ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
এই গোলের স্বপ্ন দেখেছি ছোটবেলা থেকেই: লাউতারো মার্তিনেস নবীগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে চালক নিহত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ, ঝুঁকিতে জ্বালানি সরবরাহ আড়াইহাজারে তাঁত প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন করলেন পাট প্রতিমন্ত্রী সমালোচকদের উদ্দেশ্যে যা বললেন মেসি যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের হাসপাতাল-সেনা ব্যারাক ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ৮ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ফটিকছড়িতে উপজেলা সদর দপ্তরের স্থান নির্ধারণের দাবিতে হরতাল চলছে জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির পাবলিক পরীক্ষা শুষ্ক মৌসুমে নেওয়া উচিত গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে এগিয়ে মেসি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে পর যা বললেন মেসি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভটভটির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু তিতাস নদীর তীর ভরাট করায় এনসিপি নেতাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ইরান ইস্যুতে প্রতিরক্ষা বিল আটকালেন ডেমোক্র্যাটরা চাপের মুখেই আর্জেন্টিনা নিজেদের সেরা ফুটবল খেলে: স্কালোনি মেট্রোরেলের ৭৩০ বিয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ, পিয়ার হেডে ফাটল ইরান যুদ্ধ শেষ করতে মরিয়া ট্রাম্প প্রকল্প ব্যয় সাড়ে ১৬ বছরে বরাদ্দের ৫৬ শতাংশ খরচ আবু সাঈদ হত্যার রায়: ৫ যুক্তিতে খালাস চেয়ে ৪ আসামির আপিল আজ মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা ৮৫ ফুটের মেসি এই আন্দোলন শতভাগ প্রশাসনিক ব্যর্থতা মেজাজ হারিয়ে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়কে চড় দিলেন বেলিংহাম করোনাকাল ও কোচিং সেন্টার দায়ী থাকতে পারে আল-আরাফাহ ব্যাংকের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন বাংলাদেশ রেলওয়ের ১ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ কিনতে ব্যয় হয় ৮ কোটি, লোপাট ৭ কোটি টাকা শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কে ছিদ্র রয়ে গেছে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হলো সাজেক ২৬ বছরেও সাংবাদিক শামছুর রহমান হত্যার বিচার হয়নি

মেট্রোরেলের ৭৩০ বিয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ, পিয়ার হেডে ফাটল

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ এএম
মেট্রোরেলের ৭৩০ বিয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ, পিয়ার হেডে ফাটল
ছবি: সংগৃহীত

মেট্রোরেলের ৭৩০টি বিয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া একাধিক স্থানে পিয়ার হেড (থামের উপরিভাগ) এবং কংক্রিটের বেজ বা ভিতে উল্লেখযোগ্য ফাটল দেখা দিয়েছে। মরিচা ধরা রেললাইন, ফাস্টেনিং (আটকানোর সরঞ্জাম) এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশেও ত্রুটি পাওয়া গেছে। মেট্রোরেলের নিরাপত্তা অডিটে এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর ফার্মগেট স্টেশনের কাছে স্থানচ্যুত একটি লোড-বেয়ারিং প্যাড নিচে খুলে পড়ে একজন পথচারী নিহত হন। এরপর হাইকোর্ট ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই নিরাপত্তা অডিট কমিটি গঠন করে।

গত মে মাসে সর্বশেষ নিরাপত্তা অডিট প্রতিবেদনটি ডিএমটিসিএলের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং আগের নির্দেশনা অনুযায়ী উচ্চ আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। চুয়েটের সাবেক উপাচার্য মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের এই কমিটি এই প্রতিবেদন তৈরি করে।

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এমআরটি-৬ লাইনে ২১ দশমিক ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইনে নানা ত্রুটি শনাক্ত করেছে অডিট কমিটি।

এমআরটি লাইন-৬-এর পরিচালন ঝুঁকি ও কাঠামোগত অখণ্ডতা পরীক্ষা করেছে নিরাপত্তা অডিট কমিটি। কমিটি বলেছে, কম্পন, ঝাঁকুনি, ট্র্যাক-সাপোর্ট সমস্যা, ত্রুটিপূর্ণ বিয়ারিং প্যাড এবং সাময়িক গতিসীমা সংকোচনের কারণে মেট্রোরেলের গতি ব্যাহত হচ্ছে, রাইড কোয়ালিটি কমছে। মেট্রোরেল চলাচলের সময় ট্র্যাক কাঁপছে, এই অতিরিক্ত কম্পনের কারণে মেট্রোরেল নির্ধারিত গতিসীমায় চলাচল করতে পারছে না।

এই সমস্যা সমাধানে ক্র্যাক গেজ ও সেটেলমেন্ট মার্কার স্থাপন এবং বিশেষ করে ৪২৩, ৪৪২, ৪৪৬ এবং ৪৪৮ নম্বর পিয়ারের ত্রুটিপূর্ণ বিয়ারিং প্যাডগুলো প্রতিস্থাপন করার সুপারিশ করেছে কমিটি। 

মেট্রোরেলে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের (ওসিএস) ইনসুলেটেড ওভারল্যাপগুলোতে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ বা স্পার্কিং শনাক্ত হয়েছে; যার ফলে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অডিট রিপোর্টে বলা হয়, এমআরটি লাইন-৬-এ মেট্রোরেল সর্বোচ্চ ১১০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। কিন্তু ট্রেনগুলো এখন ৬০ থেকে ৯০ কিলোমিটার গতিতে চলছে। এমনকি কিছু কিছু সেকশনে ৪৪ থেকে ৪৭ কিলোমিটার গতিতে চলছে। ১০টি স্পটে সাময়িক গতিসীমা সংকোচনের কারণে প্রতিনিয়ত অস্বাভাবিক কম্পন ও ঝাঁকুনি তৈরি হচ্ছে।

কমিটি সতর্ক করেছে, যদি এখনই এসব ত্রুটি মেরামত করা না যায় তবে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও মেট্রোরেল ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেট্রোরেল চলাচলের সময় ৪৪২, ৪৪৬ এবং ৪৪৮ নম্বর পিয়ারের বিয়ারিং প্যাডগুলো সজোরে ধাক্কা খাচ্ছে। ৪২৩ নম্বর পিয়ারে একটি বিয়ারিং প্যাডের স্থানচ্যুতি রেকর্ড করা হয়েছে। 

ক্ষতিগ্রস্ত বা স্থানচ্যুত বিয়ারিং প্যাডের পাশাপাশি পিয়ার হেড, কংক্রিট বেজ এবং বক্স গার্ডারে দৃশ্যমান ফাটলগুলো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৪১ নম্বর পিয়ারে ১ মিলিমিটারের চেয়ে বড় একটি ফাটল দৃশ্যমান হয়েছে। 

সব কটি বিয়ারিং প্যাড স্থানচ্যুতির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ ডিজাইনকে দায়ী করেছে কমিটি। এ বিষয়ে জাপানি ডিজাইন কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান এনকেডিএম অ্যাসোসিয়েটসের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিটি। কমিটি এসব বিয়ারিং প্যাড প্রতিস্থাপন বা সংশোধনের সুপারিশ করেছে।

বিভিন্ন স্টেশনের ট্রান্সফরমারের ত্রুটি, বৈদ্যুতিক ও সিগনালিং রুমে পানি চুইয়ে পড়া এবং ওভারহেড ক্যাটেনারি তারে ক্রমাগত স্ফুলিঙ্গ তৈরির বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে। এর ফলে শর্ট সার্কিট, অগ্নিকাণ্ড, তার ছিঁড়ে যাওয়া, যাত্রী আটকে পড়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কমিটি।

মেট্রোরেল প্রায় তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে নির্ধারিত স্টপেজের আগে থেমে যায়। এতে ট্রেনের দরজা এবং প্ল্যাটফর্মের স্ক্রিন ডোরের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা বা মিসঅ্যালাইনমেন্ট তৈরি হয়। এমন ত্রুটির জন্য ইতোমধ্যে পাঁচটি ট্রেন সেট পরিষেবা বা অপারেশন থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। কমিটি সতর্ক করেছে যে, চাকার এই ত্রুটিগুলো সমাধান না করা হলে তা ট্রেন লাইনচ্যুতির কারণ হতে পারে। 

এ সমস্যা সমাধানে আগামী ছয় মাসের মধ্যে পুরো লাইনে ডাইনামিক ভাইব্রেশন টেস্টিংয়ের পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। পাশাপাশি মেট্রোরেলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার জন্য আগামী দুই বছরের মধ্যে একটি স্থায়ী স্মার্ট স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং সিস্টেম চালু করা, একটি স্বাধীন সেফটি স্টিয়ারিং কমিটি এবং ডিজিটাল ত্রুটি ব্যবস্থাপনা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশনের মধ্যে ১২টি বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অডিট প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অনেক স্টেশনের কলাম বা খুঁটি পর্যাপ্ত ল্যাটারাল ব্রেসিং (পার্শ্বীয় বন্ধনী) ছাড়াই সিঙ্গেল-পাইল ফাউন্ডেশনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এতে আরও বলা হয়েছে যে, স্থায়ী পাইলগুলোর লোড ভার বহন ক্ষমতা যাচাই করা হয়নি। 

পরিদর্শন যন্ত্রপাতি ও খুচরা যন্ত্রাংশের ঘাটতি এবং রিয়েল-টাইম স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং সিস্টেম না থাকার কথা উল্লেখ করেছে কমিটি। সব সাব-স্টেশন ও সিগনালিং রুম পানিনিরোধক করা; বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য জরুরি বহির্গমন বা ইভাকুয়েশন প্ল্যান তৈরি করার সুপারিশ করেছে কমিটি।

ডিএমটিসিএলের কোম্পানি সচিব খোন্দকার এহতেশামুল কবীর খবরের কাগজকে বলেন, ‘ফার্মগেটের সেই দুর্ঘটনার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে সেফটি সার্ভে বা অডিট রিপোর্ট করতে হয়েছে। এখানে বিশেষজ্ঞরা মেট্রোরেলের অবকাঠামোতে নানা ত্রুটির কথা বলেছেন। আমরা সেই রিপোর্ট উচ্চ আদালতে পেশ করেছি। আদালতের নির্দেশনা ও কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

আড়াইহাজারে তাঁত প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন করলেন পাট প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ এএম
আড়াইহাজারে তাঁত প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন করলেন পাট প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নতুন তাঁত প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার উদ্বোধন করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

বুধবার (১৫ জুলাই) এ সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিবছর ৩০০ জন তাঁতি আধুনিক প্রযুক্তি ও বুনন কৌশলের ওপর উন্নত প্রশিক্ষণ পাবেন।

এই তাঁত প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার দেশের তাঁতশিল্পের উন্নয়নে নতুন মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আড়াইহাজার তাঁত প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে আধুনিক বুনন প্রযুক্তি, ডিজাইন, রঙের সমন্বয়, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং বাজারজাতকরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন তাঁতিরা। তাঁতশিল্পের আধুনিকায়ন, তাঁতিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সরকার এ ধরনের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই কেন্দ্র শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং দক্ষ তাঁতি, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী নকশা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। 

তিনি বলেন, শিল্পসমৃদ্ধ আড়াইহাজার দীর্ঘদিন ধরে তাঁতশিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ১৯৮৭ সালে এখানে বেসিক সেন্টার প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমানে এর আওতায় ৫১টি প্রাথমিক ও দুটি মাধ্যমিক তাঁতি সমিতি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬৬০ জন তাঁতিকে প্রায় ১৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আড়াইহাজারসহ আশপাশের এলাকায় জামদানি, বেনারসি, থ্রিপিস ও মশারিসহ বিভিন্ন ধরনের তাঁতপণ্য উৎপাদিত হয়, যা দেশের সংস্কৃতি ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গুণগত মান, উদ্ভাবন, ব্র্যান্ডিং এবং টেকসই উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকার হারিয়ে যাওয়া মসলিন, জামদানি, বেনারসি ও অন্যান্য জিআই পণ্যের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে কাজ করছে। রূপগঞ্জে মসলিন পল্লী ও জামদানি পল্লী প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। পাশাপাশি তাঁতিদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক বাজার উপযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁতশিল্পের পাশাপাশি পাটশিল্প পুনরুজ্জীবনেও সরকার কাজ করছে। পাটের বীজ উৎপাদন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বন্ধ পাটকল ও বস্ত্রকলগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগ, জিটুজি, পিপিপি ও দীর্ঘমেয়াদি লিজের মাধ্যমে পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

তিনি পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যে বিনিয়োগের জন্য উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানান।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁতশিল্পকে শুধু ঐতিহ্য নয়, সম্ভাবনাময় সৃজনশীল ও লাভজনক অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমেদ ছিদ্দীকী, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিফাত উদ্দিন এবং আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদিজা রুমি/

দেশের ৮ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১২ এএম
দেশের ৮ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের ৮ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

এসব অঞ্চলেও বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া আরেক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। 

জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১০ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ এএম
জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ইনসাফভিত্তিক দেশ গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গড়তে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

বুধবার (১৫ জুলাই) ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দিনটি এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহিদের অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

আন্দোলনে আহত সাহসী তরুণ-তরুণী ও যুব প্রজন্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে তিনি শহিদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। জুলাইযোদ্ধা ও গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী দেশপ্রেমিক নাগরিকের ত্যাগ ও অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ’জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দুর্নীতি, গুম-খুন, ভোটাধিকার হরণ, নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ।’

তিনি বলেন, ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের প্রসারিত হাত ও গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ। একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন তরুণের আত্মাহুতি আন্দোলনকে নতুন মোড় ও তীব্রতা দেয়। পরবর্তীতে আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আটক, জেল-জুলুম এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থান সূচিত হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক আন্দোলন বা অর্জন নয়; এটি ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা, সাহস ও আত্মত্যাগের ফসল।

তিনি বলেন, জুলাই শহিদদের আত্মদান স্মরণ করিয়ে দেয় যে, রাষ্ট্রের শক্তির উৎস ও সর্বময় ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের মৌলিক অধিকার, স্বার্থ, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব। জুলাইয়ের চেতনা একটি মানবিক, স্বৈরাচারমুক্ত, সমতাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা জোগায়।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহিদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান-স্বীকৃতি, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি এ কাজে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও মানবিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত ও শাশ্বত শান্তি কামনা করেন এবং ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন।

খাদিজা রুমি/

লন্ডন গ্লোবের প্রতিবেদন ব্যাপক দুর্নীতি: প্রশ্নের মুখে ইউনূস সরকার

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৭ এএম
ব্যাপক দুর্নীতি: প্রশ্নের মুখে ইউনূস সরকার
ছবি: সংগৃহীত

গণ-অভ্যুত্থানের পর সমৃদ্ধি ও ন্যায়বিচারের এক নতুন যুগের সূচনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমকে স্বাগত জানায় জনগণ ও বিভিন্ন দেশ। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস পার হতে না হতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে তথাকথিত এই সংস্কারগুলো আসলে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয় লন্ডন গ্লোব।

  • উপদেষ্টাদের অর্থ পাচারসহ রেকর্ড অভিযোগ দুদকে 
  • সংস্কারের নামে নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সুবিধা
  • সরকারি সেবা পেতে ৬১ শতাংশ মানুষ ঘুষের শিকার

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ইউনূস সরকারের আমলের দুর্নীতিবিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে দেখা গেছে, সংস্কারক হিসেবে প্রশংসিত হওয়া সত্ত্বেও ড. ইউনুস ক্ষমতায় থাকার সময় দুর্নীতির পরিস্থিতি আসলে আরও অবনতি হয়। দেশের ৮১ শতাংশ পরিবার মনে করত মৌলিক সরকারি সেবা পেতেও তাদের ঘুষ দিতে হবে এবং ঘুষ দেওয়া ৬১ শতাংশ মানুষই বিষয়টি কোথাও জানায়নি। এমনকি ঘুষ ও দুর্নীতি দমনের দায়িত্বে থাকা সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্পর্কে ৩০ শতাংশেরও কম মানুষ জানত।

লন্ডন গ্লোব জানায়, ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম এবং ক্ষমতার পদ পাইয়ে দিতে ঘুষ গ্রহণের রেকর্ডসংখ্যক অভিযোগ জমা পড়েছিল দুদকে। কিন্তু উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধে। দুদক সূত্র জানায়, আশার কথা–তাদের দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তের ব্যাপারে একটি ইতিবাচক আগ্রহ বা তাগিদ রয়েছে। দুদক ড. ইউনূস সরকারের এসব দুর্নীতির অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করতে প্রস্তুত। কিন্তু দুদকের শীর্ষ পদটি শূন্য থাকায় তারা তা করতে পারছে না। বর্তমান সরকারের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরাও সংসদীয় পর্যায়ে ইউনূস প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

লন্ডন গ্লোব আরও জানায়, ইউনূস প্রশাসন অন্যান্য ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও তিনি নিজে যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নরের বিরুদ্ধেও তহবিল অপব্যবহারের তদন্ত শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় ড. ইউনূস ও তার দুর্নীতিপরায়ণ সহযোগীদের প্রচার করা ত্রুটিপূর্ণ আর্থিক সংস্কারগুলোকে বিএনপি সরকার যদি সমর্থন দেয়, তবে তা হবে সরকারের জন্য একটি বড় ভুল। ড. ইউনূসের শাসনামলে যে দুর্নীতি ও ঘুষের ব্যাপক বিস্তার ঘটেছিল, তা মোকাবিলায় একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন এবং সরকারের উচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এখনই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এ ছাড়া কোনো স্পষ্ট বা গণতান্ত্রিকভাবে নির্ধারিত জনরায় ছাড়াই তারা ব্যাংকিংব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের মতো অত্যন্ত বিতর্কিত সব সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেয়। এসব পদক্ষেপ গ্রহণের দায় তারা বেক্সিমকো, ওরিয়ন গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ ও নাবিল গ্রুপের মতো দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আহসান মনসুরের নেতৃত্বে পরিচালিত এসব সংস্কার ও পদক্ষেপ সে সময় আর্থিক খাতের অনেকের মধ্যেই উদ্বেগের সৃষ্টি করে। এখন সেই পদক্ষেপগুলোর পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্যও ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে বলে জানায় লন্ডন গ্লোব

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগ

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগ
ছবি: সংগৃহীত

চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে ৫টি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরেন তিনি।

 শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বুধবার (১৫ জুলাই) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ব্যতীত সারাদেশে ২ হাজার ৫৮৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য উন্নতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তার পোস্টে সরকারের গৃহীত সময়োপযোগী ৫টি শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

১) দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব বোর্ডে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা চালু রাখা হয়েছে।

২) পরীক্ষা চলাকালীন কোথাও যাতায়াত বা জলাবদ্ধতার কারণে সমস্যা তৈরি হলে স্থানীয় প্রশাসনকে পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত কিংবা পরীক্ষার সময় বাড়ানোর মতো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

৩) প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশ নিতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবে।

৪) গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের সৃজনশীল অংশের প্রশ্নপত্রের ভুল ও অসঙ্গতির কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের বিপরীতে সকল পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

৫)পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

রিফাত/