ছবি: সংগৃহীত
প্রথমার্ধে খেলার চেয়ে মারামারি ও ফাউলই বেশি হয়েছে। দুই দল ১৯টি ফাউল করেছে। যেখানে তারা গোলমুখে মাত্র চারটি শট নিতে পেরেছে, এর মধ্যে কেবল একটি ছিল লক্ষ্যে। তাতে কোনো গোল না হওয়ায় আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচটি শুরু হয়।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে প্রথম কর্নার পায় ইংল্যান্ড। তবে কর্নার থেকে কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। সেটি সহজেই ক্লিয়ার করে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ।
ম্যাচের ১৩ মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান অ্যান্থনি গর্ডন। তবে বক্সের ভেতরে ঢোকার আগে কাট-ইন করলে তাকে ঘিরে ধরেন আর্জেন্টিনার পাঁচ ডিফেন্ডার। ফলে আক্রমণটি আর এগিয়ে নিতে পারেননি ইংল্যান্ডের এই উইঙ্গার।
ম্যাচের ২৩ মিনিটে সেট-পিস থেকে আক্রমণে উঠে কর্নার আদায় করে নেয় আর্জেন্টিনা। তবে কর্নার কিক নেওয়ার সময় ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে ফাউল করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। এরপর হাইড্রেশন বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতি থেকে ফিরে বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠেন জুড বেলিংহ্যাম। তাকে থামাতে গিয়ে ফাউল করে বসেন এনজো ফার্নান্দেজ। তবে ডেকলান রাইসের নেওয়া শট হেডে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি জন স্টোনস। বল জড়ায় সাইড নেটে।
ম্যাচের ৩৭ মিনিটে বল পেয়ে আক্রমণে উঠেন লিওনেল মেসি। ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের কাটিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন তিনি। তবে তাকে থামাতে ফাউল করে বসেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। তাতে তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। সেট পিস থেকে পাওয়া বলে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন এনজো। তার শটটি পোস্টের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।
ম্যাচের ৪২ মিনিটে ইংল্যান্ডের আক্রমণ ঠেকাতে ফাউল করে বসেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। তাতে হলুদ কার্ড দেখানো হয় তাকেও।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি। তাতে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা। প্রথমার্ধে ফাউল হয়েছে ১৯টি। এর মধ্যে আর্জেটিনা করেছে ১২টি, ইংল্যান্ড ৭টি। আর্জেন্টিনা গোলমুখে দুটি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডও দুটি শট নিয়েছে, যার মধ্যে একটি ছিল লক্ষ্যে।
এসজি/