ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি কামনা টেইলর সুইফট-ট্রাভিস কেলসি’র রাজকীয় বিয়ে সব বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী থানায় অভিযোগ নিয়ে যা বললেন শাওন কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নজর থাকবে: গণপূর্তমন্ত্রী মা হচ্ছেন মৌসুমী হামিদ নোয়াখালীতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগকর্মী আটক বিএসবিআরএ নির্বাচনে সভাপতি মহসিন চৌধুরী ও সিনিয়র সহসভাপতি সেলিম উদ্দিন আয়াতুল কুরসির জীবনমুখী শিক্ষা সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ‘CFMOTO Fiesta Football Tournament 2026’ ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে ‘পেমেন্ট পাসকি’ আনল ভিসা ৬ জুলাই থেকে ৬৪ জেলায় পদযাত্রা করবে এনসিপি সন্তানের কর্মসংস্থান চাই মোহসিন মিয়ার পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব তৃতীয় কোনো ভাষা শেখানোর চিন্তা কতটা বাস্তবসম্মত! সিংড়ায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর উত্তরা মোটর্স বাংলাদেশে নিয়ে এলো ইসুজু লাক্সারি এনকিউআর বাস দেবহাটায় ব্ল্যাকমেইল করে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ, এরপর... ‘কে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড, তা ঠিক করবে কম্পিউটার’ ধনবাড়ীতে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় মাছ, হুমকিতে শতাধিক প্রজাতি টাকা খেলেন, জেল পেলেন! উখিয়ার ট্রে ওভেন প্রকল্প ঘুরে দেখলেন জাইকা প্রেসিডেন্ট আবারও বড় ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যানার্জী The Grocer and the Fruit seller বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৮ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের পর ম্যাকডোনাল্ডস-বাস টার্মিনাল এখন ক্লিনিক অপহরণ-মানবপাচার রোধে টেকনাফে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ চট্টগ্রামের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাজেটে অনেক পরিকল্পনা রাখা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী খামেনির দাফন, ট্রাম্পের কটাক্ষ আর ‘রফা’ প্রসঙ্গে নতুন বিতর্ক চকবাজারে আশিক টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

মোহসিন মিয়ার পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম
মোহসিন মিয়ার পুলিশ সংস্কার প্রস্তাব

কিছুদিন আগে খবরের কাগজের ডাকঘর বিভাগে মোহসিন মিয়া নামে এক ভদ্রলোকের একটি চিঠি ছাপা হয়েছে, যা অনেক চিঠির মধ্যে অনন্য কিরণে উদ্ভাসিত। চিঠিতে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন নিয়ে লেখকের যুক্তি পরম দেশপ্রেম, নীতিনিষ্ঠা, দরিদ্র দেশের গণসম্পদ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মিতব্যয়িতা, দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতার আদর্শ সাহসের সঙ্গে প্রস্ফুটিত হয়েছে। যেকোনো সরকারি বিভাগেই দুর্নীতির চর্চা অপ্রতিরোধ্য বলে স্বীকার করা হয়। বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীলরাও বলছেন, ‘দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে, বিষদাঁত উপড়ে ফেলা হবে, পরিচয় যাই হোক কোনো দুর্নীতিবাজকে কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না’ ইত্যাদি। পুলিশ বিভাগ যেহেতু এ বিষয়ের সঙ্গে তথা দুর্নীতি দমনে ওতপ্রোতভাবে সংশ্লিষ্ট, তাই তাদের দায়িত্ববোধ আরও উঁচু করার কাজটি সম্পাদন করা, তাদের পোশাক পরিবর্তন করার চেয়ে অধিকতর জরুরি। সরকারপ্রধান দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম সপ্তাহেই বলেছেন, ‘পুলিশকে জনগণের আরও কাছে যেতে হবে এবং আস্থা অর্জন করতে হবে’। চমৎকার কথা। তার মানে দূরত্ব রয়েছে, আস্থারও ফাঁক আছে। কাজেই কোনো ঠিকাদারের মুনাফা বৃদ্ধি করার চেয়ে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে পুলিশের আচরণের সংস্কৃতির আরও উন্নতিসাধনের লক্ষ্যই যেন সরকারের কাছে গুরুত্ব পায়। কোনো গ্রেপ্তার, আটক, জব্দ, তদন্ত, সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও চার্জশিট চূড়ান্ত করার কাজে পুলিশকর্তা সন্দেভাজনের শরীরে হাত দিতে পারবেন না। এ কাজগুলো করার সময় পুলিশ তাদের সঙ্গে জেলা কমিশনার কর্তৃক বরাদ্দ করা ফৌজদারি সরকারি উকিল/ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নেবে। পুলিশের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ/ মামলা পুলিশ তদন্ত করতে পারবে না, তা আইন/ ম্যাজিস্ট্রেসি বিভাগ কর্তৃক করাতে হবে। পুলিশের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন সম্পাদন করবেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। দেশের অতি বিশিষ্ট বাতিঘর শিক্ষক আন্দোলনের সময় একটি ছবি দেখে বলেছিলেন, ‘পুলিশ শিক্ষককে লাঠিচার্জ করছে আর সেই শিক্ষক পুলিশ কনস্টেবলকে স্যার সম্বোধন করে বলছেন, মারবেন না’। কাজেই এগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া দরকার, পোশাক পরিবর্তনের দিকে নয়। বরং স্বরাষ্ট্র সচিব এটা নিশ্চিত করুন যে, থানায় থানায় পুলিশ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে আইনানুগ আচরণ করছে। 

মাসুদ আহমেদ
সাবেক সিনিয়র সচিব ও প্রজাতন্ত্রের সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল
[email protected]

সন্তানের কর্মসংস্থান চাই

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
সন্তানের কর্মসংস্থান চাই

চারপাশের কত শত আয়োজন, উৎসব আর প্রাপ্তির ভিড়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। দুনিয়ার হিসাবনিকাশ বা ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার বড় কোনো উচ্চাশাও নেই। আমার কাছে এই জীবনের সব চাওয়া-পাওয়া আর পূর্ণতা খুব সাধারণ ও নির্দিষ্ট। যেদিন আমার বিবিএ এবং এমবিএ পাস করা সন্তান নিজের যোগ্যতায় একটি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, সেদিনই হবে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। যেদিন সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে, সেদিনই আমি অনুভব করব বাবা হিসেবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি আমি সফলভাবে পালন করতে পেরেছি।

সন্তানকে তিলে তিলে বড় করা, তার পড়াশোনার পেছনে জীবনের সেরা সময় ও উপার্জন ব্যয় করার সার্থকতা কেবল তার একটি সুন্দর ভবিষ্যতের মাঝেই নিহিত। তাই বাইরের হাজারো কোলাহল আর সাফল্য আমাকে স্পর্শ করে না; আমার সব অপেক্ষা কেবল সেই বিশেষ দিনটির জন্য–যেদিন আমার সন্তানের মুখে হাসি ফুটবে এবং সে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ারের পথে পা রাখবে।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা

হঠাৎ করেই থমকে গেল আমার ভার্চুয়াল দুনিয়া। কোনো পূর্বসতর্কবার্তা ছাড়া, কোনো কারণ ছাড়াই বন্ধ হয়ে গেল আমার অরিজিনাল ফেসবুক আইডি এবং কষ্টার্জিত ফেসবুক পেজ। হিংসুটে ও স্বার্থান্বেষী মানুষের একের পর এক মিথ্যা রিপোর্টের কারণে আমার দীর্ঘদিনের স্মৃতি ও পরিশ্রম আজ নিমেষেই ধূলিসাৎ। সোশ্যাল মিডিয়া এখন যেন মানুষের ভালো সহ্য করতে না পারা এক অদ্ভুত অসুস্থতার চারণভূমি। নিজেরা ভালো কিছু করতে পারে না, তাই অন্যের উন্নতি ও সৃষ্টিকে ধ্বংস করতে তাদের এত আনন্দ। একটি আইডি বা পেজ শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বহু মানুষের আবেগ, ভালোবাসা এবং অনেক স্বপ্নের পথচলা। কিছু সুবিধাবাদী মানুষের নোংরা মানসিকতা ও হিংসার কাছে আজ আমি পরাস্ত।

এই ঘটনা শুধু আমার ভার্চুয়াল ক্ষতি করেনি, বরং এই সমাজব্যবস্থা এবং মানুষের মানসিকতা নিয়ে আমাকে চরম হতাশ করে দিয়েছে। যেখানে মানুষ অন্যের ভালো দেখে খুশি হওয়ার বদলে হিংসার আগুনে পুড়ে ছারখার হয়, সেই সমাজে সহাবস্থান কত কঠিন তা আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। তবে এই আঘাতগুলোই হয়তো ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন শক্তি। তারা হয়তো আমার প্রোফাইল বা পেজ বন্ধ করে দিতে পেরেছে, কিন্তু আমার মনোবল বা কাজ করার ইচ্ছাকে ধ্বংস করতে পারেনি। এই সংকটে যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং খোঁজ নিয়েছেন, তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। মিথ্যা ও হিংসার জয় কখনো স্থায়ী হতে পারে না। নতুন উদ্যমে, নতুন পরিচয়ে হয়তো আবার শুরু হবে পথচলা, কারণ সত্য ও পরিশ্রম কখনো হারিয়ে যায় না।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতির প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার অতিমাত্রা পাওয়া গেছে। যা মানুষের জন্য এখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্লাস্টিকের এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি আমাদের এখন না ভাবিয়ে পাড়ে না। হালদার কার্পজাতীয় মাছে যেমন প্লাস্টিকের কণার উপস্থিতি মিলছে, সেই সঙ্গে বেলে সিলন ও অন্যান্য মাছে পাওয়া যাচ্ছে প্লাস্টিকের কণা। তবে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যাচ্ছে সিলন মাছে। হালদা নদীর সঙ্গে ১৯টি খাল দূষণের শিকার হয়ে তার বর্জ্য এসে পড়ছে এ নদীতে। সে বর্জ্যের সঙ্গেই প্লাস্টিক এসে নদীর পানিতে পড়ে তা ভেঙে ভেঙে তৈরি হচ্ছে মাছের খাবার উপযোগী কণা। নদীর মাছ তা খাবার হিসেবে গ্রহণ করছে দেদার। তাতে তাদের পরিপাকতন্ত্র এবং মাছের মাংসে প্লাস্টিকের অতি ক্ষুদ্র কণার ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের দেশের কার্প জাতীয় এমন প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন হালদা নদী এভাবেই দূষণের শিকার হয়ে উদ্ভিদ এবং জলজ প্রাণী আক্রান্ত হয়ে অনেক সময় মরে ভেসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। প্রাণ-প্রকৃতির এমন নদীতে মনুষ্য দূষণের শিকার হবে আর রাষ্ট্র তা চেয়ে চেয়ে দেখবে তা কাম্য হতে পারে না। প্রাকৃতির ফুসফুসখ্যাত এ নদী রক্ষায় শুধু রাষ্ট্র একা এগিয়ে এলেই রক্ষা করা সম্ভবপর হবে না। মানুষেরও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে হালদা রক্ষায়। তাদের সচেতনাবোধই হালদা রক্ষা পেতে পারে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

রাস্তার সংস্কার চাই

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
রাস্তার সংস্কার চাই

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজসংলগ্ন রাস্তাটি বর্তমানে বেহাল। এ রাস্তা দিয়ে এলাকার শতাধিক মানুষ হাসপাতালে, বাজারে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, রাস্তাটি ভেঙেচুরে গেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তাটির দুই পাশে ল্যাম্প লাইটের ব্যবহার থাকলেও তার অধিকাংশ লাইট আজ নষ্ট, ফলে এ রাস্তায় রাতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাস্তাটি এখন স্বস্তির পরিবর্তে এলাকাবাসীর জন্য ভোগান্তির কারণ। সুতরাং, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি, রাস্তাটি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

উম্মে সাদিয়া জাহান নিশা
শিক্ষার্থী, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী পড়াশোনা, গবেষণা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ক্যাম্পাসের অধিকাংশ খাবারের দোকান ও ক্যান্টিনে ভাজাপোড়া, তেলযুক্ত এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের আধিক্য দেখা যায়। তুলনামূলকভাবে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার যেমন-তাজা ফল, সবজি, কম তেলযুক্ত খাবার বা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা সীমিত। এ ছাড়া অনেক সময় খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। শিক্ষার্থীরা ব্যস্ততার কারণে সহজলভ্য খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যের খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা, ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান নিয়মিত তদারকি করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

হুমায়রা কবির হেমা
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]