ঢাকা ২২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে নগর গবেষণাকেন্দ্র উদ্বোধন বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপর আস্থা, থাকছেন ২০৩০ পর্যন্ত উত্থানে শেয়ারবাজার ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পের সফরের আগে কিয়েভে রুশ হামলা, নিহত ৯ সব হাসপাতালে বাধ্যতামূলকভাবে লেবার রুম স্থাপনের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাশেরকান্দি পয়োশোধনাগার: বাজেট ও মেয়াদ শেষ হলেও প্রকল্প সম্পূর্ণ হয়নি ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৪২ পেনাল্টি বিতর্কে মুখ খুললেন ভিনিসিয়ুস টাঙ্গাইলে নারীকে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান জয়পুরহাটে কমেছে পাট চাষ, জাগ দেওয়াই মূল সংকট প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ বরিশালে কথিত যুবদল নেতা গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে সুপার টাইফুনে নিহত ৫ কূটনৈতিক টানাপড়েনে আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি আয়ে ভাটা স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বোমা ফাটালেন রোনালদো বরগুনায় সংরক্ষিত বন দখল ও গাছ কাটার অভিযোগে ৫ জন কারাগারে ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৫০ নারী-পুরুষ নান্দাইলে ধর্ষণের বিচার চড়থাপ্পড় ও জরিমানায় হালান্ডের জোড়া গোলে বিদায় ব্রাজিল, মধ্যরাতে উল্লাস মৌলভীবাজারে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র পাবনায় পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার ৭ স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারমূলক ভাষণ ২৩ বছর ধরে আমাকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: রোনালদো কৃষিকে আধুনিকায়নে ঝিনাইদহে ৯০ কৃষকের হাতে উঠল স্প্রে মেশিন দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা করতে হাইকোর্টে রিট জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান ট্রাম্পের ফোনে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ফিফা, বিশ্বকাপে তোলপাড় ৩ বছর পর বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে মুখোমুখি ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টি, ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা ইস্টার্ন ব্যাংকের আলী রেজার দুর্নীতি: তথ্যের অপেক্ষায় অনুসন্ধান স্থবির

শিশু বলাৎকার ও যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
শিশু বলাৎকার ও যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ২
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতী এলাকায় শিশু বলাৎকার ও যৌন হয়রানির অভিযোগে এক মাদ্রাসার শিক্ষকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত শনিবার পৃথক সময়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ পাওয়ার পর স্থানীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। 

জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার গতকাল রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত শনিবার বিকেলে মিরপুর থানার শেওড়াপাড়া থেকে একজন ব্যক্তি ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ ফোন করে জানান, তাদের এলাকার একজন মাদ্রাসার শিক্ষক ১২ বছরের এক ছাত্রকে জোরপূর্বক বলাৎকার করেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মিরপুর থানাকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। পরে মিরপুর থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন মেহেদীকে গ্রেপ্তার করে। মেহেদী শেওড়াপাড়া এলাকায় একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি থানার নিজবর্নী পলাশতলায়। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

পৃথক ঘটনা সম্পর্কে গতকাল পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, শেওড়াপাড়ার ওই ঘটনার আগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতি থেকেও এক ব্যক্তি ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ করেন, তার শিশু ভাগনিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানি করেছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে টুঙ্গিপাড়া থানাকে জানানো হলে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি ওই গ্রামের সর্দারপাড়ার বাসিন্দা। এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।

ছিনতাইয়ের অভিযোগ, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
ছিনতাইয়ের অভিযোগ, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ফতুল্লায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে সিজান নামে এক যুবককে গণপিটুনি। ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে সিজান নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার(৫ জুলাই) রাতে পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়৷

নিহত সিজান (২৫) পশ্চিম মাসদাইর এলাকার ইউনুছ ওরফে ইন্নু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সিজান মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রায় রাতে এলাকার লোকজনকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি নগদ অর্থ ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় জিসানসহ তার সহযোগীরা। শনিবার রাতে সিজানসহ তার এক সহযোগী এক যুবকের মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাই করলে ওই যুবক এলাকার মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী একটি সামাজিক সংগঠনের কাছে নালিশ দেয়। পরে কমিটির লোকজন সহ স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে সিজানসহ তার সহযোগীকে ধরে এনে মারধর করে৷ এক পর্যায়ে জিসান অচেতন হয়ে পড়লে ওই অবস্থায় তাকে পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে শহরের খানপুর ৩শ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়।

এদিকে মাসদাইর মোড়ে সিজানকে নির্যাতনের সময় একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে সিজান ও তার সহযোগী যুবককে পিটিয়ে ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। অপরপাশে মাসদাইর মসজিদের ইমাম কাউসার আহমেদের মাইকে ঘোষণা করছে অপরাধকে মারছে জনগণ। জনগণ মারলে কোন মামলা নেই। যখনি মাইকে ঘোষণা করা হবে সবাইকে এই ভাবে একত্রিত হতে হবে।

এলাকাবাসী জানায়, চলতি বছর পশ্চিম মাসদাইর মসজিদের ইমাম কাউসার আহমেদের সভাপতিত্বে এলাকার যুবকদের নিয়ে আল ফালাহ কল্যাণ সংগঠন নামে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী একটি সামাজিক সংগঠন গঠন করেন। এই কমিটির লোকজন কয়েকমাস আগে সিজানকে সব অপকর্ম থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে বলার পরও সে ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম ছাড়েনি। এতে তার উপর ক্ষিপ্ত ছিলো সংগঠনের সদস্যরা।

নিহতের বাবা ইউনুছ মিয়ার অভিযোগ, শনিবার রাত ১০টার দিকে মসজিদের ইমাম কাউসারের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জন সদস্য সিজানের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগে তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যান। এরপর তাকে বেধড়ক পিছিয়ে অচেতন অবস্থা পরিবারের লোকজনের তাছে সিজানকে তুলে দেয়। পরে জিসানকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সিজানকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মসজিদের ইমাম ও আল ফালাহ কল্যাণ সংগঠনের নেতা কাওসার আহমেদ দাবি করেন, সিজানের বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে এলাকাবাসি ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করেছে, তিনি নিজে মারধর করেনি বলে দাবি করেন। তবে মাইকে ঘোষণার বিষয়ে কোন উত্তর না দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেন।

নির্যাতনের কারনেই জিসানের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম। তিনি জানান, সিজানের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে৷ নিহত সিজানের মরদেহ দাফনের পর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। ইতোমধ্যে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ মাসদাইর এলাকায় অভিযান চালিয়েছে৷ যারা হত্যাকান্ডে জড়িত তারা পালিয়েছে। তবে অবশ্যই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়া আহত আরেক যুবক হাসপাতালে ভর্তি। তার পরিচয় সহ বিস্তারিত এখনো পাওয়া যায়নি।

বিল্লাল হোসাইন/এসএন

জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর আগেই মর্মান্তিক পরিণতি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর আগেই মর্মান্তিক পরিণতি
শফি উল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

শফি উল্লাহর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার আগেই নেমে এলো এক মর্মান্তিক পরিণতি। গত ২৬ জুন তার কাবিন সম্পন্ন হয়েছিল। স্বপ্ন ছিল অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে নতুন সংসার শুরু করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।

জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাবরাং ইউনিয়নের পুরান পাড়া এলাকায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার শিকার হন শফি উল্লাহ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক। যে বাড়িতে বিয়ের আনন্দের প্রস্তুতি চলছিল, সেখানে এখন শুধুই কান্না আর শোকের মাতম। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে টেকনাফে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। নিহত শফি উল্লাহ (২৫) সাবরাং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানপাড়া এলাকার হাফেজ মুক্তার আহমদের ছেলে। তিনি মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের ডিগ্রি ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

নিহত শফি উল্লাহর বড় ভাই হাবিব উল্লাহ জানান, চলাচলের রাস্তা নিয়ে তাদের সঙ্গে প্রতিপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। বিচার শেষ হওয়ার আগেই তার চাচা মৌলবি জহির আহমদ এবং তার ছেলে ইসমাইল, ইসহাক, ইদ্রিস, ইলিয়াস ও ওসামাসহ কয়েকজন তাদের ওপর দাঁড়ালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করেন। একপর্যায়ে শফি উল্লাহকে বেধড়ক মারধর করার সময় গুরুতর হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় এবং শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

শফি উল্লাহর পিতা হাফেজ মুক্তার আহমদ করেন, তার ছেলে শফি উল্লাহকে ইদ্রিস লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এলাকাবাসী জানান, শফি উল্লাহ শান্ত স্বভাবের একজন যুবক ছিলেন। সম্প্রতি তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা (কাবিন) সম্পন্ন হয়েছিল। বিয়ের আগেই পরিকল্পিতভাবে তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাঁদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা দাবি করেন। 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত শফি উল্লাহর বোন তার ভাইয়ের হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। তিনি সরকারের ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, খুনিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এ দেশে যেন বিচার নেই। হামলাকারীরা প্রভাবশালী বলেই তারা বারবার এমন নৃশংস হামলা চালানোর সাহস পাচ্ছে। আমার ভাইয়ের ওপরও তারা নির্মমভাবে আঘাত করেছে। আমরা এর ন্যায়বিচার চাই।

টেকনাফ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ মিত্র জানান, শনিবার রাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবরাং পুরান পাড়া এলাকার বাসিন্দা শফি উল্লাহ মারা যান। পরে কক্সবাজার সদর মডেল থানা থেকে বিষয়টি তদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, রবিবার সকালে ঘটনাস্থল ও নিহতের বাড়িতে গিয়ে প্রাথমিকভাবে জানা যায় বাড়ির পাশের পথ ব্যবহার নিয়ে শফি উল্লাহর সঙ্গে তার চাচাত ভাইদের বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরে শফি উল্লাহর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানতে পারি। নিহতের মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় শফি উল্লাহ নিহত হন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোঃ শাহীন/এসএন

পল্লবীতে সন্ত্রাসী ‘রেড মুন্না’ গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
পল্লবীতে সন্ত্রাসী ‘রেড মুন্না’ গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে অভিযান পরিচালনা করে দেশীয় অস্ত্রসহ ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী মুন্না ওরফে রেড মুন্নাকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘শনিবার দুপুরে পল্লবী থানা পুলিশের একটি টিম সেকশন-১১ বাউনিয়াবাদ মুচিপাড়া এলাকা থেকে ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী মুন্না ওরফে রেড মুন্নাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ছুরি জব্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় মাদক, চাঁদাবাজি, চুরি, মারামারি, হত্যাচেষ্টা, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে।

থিওটোনিয়াস/

দেবহাটায় ব্ল্যাকমেইল করে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ, এরপর...

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
দেবহাটায় ব্ল্যাকমেইল করে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ, এরপর...
অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর। ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার দেবহাটায় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করে এক কিশোরীকে (১৪) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৪) নামে এক মুদি দোকানিকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলায় আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আটক মোস্তাফিজ দেবহাটা উপজেলার চরশ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহারের বরাতে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ৩ জুলাই শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই কিশোরী বাড়ির পাশে চরশ্রীপুর গ্রামে মোস্তাফিজের মুদি ও চায়ের দোকানে খাবার কিনতে যায়। এ সময় আশপাশে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত মোস্তাফিজ কিশোরীকে দোকানের ভেতর ডেকে নিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। কিশোরী এতে রাজি না হলে তাকে ভয়ভীতি দেখায় ওই দোকানি। একপর্যায়ে মোস্তাফিজের পাশবিকতায় কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে কিশোরীকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তকে দোকানের ভেতর আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে দেবহাটা থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিকে আটক করে।

বাদীর (কিশোরীর মা) জানান, এর আগেও অভিযুক্ত মোস্তাফিজ তার মেয়েকে ফুসলিয়ে ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তিনি কিশোরীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এমনকি ধর্ষণের ঘটনার ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে তা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল। মোস্তাফিজের দেখানো ভয়ভীতির কারণে এ ঘটনা প্রকাশ করতে পারেনি কিশোরী।

দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, এ ঘটনায় ৩ জুলাই দেবহাটা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। আসামিকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ২২ ধারায় আদালতে ভুক্তভোগী কিশোরীর জবানবন্দি নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী আইনি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। 

জাকির/নাঈম

ভোলায় কলেজছাত্রকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
ভোলায় কলেজছাত্রকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ
ছবি: খবরের কাগজ

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মো. নয়ন (১৯) নামে এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মানিক (১৮) থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে ৫নং ওয়ার্ডের স্বনির্ভর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, নিহত নয়ন পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী মো. সালাউদ্দিনের ছেলে। তিনি ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মানিক থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। তিনি লাঙ্গলখালী আব্দুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আওলাদ হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘এ ঘটনায় একজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’

তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এক সূত্রে জানা যায়, প্রেমঘটিত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইমতিয়াজুর রহমান/থিওটোনিয়াস/