ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মেসিকে নিয়ে আবেগ-পেশাদারত্বে কেপ ভার্দে শেষ ষোলোতে স্পেনের মুখোমুখি পর্তুগাল, ম্যাচ কবে-কখন? নরওয়ের বিপক্ষে নামার আগে ব্রাজিল শিবিরে ধাক্কা অফসাইডে কপাল পুড়ল ক্রোয়েশিয়ার, শেষ ষোলোতে পর্তুগাল ব্রাজিলের চেয়ে এবার আর্জেন্টিনাই এগিয়ে ৩ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পর্তুগালকে সমতায় ফেরালেন রোনালদো বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লেন উনাই সিমন মেসিকে চিঠি লিখে মানুর স্বপ্নপূরণ গোলহীন প্রথমার্ধে পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ১৬ বছরের জট খুলল স্পেনের ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের একাদশে পরিবর্তন শেষ ষোলোতে স্পেনের প্রতিপক্ষ কারা? আর্জেন্টিনাকে কেপ ভার্দে কোচের হুঁশিয়ারি অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে স্পেন পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ কে জিতবে, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী কেন বাতিল হলো কুকুরেয়ার গোল? ওয়ারজাবালের গোলে এগিয়ে বিরতিতে স্পেন স্পেন-অস্ট্রিয়া ম্যাচে কে জিতবে, জানাল সুপারকম্পিউটার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে স্পেনের একাদশে ২ পরিবর্তন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে জাকিয়া খান চন্দনার পরাবাস্তববাদী চিত্রপ্রদর্শনী নজরুল বর্ষের উদ্বোধনী আয়োজনে দর্শক সংকট বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কালকিনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ৫ ড্রেজার জব্দ ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার সহকারী সচিব হলেন ৩৪ কর্মকর্তা জাবিতে কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি, চার শিক্ষার্থীকে শোকজ নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের পাঁচটি পেট্রোল বোট সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে গোসলে নেমে নিখোঁজ চিকিৎসক টঙ্গীতে চাঁদা দাবি করায় যুবদল নেতাসহ ১৯ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ১১

ক্রিপ্টো থেকেই বছরে ট্রাম্পের আয় ১৪০ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫ এএম
ক্রিপ্টো থেকেই বছরে ট্রাম্পের আয় ১৪০ কোটি ডলার
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর তার পারিবারিক ক্রিপ্টোকারেন্সি (ডিজিটাল মুদ্রা) ব্যবসা থেকে ১৪০ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছেন। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার পর জানা গেছে, বর্তমানে তিনি আয়ের সিংহভাগই পাচ্ছেন এই খাত থেকে।

গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিক্সের কাছে পেশ করা প্রেসিডেন্টের ২০২৫ সালের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। বিবরণী অনুযায়ী ট্রাম্প ও তার ছেলেদের যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত ক্রিপ্টোভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল’ থেকে তার কোম্পানিগুলো প্রায় ৮০ কোটি ডলার পেয়েছে। এই আয়ের অংশ প্রেসিডেন্ট তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন, যার মধ্যে ক্রিপ্টো টোকেন বিক্রি থেকে এসেছে ৫২ কোটি ডলারের বেশি এবং ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ব্যবসার শেয়ার বিক্রি থেকে এসেছে ২৫ কোটি ডলারের বেশি।

এ ছাড়া ট্রাম্পের নামে চালু করা ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ বিক্রি করে আরও ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয়ের তথ্য দেওয়া হয়েছে। এর থেকেই বোঝা যায় ক্রিপ্টো কীভাবে প্রেসিডেন্টের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। এক বছর আগের আর্থিক বিবরণীতে ট্রাম্প ওয়ার্ল্ড লিবার্টিতে টোকেন বিক্রি থেকে প্রায় ৬ কোটি ডলার আয়ের কথা জানিয়েছিলেন, যা এবারের বিবরণীতে ৯ গুণ বেড়েছে।

রয়টার্সের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী ২০২৫ সালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে তার পরিবার ক্রিপ্টো-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলো থেকে অন্তত ২৩০ কোটি ডলার আয় করেছে। ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প ক্রিপ্টো খাতের জন্য সুবিধাজনক বিভিন্ন নীতিমালা ও উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন। এর মধ্যে রয়েছে স্টেবলকয়েনের জন্য ফেডারেল নিয়মকানুন তৈরি করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কর্তৃক এই খাতের ওপর নজরদারি কমিয়ে দেওয়া।

২০২৫ সালের জন্য প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন মিডিয়া কোম্পানির সঙ্গে আইনি সেটেলমেন্ট বাবদ ৮ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছেন। এ ছাড়া বিদেশি রিয়েল এস্টেটের কাছে নিজের নামে লাইসেন্স করার মাধ্যমে ৫ কোটি ২০ লাখ ডলার আয়ের কথা জানিয়েছেন। এর সিংহভাগই এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের অংশীদারদের সঙ্গে চুক্তি থেকে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট বা তার পরিবার কখনোই স্বার্থবিরোধী কিছুতে (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) জড়াননি এবং জড়াবেনও না। তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রশাসনের সব পদক্ষেপ আমেরিকান জনগণের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।’ হোয়াইট হাউস এর আগে জানিয়েছিল যে প্রেসিডেন্টের ব্যবসায়িক স্বার্থ বর্তমানে তার সন্তানরা দেখভাল করছেন।

ক্রিপ্টো থেকে আসা নতুন সম্পদ

যদিও ট্রাম্পের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস এখন ক্রিপ্টোকারেন্সি, তা সত্ত্বেও তার ব্যবসাগুলো–বিশেষ করে গলফ কোর্স এবং রিসোর্টগুলো থেকে লাখ লাখ ডলার আয় অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালে ট্রাম্পের গলফ ও রিসোর্ট থেকে রাজস্ব ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। 
ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো ক্লাব, যেটিকে তিনি ‘উইন্টার হোয়াইট হাউস’ বলে অভিহিত করেন, সেটির রাজস্ব ২০২৫ সালে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে কাছাকাছি ওয়েস্ট পাম বিচে তার গলফ ক্লাবের রাজস্ব বেড়েছে ২৭ শতাংশ। তবে ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট থেকে আয় তুলনামূলক কম বেড়েছে বলে বিবরণী থেকে জানা যায়।

ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘দি ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘এই ফাইলিংয়ের ব্যাপ্তি ও স্বচ্ছতার প্রতি আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রায় ১০০০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনটি এযাবৎকালের জমা দেওয়া সবচেয়ে বিস্তৃত আর্থিক বিবরণীগুলোর একটি এবং এটি মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ইতিহাসে অতুলনীয় আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ দেয়।’

ফেডারেল এথিক্স অফিসের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডন ফক্স বলেন,  ‘প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কী ধরনের বিনিয়োগ করতে পারবেন তা সুনির্দিষ্ট করার জন্য নীতিগত সংস্কারের এখনই সময়। এ বিষয়টি ট্রাম্পের চেয়ে ভালোভাবে আর কেউ প্রমাণ করতে পারেননি। আমি মনে করি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই বিনিয়োগের ধরন সীমিত করা যেতে পারে।’

সূত্র: রয়টার্স

ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি এরনান গিল। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে ৮ দিন ধরে আটকে থাকার পর এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

দেশটির জরুরি উদ্ধারকর্মীরা এরনান গিল নামের ওই ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করার ১০০ ঘণ্টার বেশি সময় পর চেষ্টা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেছেন। ভবনের ১৪০ টন ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করার কথা জানিয়েছেন জরুরি সেবাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভেনেজুয়েলায় এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া উদ্ধারকর্মীদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে চিলির এক অগ্নিনির্বাপক কর্মী এই উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে বলেছিলেন, ‌‌‘‘এটি আমার মোকাবিলা করা সবচেয়ে জটিল এবং প্রযুক্তিগতভাবে সবচেয়ে কঠিন উদ্ধার অভিযান। এটা নিয়ে আমার কোনও সন্দেহ নেই।

গত ২৪ জুনের ওই জোড়া ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৩০০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। 

এছাড়া স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে  আরও হাজার হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে গিলের সন্ধান পাওয়ার পর থেকে তাকে উদ্ধারে শত শত উদ্ধারকর্মী দিনরাত এক করে কাজ করছিলেন। তাকে উদ্ধারের এই অভিযানে ভেনেজুয়েলা, চিলি, কোস্টারিকা, এল সালভাদর, মেক্সিকো, পর্তুগাল এবং যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকারী বিভিন্ন দল একসঙ্গে কাজ করেছে।

গিলের কাছে পৌঁছানোর জন্য উদ্ধারকারীদের তৈরি করা সুড়ঙ্গের কিছু অংশ কয়েকবার ধসে পড়েছিল; যা তার পাশাপাশি উদ্ধারকর্মীদের জন্যও কাজটিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া দলগুলোর সদস্যরা অবশেষে বুধবার রাতে গিলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন।

গিল যেখানে আটকে ছিলেন, সেখানে প্রবেশ করানো একটি ছোট ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে চিলির এক অগ্নিনির্বাপক কর্মীকে গিলের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, তিনি যেন তার মাথা ক্যামেরার দিকে ঘোরান। এ সময় তার একটি চোখ রক্তবর্ণ (লাল) এবং মুখে একটি মাস্ক পরা ছিল। উদ্ধারকাজে তৈরি হওয়া ধুলাবালি ও ধ্বংসাবশেষ থেকে রক্ষা করার জন্য উদ্ধারকর্মীরা এর আগে একটি ছোট ছিদ্র দিয়ে ওই মাস্ক তার কাছে পাঠিয়েছিলেন।

উদ্ধারকারীরা চারপাশের ধ্বংসস্তূপ সতর্কতার সঙ্গে সরিয়ে নেওয়ার সময় চোখের সুরক্ষার জন্য অগ্নিনির্বাপক কর্মীকে তাকে একটি চশমাও (গগলস) পরে নেওয়ার অনুরোধ করেন। কোস্টারিকান রেড ক্রসের সদস্য রিকার্দো আরিয়াস স্থানীয় সাংবাদিক জোয়ান কামারগোকে বলেছেন, গিলের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। তারা গিলকে পানি দিতে পেরেছেন এবং একটি ইন্ট্রাভেনাস ড্রিপ লাগাতে সক্ষম হয়েছেন।

আরিয়াস বলেন, শপিং সেন্টারটি ধসে পড়ার সময় গিল অলৌকিকভাবে চাপা পড়া থেকে বেঁচে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গিল আমাদের বলেছেন, তার নখের ওপরও কোনও চাপ লাগেনি। তিনি ভালো আছেন।

জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় ভেনেজুয়েলার কাতিয়া লা মারের ‘গ্যালেরিয়াস প্লায়া গ্রান্দে মল’ সংলগ্ন পার্কিং লটের বেসমেন্টে একটি ছোট কংক্রিটের বুথে দায়িত্বরত ছিলেন গিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ছোট বুথটি তার চারপাশে একটি সুরক্ষাকবচ তৈরি করেছিল; যা তাকে চারপাশ থেকে ধসে পড়া ১৪০ টন ওজনের ধ্বংসস্তূপের হাত থেকে বাঁচিয়ে রেখেছে। সূত্র: বিবিসি।

এএফ/

সিরিয়ায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫, আহত অন্তত ১৬

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
সিরিয়ায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫, আহত অন্তত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের একটি ক্যাফেতে বোমা বিস্ফোরণে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত প্যালেস অফ জাস্টিসের কাছে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে হামলার আর কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবার প্রধানের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা নিহত ও আহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে রেখেছে। ক্যাফেটির ভেতরে সীমিত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। ২০১১ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দামেস্কে এ ধরনের বিস্ফোরণ সাধারণ ঘটনা হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা অনেকটাই কমে এসেছিল।

সূত্র: আল জাজিরা

এএফ/

অবশেষে ইরানকে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে বাধ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম
অবশেষে ইরানকে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে বাধ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের আলোচনা দলের প্রধান মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বারবার বলেছিল, ‘আমি এক পয়সাও দেবো না’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ১২ বিলিয়ন ডলার অবমুক্ত করতে বাধ্য হয়েছে।

একটি বিশেষ টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এই ঐতিহাসিক সাফল্যের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

গালিবাফ বলেন, আমি নিজে কাতার গিয়েছিলাম। সত্যি বলতে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি কার্যকর মধ্যস্থতা করেছেন। সেখানে প্রথমে ছয় বিলিয়ন ডলার ছিল এবং পরে তারা আরো ছয় বিলিয়ন ডলার গ্রহণ করে।

তিনি আরো বলেন, কাতার সফরের সময় আলোচনা হয়েছে, নথিপত্র সই হয়েছে এবং মার্কিন ট্রেজারি ডেপুটি সেক্রেটারি ও ভ্যান্সও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি সই হওয়ার পরদিনই সকালে আমাদের সম্পদ অবমুক্ত করা হয়।

কেউ কেউ প্রশ্ন করেন আমরা কেন কাতারে গেলাম? উত্তরটা স্পষ্ট— আমরা যদি না যেতাম, তবে এ কাজটি হতো না। আমরা শর্ত পূরণের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিলাম, শুধু স্লোগান দেয়ার জন্য নয়। এটাই সেই নেতৃত্বের সাহস ও প্রজ্ঞা, যারা শর্তগুলো বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে এবং আমরাও সেই একই শর্ত পূরণ করছি।

গালিবাফ আরো বলেন, আমরা যদি দুর্বল হই, তবে আমাদের অপমানিত হতে হবে। ইরানকে শক্তিশালী হতে হবে এবং আজ মানুষের প্রচেষ্টার কল্যাণে ইরান তার শক্তি দেখিয়েছে।

সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, এই সমঝোতা স্মারকের ধারাগুলোর বাস্তবায়নের বিষয়ে বলতে গেলে, প্রথম ধারা অর্থাৎ ইরান ও লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি সুসংহত হচ্ছে। 

চতুর্থ ধারা বা অবরোধ তুলে নেয়ার বিষয়টি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে পঞ্চম ধারা এবং তেল ও তেলজাত পণ্যের দশম ধারাও বাস্তবায়িত হয়েছে।

১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী অবরুদ্ধ ১২ বিলিয়ন ডলার সম্পদ অবমুক্ত করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং পরবর্তী ১২ বিলিয়ন ডলারও একই প্রক্রিয়ায় আসবে। লেবানন-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়গুলো এখনো অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় আছে।

আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার বিষয়বস্তু একচেটিয়াভাবে কেবল এই ১৪টি ধারা, এর বাইরে অন্য কোনো বিষয় এই সমঝোতা স্মারকে যুক্ত করার সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের নেই।

নিজ দায়িত্ব প্রসঙ্গে গালিবাফ বলেন, আমার দায়িত্ব হলো ইরানের মানুষের সেবা করা, তাদের পছন্দ-অপছন্দ যাই থাকুক না কেন। 

ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ছায়াতলে বসবাসকারী সব ইরানি জনগণ— তাদের মতাদর্শ, ধর্ম ও বিশ্বাস নির্বিশেষে সবার সেবা করা আমার কর্তব্য। নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা, মানুষের অর্থনীতি গুছিয়ে আনা এবং তাদের সবার প্রতিনিধিত্ব করা আমার দায়িত্ব।সূত্র: হামশাহরি

এএফ/

কাতারে আটকে থাকা অর্থে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনবে ইরান

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
কাতারে আটকে থাকা অর্থে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনবে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

কাতারে আটকে থাকা তহবিলের একটি অংশ দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য কেনায় ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি।

বুধবার (১ জুলাই) দোহায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর তিনি এসব কথা বলেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের জব্দ বা সীমিত ব্যবহারের আওতায় থাকা সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে।

তবে অর্থ ছাড় ও তা ব্যবহারের প্রক্রিয়া কী হবে, বা কবে থেকে তা কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, গারিবাবাদি বলেছেন, ‘কাতারের কর্মকর্তাদের, বিশেষ করে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে প্রাথমিক ছয় বিলিয়ন ডলারের একটি অংশ ব্যয়ের বিষয়ে কয়েকটি বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের জানানো প্রয়োজনের ভিত্তিতে পণ্য কেনা হবে এবং তা ইরানের জন্য সরবরাহ করা হবে বলে সম্মত হয়েছে।’

গারিবাবাদি যে অর্থের কথা উল্লেখ করেছেন, তা ২০২৩ সাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কাতারের সীমিত ব্যবহারের হিসাবগুলোতে স্থানান্তর করা ইরানের তেল বিক্রির আয়ের একটি অংশ।

গত মাসে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, অবমুক্ত হওয়া অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তেহরান নেবে। দেশের জন্য সবচেয়ে উপকারী ও অনুকূল উপায়ে সেই অর্থ ব্যয় করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহের জন্য ইরান ওই অর্থ নিজের বিবেচনায় অবাধে ব্যবহার করতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জুন মাসে বলেন, চুক্তির আওতায় তখনো ওই অর্থ অবমুক্ত হয়নি। তবে তা অবমুক্ত হলে পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের অনুমোদন থাকবে। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ওই অর্থ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য, বিশেষ করে সয়াবিনসহ কৃষিপণ্য কেনা হতে পারে।

ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ মঙ্গলবার এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদের মধ্যে ১২ বিলিয়ন ডলার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেওয়া হবে, যাতে তারা বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে, যেকোনো মূল্যে এবং যেকোনো মুদ্রায় প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।

এএফ/

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:১২ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে বড় ধরনের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে অসংখ্য মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১ জুলাই) খরা ও প্রবল বাতাসের কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এরো এবং অওদ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শত শত দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

গত বছর করবিয়ের অঞ্চলে বড় ধরনের দাবানলের পর ও ইউরোপজুড়ে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহের কয়েক দিনের মাথায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। 

আবহাওয়া পূর্বাভাসে আবারও তাপপ্রবাহের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পর্যন্ত আগুনে প্রায় ৮০০ হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে।

স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে ‌ওই দপ্তরের একটি সূত্র এএফপিকে জানায়, কখনো কখনো আগুনের বিস্তার সীমিত রাখা সম্ভব হচ্ছে, তবে এটি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় যাতায়াতের উপযুক্ত পথ না থাকায় আগুন নেভাতে দমকলকর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আকাশ থেকে পানি নিক্ষেপকারী উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা, প্রবল দমকা হাওয়া ও অত্যন্ত শুষ্ক নিচু ঝোপঝাড়ের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, পুজোল-মিনারভোয়া ও মাইয়াক কমিউনের প্রায় ২০০ বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অথবা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

পুজোল-মিনারভোয়ার ৯৯ বছর বয়সী বাসিন্দা দানিয়েল বলেন, ‘ধোঁয়া এতটাই ঘন ও দমবন্ধ করার মতো ছিল যে, দমকলকর্মীরা আমাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন।’

এদিকে, মার্সেইয়ের কাছে রোনিয়াক ও লানকঁ-প্রোভঁস এলাকায় আরও দুটি ছোট দাবানলের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে। সূত্র: এএফপি

আজহার/