ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ ‘প্রাকৃতিক সুস্থতার জন্য হিজামা একটি অনন্য সুন্নত’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক নেতায় পরিণত হয়েছেন: এমপি ফখরুল স্বাধীন সাংবাদিকতায় অপতথ্য ও গুজব বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এআই দিয়ে প্রবেশপত্র তৈরি, পরীক্ষার্থীসহ সহযোগীকে অর্থদণ্ড চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেলেন ৬ লেখক নিয়োগ দেবে এসএমসি, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা মতলবে ছেলের হাতে মা খুন প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল নেতা বহিষ্কার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন রিয়াদ মাহরেজ জার্মানি-নাগেলসম্যানের বিচ্ছেদ! থাইল্যান্ডে ধর্মীয় শোভাযাত্রা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ সাদাপাথরে নিখোঁজ চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০ জাল যার-জল তার‌: প্রতিমন্ত্রী টুকু র‌্যাগিংয়ের দায়ে হাবিপ্রবির ৭২ শিক্ষার্থীকে শোকজ ফুটবলের উৎপত্তি প্রসঙ্গে আলাস্কার পাগল স্ল্যাকে১ ফুটবল খেলা চলছে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু কার্বন ফাইন্যান্স জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী টেড হিউজ ও মিরোস্লাভ হোলুবের কবিতা কৌতুকপ্রিয়তা আর সমাজ-নিরীক্ষণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী গ্রামে আমাদের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পদ্মার নৌকাভ্রমণ খামেনির মরদেহ নেওয়া হয়েছে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া দেশে বন্যা হতে পারে জুলাই-আগস্টে: এফএফডব্লিউসি ‘আত্মতুষ্টি আপনাকে শেষ করে দিতে পারে’, অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার পর স্পেন কোচ রস্তায় ফেলে যাওয়া বৃদ্ধের দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু বাজেটের প্রভাবে স্থিতিশীল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সুদানে ধর্ষণের শিকার ২ শতাধিক শিশু

প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৫, ০৯:০৭ এএম
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সুদানে ধর্ষণের শিকার ২ শতাধিক শিশু
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সুদানে ধর্ষণের শিকার দুই শতাধিক শিশু। ছবি: সংগৃহীত

সুদানে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এক বছরের শিশুসহ ২২১টি শিশু সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইউনিসেফ জানিয়েছে, ধর্ষণের শিকার শিশুদের মধ্যে কিছু ছেলেও রয়েছে। 

উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করা সংস্থাগুলোর রেকর্ড অনুযায়ী, এসব ঘটনার ৬৬ শতাংশ ভুক্তভোগীই মেয়েশিশু এবং বাকি ৩৪ শতাংশ ছেলেশিশু। ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে ১৬ জনের বয়স পাঁচ বছরের নিচে, যার মধ্যে চারজনের বয়স মাত্র এক বছর।

ইউনিসেফ আরও জানিয়েছে, শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের আরও ৭৭টি অভিযোগ পাওয়া গেছে, যার বেশির ভাগই ধর্ষণের চেষ্টাসংক্রান্ত।

২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানে সেনাবাহিনী ও প্রতিদ্বন্দ্বী আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। রাজধানী খার্তুমসহ দেশজুড়ে চলা এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যদিও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। লড়াইয়ের ফলে ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং দেশের কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা রয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, উভয়পক্ষই যুদ্ধে নৃশংসতা চালিয়েছে, যার মধ্যে যৌন সহিংসতা ও শিশুবিবাহও রয়েছে। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের কারণে প্রায় ৬১ হাজার ৮০০ শিশু অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অনেক শিশু শহরগুলোর ওপর হামলার সময় ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল বলেছেন, ‘যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণকে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও শিশু সুরক্ষাসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করে।’

ইউনিসেফের মুখপাত্র টেস ইনগ্রাম বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, তিনি এমন ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, যারা ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে। কিছু ভুক্তভোগী আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছেন। সামাজিক লজ্জা, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতিশোধের ভয় এবং পরিবারের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার আশঙ্কায় অনেক ভুক্তভোগী যৌন সহিংসতার ঘটনা প্রকাশ করতে চান না।

ইউনিসেফ সুদানের সরকার এবং সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে এবং যারা নির্যাতনের শিকার শিশুদের সহায়তা দিচ্ছে, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এল নিনো শক্তিশালী রূপ নিবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক সংস্থা।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানায়, এল নিনো ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এটি দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে। তাই সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় দেশগুলোকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। 

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক ঘটনা। এতে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসে। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পর পর এল নিনো দেখা দেয়। যার স্থায়িত্ব থাকে প্রায় ৯ থেকে ১২ মাস।

জলবায়ুর এ অবস্থার পরিবর্তন এল নিনো এবং এর বিপরীত অবস্থা লা নিনার মধ্যে ওঠানামা করে। মাঝখানে থাকে নিরপেক্ষ পরিস্থিতি।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি এল নিনোকে দুর্বল, মাঝারি, শক্তিশালী ও অতি শক্তিশালী- এই চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ অর্থাৎ ‘শক্তিশালী’ পর্যায়ে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

থিওটোনিয়াস/

থাইল্যান্ডে ধর্মীয় শোভাযাত্রা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১১ পিএম
থাইল্যান্ডে ধর্মীয় শোভাযাত্রা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০
ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ ধর্মীয় শোভাযাত্রায় একটি পিকআপ ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনায় নিহত বৌদ্ধ ভিক্ষুর সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, দেশটির ১১ বছর বয়সি এক কিশোর ট্রাকটি চালাচ্ছিল।

স্থানীয় মুকদাহান হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবারের এ দুর্ঘটনার পর আরও ১০ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং বাকি আটজন আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

পুলিশ জানায়, ১১ বছর বয়সি এক বালক বাবা-মায়ের অনুমতি ছাড়াই ট্রাক চালাচ্ছিল। পরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন ভিক্ষু এবং হাসপাতালে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

মুকদাহান সিটি পুলিশের প্রধান প্রযুত রুয়াংথংকাম এএফপিকে জানান, ওই কিশোর এখনও পুলিশের কাছে কোনো জবানবন্দি দেয়নি। তাকে শিশু কল্যাণ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে এবং তার সঙ্গে তার মা রয়েছেন।

উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র এবং তারা বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা সংরক্ষণ ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তারা প্রায়ই ধর্মীয় শোভাযাত্রা পরিচালনা করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে শুভেচ্ছাসূচক দান গ্রহণ করেন।

থিওটোনিয়াস/

পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ৪০
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে গভীর খাদে যাত্রীবাহী বাস পড়ে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত আটজন। 

সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলুচিস্তানের শেরানি জেলার দানা সার এলাকা অতিক্রম করে বাসটি খাইবার পাখতুনখাওয়ার ডেরা ইসমাইল খান জেলায় প্রবেশ করার পরপরই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজ শুরু করে প্রশাসন।

পাকিস্তানের মেডিকেল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সেন্টার (এমইআরসি) জানিয়েছে, কোয়েটা থেকে পেশাওয়ারগামী নিউ মেখতার পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত ৪০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত আটজনকে ঝোব ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে ছয়টি অ্যাম্বুলেন্স, ১২ জন জরুরি চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ এবং ১০টি হালকা পরিবহনযান মোতায়েন করা হয়। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর শেরানি জেলা প্রশাসন, উদ্ধারকারী দল ও অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। খাইবার পাখতুনখোয়ার উদ্ধারকর্মীরাও অভিযানে অংশ নেন।

শেরানি জেলার ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) ওয়ালি খান কাকার ডনকে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জেলা প্রশাসনের উদ্ধারকারী দল এবং অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।

ডিসি বলেন, বাসটি কোয়েটা থেকে ৩৬ জন যাত্রী নিয়ে পেশাওয়ারের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। তবে পথে আরেকটি বাস বিকল হয়ে যাওয়ায় সেখানকার আরও কয়েকজন যাত্রী এই বাসে ওঠেন।

এদিকে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বেলুচিস্তান সরকার। এক বিবৃতিতে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। সূত্র: দ্য ডন

খামেনির মরদেহ নেওয়া হয়েছে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায়

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
খামেনির মরদেহ নেওয়া হয়েছে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায়
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নেওয়া হয়েছে। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) তার মরদেহটি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নেওয়া হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) সেখানে তার রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। 

যুদ্ধের বহু হিসেব-নিকেশ শেষে ৪ মাস পর খামেনির জানাজা ও দাফনের আয়োজন করেছে তেহরান। আগামী শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে যার আনুষ্ঠানিকতা।

টানা ৬ দিন ধরে চলবে ঐতিহাসিক এই জানাজার আনুষ্ঠানিকতা। যার পদচিহ্ণ বহন করবে ৫টি শহর। তবে খামেনির জানাজার নামাজ কে পড়াবেন তা এখনও স্পষ্ট করেনি কর্তৃপক্ষ। তার ছেলে মোজতবা খামেনির অংশগ্রহণ নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা।

৪টি শহর ঘুরে জন্মস্থান মাশদাদে দাফনের জন্য আনা হবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ। যেখানে ইমাম রেজার মাজারের পাশে সমাহিত করা হবে তাকে।

খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে যোগ দেবেন হাজারো মানুষ। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশসহ অন্তত ৩০টি দেশের সরকারি প্রতিনিধি ও ৯০টি দেশের ধর্মীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, খামেনির জানাজা ও দাফনে দেড় থেকে ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।

অন্তরা/

৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া
প্রতীকী ছবি

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের কাছে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ভূমিকম্পের এ ঘটনা ঘটে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩১ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর মালুকু প্রদেশের তোবেলো শহরের ৫৮ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১২০ কিলোমিটার।

উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ১১৪ কিলোমিটার দূরের তেরনাতে শহরের বাসিন্দা উমর আব্বাস এএফপিকে বলেন, ‘আমি রাস্তার পাশের একটি কফির দোকানে বসে কফি খাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমার চেয়ার দুলতে শুরু করে। আগের ভূমিকম্পগুলোর আতঙ্ক এখনও কাটেনি। তাই মুহূর্তের জন্য আমি ভীষণ ভয় পেয়ে যাই।’

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা (বিএমকেজি) জানায়, এ ভূমিকম্পের কারণে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া ও এর প্রতিবেশী দেশগুলোতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। জাপান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকা পর্যন্ত বিস্তৃত এ অঞ্চলটি তীব্র ভূকম্পনপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সূত্র: এএফপি