ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্চস্থ হলো সেলিম আল দীনের নাটক ‘নিমজ্জন’

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১০:১০ এএম
আপডেট: ২৮ মে ২০২৪, ১১:১৮ এএম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্চস্থ হলো সেলিম আল দীনের নাটক ‘নিমজ্জন’
ছবি: খবরের কাগজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্চস্থ হলো বাংলা নব্য নাট্যধারার প্রবক্তা সেলিম আল দীনের গণহত্যাবিষয়ক বিখ্যাত নাটক ‘নিমজ্জন’।

সোমবার (২৭ মে) সন্ধ্যা ৭টায় থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের জিয়া হায়দার ল্যাবে নাটকটির দ্বিতীয় মঞ্চায়ন হয়।

এর আগে রবিবার (২৬ মে) বিকেল ৫টায় একই স্থানে নাটকটির প্রথম মঞ্চায়ন হয়।

নাটকটির পরিকল্পনা ও নির্মাণ করেছেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হীরক মুশফিক। 

বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রযোজনা হিসেবে নাটকটি মঞ্চায়ন করা হয়েছে।

নাটকের ঘটনাপ্রবাহে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ঘটমান গণহত্যা ও নৃশংসতার প্রত্যক্ষদর্শী আগন্তুক দীর্ঘকাল বিশ্বভ্রমণের পর এক অদ্ভুত শহরে আসেন পুরোনো বন্ধুর খোঁজে। অধ্যাপক বন্ধু, তার সহকর্মী, কবি এবং ছাত্রের সঙ্গে যখন দেখা হয় তখন শহরে চলতে থাকে একের পর এক নৃশংসতা। নানা ঘাত-প্রতিঘাতে নাটকটি এমন এক পরিণতির দিকে যায়, যার মাধ্যমে আহ্বান জানানো হয় সুন্দর এক পৃথিবীর পথে চলার।

নির্দেশক হীরক মুশফিক খবরের কাগজকে বলেন, ‘দেশ-কাল-পাত্র নির্বিশেষে গণহত্যার প্রাচীন ইতিহাস থেকে বর্তমান অবধি নৃশংসতার যে অবয়ব, তা মানুষের জন্য বিশ্বময় কখনই কল্যাণকর ছিল না। নিমজ্জন তারই এক চাক্ষুস বয়ান। যত দিন নানান অজুহাতে গণহত্যা চলবে, তত দিন নিমজ্জনের প্রাসঙ্গিকতা বিন্দুমাত্র কমবে না। এমন একটি কঠিন টেক্সট মঞ্চায়নে বিভাগের শিক্ষার্থীরা যে শ্রম দিয়েছে উপস্থাপনায় তার প্রকাশ ঘটেছে।’

নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

কামরুজ্জামান মিন্টু/ইসরাত চৈতী/অমিয়/

কবি অসীম সাহা আর নেই

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ০৪:৫৯ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ০৫:১১ পিএম
কবি অসীম সাহা আর নেই
অসীম সাহা

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহা মারা গেছেন। 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালেয় (বিএসএমএমইউ) তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

কবির মরদেহ হাসপাতালেই রয়েছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কবি অসীম সাহা। চিকিৎসকরা তখন জানিয়েছিলেন, বিষণ্নতায় ভুগছেন কবি। এছাড়া পারকিনসন (হাত কাঁপা রোগ), কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিস ছিল তার।

অসীম সাহা ১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোণা জেলায় তার মামারবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার বাড়ি মাদারীপুর। তার বাবা অখিলবন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক। 

অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৯ সালে স্নাতক পাস করে একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং তিনি ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ২০১১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করেন।

তাছাড়া, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৩), ময়মনসিংহ সাহিত্য-সংস্কৃতি ফোরাম সম্মাননা (২০০৯), সাতক্ষীরা জাতীয় কবিতা পরিষদ কবিসম্মাননা (২০১০), কবিতাবাংলা কবিসম্মাননা (২০১০), বিন্দুবিসর্গ কবিসম্মাননা (২০১১), শৃন্বন্তু কবিসম্মাননা (কোলকাতা) (২০১১), দিকচিহ্ন কবিসম্মাননা (২০১১), কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর কবিসম্মাননা (২০১১), শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পুরস্কার (২০১২), কবিতালাপ পুরস্কার (২০১২) পুরস্কারে ভূষিত হন।

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়, কালো পালকের নিচে, পুনরুদ্ধার, উদ্বাস্তু, মধ্যরাতের প্রতিধ্বনি, অন্ধকারে মৃত্যুর উৎসব, মুহূর্তের কবিতা ইত্যাদি।

অমিয়/

হাসপাতালে ভর্তি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ০৮:০৬ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ০৮:০৬ এএম
হাসপাতালে ভর্তি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ভারতের দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। গত ১৫ জুন তিনি পেসমেকার বদলের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন।

সোমবার (১৭ জুন) রাতে আনন্দবাজার জানায়, তার নতুন পেসমেকার বসানো হয়েছে। বর্তমানে ভালো আছেন ‘মানবজমিন’-এর লেখক।

চিকিৎসার নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট সময় পর পর পেসমেকার বদলাতে হয়। ৮৮ বছর বয়সি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের পেসমেকারটি পুরনো হয়ে গিয়েছিল। খ্যাতিমান এই লেখকের যাতে কোনো শারীরিক সমস্যা না হয়, তাই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

অস্ত্রোপচারের পর সামান্য শ্বাসকষ্ট শুরু হলেও বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল।

অমিয়/

আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৪, ০৪:০৫ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৪, ০৪:১৬ পিএম
আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় বর্ষা উৎসব। ছবি : খবরের কাগজ

আষাঢ়ের ভোরে আকাশে কালো মেঘের আনাগোণা; তপ্ত নগরীতে বৃষ্টি নামার প্রতীক্ষায় নগরবাসী। ক্ষণিকের তরে আকাশ কালো হলো বটে, কিন্তু বৃষ্টি আর এলো না। তাই নগরের নবীন শিল্পীরা সম্মেলক কণ্ঠে গাইলেন বৃষ্টির নামার গান ‘আয় বৃষ্টি ঝেঁপে ধান দেব মেপে’। এ বঙ্গের বর্ষায় মুগ্ধ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলে বর্ষা আহ্বান ‘এসো শ্যামল সুন্দর’, বহুল প্রতীক্ষিত বর্ষার আগমনে উচ্ছ্বসিত কবি লিখেছিলেন ‘বহু যুগের ওপার হতে আষাঢ় এলো’। শিল্পীরা একক বা সম্মেলক কণ্ঠে গাইলে সেই গানগুলো। 

প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার শপথে শনিবার (১৫ জুন) ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় বর্ষা উৎসব উদযাপন পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষা উৎসব।

বাংলার পঞ্চকবির গান, কবিতার পাশাপাশি সম্মেলক নৃত্যে সাজানো হয় এই উৎসব। 

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় বকুলতলার মঞ্চে মো. হাসান আলীর বাঁশিতে লোকজ সুর পরিবেশনায় শুরু হয় বর্ষা উৎসব।

বর্ষা উৎসবে শিল্পী সাজেদ আকবর পরিবেশন করেন রবীন্দ্রসংগীত ‘বহু যুগের ওপার হতে আষাঢ় এল’; সালমা আকবর পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথের ‘ছায়া ঘনাইছে বনে বনে’। বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি শোনান নজরুল সংগীত ‘বরষা ঐ এল বরষা’; অনিমা রায় শোনান রবীন্দ্রসংগীত ‘নীল অম্বর ঘন কুঞ্জ ছায়ায়’;  নবনীতা জাইদ চৌধুরী শোনান আধুনিক গান ‘এক বরষার বৃষ্টিতে ভিজে’। 

এদিন একক কণ্ঠে সংগীত পরিবেশন করেন আবিদা রহমান সেতু, শ্রাবণী গুহ রায়, স্নিগ্ধা অধিকারী, রত্না সরকার, ফেরদৌসী কাকলী।

দলীয় সংগীত পর্বে বৃষ্টি নামার গানের সঙ্গে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী পরিবেশন করে লোকসংগীত ‘গাঙ্গে যাইতাছে দেখো ভাই’। বহ্নিশিখা পরিবেশন করে নজরুল সংগীত ‘রুমুঝুম রুমুঝুম কে বাজায়’; সুরবিহার পরিবেশন করে লোকসংগীত ‘এসো শ্যামল সুন্দর’। 

এদিন পঞ্চভাস্বর, সীমান্ত খেলাঘর আসর, সুরনন্দনের শিল্পীরা সম্মেলন কণ্ঠে বর্ষার গান শোনান। 

আবৃত্তি পর্বে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক আবৃত্তিশিল্পী আহকাম উল্লাহ পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথের ‘এমন দিনে তারে বলা যায়’। 

ত্রপা মজুমদার পাঠ করেন ইন্দ্রানী সমাদ্দারের কবিতা ‘বৃষ্টি’; তিনি শোনান প্রদীপ বালার কবিতা ‘যে বৃষ্টির অপেক্ষায় বসে’। নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকলি শোনান জয় গোস্বামীর কবিতা ‘মেঘ বালিকা’। 

বর্ষা উৎসবে সম্মেলক নৃত্য পরিবেশন করে ধৃতি নর্তনালয়, স্পন্দন, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি অব ফাইন আর্টস, কথক নৃত্য সম্প্রদায়। 

বর্ষা উৎসবের কথন পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বরেণ্য চিত্রশিল্পী আবুল বারক আলভী। 

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় নগরে বসন্ত উৎসব, শরৎ উৎসব, নবান্ন উৎসব আর বর্ষা উৎসব পালন করি আমরা। এই বর্ষার এক আলাদা ব্যাপার আছে। তীব্র বৈশাখের পরে যখন বর্ষা আসে, তখন সবাই শান্তির নিঃশ্বাস ফেলে। আমাদের শষ্য, গাছপালা আর ফলন যেটির কথা বলি না কেন, তার সবটাই বর্ষার ওপর নির্ভরশীল। বর্ষার আকাশ যেমন কবিমনে প্রভাব ফেলে তেমনিভাবে আমাদের চিত্রশিল্পীদের ক্যানভাসেও বর্ষা প্রকাশিত হয়েছে আলাদা অনুভবে।’ 

বর্ষা উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. নিগার চৌধুরী নগরে বৃক্ষায়নে গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘যারা বাড়িঘর বানাতে গিয়ে গাছ কেটে ফেলেছেন তারা আরও বেশি করে গাছ লাগান। আমরা প্রকৃতির বন্ধু হতে চাই।’ 

পরে এই উৎসবের রীতি অনুযায়ী শিশুদের হাতে বনদ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন অতিথিরা। 

জয়ন্ত সাহা/অমিয়/

সুনামগঞ্জে শিল্পকলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৪, ১০:১০ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৪, ১০:১০ এএম
সুনামগঞ্জে শিল্পকলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জে জেলা পর্যায়ের শিল্পকলা প্রতিযোগিতা ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শুক্রবার (১৪ জুন) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় ১০ বিভাগে ১২ উপজেলার এক হাজার ৩৪৪ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির অফিস সূত্র জানায় শুক্রবার সকাল থেকে রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, গণজাগরণের গান/দেশাত্ববোধক/ভাষার গান/মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক/বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান/গণসংগীত, লোক সংগীত, সাধারণ নৃত্য সৃজনশীল নৃত্য, শাস্ত্রীয় নৃত্য, লোক নৃত্য, একক আবৃত্তি (কবিতা/ছড়া), একক অভিনয় ও চিত্রাংকন এই ১০ বিভাগে এক হাজার ৩৪৪ প্রতিযোগী অংশ নেয়।

সন্ধ্যায় ১০টি বিষয়ে ৩টি গ্রুপে পুরস্কার তোলে দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব ছাব্বির আহমেদ।

জেলা কালচারাল অফিসার জানান, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সুনামগঞ্জে জেলা পর্যায়ের শিল্পকলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুনামগঞ্জ শুক্রবার দিনব্যাপী জেলার ১২ উপজেলা থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিযোগী এবং অভিভাবকদের মধ্যে এই প্রতিযোগিতাকে নিয়ে অনেক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রতিভাবানদের প্রতিভার মর্যাদা দিতে এবং কোমলমতি শিশু-কিশোরদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করতেই মূলত এতো বড় পরিসরে এই আয়োজন। 

সুনামগঞ্জের সর্বস্তরের সাংস্কৃতিক সংগঠক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংস্কৃতিক-সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে জেলা পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা পর্যায়ে প্রত্যেক বিভাগে প্রথম হওয়া প্রতিযোগী ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে।

দেওয়ান গিয়াস/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

‘গর্বিত বাবা’ পুরস্কার পেলেন কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইনের বাবা

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৪, ১২:৪৭ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৪, ১২:৪৮ পিএম
‘গর্বিত বাবা’ পুরস্কার পেলেন কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইনের বাবা
সাদাত হোসাইনে পিতা মো. হেদায়েতউল্লাহ বেপারি-সাদাত হোসাইন

বাবা দিবস উপলক্ষে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড গর্বিত বাবা’ পুরস্কার পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইনের পিতা মো. হেদায়েতউল্লাহ বেপারি। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে গত শুক্রবার এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। 

‘আরশিনগর’, ‘অন্দরমহল’, ‘নির্বাসন’, ‘মানবজনম’, ‘শঙ্খচূড়’ উপন্যাসের রচয়িতা সাদাত হোসাইন ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন। সাদাত হোসাইন বলেন, ‘একজীবনে নিজের বাবা-মাকে গর্বিত করার চেয়ে বড় আনন্দের আর কী কিছু আছে? আমার কাছে নেই। এটুকু জীবনে লেখালেখি করে মানুষের যে অপার ভালোবাসা পেয়েছি, তা অভাবনীয়। তবে আজ যেন সব প্রাপ্তির পাত্র কানায় কানায় পরিপূর্ণ হলো। আর যেন কোনো আক্ষেপ নেই।’ 

তার বাবা হেদায়েতুল্লাহ বেপারি বলেন, ‘বাবা-মায়ের কাছে তাদের সন্তানদের সফলতার চেয়ে বড় সফলতা আর নেই। আর যখন সেই ছেলের কারণে বাবা হিসেবে পুরস্কৃত হই, তখন সেই পিতার চেয়ে গর্বিত পিতা আর কে আছে?’