ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জুলাই অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী: গণরায় বাস্তবায়নে জামায়াতের গণমিছিল ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা বেঞ্চে কানাডার অধিনায়ক, মরক্কোর একাদশে পরিবর্তন ‘ঘর বাড়ি’ অ্যাপ তৈরি করলেন বেরোবি শিক্ষার্থী লাঠিপেটার ভিডিও ভাইরাল, আলোচনায় ইউপি চেয়ারম্যান তিন দিনব্যাপী উৎসবের মধ্য দিয়ে বরগুনায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন সম্পন্ন ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটে জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করল বাংলাদেশ প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালের জীবনাবসান স্মার্টফোনের দাম কমাল টেকনো পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বাস্তবায়ন করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু সংকটে ইউরোপের অগ্নিদহন সিঙ্গাপুরসহ তিন দেশে এনআইডি কার্যক্রম চলতি মাসে শুরু অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘বাভি’ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ত্যাগের কথা তুলে ধরলেন মির্জা ফখরুল একটি বিকেল, তিনটি প্রাণ, আজীবনের শোক ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ১৩৯ জন হাসপাতালে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি কামনা টেইলর সুইফট-ট্রাভিস কেলসি’র রাজকীয় বিয়ে সব বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী থানায় অভিযোগ নিয়ে যা বললেন শাওন কুমিল্লার সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নজর থাকবে: গণপূর্তমন্ত্রী মা হচ্ছেন মৌসুমী হামিদ নোয়াখালীতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগকর্মী আটক বিএসবিআরএ নির্বাচনে সভাপতি মহসিন চৌধুরী ও সিনিয়র সহসভাপতি সেলিম উদ্দিন আয়াতুল কুরসির জীবনমুখী শিক্ষা সিলেটে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ‘CFMOTO Fiesta Football Tournament 2026’ ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে ‘পেমেন্ট পাসকি’ আনল ভিসা

‘কে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড, তা ঠিক করবে কম্পিউটার’

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
‘কে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড, তা ঠিক করবে কম্পিউটার’
রংপুর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পেতে কাউকে কোথাও যেতে হবে না; বরং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাই প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

শনিবার (৪ জুলাই) রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। জনগণ ও সংসদের কাছেই সরকারের জবাবদিহিতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দুর্নীতি করলে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।”

প্রতিবন্ধী শিক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০টি স্কুল পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং সেগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, প্রতিটি জেলায় একটি করে মানসম্মত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এবং প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দক্ষ শিক্ষকের সংকট। দেশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষক তৈরির উদ্দেশ্যে মাত্র একটি কলেজে এ ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তাই এ খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে সমাজকল্যাণ ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, অতীতে নির্বাচন নিয়ে জনমনে আস্থার সংকট ছিল। তার ভাষায়, ভোটার উপস্থিতি ছাড়াই ভোট সম্পন্ন হয়েছে, এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন বা ‘ডামি’ নির্বাচনও হয়েছে। সে সময় জনপ্রতিনিধিদের জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার পরিবর্তে কিছু কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীলতা বেশি ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কী পরিমাণ বরাদ্দ আসছে, সে সম্পর্কেও অনেক জনপ্রতিনিধি অবগত থাকতেন না বলে দাবি করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে সরকার ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণমূলক খাতে বরাদ্দ রেখেছে, যা আগের সময়ের তুলনায় বেশি। তিনি বলেন, “যারা সরকারি সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত, তারা যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পান, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এটি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল এবং বর্তমান সরকার সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।”

মন্ত্রী বলেন, “বিগত সময়ে কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া গেছে এবং চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কী কী সহায়তা মিলেছে, তার মূল্যায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে কর্মকর্তাদের আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করতে হবে। আপনারা যত বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াবেন, সরকারও তত বেশি আপনাদের পাশে থাকবে। কিন্তু আপনারা যদি নিষ্ক্রিয় থাকেন, তাহলে সরকারও কার্যকরভাবে এগোতে পারবে না। নিজ নিজ এলাকার সমস্যাগুলো তুলে ধরতে হবে। উপজেলা পর্যায়ের সমস্যা উপজেলা থেকে, জেলা পর্যায়ের সমস্যা জেলা থেকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হলে সেগুলো কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছাবে এবং কার্যকর সমাধানের পথ তৈরি হবে।”

এর আগে সরকারী শিশু পরিবার বালিকা, অঞ্চিলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এসময় নারী সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারী কর্তকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

সেলিম সরকার/এসএন

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

সার্টিফিকেটে নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিয়ে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (৪ জুলাই) বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বোর্ডের অধিভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বোর্ডে ফরোয়ার্ড করতে হবে।

বোর্ডের মতে, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পরও সময়মতো বোর্ডে পাঠায় না। ফলে আবেদনকারীরা অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
 
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আবেদনপত্রে অবশ্যই আবেদনকারী বা তার অভিভাবকের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো ব্যক্তির মোবাইল নম্বর আবেদনপত্রে দেওয়া যাবে না।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং বোর্ডের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

রিফাত/

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করল বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করল বাংলাদেশ
ছবি: খবরের কাগজ

আলোচনা সভা ও সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করেছেন প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক স্থাপত্যে অসামান্য অবদান রেখেছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রকৌশলী ফজলুর রহমান খান। এসব অবদান দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জর্জ হ্যারিসনের ঐতিহাসিক 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক সংলাপ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সন্ত্রাসবাদ দমন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং পরীক্ষিত। রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক মানবিক সহায়তা দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও দৃঢ় করেছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ভবিষ্যতেও যৌথ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশা প্রকাশ করছি।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সংসদ ভবনের আইকনিক প্রাঙ্গণে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক।

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই স্বাধীনতার ঘোষণায় উচ্চারিত ‘সব মানুষ সমান’—এই আদর্শকে ধারণ করেই যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক অংশীদারত্ব জোরদারে কাজ করছে। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

এলিস/নাঈম

প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালের জীবনাবসান

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম
প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহেদ কামালের জীবনাবসান
শাহেদ কামাল। ছবি: সংগৃহীত

বরেণ্য সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক খণ্ডকালীন শিক্ষক শাহেদ কামাল আর নেই।

তিনি প্রখ্যাত কবি ও প্রগতিশীল নেত্রী সুফিয়া কামালের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

শাহেদ কামালের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার ছোট বোন ও বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল। তিনি অত্যন্ত শোকাহত কণ্ঠে বলেন, "আমার বড় ভাই কিছুক্ষণ আগে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।"

শাহেদ কামাল ছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৫৭ সাল থেকে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত হন। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি জাতীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতা—দুই ক্ষেত্রেই তিনি সমানভাবে সক্রিয় ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে তিনি বহু দক্ষ সাংবাদিক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার এই বহুমাত্রিক অবদানের কারণে গণমাধ্যম ও একাডেমিক অঙ্গনে তিনি বিশেষভাবে সম্মানিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে দুই অঙ্গনেই গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এসএন/

পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বাস্তবায়ন করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৭ পিএম
পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বাস্তবায়ন করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: খবরের কাগজ

পদ্মা ব্যারেজ হবে। এটি একনেকে পাস হয়েছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। দেশের পানির সমস্যা সমাধানে পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজও বাস্তবায়ন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুর শহরের থানা রোডের ব্যাংক এশিয়া মোড়ে ফরিদপুরের নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘নাগরিক আলোচনা ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষণা, পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণ, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ, কৃষকদের জন্য পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার রয়েছে।’ 

দেশের পানি সংকট মোকাবিলায় খাল খননের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচির কথা বলেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফরিদপুরের উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফরিদপুরবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষণা এবং ফরিদপুর পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ফরিদপুরের জনসভায় এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের সহযোগিতায় ফরিদপুর বিভাগ হবে এবং সিটি কর্পোরেশনও হবে।’

তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে অনেক কৃষক উৎপাদিত পেঁয়াজ ফেলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে কৃষি মন্ত্রণালয় পেঁয়াজ সংরক্ষণের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। খুব শিগগিরই পেঁয়াজ চাষিদের জন্য আধুনিক স্টোরেজ বা সংরক্ষণাগারের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারেন।’

ফরিদপুরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবির বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘ফরিদপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ গেটওয়ে। এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন রয়েছে।’ 

ফরিদপুরের চারজন সংসদ সদস্যই এ দাবি তুলেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। অবশ্যই ফরিদপুরে বিশ্ববিদ্যালয় হবে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মোদাররেস আলী ইছা প্রমুখ। 

এনকেবি নয়ন/রিফাত/ 

সিঙ্গাপুরসহ তিন দেশে এনআইডি কার্যক্রম চলতি মাসে শুরু

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
সিঙ্গাপুরসহ তিন দেশে এনআইডি কার্যক্রম চলতি মাসে শুরু
ছবি: সংগৃহীত

চলতি জুলাই মাসে সিঙ্গাপুর, বাহরাইন ও ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে তিন দেশেই পৃথক কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (৪ জুলাই) ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের উপসচিব জিএম সাহাতাব উদ্দিন ইতোমধ্যে ছয়টি পৃথক আদেশ জারি করেছেন।

ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৩ জুলাই উপসচিব মোহাম্মদ এনামুল হকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি কারিগরি দল বাহরাইনে যাবে। পরে ১৫ জুলাই দুই সদস্যের একটি ব্যবস্থাপনা দল সেখানে যোগ দেবে।

এদিকে ২০ জুলাই এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের কারিগরি দল ফ্রান্সে যাবে। ২২ জুলাই এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ আনোয়ার পাশার নেতৃত্বে দুই সদস্যের ব্যবস্থাপনা দল দেশটিতে পৌঁছাবে। অন্যদিকে ২৭ জুলাই সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চার সদস্যের কারিগরি দল সিঙ্গাপুরে যাবে। এরপর ২৯ জুলাই ইসির অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ব্যবস্থাপনা দল সেখানে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এসব সফরের ব্যয় বহন করা হবে আইডিইএ প্রকল্প-২ থেকে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ, ওমান ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ১৪টি দেশের ২৪টি স্টেশনে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নতুন করে সিঙ্গাপুর, বাহরাইন ও ফ্রান্স যুক্ত হলে এ সেবার পরিধি আরও বাড়বে। 

বর্তমানে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে এনআইডির আবেদন গ্রহণ করা হয়। পরে দেশে তথ্য যাচাই ও এনআইডি মুদ্রণের পর তা আবার দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদনকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।