ঢাকা ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে পারবে সৌদি আরব? সমীকরণ মিললেই ইতিহাস, ক্ষীণ আশা নিয়ে অপেক্ষায় স্কটল্যান্ড মার্চ থেকেই কলম্বিয়া ম্যাচের ছক কষেছে পর্তুগাল নকআউটে যে দলকে পেল নরওয়ে ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিল সেনেগাল রাউন্ড ৩২-এ ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কে? মিসর-ইরান ম্যাচের দায়িত্বে মারচিনিয়াক নরওয়েকে এক হালি গোল দিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ইরাকের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে সেনেগাল নকআউটের আগে মেসিকে বিশ্রাম দিতে পারেন স্কালোনি দেম্বেলের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে ৩-১ গোলে এগিয়ে ফ্রান্স ঝড় নয়, কলম্বিয়াই পর্তুগালের আসল পরীক্ষা ৩২ মিনিটেই দেম্বেলের হ্যাটট্রিক রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করবেন হাকিমি সংবাদপত্র এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি ইসমাইল আর নেই সবাইকে সতর্ক করেছিলেন, রক্ষা হলো না নিজের জীবন ভারতকে টি-টোয়েন্টি শেখাল আয়ারল্যান্ড নরওয়ের শুরুর একাদশে নেই হালান্ডসহ ১০ জন, ফ্রান্সের একাদশেও পরিবর্তন কেপ ভার্দে-সৌদি আরব ম্যাচে বাঁশি বাজাবেন ফরাসি রেফারি লেতেক্সিয়ে এক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মা ও তিন মেয়ে, অশ্রুসিক্ত হোমনা বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কে হবে, জানাল এআই মাগুরায় মহররম উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে পানি বিতরণ মেসিদের দেশে ফুটবল একাডেমিতে শিশু নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাবনায় বালু উত্তোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে বিএনপি কর্মী নিহত পূর্ব শত্রুতার জেরে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা কালীগঞ্জে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন চার বছর পর ফিরেই উইম্বলডনে সেরেনা উইলিয়ামস চাঁদপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে শিক্ষার্থীর মৃত্যু শিমুলিয়ায় নীল-সাদা জোয়ার, বল পায়ে রাষ্ট্রদূত জিতলেই আর্জেন্টিনার হাফ সেঞ্চুরি

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিতে আস্থা হারাচ্ছে উপসাগরীয় মিত্ররা

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিতে আস্থা হারাচ্ছে উপসাগরীয় মিত্ররা
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য ‘বিপর্যয়কর মোড়’ হিসেবে দেখছেন পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতা ও বিশ্লেষকরা। তাদের আশঙ্কা, এই চুক্তি একদিকে ইরানকে আরও শক্তিশালী করবে, অন্যদিকে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে দুর্বল করে তুলবে।

দশকের পর দশক ধরে পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগত নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে দেখছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই এ সম্পর্ককে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেছেন।

২০১৮ সালে সৌদি বাদশাহকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরাই আপনাদের রক্ষা করছি। আমাদের ছাড়া আপনারা দুই সপ্তাহও টিকতে পারবেন না। নিজেদের সামরিক বাহিনীর জন্য আপনাদেরই অর্থ দিতে হবে।’ এর এক বছর পরই সৌদি আরব কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় হামলার মুখে পড়ে। দেশটির অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক বন্ধ হয়ে যায় এবং বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়। ওয়াশিংটন এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে নিন্দা জানালেও উপসাগরীয় দেশগুলোর মনে প্রশ্ন থেকে যায়–তাদের হয়ে তেহরানের মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র কতদূর যেতে প্রস্তুত?

যুদ্ধের পর নতুন উদ্বেগ
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে উপসাগরীয় নেতারা এ বাস্তবতা আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করেন। উপসাগরীয় দেশগুলো যখন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন ট্রাম্প তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফরের জন্য এ অঞ্চলটিকেই বেছে নেন।

গত বছরের মে মাসে কাতারের রাজধানী দোহায় তিনি ঘোষণা করেন, ‘আমরা এ অঞ্চলকে রক্ষা করব।’ তবে চলতি বছর সেই প্রতিশ্রুতির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা আসে। আঞ্চলিক সংঘাত এড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলোর চেষ্টা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা চালায়। জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। ফলে আবারও প্রশ্ন ওঠে– যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষা আসলে কতটা কার্যকর। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপসাগরীয় অঞ্চল সফরে এসেছেন। তার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলোকে বোঝানো যে, ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি এখনো অটুট রয়েছে।

‘বিপর্যয়কর মোড়’
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক হাসান আলহাসান বলেন, ‘উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর দৃষ্টিতে ইরান যুদ্ধ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি বিপর্যয়কর মোড়। ইরানের সঙ্গে চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে যাওয়ারই ইঙ্গিত দেয়। তিনি বলেন, ‘উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ধীরে ধীরে সরে যাওয়া এবং ইরানের আর্থিক সম্পদের প্রবাহ তেহরানকে আরও সাহসী করে তুলতে পারে। তার পরও আরব রাষ্ট্রগুলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করেছে।’

‘তাদের মতামত শুনতে চাই’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সফরসূচিতে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েত। যুদ্ধের সময় ইরানি হামলায় এই দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ওয়াশিংটন-তেহরান সমঝোতা নিয়ে তারাই সবচেয়ে বেশি আগ্রহী ছিল।

গত বুধবার (২৪ জুন) কুয়েতে রুবিও বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র কখনোই তার উপসাগরীয় মিত্রদের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করবে না। আমরা তাদের মতামত শুনতে চাই। আলোচনার প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই।’

হরমুজ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল
চুক্তির আওতায় ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল তদারকি করবে ইরান। এর অর্থ, উপসাগরীয় দেশগুলোর সামুদ্রিক বাণিজ্য বিশেষ করে জ্বালানি রপ্তানির বড় অংশ ইরানের তদারকির মধ্যে পরিচালিত হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অংশীদারদের সঙ্গে ‘সম্পূর্ণ সমন্বিত’ অবস্থানে থাকবে। তবে গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন, সৌদি আরবের যদি ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানেরও ক্ষেপণাস্ত্র থাকার অধিকার রয়েছে। চুক্তিতে ইরান পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের কথাও রয়েছে। 

সম্পর্ক নতুনভাবে মূল্যায়ন

উপসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্র-ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকরাও এখন ইরানকে ঘিরে নতুনভাবে ভাবতে শুরু করেছেন। একসময়কার কেবল সংঘাতমুখী অবস্থানের পরিবর্তে এখন কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও আলোচনায় আসছে। প্রভাবশালী সৌদি ভাষ্যকার আবদুল রহমান আল-রাশেদও এর আগে লিখেছিলেন, দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক নয়। তার মতে, লক্ষ্য হওয়া উচিত ইরানের আচরণ পরিবর্তন করা এবং তাকে আরও স্থিতিশীল আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা। সূত্র: সিএনএন।

বেইজিংয়ের ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৯:২০ পিএম
বেইজিংয়ের ১০৯ তলা ভবনে বিমান বিধ্বস্ত
ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবন সিটিক টাওয়ার (চায়না জুন)-এ একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর ভবনটি থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, দমকল ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ১০৯ তলা ভবনটির ওপর আঘাত হানার পর সেখান থেকে ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ছে। ঘটনাস্থলে বিমানের লেজের একটি অংশ এবং একটি ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাক্সিক্যাবও দেখা গেছে।

দুর্ঘটনার পরপরই ভবনটি খালি করে দেওয়া হয়। ভবনের বাইরে বিপুলসংখ্যক ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনায় জড়িত বিমানটি চীনে তৈরি সানওয়ার্ড এসএ-৬০এল অরোরা মডেলের একটি হালকা স্পোর্টস বিমান। এটি একটি স্থানীয় জেনারেল এভিয়েশন কোম্পানির মালিকানাধীন, যারা পাইলট প্রশিক্ষণ, বিনোদনমূলক উড্ডয়ন ও আকাশচিত্র ধারণের সেবা দিয়ে থাকে।

এদিকে অনলাইনে প্রকাশিত প্রাথমিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার আগে বিমানটি নির্ধারিত উড্ডয়নপথ থেকে অস্বাভাবিকভাবে বিচ্যুত হয়েছিল।

এসএন/

ভারতে তাজিয়া মিছিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
ভারতে তাজিয়া মিছিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৩
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মধ্যপ্রদেশের রতলাম জেলায় মহররম উপলক্ষে বের করা তাজিয়া মিছিল চলাকালে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন নিহত এবং ১২ জন দগ্ধ ও আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

 বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে রতলাম জেলার একটি গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলটি যাওয়ার সময় একটি বিদ্যুৎ লাইনের সঙ্গে তাজিয়ার ধাক্কা লাগে। এতে তাজিয়া বহনকারী ব্যক্তিরা তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাদের সংস্পর্শে আসার কারণে পাশে থাকা অন্যান্য মানুষও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বলে তারা উল্লেখ করেছেন।

জানা গেছে, মাটির ওপর প্রায় ২০ থেকে ২৫ ফুট উচ্চতায় থাকা একটি ১১ কেভি (কিলোভোল্ট) বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সঙ্গে ধাক্কা লাগার কারণেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আহত সবাইকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ঘটনার সময় পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দাসহ দুই শতাধিক মানুষ ওই তাজিয়া মিছিলে অংশ নিতে জড়ো হয়েছিলেন।

ইন্ডিয়া টুডে/এসএন

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯, আহত প্রায় ৩ হাজার

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯, আহত প্রায় ৩ হাজার
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ভয়াবহতা স্পষ্ট। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৯ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন ২ হাজার ৯৮০ জন। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে অব্যাহত রয়েছে উদ্ধার অভিযান, ফলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 শুক্রবার (২৬ জুন) দেশটির স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা উদ্ধারকারী দলগুলোকে স্বাগত জানানোর সময় সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাদের পরিবেষ্টিত হয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এই নতুন হতাহতের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে যারা আটকে আছেন, আমরা তাদের উদ্ধার করতে যাচ্ছি। আমরা এই লক্ষ্যে অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যায় আঘাত হানা ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার এই জোড়া ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লা গুয়াইরা রাজ্য।

ওই এলাকায় জীবিতদের সন্ধান এবং দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার ও পানি বিতরণের কাজ জোরদার করতে পুরো রাজ্যকে ইতোমধ্যে সামরিকায়িত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এএফপি/এসএন

শক্তিশালী ভূমিকম্পে অবকাঠামো ও জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন শঙ্কা

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
শক্তিশালী ভূমিকম্পে অবকাঠামো ও জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন শঙ্কা
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন দেড় হাজারের বেশি মানুষ। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সম্মিলিত তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

 শুক্রবার (২৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

ভূমিকম্পের পর দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ভয়াবহ এ জোড়া ভূমিকম্পের পর দেশটির জনগণের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে জরুরি সহায়তার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা। এ চরম দুর্যোগে এরই মধ্যে ভেনেজুয়েলার জন্য সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, চীনসহ নানান দেশ।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, দেশটির ইতিহাসে ১২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প এটি। এ ভূমিকম্প কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার ১২ ঘণ্টা পর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৬৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় পর্যন্ত নিখোঁজ ছিল হাজার হাজার মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে রাতের অন্ধকারেও অভিযান চালিয়েছেন।

আরেক খবর অনুযায়ী, রাজধানী কারাকাসে ভূমিকম্পের পর বহু ভবন ধসে পড়েছে, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ সাহায্যের জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন। 

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার তদারকির জন্য তিনি একজন জেনারেলকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে জানান। 

ভূমিকম্পের এ ঘটনাটি ভেনেজুয়েলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ছুটির দিনে ঘটেছে। দেশটির স্বাধীনতাসংগ্রামী নেতা সিমন বলিভার কর্তৃক স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ১৮২১ সালের ঐতিহাসিক কারাবোবো যুদ্ধের বিজয়ের স্মরণে এদিন দেশটিতে সাধারণ ছুটি ছিল। ফলে অন্য যেকোনো কর্মদিবসের তুলনায় সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ সপরিবার নিজেদের ঘরবাড়িতে অবস্থান করছিল।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এ কম্পনটি ১৯০০ সালের পর ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এর আগে ১৯০০ সালের ২৯ অক্টোবর দেশটির উপকূলীয় অঞ্চলের কাছে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল।

ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত ভেনেজুয়েলায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর এত শক্তিশালী কম্পন দেশটির অবকাঠামো, দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা এবং জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

রয়টার্স/এসএন

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, ত্রাণ কার্যক্রমে নজরদারিতে মার্কিন প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, ত্রাণ কার্যক্রমে নজরদারিতে মার্কিন প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে অন্তত ২৩৫ জন নিহত হওয়ার পর ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা রাজধানী কারাকাসে পৌঁছেছেন। মার্কিন সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে ।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছে, মার্কিন মেরিন কোরের মেজর জেনারেল কেভিন জে. জেরার্ড ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা ও তদারকি করতে কারাকাসে পৌঁছেছেন। 

সংস্থাটি আরো জানায়, তিনি সেখানে সাউথকমের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এসএন/