ঢাকা ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
এলপিজির দাম ১২ কেজির সিলিন্ডারে কমল ৩৫৭ টাকা ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড চীনে এবার রোবটের ব্যান্ডদল বিশ্বকাপের উন্মাদনার গল্প বলবে ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’ অস্ট্রিয়ার অটোমোবাইল বাজারে চীনা ইলেকট্রিক গাড়ির জয়জয়কার বরিশালে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড, ভুক্তভোগী মা-শিশুর দায়িত্ব রাষ্ট্রের কুমিল্লায় মানহানির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্বাস্থ্যকর্মী গ্রেপ্তার এইচএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে ঝরে পড়েছে ২৭৩৪৩ শিক্ষার্থী এমবাপ্পেকে ঘিরে গুঞ্জনের কেন্দ্রে স্প্যানিশ অভিনেত্রী এস্টার ভোলায় কলেজছাত্রকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ জামালপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু বেসরকারি শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ, রাইফেল ও গুলি জব্দ গোপালগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী কৃষি-প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন জামালপুরে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার চাঁদপুরে আষাঢ়েও ইলিশের সরবরাহ কম বন্ধুরা বাজি ধরলে আপনার অংশ নেওয়া কি ঠিক হবে? বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র রোনালাদোর চাওয়া ‘ঘরের মাঠের আবহ’ ঈশ্বরদীতে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দুদকের চেয়ারম্যান-কমিশনার পদে আগ্রহীদের জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় চিৎকার করায় চাচাতো ভাইকে খুন সিলেট বিভাগে ৯৬টি কেন্দ্রে  প্রথম দিনের এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন স্পেনকে হারাতে ইয়ামালকে থামানোই মূল লক্ষ্য: রাঙ্গনিক মোহাম্মদ শাহিন উদ্দিন রোটারী ক্লাব অব সোনারগাঁও ঢাকার সভাপতি নির্বাচিত শার্শায় মাদরাসাছাত্রীকে কুপ্রস্তাব শিক্ষকের, থানায় অভিযোগ চাঁদপুরে ঝুঁকিতে মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধ সড়ক ঠাকুরগাঁও থেকে নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে উদ্ধার

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে বড় ধরনের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে অসংখ্য মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১ জুলাই) খরা ও প্রবল বাতাসের কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এরো এবং অওদ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শত শত দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

গত বছর করবিয়ের অঞ্চলে বড় ধরনের দাবানলের পর ও ইউরোপজুড়ে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহের কয়েক দিনের মাথায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। 

আবহাওয়া পূর্বাভাসে আবারও তাপপ্রবাহের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পর্যন্ত আগুনে প্রায় ৮০০ হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে।

স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে ‌ওই দপ্তরের একটি সূত্র এএফপিকে জানায়, কখনো কখনো আগুনের বিস্তার সীমিত রাখা সম্ভব হচ্ছে, তবে এটি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় যাতায়াতের উপযুক্ত পথ না থাকায় আগুন নেভাতে দমকলকর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আকাশ থেকে পানি নিক্ষেপকারী উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা, প্রবল দমকা হাওয়া ও অত্যন্ত শুষ্ক নিচু ঝোপঝাড়ের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, পুজোল-মিনারভোয়া ও মাইয়াক কমিউনের প্রায় ২০০ বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অথবা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

পুজোল-মিনারভোয়ার ৯৯ বছর বয়সী বাসিন্দা দানিয়েল বলেন, ‘ধোঁয়া এতটাই ঘন ও দমবন্ধ করার মতো ছিল যে, দমকলকর্মীরা আমাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন।’

এদিকে, মার্সেইয়ের কাছে রোনিয়াক ও লানকঁ-প্রোভঁস এলাকায় আরও দুটি ছোট দাবানলের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে। সূত্র: এএফপি

আজহার/

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে বড় ধরনের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে অসংখ্য মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১ জুলাই) খরা ও প্রবল বাতাসের কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এরো এবং অওদ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শত শত দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

গত বছর করবিয়ের অঞ্চলে বড় ধরনের দাবানলের পর ও ইউরোপজুড়ে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহের কয়েক দিনের মাথায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। 

আবহাওয়া পূর্বাভাসে আবারও তাপপ্রবাহের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পর্যন্ত আগুনে প্রায় ৮০০ হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে।

স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে ‌ওই দপ্তরের একটি সূত্র এএফপিকে জানায়, কখনো কখনো আগুনের বিস্তার সীমিত রাখা সম্ভব হচ্ছে, তবে এটি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় যাতায়াতের উপযুক্ত পথ না থাকায় আগুন নেভাতে দমকলকর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আকাশ থেকে পানি নিক্ষেপকারী উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা, প্রবল দমকা হাওয়া ও অত্যন্ত শুষ্ক নিচু ঝোপঝাড়ের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, পুজোল-মিনারভোয়া ও মাইয়াক কমিউনের প্রায় ২০০ বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অথবা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

পুজোল-মিনারভোয়ার ৯৯ বছর বয়সী বাসিন্দা দানিয়েল বলেন, ‘ধোঁয়া এতটাই ঘন ও দমবন্ধ করার মতো ছিল যে, দমকলকর্মীরা আমাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন।’

এদিকে, মার্সেইয়ের কাছে রোনিয়াক ও লানকঁ-প্রোভঁস এলাকায় আরও দুটি ছোট দাবানলের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে। সূত্র: এএফপি

আজহার/

রাশিয়ায় তীব্র জ্বালানিসংকট

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
রাশিয়ায় তীব্র জ্বালানিসংকট
মস্কোর একটি রোজনেফট গ্যাস স্টেশনে জ্বালানি ট্যাঙ্কার ট্রাক। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগার এবং জ্বালানি ডিপোগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র জ্বালানিসংকট দেখা দিয়েছে।

এই সংকটের প্রভাব পড়েছে রাশিয়ার শস্য উৎপাদনকারী অঞ্চলেও। সময়মতো প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয়ের মধ্যে পড়েছেন।

ইউক্রেন মূলত মস্কোকে শান্তি চুক্তিতে বাধ্য করার জন্য এই হামলাগুলো চালাচ্ছে। তেল-সমৃদ্ধ দেশ হওয়া সত্ত্বেও রাশিয়ার নিজস্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এখন চাপের মুখে। দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলেই জ্বালানি বিক্রির ওপর নানাবিধ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, যা জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিচ্ছে।

গ্যাস স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, চালকরা এখন কোন স্টেশনে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে বা কোথায় লাইন ছোট তা জানতে বিশেষ অ্যাপ ও মানচিত্র ব্যবহার করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে তথ্য দিচ্ছেন। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করার কারণে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে চালকরা একে অপরের সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ছেন।

একটি ভিডিওর শিরোনাম দেওয়া হয়েছে 'দ্য আলটিমেট লাক্সারি ২০২৬'। সেখানে দেখা যায়, এক ব্যক্তি অত্যন্ত সাবধানে একটি জেরিক্যান থেকে তার ঘাস কাটার যন্ত্রে পেট্রল ঢালছেন এবং ব্যঙ্গ করে বলছেন "কী বিপুল সম্পত্তি! এখন কার সাধ্য আছে এই খরচ বহন করার?"

এদিকে, রাশিয়ান ওয়েবসাইট 'iPhones.ru' দেশের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ‘ইয়ানডেক্স’ এর তথ্য দিয়ে জানিয়েছে, গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে অনলাইনে "কীভাবে গাড়ি থেকে তেল চুরি বা সাইফন করতে হয়" লিখে সার্চ করার সংখ্যা লাফিয়ে ৯ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে, যা মাত্র এক মাস আগেও ছিল মাত্র ৬৯৭টি।

কর্তৃপক্ষের অস্বস্তি ও বাস্তব চিত্র

২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া নিজেই ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে, যার ফলে তীব্র শীতে লাখ লাখ ইউক্রেনীয় বিদ্যুৎ ও হিটিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তবে এখন ইউক্রেনের পাল্টা অভিযানের প্রভাব রাশিয়ার ভেতরেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যা রুশ কর্তৃপক্ষের জন্য বেশ অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। প্রশাসন শুরুতে এই সংকটকে "সাময়িক স্থানীয় সমস্যা" বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টে দেখা গেছে, রাশিয়ার উর্বর 'ব্ল্যাক আর্থ' অঞ্চলের কৃষকরা ফসল কাটার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন। অন্য একটি পোস্টে এক কৃষক জানান, ব্যারেলে করে তেল নিতে না দেওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে নিজের বিশাল ফসল কাটার গাড়িটি চালিয়ে সাধারণ গ্যাস স্টেশনে নিয়ে গেছেন তেল ভরার জন্য। (বার্তা সংস্থা রয়টার্স অবশ্য স্বাধীনভাবে এই পোস্টগুলোর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি)।

পুতিনের আশ্বাস ও বিদেশ থেকে আমদানি

পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রবিবার (২৮জুন) জ্বালানি বাজারে সমস্যা থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং বাজার স্থিতিশীল করতে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, কৃষি খাতে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এর ওপরই দেশের ফসল উৎপাদন নির্ভর করছে।

জ্বালানি খাতে পুতিনের প্রধান ভরসা, উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক জানিয়েছেন যে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। রয়টার্সের একটি এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাশিয়া ইতোমধ্যে ভারত থেকে সমুদ্রপথে পেট্রোল আমদানি শুরু করেছে। এছাড়া প্রতিবেশী কাজাখস্তানও আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসে রাশিয়াকে ৫০,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি সরবরাহ করতে রাজি হয়েছে।

অর্থনীতিতে মন্দা ও মৌলিক সেবা ব্যাহত

এই সংকট তীব্র হওয়ার আগেই চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত একটি জনমত জরিপে দেখা গেছে, গত ২০ বছরের মধ্যে রাশিয়ার সাধারণ মানুষ এখন নিজেদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ ও আশঙ্কাবাদী।

দেশের কিছু কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে মৌলিক সেবাগুলো বন্ধ বা কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। চীন ও মঙ্গোলিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত জাবাইকালস্কি অঞ্চলে জ্বালানি স্বল্পতার কারণে বেশ কয়েকটি বাস রুট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। এমনকি একটি বর্জ্য অপসারণকারী সংস্থাও চার জেলায় তাদের সেবা স্থগিত রেখেছে।

আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম Chita.ru-তে এই খবরটির নিচে একজন মন্তব্য করেছেন: "সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো মুদি জিনিসপত্রের দাম কতটা বাড়বে! কারণ সব ধরনের পণ্যই তো সড়কপথে পরিবহন করা হয়।" এই মন্তব্যটিতে শতাধিক মানুষ লাইক দিয়ে সহমত প্রকাশ করেছেন।

যুদ্ধের সমর্থনে ফাটল ধরার শঙ্কা

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে পদার্পণ করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই জ্বালানি সংকট যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে যুদ্ধের প্রতি রাশিয়ার সাধারণ জনগণের যে সমর্থন রয়েছে, তাতে বড় ধরনের ফাটল ধরতে পারে।

দক্ষিণের শহর রোস্তভ-অন-ডনে একটি ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে তাতায়ানা সেদিক নামের এক নারী রয়টার্সকে বলেন, ভাগ্যিস ডিজেল চালিত গাড়ি ব্যবহার করেন (কারণ ডিজেলে লাইন কিছুটা কম)। তবে পেট্রোলের লাইনের অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, "গ্যাসোলিনের (পেট্রোল) লাইনগুলো যা তা অবস্থা, একদম পাগলামি... আমি এখন ভাবছি, হয়তো আমার হেঁটেই অফিসে যাওয়া শুরু করা উচিত।"সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/

জেলেনস্কির সতর্কবার্তার পর কিয়েভে হামলা, নিহত ৮

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫২ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:১১ পিএম
জেলেনস্কির সতর্কবার্তার পর কিয়েভে হামলা, নিহত ৮
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মস্কোর ‘ব্যাপক’ হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর রাজধানী কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করেছে রাশিয়া। এ হামলায় অন্তত আটজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে শহরজুড়ে এ হামলায় চালায় বলে জানিয়েছেন কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে লিখেছেন, ‘এ ঘটনায় আরও ৩৪ জন আহত হয়েছেন। কিয়েভ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইউএভির (মনুষ্যবিহীন আকাশযান) আক্রমণের শিকার হচ্ছে।’

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ আগ্রাসনে রাজধানীসহ ইউক্রেনের শহরগুলোতে নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই যুদ্ধটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানায়, তারা দূরপাল্লার, উচ্চ-নির্ভুল আকাশ, স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপিত অস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে কিয়েভ ও অন্যান্য স্থানে একটি ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে।

মন্ত্রণালয়টি আরও জানায়, ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা কিয়েভের আশেপাশের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা এবং পোলতাভা ও দনিপ্রোপেত্রোভস্কসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলের সামরিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে।

কিয়েভে এই প্রাণঘাতী হামলাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন জেলেনস্কি আয়ারল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করার ঘোষণা দেন, আসন্ন ‘ব্যাপক রুশ হামলার’ বিষয়ে সতর্ক করেন এবং ইউক্রেনিয়দের আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানান।

বুধবার (১ জুলাই) ডাবলিনে আইরিশ প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, ‘আজ আমাদের কাছে আরেকটি ব্যাপক রুশ হামলা সম্পর্কে তথ্য রয়েছে। আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক গোয়েন্দা তথ্যও আছে।’

থিওটোনিয়াস/

দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক: তেহরানের দুই টার্গেট

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক: তেহরানের দুই টার্গেট
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সচল করার লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। গতকাল বুধবার কাতারের রাজধানী দোহায় দেশ দুটির মধ্যে এই পরোক্ষ ‘কারিগরি বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সম্পর্কে সরাসরি অবগত একটি সূত্র এবং ইরানের একজন কর্মকর্তা রয়র্টাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দোহায় চলমান এই আলোচনা সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। তিনি বলেন, ‘তাদের মধ্যে খুব ভালো বৈঠক হয়েছে। দেখা যাক কী হয়।’

তবে দোহায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে এখন কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সেটি স্পষ্ট করেননি। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি জানান, দোহায় তার দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার রয়েছেন।

গত মাসে স্বাক্ষরিত ১৪ দফার একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির ওপর ভিত্তি করে এই আলোচনা চলছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা বন্ধ করাই ছিল ওই চুক্তির মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে এর উদ্দেশ্য ছিল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা।

তবে ইরানের উচ্চপর্যায়ের দুটি সূত্র জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় তেহরান। একই সঙ্গে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের ক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে তারা বদ্ধপরিকর। 

হরমুজ প্রণালী ও অবরুদ্ধ তহবিলের ওপর নজর

ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে শুরু হওয়া এই আলোচনা গতকালও অব্যাহত ছিল।

আলোচনা সম্পর্কে অবগত সূত্রটি জানিয়েছে, এই বৈঠকগুলো মূলত প্রধান মধ্যস্থতাকারী এবং বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন সেশনে বিভক্ত করে সাজানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ আলোচনার প্রাথমিক ভিত্তি তৈরির জন্য কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তবে তারা মূল বৈঠকে অংশ নেন নাই।

এই আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল দোহায় পৌঁছেছে। এই দলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তারা কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদের সরাসরি আলোচনার সম্ভাবনা নেই বলে তেহরান জানিয়েছে।

ইরান ইতোমধ্যে তাদের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো স্পষ্ট করেছে। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা চুক্তি চূড়ান্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবরুদ্ধ থাকা ৬০০ কোটি ডলারের ইরানি তহবিল অবমুক্ত করা। ইরানি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, চলতি দফার আলোচনা মূলত এই দুটি বিষয়ের ওপরই কেন্দ্রীভূত থাকবে।

এই যুদ্ধের কারণে মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালিয়েছিল ইরান। এই সংঘাতের ফলে প্রধানত ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই অন্তর্বর্তী চুক্তিতে লেবাননে ইসরায়েল এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাত বন্ধের বিধানও রাখা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য ইসরায়েল এবং লেবানন সরকারের মধ্যে একটি পৃথক আলোচনার পথকে সমর্থন দিয়ে আসছে। তবে হিজবুল্লাহ এই চুক্তিটিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশ্লেষকরাও সতর্ক করে বলেছেন, এই চুক্তি দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের দখলদারত্বকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে। আলোচনা সম্পর্কে অবগত সূত্রটি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে অত্যন্ত নিবিড় কূটনৈতিক তৎপরতা চলেছে। সূত্র: রয়টার্স

ক্রিপ্টো থেকেই বছরে ট্রাম্পের আয় ১৪০ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫ এএম
ক্রিপ্টো থেকেই বছরে ট্রাম্পের আয় ১৪০ কোটি ডলার
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর তার পারিবারিক ক্রিপ্টোকারেন্সি (ডিজিটাল মুদ্রা) ব্যবসা থেকে ১৪০ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছেন। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার পর জানা গেছে, বর্তমানে তিনি আয়ের সিংহভাগই পাচ্ছেন এই খাত থেকে।

গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিক্সের কাছে পেশ করা প্রেসিডেন্টের ২০২৫ সালের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। বিবরণী অনুযায়ী ট্রাম্প ও তার ছেলেদের যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত ক্রিপ্টোভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল’ থেকে তার কোম্পানিগুলো প্রায় ৮০ কোটি ডলার পেয়েছে। এই আয়ের অংশ প্রেসিডেন্ট তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন, যার মধ্যে ক্রিপ্টো টোকেন বিক্রি থেকে এসেছে ৫২ কোটি ডলারের বেশি এবং ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ব্যবসার শেয়ার বিক্রি থেকে এসেছে ২৫ কোটি ডলারের বেশি।

এ ছাড়া ট্রাম্পের নামে চালু করা ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ বিক্রি করে আরও ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয়ের তথ্য দেওয়া হয়েছে। এর থেকেই বোঝা যায় ক্রিপ্টো কীভাবে প্রেসিডেন্টের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। এক বছর আগের আর্থিক বিবরণীতে ট্রাম্প ওয়ার্ল্ড লিবার্টিতে টোকেন বিক্রি থেকে প্রায় ৬ কোটি ডলার আয়ের কথা জানিয়েছিলেন, যা এবারের বিবরণীতে ৯ গুণ বেড়েছে।

রয়টার্সের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী ২০২৫ সালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে তার পরিবার ক্রিপ্টো-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলো থেকে অন্তত ২৩০ কোটি ডলার আয় করেছে। ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প ক্রিপ্টো খাতের জন্য সুবিধাজনক বিভিন্ন নীতিমালা ও উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন। এর মধ্যে রয়েছে স্টেবলকয়েনের জন্য ফেডারেল নিয়মকানুন তৈরি করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কর্তৃক এই খাতের ওপর নজরদারি কমিয়ে দেওয়া।

২০২৫ সালের জন্য প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন মিডিয়া কোম্পানির সঙ্গে আইনি সেটেলমেন্ট বাবদ ৮ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছেন। এ ছাড়া বিদেশি রিয়েল এস্টেটের কাছে নিজের নামে লাইসেন্স করার মাধ্যমে ৫ কোটি ২০ লাখ ডলার আয়ের কথা জানিয়েছেন। এর সিংহভাগই এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের অংশীদারদের সঙ্গে চুক্তি থেকে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট বা তার পরিবার কখনোই স্বার্থবিরোধী কিছুতে (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) জড়াননি এবং জড়াবেনও না। তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রশাসনের সব পদক্ষেপ আমেরিকান জনগণের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।’ হোয়াইট হাউস এর আগে জানিয়েছিল যে প্রেসিডেন্টের ব্যবসায়িক স্বার্থ বর্তমানে তার সন্তানরা দেখভাল করছেন।

ক্রিপ্টো থেকে আসা নতুন সম্পদ

যদিও ট্রাম্পের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস এখন ক্রিপ্টোকারেন্সি, তা সত্ত্বেও তার ব্যবসাগুলো–বিশেষ করে গলফ কোর্স এবং রিসোর্টগুলো থেকে লাখ লাখ ডলার আয় অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালে ট্রাম্পের গলফ ও রিসোর্ট থেকে রাজস্ব ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। 
ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো ক্লাব, যেটিকে তিনি ‘উইন্টার হোয়াইট হাউস’ বলে অভিহিত করেন, সেটির রাজস্ব ২০২৫ সালে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে কাছাকাছি ওয়েস্ট পাম বিচে তার গলফ ক্লাবের রাজস্ব বেড়েছে ২৭ শতাংশ। তবে ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট থেকে আয় তুলনামূলক কম বেড়েছে বলে বিবরণী থেকে জানা যায়।

ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘দি ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘এই ফাইলিংয়ের ব্যাপ্তি ও স্বচ্ছতার প্রতি আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রায় ১০০০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনটি এযাবৎকালের জমা দেওয়া সবচেয়ে বিস্তৃত আর্থিক বিবরণীগুলোর একটি এবং এটি মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ইতিহাসে অতুলনীয় আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ দেয়।’

ফেডারেল এথিক্স অফিসের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডন ফক্স বলেন,  ‘প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কী ধরনের বিনিয়োগ করতে পারবেন তা সুনির্দিষ্ট করার জন্য নীতিগত সংস্কারের এখনই সময়। এ বিষয়টি ট্রাম্পের চেয়ে ভালোভাবে আর কেউ প্রমাণ করতে পারেননি। আমি মনে করি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই বিনিয়োগের ধরন সীমিত করা যেতে পারে।’

সূত্র: রয়টার্স