ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে স্পেনের একাদশে ২ পরিবর্তন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে জাকিয়া খান চন্দনার পরাবাস্তববাদী চিত্রপ্রদর্শনী নজরুল বর্ষের উদ্বোধনী আয়োজনে দর্শক সংকট বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কালকিনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ৫ ড্রেজার জব্দ ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার সহকারী সচিব হলেন ৩৪ কর্মকর্তা জাবিতে কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি, চার শিক্ষার্থীকে শোকজ নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের পাঁচটি পেট্রোল বোট সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে গোসলে নেমে নিখোঁজ চিকিৎসক টঙ্গীতে চাঁদা দাবি করায় যুবদল নেতাসহ ১৯ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ১১ ঈশ্বরগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার সিরিয়ায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫, আহত অন্তত ১৬ জুন মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী অবশেষে ইরানকে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে বাধ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র কাতারে আটকে থাকা অর্থে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনবে ইরান এইচএসসির আগেই থেমে যাচ্ছে শিক্ষা সোনারগাঁয় ফুটপাত দখল করে পার্কিং করায় ১৪ জনকে কারাদণ্ড মুক্তির আগেই বাজিমাত চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থীর বিষয়ে আদালতের রায় দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন আত্মিক প্রশান্তি লাভের দারুণ উপায় ৫৪ বছরে প্রথমবার জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে চীন সেভাবে কাজ করবে: রাষ্ট্রদূত ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত অন্তত ২০ দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা বর্তমান কোচিং স্টাফ থাকলে দলে ফিরবেন না পেপে গুয়ে! ঢাবিতে ২৭৭ প্রজাতির ১৭ হাজারের বেশি গাছ আছে

Unit-1, Lesson-3-এর ৫টি প্রশ্নোত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:১৩ পিএম
Unit-1, Lesson-3-এর ৫টি প্রশ্নোত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র
মহাকাশযান কলম্বিয়ার ভেতরে কল্পনা চাওলা , ছবি-সংগৃহীত

Unit-1,  Lesson-3

Read the passage and answer question B.

On 16 January 2003, Kalpana Chawla finally started her new mission with six other space crew on the ill-fated space shuttle Columbia. She was one of the mission specialists. Chawla’s responsibilities included the microgravity experiments, for which the crew conducted nearly 80 experiments studying earth and space science, advanced technology development, and astronaut health and safety. After a 16 day scientific mission in space, on 1 February 2003, Columbia disintegrated over Texas during its re-entry into the Earth's atmosphere. All the crew in Columbia including Chawla died only 16 minutes prior to their scheduled landing. Investigation shows that this fatal accident happened due to a damage in one of Columbia’s wings caused by a piece of insulating foam from the external fuel tank peeled off during the launch. During the intense heat of re-entry, hot gases penetrated the interior of the wing, destroying the support structure and causing the rest of the shuttle to break down.

B. Answer the following questions. 
(a) Who accompanied Chawla? Why did they accompany her?
Ans: Six other space crew accompanied Chawla on the space shuttle Columbia. They accompanied her in their new mission to the space.

(b) Why is the space shuttle Columbia called ill-fated?
Ans: The space shuttle Columbia is called ill-fated because it could not land successfully after its 16 day scientific mission in space. All the crewmembers including Kalpana Chawla faced a dire lot just 16 minutes before its scheduled landing time. 

আরো পড়ুন : Unit-1,Lesson-3-এর ১০টি প্রশ্নোত্তর

(c) What was the responsibility of Kalpana Chawla and her crew? 
Ans: The responsibility of Kalpana Chawla and her crew was to have the microgravity experiments, for which the crew conducted nearly 80 experiments studying earth and space science. They also had experiments of advanced technology development and astronaut health and safety. 

(d) When and where did Columbia disintegrate?
Ans: On 1 February 2003, Columbia disintegrated over Texas during its re-entry into the Earth’s atmosphere; that disintegration caused deaths to all the crew members in Columbia including Chawla just before 16 minutes before the scheduled landing. 

(e) What does investigation show? 
Ans: Investigation shows that the fatal accident occurred due to a damage in one of Columbia’s wings caused by a piece of insulating foam from the external fuel tank that peeled off at the time of taking off. During the intense heat of re-entry, hot gases penetrated the interior of the wing and destroyed the support structure. 

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান
ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা কমার্স কলেজ, ঢাকা

কবীর 

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা 

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প

ভূমিকা: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থান, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং জাতিগত বৈচিত্র্যের কারণে বাংলাদেশ পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, কক্সবাজারের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত, পাহাড়পুরের প্রাচীন বৌদ্ধবিহার এবং সিলেটের চা বাগান পর্যটনের প্রধান সম্পদ। বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে, অবকাঠামোগত সমস্যা, পরিবেশ দূষণ এবং প্রচারণার অভাব এই শিল্পের সম্পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশে বাধা। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ এবং বেসরকারি খাতের উদ্যোগে পর্যটনশিল্পের প্রসার ঘটছে। তবে, টেকসই পর্যটন নীতি এবং পরিবেশ সুরক্ষার মাধ্যমে এই শিল্পকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। 

পর্যটনশিল্পের সংজ্ঞা ও গুরুত্ব: পর্যটনশিল্প বলতে ভ্রমণ, বিনোদন এবং সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার জন্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকর্ষণ করার কার্যক্রম বোঝায়। বাংলাদেশে পর্যটনশিল্প অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত। এটি বৈদেশিক মুদ্রা আয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। উদাহরণস্বরূপ, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক আকর্ষণ করে। পর্যটনশিল্প সাংস্কৃতিক বিনিময়, জাতীয় পরিচয় প্রচার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও অবদান রাখে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্য পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। তবে, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, নিরাপত্তার অভাব এবং বিপণনের ঘাটতি এই শিল্পের বিকাশে প্রধান বাধা। সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টা এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে পারে। পর্যটনশিল্প জাতীয় অর্থনীতির একটি শক্তিশালী স্তম্ভ হতে পারে।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পর্যটন সম্পদ: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটনশিল্পের প্রধান সম্পদ। সুন্দরবন, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এবং বৈচিত্র্যময় জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত। কক্সবাজারের ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকত। সিলেটের চা বাগান, হাওর এবং জলপ্রপাত পর্যটকদের মুগ্ধ করে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রবাল প্রাচীর এবং নীল জল পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। রাঙামাটি ও বান্দরবানের পাহাড়ি সৌন্দর্য এবং আদিবাসী সংস্কৃতি পর্যটনের সম্ভাবনা বাড়ায়। তবে, পরিবেশ দূষণ, বন উজাড় এবং অপরিকল্পিত নির্মাণ এই প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য হুমকি। টেকসই পর্যটন নীতি এবং সচেতনতা এই সম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের উদ্যোগে সুন্দরবন ও কক্সবাজারের পর্যটন অবকাঠামো উন্নত হচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদ বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের মূল শক্তি।

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটন: বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পর্যটনশিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার, মহাস্থানগড় এবং সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক স্থান এখনও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ষাট গম্বুজ মসজিদ, ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান, ইসলামি স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন। বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, যেমন–চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য পর্যটনকে সমৃদ্ধ করেছে। পহেলা বৈশাখ, দুর্গা পূজা এবং বৈসাবি উৎসব সাংস্কৃতিক পর্যটনের অংশ। তবে, ঐতিহাসিক স্থানের রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং সাংস্কৃতিক প্রচারণার ঘাটতি পর্যটনের সম্ভাবনাকে সীমিত করে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই স্থানগুলোর প্রচার ও সংরক্ষণ জরুরি। ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক পর্যটন কেন্দ্রগুলো বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরে।

আরো পড়ুন : মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

পর্যটনশিল্পে অর্থনৈতিক অবদান: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। এটি বৈদেশিক মুদ্রা আয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় ব্যবসার প্রসারে ভূমিকা রাখে। কক্সবাজার ও সিলেটের পর্যটনশিল্প হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং পরিবহন ব্যবসাকে শক্তিশালী করেছে। বাংলাদেশে প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করে, যা জিডিপিতে অবদান রাখে। উদাহরণস্বরূপ, পোশাকশিল্পের পাশাপাশি পর্যটনশিল্প অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত। তবে, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বিপণনের অভাব এই খাতের সম্ভাবনাময় বিকাশের ক্ষেত্রে বাধা। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ এই খাতকে শক্তিশালী করছে। টেকসই পর্যটন নীতি এই শিল্পের অর্থনৈতিক অবদান বাড়াতে পারে।

পর্যটনশিল্পে কর্মসংস্থান: পর্যটনশিল্প বাংলাদেশে লাখ লাখ মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, ট্যুর গাইড, পরিবহন এবং হস্তশিল্প শিল্পে হাজার হাজার মানুষ কাজ করে। কক্সবাজার ও সিলেটের পর্যটনশিল্প স্থানীয়দের জন্য আয়ের উৎস। উদাহরণস্বরূপ, সেন্টমার্টিন দ্বীপে নৌকা চালক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। তবে, অদক্ষ শ্রমশক্তি এবং প্রশিক্ষণের অভাব কর্মসংস্থানের মান উন্নতিতে বাধা। সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এই সমস্যা সমাধানে সহায়ক। পর্যটনশিল্পে কর্মসংস্থান বাড়লে তা বেকারত্ব হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

ইকো-ট্যুরিজম ও টেকসই পর্যটন: ইকো-ট্যুরিজম বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের একটি সম্ভাবনাময় দিক। সুন্দরবন, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এবং হাওর অঞ্চল ইকো-ট্যুরিজমের জন্য আদর্শ। এটি প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে সহায়তা করে। টেকসই পর্যটন পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে পর্যটনের সুবিধা নিশ্চিত করে। তবে, অপরিকল্পিত পর্যটন, প্লাস্টিক দূষণ এবং বন উজাড় ইকো-ট্যুরিজমের জন্য হুমকি। সরকারের টেকসই পর্যটন নীতি এবং সচেতনতা প্রচার এই সমস্যা সমাধানে সহায়ক। উদাহরণস্বরূপ, বর্তমানে সুন্দরবনে পরিবেশবান্ধব পর্যটন কার্যক্রম চালু হয়েছে। ইকো-ট্যুরিজম বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের ভবিষ্যৎ।

পর্যটনশিল্পে অবকাঠামোগত উন্নয়ন: পর্যটনশিল্পের বিকাশে অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে কক্সবাজার, সিলেট এবং রাঙামাটিতে হোটেল, রিসোর্ট এবং পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি হচ্ছে। ঢাকা-কক্সবাজার রেললাইন এবং বিমানবন্দর সম্প্রসারণ পর্যটনকে সহজ করছে। তবে, গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা, বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহের অভাব পর্যটনের সম্ভাবনাকে সীমিত করে। বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি উদ্যোগে অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি। উদাহরণস্বরূপ, কক্সবাজারে নতুন নতুন রিসোর্ট এবং হোটেল নির্মাণ পর্যটকদের আকর্ষণ করছে। তবে অবকাঠামোগত উন্নয়ন পর্যটনশিল্পের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

(বাকি অংশ ২য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর ভূমিরূপ। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : ভূমিরূপ পরিবর্তন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৩। গিরিজনি আলোড়নের সঙ্গে জড়িত মতবাদ হলো-
i. প্লেট সঞ্চালন    
ii. পরিচলন স্রোতে
iii. মহীভাবক আলোড়ন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৪। মহাদেশীয় এবং মহাসাগরীয় প্লেটের গতির কারণ-
i. পরিচলন স্রোত    
ii. ভূমিকম্প
iii. ঘনত্বের তারতম্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৫। জাপানে বছরে প্রায় কতটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়?
ক) ৬০০০টি    খ) ৬৫০০টি
গ) ৭০০০টি     ঘ) ৭৫০০টি

৬। কত সালের ভূমিকম্পে আসামের দিবং নদীর গতি পরিবর্তিত হয়?
ক) ১৮৯৯ সালের    খ) ১৯২০ সালের
গ) ১৯৫০ সালের     ঘ) ১৯৫২ সালের

৭। ভূমিকম্প মাপক যন্ত্রের নাম কী?
ক) সিসমোগ্রাফ    খ) ব্যারোমিটার
গ) ক্রোনোমিটার    ঘ) ল্যাকটোমিটার

আরো পড়ুন :  ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৮। ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে নিচের কোন নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়?
ক) পদ্মা নদীর    খ) মেঘনা নদীর
গ) তিস্তা নদীর    ঘ) ব্রহ্মপুত্র নদীর

৯। ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার জন্য ব্যবহার করা হয়-
i. মার্সেলি স্কেল 
ii. রিখটার স্কেল 
iii. ভার্নিয়ার স্কেল
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

১০। ভূমিকম্পের ফলে-
i. সমুদ্রতলের পরিবর্তন হয়    
ii. আগ্নেয় দ্বীপের সৃষ্টি হয়
iii. ভূপাত হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

১১। প্রশান্ত মহাসাগরের বড় দ্বীপগুলো কীসের ফলে সৃষ্টি হয়েছে?
ক) অগ্ন্যুৎপাতের    খ) ভূমিকম্পের
গ) সমুদ্র স্রোতের    ঘ) জোয়ার-ভাটার

১২। বিচূর্ণীভবনের কারণে শীতপ্রধান দেশে কী পরিলক্ষিত হয়?
ক) স্তরমোচন    খ) খণ্ডীকরণ
গ) ট্যালাস         ঘ) ক্ষুদ্রকণা বিসরণ

১৩। লৌহ কোন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বিচূর্ণীভূত হয়?
ক) অক্সিডেশান    খ) সলিউশান
গ) কার্বনেশান       ঘ) হাইড্রেশান

১৪। তাপমাত্রার তারতম্যে শিলার স্তর পেঁয়াজের খোসার মতো খুলে যায়, তাকে বলে-
ক) স্তরমোচন             খ) প্রস্তরখণ্ডের বিচ্ছিন্নতা
গ) ক্ষুদ্রকণা বিশরণ    ঘ) খণ্ডীকরণ

উত্তর: ৩. ক, ৪. ঘ, ৫. ঘ, ৬. গ, ৭. ক, ৮. ঘ, ৯. ক, ১০. ঘ, ১১. ক, ১২. গ, ১৩. ক, ১৪. ক।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

এইচএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
এইচএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
ছবি: মাসুদ মিলন, খবরের কাগজ

২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রের মাধ্যমে এ পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা হয়েছে বেলা ১টা পর্যন্ত।

রাজধানীর আজিমপুর গভঃ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক। ছবি: মাসুদ মিলন

এখন দ্বিতীয় শিফটে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়েছে বেলা ২টা থেকে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হওয়া এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা চলাকালীন অভিভাবকদের দেখা যায় পরীক্ষার্থীর জন্য অপেক্ষা করছে এই কাঠফাঁটা রোদে। 

প্রথম দিনে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শুধু কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলাদা প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডে এইচএসসির (বিএমটি) বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে কম ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছেন।

রাজধানীর আজিমপুর গভঃ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হয়। ছবি: মাসুদ মিলন

এবার পরীক্ষার কেন্দ্রে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব পরীক্ষাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ও ডিজিটাল নজরদারির ব্যবস্থা। সিসিটিভি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বডি–ওর্ন ক্যামেরা। 

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

অষ্টম অধ্যায় : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ইউএনডিপির কার্যক্রম পরিচালনার পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ইউএনডিপি তার কার্যক্রম পরিচালনায় যেখানে যে ধরনের প্রয়োজন সেখানে সে ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকরা অসংগঠিত ও বিচ্ছিন্ন হওয়ায় তারা নানাভাবে নির্যাতিত, বঞ্চিত ও শোষিত হচ্ছে। কাজেই ইউএনডিপি কৃষি কার্যক্রমের আওতায় কৃষকদের নিয়ে দল গঠন করে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি ও সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের চেষ্টা করে থাকে। দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রেও ইউএনডিপি সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। আবার ইউএনডিপির স্বাস্থ্য কার্যক্রমে ব্যক্তি সমাজকর্মের অনুশীলন লক্ষ করা যায়।

প্রশ্ন: ইউএনডিপির একটি উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ইউএনডিপির অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হলো- নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে নারীর অংশীদারত্ব বাড়ানো। দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই সংস্থাটির উদ্দেশ্য।

প্রশ্ন: ইউএনডিপি কেন গঠন করা হয়?

উত্তর: উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন হিসেবে ইউএনডিপি গঠন করা হয়। বিভিন্ন রাষ্ট্রে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, বিভিন্ন সংকট প্রতিরোধে সহায়তা করা এ সংগঠনটির উদ্দেশ্য। এ জন্য ইউএনডিপি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে একটি জাতিকে উন্নত করে গড়ে তুলতে চেষ্টা করে।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রশ্ন: দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলতে কী বোঝায়? 

উত্তর: কোনো দেশে কম উৎপাদনের ফলে আয় কম  হয়। আয় কম হলে সঞ্চয় কম হয়, সঞ্চয় কম হওয়ায় বিনিয়োগ কম হয়। ফলে মূলধন কম যায়, যার ফলে উৎপাদনে প্রভাব পড়ে। উৎপাদন, আয়, সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও মূলধনের এই চক্রাকার প্রবাহকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলে। সাধারণত অনুন্নত দেশে এ ধরনের পরিস্থিতি বেশি দেখা যায়।

প্রশ্ন: সংক্ষেপে ইউএনডিপির পরিচিতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: UNDP-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে United Nations Development Programme। এটি জাতিসংঘের সর্ববৃহৎ উন্নয়নমূলক সংস্থা। স্বল্পোন্নত দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাতিসংঘের মাধ্যমে সাহায্য  করার লক্ষ্যে ১৯৬৫ সালের ১ নভেম্বর এ সংস্থাটি গঠিত হয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর সদর দপ্তর আমেরিকার নিউইয়র্কে অবস্থিত। মোট ৪৮ জন সদস্য নিয়ে এর পরিচালনা পর্ষদ গঠিত।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে ইউএনডিপির ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: বাংলাদেশ বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এ দেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার মূলে রয়েছে দারিদ্র্য। দারিদ্র্য শুধু সমস্যাই নয় বরং আরও অন্যান্য সমস্যার কারণ বটে। দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের গৃহীত প্রকল্পগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ প্রকল্পেই ইউএনডিপির ভূমিকা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ PRSP প্রকল্পে ইউএনডিপির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তাই দারিদ্র্য বিমোচনে ইউএনডিপির গুরুত্বকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

পড়ে পাওয়া গল্পের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
পড়ে পাওয়া গল্পের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা বাসায় পড়াশোনা করছে। ছবি- সংগৃহীত

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১৯। সন্ধ্যার অন্ধকারে নদীর ধারের পথ দিয়ে কে বাড়ি ফিরছিল? 
(ক) লেখক আর বিধু    
(খ) লেখক আর বাদল
(গ) বিধু আর সিধু    
(ঘ) বিধু আর বাদল

২০। বাক্সটিতে নগদ টাকা কত ছিল? 
(ক) ৪০ টাকা      (খ) ৫০ টাকা    
(গ) ৬০ টাকা      (ঘ) ৭০ টাকা

২১। নোটিশ দেওয়ার কতদিন পর একজন কালো লোক চণ্ডীমণ্ডপের সামনে এসে দাঁড়াল?    
(ক) দুই দিন    (খ) তিন দিন    
(গ) চার দিন    (ঘ) পাঁচ দিন

২২। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাহিনির সময়টা কখনকার? 
(ক) কালবৈশাখীর    (খ) বর্ষাকালের
(গ) ঝড়-বাদলের     (ঘ) শিলাবৃষ্টির

আরো পড়ুন : পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

২৩। কিশোরদের দলের সর্দার কে ছিল? 
(ক) সিধু          (খ) নিধু  
(গ) তিনু          (ঘ) বিধু

২৪। ‘পড়ে পাওয়া’ বাক্সটি কোন রঙের টিনের ছিল? 
(ক) হলুদ টিনের     (খ) সবুজ টিনের
(গ) খয়েরি টিনের    (ঘ) কালো টিনের

২৫। বন্যায় কোন চরের কাপালিরা নিরাশ্রয় হয়ে গেল? 
(ক) মুরাতিপুর    (খ) বারাকপুর
(গ) অম্বরপুর      (ঘ) নির্বিষখোলা

২৬। ‘যাবার সময় সে শাসিয়ে গেল’ কে শাসিয়ে গেল? 
(ক) প্রথম লোকটি      (খ) দ্বিতীয় লোকটি
(গ) কাপালি                (ঘ) নরহরি বোষ্টম

উত্তর: ১৯. ক, ২০. খ, ২১. গ, ২২. ক, ২৩. ঘ, ২৪. খ, ২৫. গ, ২৬. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর