ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

ফুজিফিল্মের ডিজিটাল ক্যামেরা

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:৫৯ পিএম
ফুজিফিল্মের ডিজিটাল ক্যামেরা

সম্প্রতি জাপানি ফটোগ্রাফি পণ্য নির্মাতা কোম্পানি ফুজিফিল্ম ‘ইনস্ট্যাক্স পাল’ ডিজিটাল ক্যামেরা বাজারে এনেছে। এটি ইনস্ট্যাক্স ডিজিটাল ক্যামেরা সিরিজের সর্বশেষ সংস্করণ। এটি আকারে বেশ ছোট। দেখতে অনেকটা খেলনা ক্যামেরার মতো। এর ওজনও বেশ কম, যা প্রায় ৪১ গ্রাম। তাই এটি খুব সহজে যেকোনো জায়গায় বহন করা যাবে। পাঁচটি রঙে ক্যামেরাটি বাজারে পাওয়া যাবে।

এই ডিজিটাল ক্যামেরায় বিশেষ কিছু ফিচার রয়েছে। ক্যামেরাটিতে র‍্যান্ডম ক্লিকের করতে ইন্টারভাল মোড নামে ফিচার রয়েছে। এই ফিচার ব্যবহার করে ছবি তোলার সময় তিন সেকেন্ডে একসঙ্গে একাধিক ক্লিক করা যাবে। ক্যামেরাটিতে রিমোট মোড আছে। যা ব্লুটুথের মাধ্যমে ফোনের ইনস্ট্যাক্স পাল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দূর থেকে ছবি ও সেলফি তুলতে পারবেন। পাশাপাশি ইমোজি, স্টিকার বা টেক্সট ব্যবহার করে, ইনস্ট্যাক্স পাল অ্যাপ দিয়ে তোলা ছবি কাস্টমাইজ করা যাবে।

ক্যামেরার ওপরের দিকে পাওয়ার বাটন রয়েছে। এটিতে অন্ধকারে ছবি তোলার জন্য ফ্লাশ রয়েছে। এ ছাড়া এর সঙ্গে স্পিকারও আছে। ক্যামেরাটির পেছনের দিকে রয়েছে শাটার ও মোড সুইচ বাটন। এই দুটি বাটনের মাঝে রয়েছে সি টাইপ চার্জিং পোর্ট।

এটি দিয়ে ২৫৬০×১৯২০ রেজল্যুশনে ছবি তোলা যাবে। এর ইন্টারনাল স্টোরেজ ব্যবহার করে প্রায় ৫০টি ছবি তোলা যায়। এতে বাড়তি স্টোরেজ সুবিধার জন্য মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করতে হবে। ক্যামেরাটি দিয়ে খুব কাছ থেকে ছবি তোলা যায়। তবে এটিতে ছবি তোলার সময় জুমের সুবিধা নেই। এতে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।

এটি হাতের তালুতে রেখে সহজে ছবি তোলা যায়। এটিতে একটি রিং রয়েছে। ব্যবহারকারীরা চাইলে এই রিং খুলে রাখতে পারেন।

কলি

 

লেনোভোর স্বচ্ছ মাইক্রো এলইডি ডিসপ্লের ল্যাপটপ

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:১৭ এএম
লেনোভোর স্বচ্ছ মাইক্রো এলইডি ডিসপ্লের ল্যাপটপ

চীনা প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লেনোভো স্বচ্ছ মাইক্রো এলইডি ডিসপ্লের ল্যাপটপ উন্মোচন করেছে। এই স্বচ্ছ মাইক্রো এলইডি ডিসপ্লের ল্যাপটপের ধারণাকে লেনোভো ‘প্রোজেক্ট ক্রিস্টাল’ হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে এটি এখনই বাজারে আসছে না। শুধু ধারণাগত ডিভাইস হিসেবে সবার সামনে এনেছে। যা বিশ্বের প্রথম স্বচ্ছ ল্যাপটপ বলে মনে করা হচ্ছে, এটি অনেকটাই কল্পবিজ্ঞানের বাস্তব রূপ।

বর্তমানে প্রোজেক্ট ক্রিস্টাল খুচরা পণ্য হিসেবে বাজারে আনার কোনো পরিকল্পনা নেই প্রতিষ্ঠানটির। লেনোভোর এই সর্বাধুনিক ধারণার নমুনা ডিভাইস নিয়ে থিংকপ্যাড বিভাগ কাজ করবে। তারা স্বচ্ছ মাইক্রো এলইডি প্যানেল ও এআই সমন্বয় করে এটি ব্যবহারের সম্ভাব্য জায়গা অনুসন্ধান করবে। এ ধরনের ডিসপ্লে তথ্য শেয়ার করার জন্য সবচেয়ে উপযোগী হবে। ল্যাপটপটি ডাক্তারের চেম্বার বা হোটেলের ফ্রন্ট ডেস্কে তথ্য শেয়ার করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। সরাসরি ল্যাপটপটি উল্টো না ধরে, সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডিসপ্লেটি উল্টা দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া যাবে। যেন অন্য পাশের যে কেউ এটি দেখতে পায়।

লেনোভো বলেছে, সিস্টেমের পেছনে থাকা ক্যামেরা একত্রে কাজ করলে এটি সম্ভবত এআর অ্যাপ্লিকেশনেও কাজ করবে।

উদাহরণ হিসেবে গুগল লেন্সের মতো কোনো বস্তু শনাক্ত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে এর ক্যামেরা। লেনোভো এককভাবে প্রোজেক্ট ক্রিস্টালের জন্য কাজ করেছে। বর্তমানে মাইক্রো এলইডি ডিসপ্লে প্যানেলগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়। সাধারণত এ ধরনের প্যানেল স্যামসাংয়ের ‘দ্য ওয়াল’ বা অ্যাপলের ‘ভিশন প্রোর’ মতো অত্যাধুনিক গ্যাজেটের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রের লাসভেগাসে অনুষ্ঠিত প্রযুক্তিপণ্যের মেলা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক শো ২০২৪-তে এই স্বচ্ছ ডিসপ্লে প্যানেলের সংস্করণগুলো শুধু ‘কনসেপ্ট’ বা ধারণামূলক পর্যায়ে দেখা গেছে।

বাস্তবে ডিসপ্লের স্বচ্ছতা কিছুটা বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে। ল্যাপটপটি বন্ধ বা ডিসপ্লে বন্ধ থাকা অবস্থায় প্রোজেক্ট ক্রিস্টালের স্ক্রিন প্রায় সামান্য বাদামি রঙের সাধারণ কাচের টুকরার মতো দেখায়।

তবে ডিভাইসটি চালু করার মুহূর্তে পুরো জিনিসটি যুদ্ধজাহাজের মতো জ্বলজ্বল করে ওঠে। এই ডিসপ্লের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা এক হাজার নিট পর্যন্ত। তবে লেনোভোর দাবি, এর সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা তিন হাজার নিট পর্যন্ত হতে পারে। যা স্যামসাংয়ের ‘গ্যালাক্সি এস২৪’ সিরিজের নতুন ফোনের চেয়েও উজ্জ্বল হবে। 

একাধিক স্তর দিয়ে তৈরি হওয়ার পরেও প্যানেলটি অত্যন্ত পাতলা। লেনোভো বলেছে বিশেষ ধরনের কনট্রাস্ট লেয়ার যুক্ত করার কথাও বিবেচনা করছে। এটি হলে কেবল একটি বাটনে চাপ দিয়ে ডিসপ্লেটিকে অস্বচ্ছ ডিসপ্লেতে রূপান্তর করা যাবে।

তুলনামূলকভাবে বড় ১৬ ইঞ্চি ডিসপ্লেটির রেজল্যুশন খুব বেশি, তাই কাছ থেকে ডিসপ্লেটি দেখলে পিক্সেল আলাদা আলাদা দেখা যাবে।

সূত্র: এনগ্যাজেট

কলি

 

হনরের এআই ভিত্তিক স্মার্টফোন ‘ম্যাজিক ৬ প্রো’

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:২১ এএম
হনরের এআই ভিত্তিক স্মার্টফোন
‘ম্যাজিক ৬ প্রো’

চীনা প্রযুক্তি কোম্পানি হনর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক নতুন স্মার্টফোন ‘ম্যাজিক ৬ প্রো’ উন্মোচন করেছে। গত রবিবার এই স্মার্টফোন বাজারে আনার ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি। ওই দিন পরীক্ষামূলকভাবে চোখের ট্র্যাকিংয়ের এআই ফাংশন প্রদর্শন করেছে। যা ব্যবহার করে শুধু ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে দূর থেকে গাড়ির দরজা খোলা ও চালানো যাবে।

এই টুলটি ইতোমধ্যে চীনে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে চীনের বাইরে এই সুবিধাটি মিলছে না। কোম্পানিটি বাণিজ্যিকভাবে দেশের বাইরেও এই টুলটি চালু করার জন্য কাজ করছে।

২০২০ সালের নভেম্বরে হুয়াওয়ে টেকনোলজিস রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শেনঝেন ঝিঝিন নিউ ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানির কাছে হনর বেচে দিয়েছিল। কোম্পানিটি রবিবার পর্যন্ত শুধু চীনেই নতুন ফোন প্রকাশ করেছে।

গতকাল সোমবার থেকে বার্সেলোনায় শুরু হয়েছে বার্ষিক মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি)। প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ কোম্পানিগুলো বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত এমডব্লিউসির আগে নতুন পণ্য ও পণ্যের ফিচার প্রকাশ করছে। যেন জেনারেটিভ এআই নিয়ে আলোচনা ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

স্মার্টফোন নির্মাতারা আশা করছেন, এআই ব্যবহারের উত্তেজনা স্মার্টফোনের স্থিতিশীল বাজারকে চাঙ্গা করবে। যদিও অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন জেনারেটিভ এআইয়ের ব্যবহার আইনি বা নৈতিক উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

কোম্পানিটি চীনা স্মার্টফোন বাজারে অ্যাপল ও অপ্পোর মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে। চ্যাটজিপিটির মতো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ‘এলএলএএমএ-২’ এআই প্রযুক্তি তাদের ফোনে যুক্ত করার জন্যও কাজ করছে।

আন্তর্জাতিক ডেটা কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে চীনের স্মাটফোনের বাজারে অ্যাপলের শেয়ার ছিল ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ আর হনরের ছিল ১৭ দশমিক ১ শতাংশ।

হনর রবিবারে নতুন ম্যাজিকবুক প্রো ১৬ ল্যাপটপও উন্মোচন করেছে। এটিতে একটি এআই ফিচার রয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের মেসেজিং অ্যাপের মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে ড্র্যাগ করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তর করা যায়।

সূত্র: রয়টার্স

কলি

 

মাইক্রোসফটের জন্য কাস্টম চিপ তৈরি করবে ইন্টেল

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:৩৯ এএম
মাইক্রোসফটের জন্য কাস্টম চিপ তৈরি করবে ইন্টেল

প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট কাস্টম কম্পিউটিং চিপ তৈরিতে ইন্টেলের পরিষেবা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। নতুন ফাউন্ড্রি বিভাগের জন্য মাইক্রোসফটের মতো বড় গ্রাহক পেয়েছে মার্কিন চিপ নির্মাতা ইন্টেল। যা এর আগে ‘ইন্টেল ফাউন্ড্রি সার্ভিসেস’ নামে পরিচিত ছিল। মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলার বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, মাইক্রোসফট পরবর্তী নিজস্ব চিপ ডিজাইনের জন্য ইন্টেলের সর্বশেষ ১৮এ (১.৮ ন্যানোমিটার) ফ্যাব্রিকেশন প্রক্রিয়া ব্যবহার করবে। তবে ইন্টেলের প্রসেস রোডম্যাপ অনুসারে সম্ভবত ২০২৫ সালের আগে এই কাস্টম কম্পিউটিং চিপ বাজারে আসবে না। 

ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসেতে অনুষ্ঠিত প্রথম প্রযুক্তি সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে ইন্টেল। মার্কিন চিপ নির্মাতা জানায়, তারা ইন্টেল ১৮এ উৎপাদন প্রযুক্তি দিয়ে চলতি বছরের শেষদিকে টিএসএমসি থেকে বিশ্বের দ্রুততম চিপ তৈরির খেতাব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়েছে। পাশাপাশি ইন্টেল ১৪এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ২০২৬ সালেও চিপ উৎপাদনে নিজেদের নেতৃত্ব ধরে রাখার বিষয়ে আশাবাদী।

যদিও কোনো কোম্পানিই তাদের চিপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি। তবে গত নভেম্বরে মাইক্রোসফট নিজেদের কাস্টমাইজ করা ‘আজুরে মাইয়া এআই এক্সিলারেটর’ ও ‘আজুরে কোবাল্ট ১০০ সিপিউ’ সার্ভার চিপ প্রকাশ করেছিল। যা এই বছরের শুরুর দিকে বাজারে আসার কথা ছিল। এটি কোবাল্ট ১০০ আর্ম আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। আর এর লক্ষ্য ছিল কোম্পানির নিজস্ব এআই পরিষেবার সক্ষমতা বাড়ানো। ইন্টেল গত বছরের এপ্রিল থেকেই আর্ম ডিজাইনের জন্য তাদের ১৮এ প্রসেসকে অপ্টিমাইজ করছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানটি আর্মে বিনিয়োগও করেছে। প্রতিষ্ঠান দুটির যৌথভাবে পরবর্তী প্রজন্মের কোবাল্ট সিপিউ তৈরির সম্ভাবনাও রয়েছে।

ইন্টেলের ১৪এ প্রযুক্তি উন্মোচনের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫ সালের পর তাদের বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। চিপ তৈরিতে নিজেদের নেতৃত্ব পুনরুদ্ধারে তিন বছর আগে প্রতিষ্ঠানটির সিইও প্যাট গেলসিঙ্গার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন।

এ.জে/জাহ্নবী

‘সাইফার’ এর যাত্রা শুরু অ্যাকজেনটেক নিয়ে এসেছে দেশের প্রথম কমার্শিয়াল টিয়ার ফোর ডাটা সেন্টার

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:০৫ পিএম
অ্যাকজেনটেক নিয়ে এসেছে দেশের প্রথম কমার্শিয়াল টিয়ার ফোর ডাটা সেন্টার

যাত্রা শুরু করেছে দেশের প্রথম সার্টিফায়েড টিয়ার ফোর কমার্শিয়াল কো-লোকেশন ডাটা সেন্টার ‘সাইফার।’ রবি আজিয়াটা লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক আনুষ্ঠানিকভাবে সাইফার এর যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ডাটা সেন্টারটি যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অবস্থিত।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে সাইফার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবি’র এমডি ও সিইও রাজীব শেঠি, অ্যাকজেনটেক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আদিল হোসেন নোবেল, রবি’র চিফ করপোরেট ও রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন যশোর পৌরসভার মেয়র হায়দার গণি খান পলাশ। 

অ্যাকজেনটেক পিএলসির এই সাইফার দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের প্রিমিয়ার ডাটা সেন্টার হিসেবে সর্বোচ্চ নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও কার্যকর আস্থার নিশ্চয়তা দেয় সাইফার, ডিজিটাল ক্ষেত্রে যা বেশ গুরুত্বপুর্ণ ।

যশোরে ১৬ হাজার ৫০০ বর্গফুটের সাইফার এর ভবনটিতে আছে পাওয়ার ব্যাকআপ, এডভান্সড কুলিং মেশিনারিসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাইফার কাজ করে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। ডিজিটাল অবকাঠামোর মান নিরূপণে বিশ্বব্যাপি স্বীকৃত সংস্থা আপটাইম ইনস্টিটিউট এর কাছ থেকে সম্মানজনক টিয়ার ফোর সনদ অর্জন করেছে সাইফার। 

নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুতসহ অন্যান্য সব প্রযুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে সাইফার এ। এছাড়া ৯৯.৯৯৫% আপটাইম বিশিষ্ট সাইফার এ আছে বায়োমেট্রিক একসেস কন্ট্রোলের মত মিলিটারি গ্রেড সিকিউরিটি। সাইবার হুমকিসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নেয়া হয়েছে যথাযথ ব্যবস্থা। 

নিরাপদ, নির্ভার ব্যবসা নিশ্চিত করার শঙ্কাহীন কো লোকেশন প্ল্যাটফরম হিসেবে সাইফার নিজের সেরাটা দিতে বদ্ধপরিকর। ডিজিটাল যুগে নির্ভরযোগ্য ও ভরসার প্রতীক হয়ে নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় সাইফার। 

অ্যাজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আদিল হোসেন নোবেল বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে সাইফার একটি মাইলফলক। বড় পরিসরে ডাটা সেন্টারের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে দেশের কারিগরি উৎকর্ষের জন্য স্মার্ট ডাটা ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে সাইফার। ডাটা সেন্টার স্থাপনে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য মাননীয় মন্ত্রী, আইসিটি বিভাগ, বিএইচটিপিএ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

রবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও রাজীব শেঠি বলেন, ‘সাইফার এর যাত্রা শুরু হওয়াটা বাংলাদেশের স্মার্ট উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি দারুণ পদক্ষেপ। রবি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। সাইফারের যাত্রা রবি’র সেই প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে। রবি’র সহযোগিতায় অ্যাকজেনটেক পিএলসি দেশকে ডিজিটাল সম্ভাবনার দিকে নিতে প্রযুক্তিগত সমাধান উদ্ভাবনের জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা যশোরে উদ্বোধন হলো দেশের প্রথম সার্টিফায়েড টিয়ার ফোর কমার্শিয়াল কো লোকেশন ডাটা সেন্টার সাইফার। অ্যাকজেনটেক ও রবির এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আমরা গর্বের সাথে বর্হিবিশ্বকে বলতে পারি যে আমাদের দেশেও বিশ্বমানের ডাটা সেন্টার রয়েছে। এই পথ অন্যরাও অনুসরণ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও সমৃদ্ধশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন জুনাইদ আহমেদ পলক ।

কলি

 

উইন্ডোজ ১১-এ নতুন স্টিকি নোটস অ্যাপ

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:২৫ এএম
উইন্ডোজ ১১-এ নতুন স্টিকি নোটস অ্যাপ


মাইক্রোসফট সম্প্রতি উইন্ডোজের জন্য নতুন সংস্করণে স্টিকি নোটস অ্যাপ প্রকাশ করেছে। যা গত চার বছরে প্রায় একই রকম ছিল। নিত্যদিনের বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে অবগত থাকার জন্য কম্পিউটারে স্টিকি নোট ব্যবহার করা হয়। এবার ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে এ অ্যাপে স্ক্রিনশট সংরক্ষণ ও ক্লাউডে নোট সিংক্রোনাইজ করার মতো নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে। মাইক্রোসফট ওয়াননোট সার্ভিসের ওপর ভিত্তি করে এই নতুন সংস্করণের পরীক্ষা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ওয়াননোট টুলবারের নতুন ‘স্টিকি নোটস’ বাটন ক্লিক করে বা  কি-বোর্ডে ‘Win + Alt + S’  একসঙ্গে প্রেস করে এটি ব্যবহার করা যাবে। স্টিকি নোটস চালু করার পর টাস্কবারে পিন করা যাবে, তবে এটি স্টার্ট মেনুতে প্রদর্শিত হবে কি না তা স্পষ্ট নয়।

মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে স্টিকি নোটস অ্যাপটি একই সঙ্গে একাধিক ডিভাইসে ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপটির সব নোট ডিভাইসগুলোয় সিংক্রোনাইজভাবে দেখা যাবে। এর মানে অ্যানড্রয়েড এবং আইওএসে ওয়াননোট অ্যাপ ব্যবহার করেও সব ডেস্কটপ নোট দেখা যাবে। নতুন আপডেটের ফলে ব্যবহারকারীরা অ্যাপটি দিয়ে স্ক্রিনশট নিতে ও এটিকে নোট হিসেবে সংরক্ষণ করতে পারবেন। এর সঙ্গে নতুন নোটে উৎসের তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এটিতে তৈরি করা নোটগুলো আউটলুক ওয়েব অ্যাপ, মাইক্রোসফট টিমস এবং মাইক্রোসফট ৩৬৫  মোবাইল অ্যাপে দেখা যাবে। মাইক্রোসফট ৩৬৫ ইনসাইডার ব্লগে নতুন স্টিকি নোটস সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘আগের থেকে আরও নির্বিঘ্নে নোট তৈরি ও পুনরায় ব্যবহার করা যাবে এটি দিয়ে।’

ভিজ্যুয়াল ডিজাইন পরিবর্তনের অংশ হিসেবে স্টিকি নোট অ্যাপে আলাদা সার্চবার যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পুরোনো নোট খুঁজে পাবে। অন্যদিকে অ্যাপে নোট লেখার সুবিধার্থে আলাদা পপ-আউট উইন্ডোও যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বোল্ড, ইটালিক, আন্ডারলাইনসহ বিভিন্ন ধরনের টেক্সট ফরমেটিং করা যাবে।

কলি