সিলেট বিভাগের চার জেলার ৯৬টি কেন্দ্রে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে ৯৬টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয় পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হয় দুপুর ১টায়। প্রথম দিন বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিলেট বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সিলেট শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় ৭২ হাজার ৭৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৩ হাজার ৫৭৩ জন।
এবার মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৯ হাজার ২১৭ জন ছাত্র এবং ৪৩ হাজার ৫২৮ জন ছাত্রী। এ বছর নিয়মিত ৫২ হাজার ৫৪০ জন। বাকিরা অনিয়মিত, মানোন্নয়ন ও প্রাইভেট পরীক্ষার্থী।
গত বছর পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৯ হাজার ১৭২ জন। তাদের মধ্যে ২৭ হাজার ৭৬৪ জন ছাত্র এবং ৪১ হাজার ৪০৮ জন ছাত্রী ছিলেন।
জেলাওয়ারি তথ্য অনুযায়ী, এবার সিলেট জেলার ১৫৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩১ হাজার ২১৫ জন শিক্ষার্থী ৩৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন। একইভাবে সুনামগঞ্জ জেলার ৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৩ হাজার ৮৭০ জন শিক্ষার্থী ২২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন। মৌলভীবাজার জেলার ৫৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৪ হাজার ৭৩৯ জন শিক্ষার্থী ১৬টি কেন্দ্রে, এবং হবিগঞ্জ জেলার ৫৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ হাজার ৯২১ জন পরীক্ষার্থী ২০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বিলকিস ইয়াছমীন বলেন, ‘এবার সিলেট বিভাগের চার জেলার ৩৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৭২ হাজার ৭৪৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ২৯ হাজার ২১৭ জন ছাত্র ও ৪৩ হাজার ৫২৮ জন ছাত্রী। বিভাগের ৯৬টি কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ কতজন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন সেটা বিকালে জানা যাবে।’
এদিকে, এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে সিলেট নগরীর ২৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল, উচ্চশব্দ ও মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
আজহার/
যশোরের শার্শা উপজেলার একটি ফাজিল মাদরাসার প্রধান শিক্ষক (সুপার) মমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক।
এ ঘটনায় গতকাল বুধবার ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার সামটা ছিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার এক ছাত্রীকে একই প্রতিষ্ঠানের সুপার মমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ভয়ে দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে বলতে পারেনি। পরে অভিযুক্তের আচরণ অসহনীয় হয়ে উঠলে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।
এতে আরও বলা হয়, অভিযুক্তের প্রস্তাবে রাজি না হলে পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়া, বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি ১৮ জুন রাতে অভিযুক্ত বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তিনি জোরপূর্বক ঘরে প্রবেশের চেষ্টা এবং ছাত্রীর হাত ধরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগ করেন।
এরপর ২৯ জুন অভিযুক্ত মাদরাসা সুপার ছাত্রীর বাবার হাতে টিসি দিয়ে তার মেয়ের নাম প্রতিষ্ঠান থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে বলে জানান।
বর্তমানে ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এর আগেও একই সুপারের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। নতুন করে থানায় লিখিত অভিযোগ করায় বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নজরুল ইসলাম/আজহার/
চাঁদপুরের মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধ সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারী যানবাহনের চাপ, টানা বৃষ্টি এবং দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের অবস্থা দ্রুত অবনতি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা মৌসুমে দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়বে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি নির্মাণের পর বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সময়মতো স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় গর্তগুলো বড় আকার ধারণ করেছে।
সম্প্রতি ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকায় অন্তত ১০ থেকে ১২টি বড় গর্ত এবং ৪০ থেকে ৫০টি ছোট গর্ত তৈরি হয়েছে। অনেক স্থানে কার্পেটিং উঠে ফাটলও দেখা দিয়েছে। গত বছর বালুভর্তি বস্তার উপর ঢালাই দিয়ে কিছু অংশ মেরামত করা হলেও তা টেকেনি।
এখলাছপুর এলাকার বাসিন্দা ওবায়েদ উল্যাহ বলেন, আগের সংস্কার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এখন আবার মাটি দিয়ে গর্ত ভরাট করা হচ্ছে।
একই এলাকার ইকবাল হোসেন বলেন, গর্তের কারণে বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েছে।
সানকিরভাঙ্গা গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টির পাশাপাশি ভেকু ও মালবাহী ট্রাকসহ ভারী যানবাহন চলাচলের কারণেও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
মেঘনা-ধনাগোদা পওর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সেলিম শাহেদ বলেন, বৃষ্টি ও ভারী যানবাহনের কারণে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে এবং সওজ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে।
চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুস আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। লোকবলের সংকট থাকলেও দ্রুত সড়কটি চলাচল উপযোগী করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফয়েজ আহমেদ/তামান্না রুপা/
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দে কেনা মালামাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। গরীব মাদরাসাছাত্রের নামে বরাদ্দ বাইসাইকেল জালিয়াতির মাধ্যমে নিজে স্বাক্ষর করে নাতিকে উপহার দিয়েছেন কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলাম।
বিষয়টি জানাজানি হলে জেলাজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের নির্দেশে বুধবার (১ জুন) সাইকেলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ফেরত দিতে বাধ্য হন তাজুল ইসলাম।
এডিপির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিশেষ বরাদ্দে বাইসাইকেল, ছাগল, স্প্রে মেশিন, সেলাই মেশিন, ফুটবল ও হুইল চেয়ারসহ বিভিন্ন সামগ্রী কেনা হয়।
সরকারি বরাদ্দে কেনা এসব সামগ্রী স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপি নেতারা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন।
কোটচাঁদপুর কামিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সাইমুন ইসলামের নামে একটি বাইসাইকেল বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সাইকেল তাকে দেওয়া হয়নি। কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলাম নিজেই মাস্টাররোলে স্বাক্ষর করে বাইসাইকেলটি তার মেয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
সাইমুন জানায়, তার নামে বরাদ্দ হওয়া সাইকেলটি প্রথমে তাকে দেওয়া হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে বুধবার দুপুরে সাইকেলটি তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
জামায়াত আমিরের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি নেতারাও সরকারি বরাদ্দের সাইকেল, সেলাই মেশিন ও স্প্রে মেশিন নিজেদের স্বজনদের মাঝে ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছেন।
মাওলানা তাজুল ইসলাম দাবি করেন, সাইকেলটি তার প্রতিবেশী এক ছেলেকে দেওয়া হয়েছিল।
তবে পরে বক্তব্য বদলে তিনি বলেন, ‘তার ছেলে বেকার এবং আর্থিকসংকটে থাকায় সাইকেলটি তার নাতনি মারিয়াকে দেওয়া হয়েছিল।’
একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, ‘বরাদ্দের এসব সরকারি মালামাল স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপি নেতারা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।’
সাবেক পৌর মেয়র ও কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল সরকারি মালামাল দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভাগাভাগি ও অনিয়মের বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাঝে যা শোনা যাচ্ছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।’
তাজুল ইসলামের এমন কর্মকাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করে জামায়াত সমর্থক ও সাবেক মাদরাসাশিক্ষক শের আলী বলেন, ‘মাওলানা তাজুল ইসলাম একজন সচ্ছল মানুষ। তিনি কোটচাঁদপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। একজন দায়িত্বশীল মানুষের দরিদ্র ছাত্রের নামে বরাদ্দ করা এডিপির টাকায় কেনা বাইসাইকেল জালিয়াতি করে নেওয়া মোটেও ঠিক হয়নি।’
সাইকেল কেলেঙ্কারির বিষয়টি ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের নজরে আসলে তার নির্দেশে সাইকেলটি উপজেলা নির্বাহী অফিসে ফেরত আনা হয়।
কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপা রানী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বাইসাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠেছিল। সাইকেলটি ফেরত আনা হয়েছে এবং এটি নতুন করে প্রকৃত উপকারভোগীর মাঝে বিতরণ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, এডিপির বরাদ্দে কেনা বাইসাইকেল ছাড়াও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণে আর কোনো অনিয়ম হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাহফুজুর রহমান/অদিতি/
পাবনার ঈশ্বরদীতে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম দিনের বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬১ জন। এর মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকের ৫২ জন, কারিগরির একজন ও মাদরাসার পরীক্ষার্থী আটজন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পরীক্ষা কেন্দ্রপ্রধানের কাছ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
১২ কলেজ, ছয় মাদরাসা ও তিনটি কারিগরিসহ উপজেলার ২১টি কলেজের পরীক্ষার্থীরা পাঁচটি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন।
কেন্দ্রগুলো হলো- ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ, সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঈশ্বরদী মহিলা কলেজ, সরকারি নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও ছলিমপুর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র।
ঈশ্বরদী সরকারী কলেজ কেন্দ্রে উচ্চ মাধ্যমিকের ৭৩৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১৮, সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ৯৮৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ২১ ও ঈশ্বরদী মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৪৮৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১৩ জন পরীক্ষার্থী।
এ ছাড়া সরকারি নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে কারিগরির ১৬১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত একজন এবং ছলিমপুর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে মাদ্রাসার ১৪০ জনের মধ্যে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আটজন।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত রয়েছে।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইবসহ শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করে কোনো অনিয়ম ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে কেন্দ্র প্রধানরা জানিয়েছেন।
জাহাঙ্গীর/হীরা