ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মস্কোর ‘ব্যাপক’ হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর রাজধানী কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করেছে রাশিয়া। এ হামলায় অন্তত আটজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে শহরজুড়ে এ হামলায় চালায় বলে জানিয়েছেন কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে লিখেছেন, ‘এ ঘটনায় আরও ৩৪ জন আহত হয়েছেন। কিয়েভ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইউএভির (মনুষ্যবিহীন আকাশযান) আক্রমণের শিকার হচ্ছে।’
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ আগ্রাসনে রাজধানীসহ ইউক্রেনের শহরগুলোতে নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই যুদ্ধটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানায়, তারা দূরপাল্লার, উচ্চ-নির্ভুল আকাশ, স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপিত অস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে কিয়েভ ও অন্যান্য স্থানে একটি ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে।
মন্ত্রণালয়টি আরও জানায়, ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা কিয়েভের আশেপাশের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা এবং পোলতাভা ও দনিপ্রোপেত্রোভস্কসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলের সামরিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে।
কিয়েভে এই প্রাণঘাতী হামলাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন জেলেনস্কি আয়ারল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করার ঘোষণা দেন, আসন্ন ‘ব্যাপক রুশ হামলার’ বিষয়ে সতর্ক করেন এবং ইউক্রেনিয়দের আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানান।
বুধবার (১ জুলাই) ডাবলিনে আইরিশ প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিনের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, ‘আজ আমাদের কাছে আরেকটি ব্যাপক রুশ হামলা সম্পর্কে তথ্য রয়েছে। আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক গোয়েন্দা তথ্যও আছে।’
থিওটোনিয়াস/