বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই দশকের বেশি সময় পর এটি হবে দুই দলের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক লড়াই। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে খেলতে নামবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।
দুই দলের সর্বশেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচটি হয়েছিল ২০০২ বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে। জাপানের সাপ্পোরো ডোমে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ডেভিড বেকহ্যামের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় ইংল্যান্ড।
১৯৮৬ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পর ২০০২ সালে প্রতিশোধ নেয় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে জয় এনে দেন অধিনায়ক বেকহ্যাম।
পেনাল্টির সূত্রপাত হয় মাইকেল ওয়েনকে বক্সের ভেতরে মরিসিও পচেত্তিনো ফাউল করলে। ইতালিয়ান রেফারি পিয়েরলুইজি কলিনা সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে জোরালো শটে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক পাবলো কাভায়েরোকে পরাস্ত করেন বেকহ্যাম।
তবে ম্যাচের শুরুর দিকে আক্রমণে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। হাভিয়ের জানেত্তির শট দারুণভাবে রুখে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক ডেভিড সিম্যান। পরে কিলি গনসালেসও একটি ভালো সুযোগ নষ্ট করেন।
ইংল্যান্ডও পাল্টা আক্রমণে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে। তবে মাইকেল ওয়েন তা কাজে লাগাতে পারেননি।
বিরতির পর হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরনের পরিবর্তে মাঠে নামেন পাবলো আইমার, যিনি নেমেই সিম্যানকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেন। পরে কোচ মার্সেলো বিয়েলসা মাঠে নামান হার্নান ক্রেসপো ও ক্লদিও লোপেজকে। এরপর ম্যাচের শেষ ২০ মিনিটে আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ চালালেও ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি।
মরিসিও পচেত্তিনো হেড থেকে দুবার গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন। একটি বল পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়, অন্যটি গোললাইন থেকে রুখে দেন সিম্যান।
শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড। এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে ১৬ বছরের আর্জেন্টিনা-ভীতি কাটায় তারা এবং নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয়।
এসজি/