ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি পর্তুগাল। ফলে শেষ ৩২-এর ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় টরন্টো স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেন রাফায়েল লিয়াও। তার সেই আক্রমণ থেকে বক্সের ভেতর পরপর দুইবার শট নেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, তবে দুইবারই তাকে থামিয়ে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ।
ম্যাচের নবম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে বক্সে দারুণ একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন পেদ্রো নেটো। দূরের পোস্টের কাছে লাফিয়ে উঠেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। এর কিছুক্ষণ পর ফ্রি-কিক থেকে তার নেওয়া শটটি প্রতিহত করে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার।
এরপর কর্নার থেকে আরেকটি বড় সুযোগ আসে পর্তুগালের সামনে। ভেসে আসা বলে শক্তিশালী হেড নেন রেনাটো ভেইগা, তবে বল গোলবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।
৩০ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে জোয়াও কানসেলোর বিপজ্জনক ইনসুইং ক্রস বক্সে পৌঁছায়। বলের খুব কাছাকাছি ছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, কিন্তু শেষ মুহূর্তে কেউই স্পর্শ করতে না পারায় সম্ভাবনাময় আক্রমণটি নষ্ট হয়ে যায়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবারও কানসেলোর ক্রস থেকে সুযোগ তৈরি হয়। ব্রুনো ফার্নান্দেজকে লক্ষ্য করে পাঠানো বলটি জোসিপ শুতালো হেড করে সরিয়ে দেন। তবে ক্লিয়ার করা বল গিয়ে পড়ে রাফায়েল লিয়াওর সামনে। সুযোগ পেয়েই শট নেন তিনি, কিন্তু সেটি অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।
এভাবে একের পর এক আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি পর্তুগাল। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়াও কয়েকটি আক্রমণ গড়লেও সেগুলো তেমন বিপজ্জনক হয়ে ওঠেনি। ফলে গোলশূন্য সমতায়ই বিরতিতে যায় দুই দল।
প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ বলের দখল ছিল পর্তুগালের। তারা ৯টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র একটি। বিপরীতে ক্রোয়েশিয়া ৩টি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।
এসজি/