাসান আকাশের সঙ্গে একই এলাকার জিয়াউল হকের মেয়ে জেসমিন আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে জিয়াউল হক সম্পর্কটি মেনে নিতে না পেরে পরিকল্পিতভাবে আকাশকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।

২০২১ সালের ১৯ মে রাতে জেসমিন আক্তার মোবাইল ফোনে আকাশকে তাদের বাড়িতে দেখা করতে ডাকেন। আকাশ বন্ধু রাশিদুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দুই দিন পর স্থানীয় লোকজন জেসমিনদের বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে টয়লেটের সামনে আবর্জনা ফেলার গর্তে মাটির সঙ্গে রক্তের চিহ্ন দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে পচাগলা ও গলাকাটা অবস্থায় একটি মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আকাশের বাবা আকরাম হোসেন মরদেহটি তার ছেলের বলে শনাক্ত করেন।

ঘটনার পরদিন ২২ মে আকাশের বাবা আকরাম হোসেন কোতোয়ালী মডেল থানায় জিয়াউল হক, জুলহাস উদ্দিন, এনামুল হক, নাজমুল হক, নেজামুল হক, রুমান, হযরত আলী, আনিছ, আব্দুল লতিফ, অজুফা, রুজিনা, নার্গিস, রাহাতুল জান্নাত ও জেসমিন আক্তারসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ, প্রমাণ উপস্থাপন এবং বিচারিক পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/আজহার/

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা কাটল

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:৫০ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:১৪ এএম
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা কাটল

দেশের ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর কোনো আইনি বাধা রইল না। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার বিষয়ে আপিল বিভাগ এই রায় দিয়েছেন।

এর আগে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছিলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে আটকে রয়েছে। এই জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে।

অমিয়/