ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ‘CFMOTO Fiesta Football Tournament 2026’ ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে ‘পেমেন্ট পাসকি’ আনল ভিসা ৬ জুলাই থেকে ৬৪ জেলায় পদযাত্রা করবে এনসিপি সন্তানের কর্মসংস্থান চাই মোহসিন মিয়ার পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব তৃতীয় কোনো ভাষা শেখানোর চিন্তা কতটা বাস্তবসম্মত! সিংড়ায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর উত্তরা মোটর্স বাংলাদেশে নিয়ে এলো ইসুজু লাক্সারি এনকিউআর বাস দেবহাটায় ব্ল্যাকমেইল করে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ, এরপর... ‘কে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড, তা ঠিক করবে কম্পিউটার’ ধনবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় মাছ, হুমকিতে শতাধিক প্রজাতি টাকা খেলেন, জেল পেলেন! উখিয়ার ট্রে ওভেন প্রকল্প ঘুরে দেখলেন জাইকা প্রেসিডেন্ট আবারও বড় ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যানার্জী The Grocer and the Fruit seller বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৮ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের পর ম্যাকডোনাল্ডস-বাস টার্মিনাল এখন ক্লিনিক অপহরণ-মানবপাচার রোধে টেকনাফে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ চট্টগ্রামের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাজেটে অনেক পরিকল্পনা রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী খামেনির দাফন, ট্রাম্পের কটাক্ষ আর ‘রফা’ প্রসঙ্গে নতুন বিতর্ক চকবাজারে আশিক টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে শ্যামনগরে ১৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার মাদক জব্দ স্বাস্থ্যখাতে খারাপ চর্চার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-সৌদি আরবের সুসম্পর্ক স্থাপনে হজ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ১৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র অপরিচ্ছন্ন টয়লেটে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্ভোগে বেরোবির শিক্ষার্থীরা ইংল্যান্ড-মেক্সিকো ম্যাচে বজ্রঝড়ের শঙ্কা কোটচাঁদপুরে হ্যান্ডকাফসহ পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না আসামির বিশ্ব নাগরিক হয়ে ওঠার প্রস্তুতি আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সেমিফাইনাল, আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল ফাইনাল, হবে কি পাগলাটে বিশ্বকাপ?

আখাউড়ায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন: ড্রেজার-পাইপ ধ্বংস

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম
আখাউড়ায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন: ড্রেজার-পাইপ ধ্বংস
ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের মঙ্গল চর এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের সময় উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে চারটি ড্রেজার মেশিন নষ্টসহ প্রায় দুই হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করেছে এবং একটি পানি তোলার মোটর জব্দ করেছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরের দিকে অভিযানটি পরিচালনা করেন, আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কফিলউদ্দিন মাহমুদ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ ছিল। এর ভিত্তিতে অভিযান চালানো হলে ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি এবং কোনো কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়নি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কফিলউদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জুটন বণিক/নাঈম 

সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড
গরম থেকে রক্ষা পেতে ঠান্ডা পানীয় পান করছেন। ছবি: মামুন হোসেন

সিলেটে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ৩টায় সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি ছিল প্রকৃত তাপমাত্রার তুলনায়ও তীব্র।

এদিকে সকাল থেকে সূর্যের প্রখর খরতাপে পুড়ছে সিলেট। এই তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গরমের তীব্রতায় ছোট-বড় সবার হাঁসফাঁস অবস্থা। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু ও শ্রমজীবী মানুষজন এই গরমে চরম কষ্টে আছেন। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকে। তবে জীবিকার তাগিদে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে কেউ মাথায় ছাতা দিয়ে বের হচ্ছেন।  

তবে প্রচণ্ড গরমের কারণে সিলেট নগরীর রাস্তায় মানুষের চলাচলও অনেকটা কম। সেই সঙ্গে যানবাহন চলাচলও অনেকটা কম। গরমের কারণে বেশী বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষজন।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন খবরের কাগজকে বলেন, ‘শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪. ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে দুপুর ৩টায় এই তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭. ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এই বছরের মানে ২০২৬ সালের আজকে পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি ছিল প্রকৃত তাপমাত্রার তুলনায়ও তীব্র।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি লঘুচাপ নিম্নচাপে রূপ নিলে তাপমাত্রা কমে আসতে পারে। পাশাপাশি সিলেটের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।’

রিফাত/

সিংড়ায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
সিংড়ায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর
ছবি: এ্আই

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের রাতাল গ্রামে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর সোয়া একটার দিকে ওই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই শিশুর নাম রহমত আলী (৭)।  শিশুটি একই গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় কয়াখাস  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে জানান, শনিবার দুপুর সোয়া একটার দিকে বাড়ির পাশেই  নিজেদের একটি ছোট পুকুরে গোসল করতে যায় শিশুটি। এক পর্যায়ে   পানিতে ডুবে যায়। স্বজন ও স্থানীয়রা অনেক চেষ্টায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

কামাল মৃধা/এসএন

ধনবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় মাছ, হুমকিতে শতাধিক প্রজাতি

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
ধনবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় মাছ, হুমকিতে শতাধিক প্রজাতি
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নদ-নদী, খাল-বিল ও মুক্ত জলাশয়গুলো থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ।

স্থানীয় ও মৎস্য সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছে শতাব্দী প্রিয় সেই বিলুপ্তপ্রায় স্বাদ।

স্থানীয় সূত্র ও বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছে জানা গেছে, মাত্র এক দশক আগেও ধনবাড়ী উপজেলার উল্লেখযোগ্য যমুনার শাখা ঝিনাই নদী, বংশাই নদী-খাল-বিল, পুকুর-ডোবা ও কৃত্রিম জলাশয়ে প্রচুর পরিমাণে দেশি মাছ পাওয়া যেত। তখন অনেক মানুষ মাছ ধরাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে সংসার চালাতেন। কিন্তু বর্তমানে মুক্ত জলাশয়ে মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় সেই পেশাজীবী মানুষেরা বাধ্য হয়েছেন অন্য পেশায় ছুটতে। মৎস্য সংশ্লিষ্টদের প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশের মিঠাপানির প্রায় ২৬০ প্রজাতির মাছের মধ্যে বর্তমানে শতাধিক প্রজাতি অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। এর মধ্যে টেংরা, পুঁটি, বাইম, বোয়াল, গজার, আইড়, ভেটকি, ভোলা, মাগুর, শৈল, চেলা, টাকি, চাঁদা, বাইশ, কাকিলা, খলিসা ও গুলশা মাছ উল্লেখযোগ্য। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তালিকার বেশিরভাগ মাছই একসময় ধনবাড়ীর জলাশয়ে প্রচুর পাওয়া যেত।

মৎস্য কর্মকর্তারা দেশীয় মাছ কমে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে-নদী-নালা ও খাল-বিল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়া, চায়না দুয়ারী জালের ব্যাপক ব্যবহার, মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়া, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, জলাশয়ে সেচ দিয়ে মাছ ধরা এবং ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ শিকার।মূল কারণ হচ্ছে ধনবাড়ী উপজেলার বিল গুলোকে লিজ দেওয়া। 

যদুনাথপুর ইউনিয়নের ৯৮  বছর বয়সী হোসেন আকন্দ গতানুগতিক সেই দিনগুলোর কথা স্মরণ করে বলেন, ছোটবেলায় দেখতাম, বিলে বিলে মাছ ভরা থাকত। জাল ফেললেই যেন মাছ উঠত। বর্ষায় তো পানির সঙ্গে ঘরেই মাছ ঢুকে যেত। কিন্তু এখন খাল- বিলে মাছের দেখাই মেলে না। পানিটাই যেন মরে গেছে।

বানিয়াজান ইউনিয়নের ইউসুপ মিয়া দীর্ঘদিন মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালিয়েছেন। অশ্রুসজল চোখে তিনি জানান, বহু বছর ধরে মাছ ধরে বেচে খেয়েছি। সংসারের সব ব্যয় মিটিয়েছি। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে আগের মতো মাছ আর পাওয়া যায় না। দেশীয় মাছ এখন খুবই দুর্লভ। বাজারে যা আসে, তার দাম এত বেশি যে সাধারণ মানুষ কেনার কথাও ভাবতে পারে না। এক কেজি ছোট টেংরা মাছের দাম এখন ৫০০-৬০০ টাকা! আমলা মাছ বাজারের ব্যবসায়ীরাও একই সুরে কথা বলেন।

তারা জানান, এক সময় আমলা বাজারে দেশীয় ছোট মাছের কোনো সংকট ছিল না। গরিব-দুঃখী সবাই স্বল্পমূল্যে এসব মাছ কিনে খেতে পারতেন। বর্তমানে অল্প যা পাওয়া যায়, তার দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে গেছে।

ধনবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ছেলেবেলায় গ্রামের মানুষ বিভিন্ন ধরনের জাল দিয়ে মাছ ধরত এবং মাছ খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে যেত। এখন সেই ছোট মাছের দেখা পাওয়াই যেন দুষ্কর হয়ে পড়েছে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হয়তো চিত্রে দেখে জানবে পুঁটি, টেংরা, মাগুর মাছের অস্তিত্বের কথা!’

ধনবাড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ কুমার দে বলেন, ‘জলাশয় ভরাট, নদ-নদীতে পানির সংকট, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত মৎস্য আহরণের কারণে দেশীয় মাছ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। এছাড়া সেচ দিয়ে মাছ শিকার ও জলাশয়ে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের প্রভাবেও দেশীয় মাছ বিলুপ্তির পথে। এই অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছ চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে বলে আমি আশঙ্কা প্রকাশ করছি।’

তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে কিছু প্রজাতি এখনো ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন চায়না দুয়ারী জাল বন্ধ, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ, জলাশয় সংরক্ষণ ও পুনঃখনন এবং বর্ষায় মাছের অবাধ চলাচলের জন্য নদী-খালের সংযোগ রক্ষা করা।

গঠনমূলক পরামর্শ হিসেবে মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘স্হানীয় প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। জলাশয়ে পোনা অবমুক্তকরণ, মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চায়না দুয়ারী জালের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা গেলে দেশীয় মাছ রক্ষা সম্ভব।’

উল্লেখ্য, ধনবাড়ী উপজেলার নদ-নদী ও খাল-বিল একসময় দেশীয় মাছের জন্য বিখ্যাত ছিল। সেই ঐতিহ্য রক্ষায় এখনই সময় ক্ষয় নয় বলে মনে করছেন পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহল।

জুয়েল রানা/রিফাত/

টাকা খেলেন, জেল পেলেন!

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম
টাকা খেলেন, জেল পেলেন!
আটক পিয়ন অমিত কুমার সরকার। ছবি: খবরের কাগজ

নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফর্ম ফিলাপের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কলেজের পিয়ন অমিত কুমার সরকারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক বিচারিক হেফাজতে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম ইসরাত জাহান সুচি। তিনি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি একই উপজেলার বড়বড়িয়া এলাকার ইমামুল হকের মেয়ে। 

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে ভুক্তভোগীর বাবার করা মামলার অভিযোগ সূত্রে জানান, গত ১২ মার্চ কলেজের অফিস কক্ষের সামনে ফর্ম ফিলাপের ৩হাজার, ৫শ টাকা নিয়ে গেলে কলেজের অফিস সহকারি অমিত কুমার সরকার এর সাথে তার দেখা হয়। ওই আসামি ইসরাত জাহান সুচি কে জানায়, তার কাছে ছবি এবং টাকাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে সে ফর্ম ফিলাপ করে দিবে।

গত ২৯ জুন পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ করা হলেও আসামি অমিত কুমার সরকার ভুক্তভোগীর মায়ের মোবাইল নাম্বারে ফোন করে বলে প্রিন্সিপাল স্যার প্রবেশপত্র নেওয়ার জন্য রাজশাহীতে আছে।

পরের দিন ইসরাত ও তার বাবা কলেজে গেলে আসামি অমিত কুমার সরকার বলে শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র সমস্যার কারণে রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে। ১ জুলাই অমিত কুমার সরকার ইসরাত জাহান সূচীর মায়ের মোবাইল নাম্বারে ফোন করে জানায় তার প্রবেশপত্রের সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি নিজেই রাজশাহী যাচ্ছেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে শিক্ষার্থী ও তার বাবা  প্রিন্সিপাল এর কাছে গিয়ে জানতে পারেন ফর্ম ফিলাপ হয়নি। এতে  শিক্ষার্থী প্রথম পরীক্ষায় অংশ নিতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্থ হন।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম আরো জানান, এ ঘটনায় মামলা হলে গতরাতে (৩ জুলাই) বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।প্রসঙ্গত শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ওই শিক্ষাথীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মৃধা/খাদিজা রুমি/

উখিয়ার ট্রে ওভেন প্রকল্প ঘুরে দেখলেন জাইকা প্রেসিডেন্ট

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
উখিয়ার ট্রে ওভেন প্রকল্প ঘুরে দেখলেন জাইকা প্রেসিডেন্ট
উখিয়ার ট্রে ওভেন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার ট্রে ওভেন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। 

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে উখিয়ার সোনারপাড়ায় অবস্থি "বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকায় মৎস্যজীবীদের জীবিকা উন্নয়ন প্রকল্প" পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলটি জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে এবং মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে জানানো হয়, অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যকর উপায়ে শুঁটকি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের পরিবর্তে স্বাস্থ্যসম্মত ট্রে ওভেন প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় ১২০টি পরিবারকে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা নিরাপদ ও মানসম্মত উপায়ে শুঁটকি উৎপাদন করে আয় বৃদ্ধি করতে পারেন।

প্রতিনিধি দল প্রকল্পের উপকারভোগী তিনটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তারা ট্রে ওভেন পদ্ধতিতে শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদনের সুবিধা, আর্থিক লাভজনকতা এবং নারী উদ্যোক্তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান।

পরিদর্শনকালে প্রকল্প পরিচালক ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসার ধিমান গাইন এবং চিফ মনিটরিং অফিসার ইলিয়াস ইবনে কবীর উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে জাইকা প্রতিনিধি দল উখিয়া সোনারপাড়া এলাকা ত্যাগ করে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন।

রিদুয়ানুল হক সোহাগ/এসএন