গুগল ম্যাপসে তিন আপডেট । খবরের কাগজ
ঢাকা ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

গুগল ম্যাপসে তিন আপডেট

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫২ পিএম
গুগল ম্যাপসে তিন আপডেট

সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের ‘গুগল ম্যাপস’ অ্যাপের মাধ্যমে নেভিগেশন বা কোনো জায়গা খোঁজ করা এ সময়ের প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গুগল অ্যাপলিকেশনটির ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে প্রতিনিয়ত আপডেট করেই চলেছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি এতে আরও তিনটি ফিচার যুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ছুটির মৌসুমে পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মার্চের ২৭ তারিখে গুগল এক ব্লগপোস্টে বিষয়টি জানিয়েছে। এই নতুন আপডেটের ফলে ব্যবহারকারীরা যখন ঘোরাঘুরি করবেন, তখন কোথায় যাবেন সে সম্পর্কে জানতে জায়গার নামের তালিকা ইচ্ছেমতো সাজাতে বা তৈরি করতে পারবেন।

অ্যাপটির ডিজাইনেও নতুনত্ব আনা হয়েছে। এই নতুন ডিজাইন আগের তুলনায় অনেক গোছানো। এতে অল্পসংখ্যক ট্যাবও রাখা হয়েছে। পিনের রঙেও এসেছে নতুনত্ব। এটি মানচিত্রে কোনো স্থান খুঁজে পেতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গুগল ম্যাপের নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য ডিজাইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিশেষ করে রেস্তোরাঁ ও নির্দিষ্ট জায়গা খুঁজে পাওয়ার জন্য ম্যাপের ডিজাইন পরিবর্তন করা হয়েছে।

গুগল মানচিত্রে এখন রেস্তোরাঁ ও ঘুরতে যাওয়ার জায়গা খুঁজে পেতে আরও সহজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার নির্দিষ্ট কিছু শহরে বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করে গুগল ব্যবহারকারীদের জন্য রেস্তোরাঁর তালিকা তৈরি করেছে। ব্যবহারকারীর ইচ্ছা অনুযায়ী কোনো শহরের নাম খোঁজ করলে, সে সম্পর্কিত সুপারিশ দেখতে পারবেন।

গুগল ম্যাপস ব্যবহারকারীরা দ্য ইনফাচুয়েশন, লোনলি প্লানেট, ট্রেন্ডি স্পোর্টসের মতো বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তালিকা পাবেন। ট্রেন্ডিং থাকা তালিকায় গ্রাহকদের আগ্রহ অনুসারে নতুন রেস্তোরাঁর তালিকা সামনে চলে আসবে। বেশির ভাগ মানুষ কোন জায়গায় বেশি ভিড় জমিয়েছে, সে অনুযায়ী তালিকায় রেস্তোরাঁগুলোর নাম থাকবে ওপরের দিকে। তারপরের স্থানে থাকবে স্থানীয়দের পছন্দ অনুযায়ী রেস্তোরাঁ বা জায়গার নাম। এটি পর্যটকদের জন্য আগে ছিল না।  চোখে আগে কখনো পড়েনি।

সূত্র : নিউজ১৮

কলি 

 

মাইক্রোসফটের এআইসমৃদ্ধ ‘কোপাইলট প্লাস’ পিসি

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
মাইক্রোসফটের এআইসমৃদ্ধ ‘কোপাইলট প্লাস’ পিসি
ছবি: এনগ্যাজেট

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক নতুন ধারার পার্সোনাল কম্পিউটার নিয়ে হাজির হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। এসব কম্পিউটারে বিশেষ এআই ফিচার থাকবে। আলফাবেট ও অ্যাপলের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে এই পদক্ষেপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত মাইক্রোসফটের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সত্য নাদেলা ‘কোপাইলট প্লাস’ পিসি উন্মোচন করেন। মাইক্রোসফটের পাশাপাশি এই পিসিগুলো অ্যাসার ও আসুসটেক কম্পিউটারের মতো বিভিন্ন প্রস্তুতকারকরাও বাজারে আনবে।

মাইক্রোসফটের শেয়ারের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় থাকাকালীন এই ল্যাপটপগুলো বাজারে আনা হলো। ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি মাইক্রোসফট ও অন্যান্য প্রযুক্তি জায়ান্টদের লাভের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

এই নতুন কম্পিউটারগুলো ক্লাউড ডেটা সেন্টারের সাহায্য ছাড়াই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত আরও জটিল কাজ পরিচালনা করতে পারবে। এই নতুন কম্পিউটারের দাম শুরু হবে ১ হাজার ডলার থেকে। আগামী জুন মাসের ১৮ তারিখে বাজারে আসবে এটি।

এআই ডেটা সরাসরি কম্পিউটারে প্রক্রিয়া করার সক্ষমতা থাকায় কোপাইলট প্লাস পিসিতে ‘রিকল’ নামে নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এই রিকল ফিচার ওয়েব ব্রাউজিং থেকে শুরু করে ভয়েস চ্যাটের মতো সবকিছু ট্র্যাক করে। এটি কম্পিউটার ব্যবহারের একটি হিস্ট্রি তৈরি করবে। ব্যবহারকারী কোনো কিছু ভুলে গেলেও সার্চ করে তা খুঁজে বের করতে পারবেন।

এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটি ‘মাইনক্রাফট’ ভিডিও গেম খেলার সময় একজন ব্যবহারকারীর জন্য রিয়েল-টাইম ভার্চুয়াল কোচ হিসেবে কোপাইলট ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের ডেমোও প্রদর্শন করেছে।

মাইক্রোসফটের কনজিউমার মার্কেটিং প্রধান ইউসুফ মেহদি বলেন, আগামী বছরে ৫ কোটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসমৃদ্ধ পিসি বিক্রির আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। সূত্র: রয়টার্স

গুগল আনছে ষষ্ঠ প্রজন্মের ক্লাউড টেনসর প্রসেসিং ইউনিট

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ১২:৩৭ পিএম
গুগল আনছে ষষ্ঠ প্রজন্মের ক্লাউড টেনসর প্রসেসিং ইউনিট
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড পিক্সেলে নিজস্ব টেনসর চিপ ব্যবহার করে বাজারে বেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এবার প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ডেটা সেন্টারের জন্য আরও শক্তিশালী টেনসর চিপ আনার ঘোষণা দিয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘গুগল আই/ও ২০২৪’ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সুন্দর পিচাই চিপটি উন্মোচন করেন।

সুন্দর পিচাই চিপটিকে সবার সামনে উপস্থাপন করার সময় এর পারফরম্যান্সের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এই চিপ কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি গুগল। তবে আশা করা হচ্ছে এটি চলতি বছরেই বাজারে আসবে।

এই চিপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেলের জন্য তৈরি করা হয়েছে। গুগল এই চিপকে ‘ট্রিলিয়াম’ কোড নামে পরিচয় করিয়েছে। টেক জায়ান্টটি দাবি করেছে, এ চিপ কম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানের পঞ্চম প্রজন্মের টেনসর চিপের তুলনায় ৪ দশমিক ৭ গুণ বেশি শক্তিশালী।

টেক জায়ান্টটি মূলত এ কম্পিউটিং সক্ষমতা অর্জনে ক্লক স্পিড বাড়ানোর পাশাপাশি চিপ ম্যাট্রিকস মাল্টিপ্লিকেশন ইউনিটকেও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে গুগলের ষষ্ঠ প্রজন্মের এ চিপ দ্বিগুণ মেমরির ব্যান্ডউইডথ রয়েছে।

ট্রিলিয়াম চিপ তৈরিতে গুগলের তৃতীয় প্রজন্মের ‘স্পার্সকোর’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। চিপটিতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করায় বিশেষায়িত কাজ দ্রুতগতিতে করা যাবে। গুগল জানিয়েছে, এর ফলে প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে ল্যাটেন্সি কম থাকবে।

এ ছাড়া ট্রিলিয়াম চিপটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে। এটি আগের সংস্করণের তুলনায় প্রায় ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে। এআই চিপের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মাথায় রেখে এ চিপ তৈরি করা হয়েছে। সূত্র: গিজমোচায়না।

/আবরার জহিন 

 

স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা চালু করতে ইন্দোনেশিয়ায় ইলন মাস্ক

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৪, ০৩:৩১ পিএম
স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা চালু করতে ইন্দোনেশিয়ায় ইলন মাস্ক
ছবি: দ্য জাকার্তা পোস্ট

প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করার পরিকল্পনাকে সামনে রেখে গতকাল রবিবার ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ বালিতে পৌঁছেছেন। এই সেবার মাধ্যমে দেশের বিশাল দ্বীপপুঞ্জের দূরবর্তী অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা বাড়ানো ও স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত করার আশা করছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার।

 রবিবার সকালে মাস্ক ব্যক্তিগত জেট বিমানে চেপে বালির বিমানবন্দরে পৌঁছান। সে সময় দেশটির প্রধান বিনিয়োগমন্ত্রী লুহুত বিনসার পানজাইতান এই বিজনেস টাইকুনকে স্বাগত জানান। বিনিয়োগমন্ত্রী তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানান, স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবার উদ্বোধনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন তারা দুজন।

তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে ২৭ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করে তিনটি আলাদা আলাদা টাইম জোনে। স্টারলিংকের দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষও শহরাঞ্চলের মানুষের মতো দ্রুত গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। লুহুত আরও জানিয়েছেন, স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বালি দ্বীপের প্রধান প্রবেশদ্বার ডেনপাসারের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্টারলিংকের সেবা উদ্বোধন করেন।

গত সপ্তাহে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যোগাযোগমন্ত্রী বুদি আরি সেটিয়াদি জানান, মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইউনিট ইতোমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে চালু করার অনুমতি পেয়েছে।

স্টারলিংক খুচরা গ্রাহকদের জন্য ইন্টারনেট সেবা সরবরাহকারী হিসেবে নেটওয়ার্ক সরবরাহের অনুমতি পেয়েছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি খুব ছোট একটি অ্যাপারচার টার্মিনাল ‘ভিএসএটি’ ব্যবহার করবে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তৃতীয় দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ায় এ সেবা চালু করছে স্টারলিংক। গত বছর মালয়েশিয়া প্রতিষ্ঠানটিকে ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের লাইসেন্স দিয়েছে। ২০২২ সালে ফিলিপাইনের একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে স্পেসএক্স। বর্তমানে ইউক্রেনেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনেট সেবা। যেখানে সামরিক বাহিনী, হাসপাতাল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাহায্যকারী সংগঠনগুলো এটি ব্যবহার করছে।

 

লাইসেন্সবিহীন ও অনিরাপদ সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধে আহবান বিএসএ’র

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৪, ০৭:২৩ পিএম
লাইসেন্সবিহীন ও অনিরাপদ সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধে আহবান বিএসএ’র
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাত দিন দিন বড় হচ্ছে। যদিও দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর এখনও লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহারে আগ্রহী রয়েছে। আর এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার বন্ধের বিষয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায় নেতৃবৃন্দের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৮ মে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, বাংলাদেশে লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যারের ব্যবহার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সফটওয়্যার বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা দ্য সফটওয়্যার এলায়েন্স বা বিএসএ। সাইবার ঝুঁকি এড়াতে লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি বলে মনে করছে সংস্থাটি।

বিএসএ-এর সিনিয়র ডিরেক্টর তরুণ সাওনি বলেন, লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যারের ব্যবহার তথ্য নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। যার ফলে সম্ভাব্য সাইবার আক্রমণ, তথ্য চুরি ও ম্যালওয়্যার আক্রমণের শঙ্কা বেড়ে যায়। এসব ঘটনা গ্রাহক, অংশীদার ও সহযোগীদের বিশ্বাস ও আস্থা নষ্ট করতে পারে। এছাড়া এটি যে কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য আইনী ঝুঁকি তৈরির পাশাপাশি ‍সুনাম নষ্টের কারণ হতে পারে। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যারের ব্যবহার কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন, যার ফলে যে কোন  সংস্থা বা সংগঠন মামলা, জরিমানা অথবা আইনি জরিমানার সম্মুখীন হতে পারে।

বিএসএ-এর তথ্যে উঠে এসেছে, বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতের অনেক কোম্পানিই লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহার করছে। যার মধ্যে আছে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ, খুচরা ও বড় ব্যবসা, নির্মাণ ও রিয়েল এস্টেট, ভোগ্যপণ্য, ব্যাংকিং, আর্থিক পরিষেবা এবং স্থাপত্য ও প্রকৌশলসহ অন্যান্য ক্ষেত্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

বিএসএ-এর সিনিয়র ডিরেক্টর বলেন, ‘লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যবহারের ক্ষতি শুধু আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর কারণে  মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয় এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনও বাধাগ্রস্ত হয়।’

বিএসএ বাংলাদেশের বড় আকারে ব্যবসায়িক কাজে যাতে বৈধভাবে সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করা হয়, সে জন্য  বাংলাদেশের আইসিটি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির মতো সরকারি সংস্থার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার সংক্রান্ত ঝুঁকি তুলে ধরে বাংলাদেশের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির মহাপরিচালক আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘এটি সাইবার হুমকির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। শুধুমাত্র ঝুঁকি কমানোর জন্য নয় বরং একটি নিরাপদ ও বিপদমুক্ত সাইবার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাগুলোর উচিত বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার এই সমস্যা সমাধানে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা নিয়মিতই ব্যবসায়িক সংস্থাগুলোকে বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহার ও নিয়মিত লাইসেন্স নবায়ন করার পরামর্শ দিই। বিএসএ-এর মতো সংস্থাগুলোর সহযোগিতা এই বিষয়ক সচেতনতা এবং বাস্তবায়নের প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দেবে। এসব উদ্যোগ কার্যকরভাবে সাইবার নিরাপত্তার হুমকি কমাতে ভূমিকা রাখবে।’

২০১৯ সাল থেকে সংস্থাটি প্রায় ১০ লাখ পিসিতে বৈধ ও নিরাপদ সফটওয়্যার ইনস্টল করার জন্য ‘লিগ্যালাইজ অ্যান্ড প্রোটেক্ট’ নামের আঞ্চলিক প্রচারভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। অবৈধ সফটওয়্যারের ব্যবহার এখনও চালু থাকায় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে সচেতন করতে, বিশ্বব্যাপী বিএসএ তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে চায় সংস্থাটি।

বিএসএ বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে ও আন্তর্জাতিক বাজারে সফটওয়্যার খাতকে তুলে ধরতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা হিসেবে পরিচিত। এর সদস্যদের মধ্যে আছে বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলো। যারা যে কোন ধরণের ছোট-বড় ব্যবসার আধুনিকায়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সফটওয়্যারভিত্তিক সমাধান তৈরি করে। সংস্থাটির সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। ৩০ টিরও বেশি দেশে বিএসএ’র কার্যক্রম চালু রয়েছে।

মাইক্রোসফটের সাবস্ক্রিপশন পরিষেবায় ‘কল অব ডিউটি’ গেম

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৪, ১২:৫২ পিএম
মাইক্রোসফটের সাবস্ক্রিপশন পরিষেবায় ‘কল অব ডিউটি’ গেম

প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট জনপ্রিয় গেম ‘কল অব ডিউটি’-এর আসন্ন সংস্করণ নিজস্ব সাবস্ক্রিপশন পরিষেবায় প্রকাশের পরিকল্পনা করছে। এটি গেমটির বিক্রয় পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন। এতদিন ‘কল অব ডিউটি’ আলাদাভাবে কেনা যেত। গেমটির সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স বিষয়টি জানিয়েছে।

গত শুক্রবার এ নিয়ে প্রথম সংবাদ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৯ জুন মাইক্রোসফটের বার্ষিক ‘এক্সবক্স গেমস শোকেস’ অনুষ্ঠানে এই সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানটির কাছে রয়টার্স এ নিয়ে জানতে চাইলে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে গত বছরের শেষের দিকে প্রায় ৬ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারে অ্যাক্টিভিশন ব্লিজার্ডকে কেনার মধ্য দিয়ে ‘কল অব ডিউটি’ ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অধিগ্রহণ করে মাইক্রোসফট। এই ভিডিও গেম এখন পর্যন্ত ৩ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি আয় করেছে। গত কয়েক বছরে অ্যাক্টিভিশন ব্লিজার্ড প্রতিটি নতুন সংস্করণ প্রায় ৭০ মার্কিন ডলারে বিক্রি করেছে।

এর কিছুদিন আগে এক্সবক্স বিভাগের প্রেসিডেন্ট সারাহ বন্ড এক সম্মেলনে জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি তাদের সব নতুন এক্সবক্স গেম প্রকাশের দিনই গেম পাস প্রকাশ করবে। মাইক্রোসফটের একটি সাবস্ক্রিপশন পরিষেবা হচ্ছে গেম পাস। এটির মাধ্যমে গ্রাহকরা মাসিক ফি দিয়ে এক্সবক্স ও অন্যান্য ডেভলপারদের গেম খেলতে পারবেন। জাপানি প্রতিদ্বন্দ্বী সনি করপোরেশনের প্লেস্টেশন কনসোলের আধিপত্য কমাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এ জন্য তারা আগামী বছরগুলোতে নেটফ্লিক্সের মতো গেম সাবস্ক্রিপশন পরিষেবা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে মাইক্রোসফট জানিয়েছে, গেম পাসের গ্রাহক সংখ্যা ৩৪ মিলিয়নে পৌঁছেছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কল অব ডিউটি গেমের বড় ধরনের জনপ্রিয়তা আছে। তাই গেম পাস এটিকে আরও বেশি গ্রাহক আকর্ষণ করতে সাহায্য করবে। তবে এর ফলে গেমটির সামগ্রিক বিক্রি কমতে পারে।