ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর ড. মাইক মিলার কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় রাঙামাটির ৬ উপজেলায় বন্যার শঙ্কা সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াল সিস্টেম গ্রুপ সংসদের বিভিন্ন কক্ষে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার অভিযোগ হুইপের তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবে কুতুবদিয়ার ৫ জেলে নিখোঁজ বৃষ্টির সময় কেন দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না? বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মুখে হাসি ফোটানোর গল্প বিদেশি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা! হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ এবং ট্রাম্পের হাসি ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' বন্যার্তদের পাশে তৌসিফ, দিলেন আর্থিক সহায়তা বদ্বীপ থেকে ডিজিটাল ক্যানভাস: বাংলাদেশি লোকশিল্পের রূপান্তর স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’? ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা? জাহিদ হাসানের ‘পথহারা মন’ ধোলাইখালে সড়ক ধসে যান চলাচল বন্ধ ডাকসুর ভিপিসহ ছাত্রশিবির ছাড়লেন কেন্দ্রীয় ৯ নেতা ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না?

শীতের সবজি চাষে অক্ষয়ের সফলতা

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৫২ এএম
আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৫৫ এএম
শীতের সবজি চাষে অক্ষয়ের সফলতা
সবজিখেত পরিচর্যা করছেন অক্ষয় চন্দ্র রায়। ছবি: খবরের কাগজ

দিনাজপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ গোবিন্দপুর গ্রামের চাষি অক্ষয় চন্দ্র রায়। তিনি ১২০ শতক জমিতে বিভিন্ন জাতের শীতের সবজি চাষ করে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি উচ্চফলনশীল শিম, বেগুন, বাঁধাকপি, ফুলকপি, পেঁয়াজ ও বরবটিসহ অন্যান্য সবজি চাষ করছেন। এই চাষের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন সফল কৃষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

অক্ষয় চন্দ্র রায়ের শীতের সবজি চাষের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য তার শিম চাষ। তিনি ১০ শতক জমিতে সিম চাষ করে এক মাস আগে থেকে শিম বিক্রি শুরু করেছেন এবং ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। বর্তমানে তার শিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। প্রতিরাতে তিনি দুই থেকে তিন মণ শিম বাজারজাত করছেন। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকার শিম বিক্রি করেছেন। আগামী এক মাস পর্যন্ত শিম বিক্রি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন। 

শিম খেতের পাশাপাশি অক্ষয় চন্দ্র রায়ের বেগুন, বাঁধাকপি ও ফুলকপি চাষও ভালো ফলন পয়েছেন। তার বেগুন ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে বাঁধাকপি ও ফুলকপি বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি জমির আইলে মুড়ি কাটা পেঁয়াজও আবাদ করেছিলেন। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ মারাই করেছেন। ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন।

একসময় অক্ষয় চন্দ্র রায়ের এই জমিতে লিচুর বাগান ছিল, তবে লিচু থেকে তেমন লাভ না হওয়ায় কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে তিনি লিচুর গাছ কেটে ফেলেন। সেখানে শীতের সবজি চাষ শুরু করেন। কৃষি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ও পরামর্শে এবং নিজে জৈব সার প্রয়োগ করে জমি উপযুক্ত করার ফলে এখন তার চাষের ফলন ভালো হচ্ছে।

অক্ষয় চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমার এই ১২০ শতক জমিতে প্রতিবছর ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।’ তিনি আরও বলেন, ‘শীতের শুরু থেকেই সবজির ব্যাপক চাহিদা ছিল। দামও ভালো পেয়েছি। তবে বর্তমানে অনেকেই সবজি চাষ শুরু করেছেন। ফলে বাজারে সবজির পরিমাণ বেড়ে গেছে, যার কারণে দাম কিছুটা কমে যাচ্ছে।’

অক্ষয়ের স্ত্রী শোভা রানি বলেন, ‘আমাদের জমিটি বাড়ির খুব কাছে হওয়ায় আমরা দুজনেই মিলে কৃষি কাজ করি। মাঝে মাঝে কিছু শ্রমিকও নিযুক্ত করি। আমাদের জমিতে এখন অনেক সবজি রয়েছে। এই সবজি বিক্রি করে আমাদের সংসারের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।’

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা কৃষকদের মাঝে নতুন প্রযুক্তি এবং অধিক উচ্চফলনশীল সবজি চাষের জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। বর্তমানে জেলার প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে সবজির চাষ হয়েছে। এসব সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। বাজারে সবজির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে কিছুটা দাম কমেছে। তবে আমরা আশা করি, দেশে উৎপাদিত সবজি চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সবজি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। যাতে কৃষকরা আরও ভালো ফলন পায় এবং তাদের আয় বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য সবজির উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

গোমতীর পানি বাড়ছে, কুমিল্লার চরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে ফসল

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
গোমতীর পানি বাড়ছে, কুমিল্লার চরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে ফসল
গোমতীর পানি বৃদ্ধি/ ছবি: খবরের কাগজ

উজানের পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি বেড়ে চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি ও কৃষি ফসল তলিয়ে গিয়ে সহস্রাধিক কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকার চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ সবজিখেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

ভান্তি এলাকার কৃষক আবদুল হক জানান, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি আগাম জাতের মূলা ও লাউ চাষ করেছিলেন। হঠাৎ গোমতী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তার পুরো খেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

আরেক কৃষক আবদুল জলিল জানান, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার খেত পানিতে ভেসে গেছে। তার মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়া ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনিও মাঠে অবস্থান করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে জরিপ চলছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জহির শান্ত/তামান্না রুপা/

পাহাড় উজাড় ও বিরূপ আবহাওয়ায় সংকটে আলীকদমের মৌচাষিরা

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
পাহাড় উজাড় ও বিরূপ আবহাওয়ায় সংকটে আলীকদমের মৌচাষিরা
ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের আলীকদমে এক সময় বাণিজ্যিকভাবে মৌ চাষ ও প্রাকৃতিক মধু সংগ্রহের বিপুল সম্ভাবনা দেখা দিলেও বর্তমানে তা চরম সংকটের মুখে। নির্বিচারে পাহাড় কাটা, প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ধ্বংস এবং বিরূপ আবহাওয়ার কারণে এই অঞ্চলের মৌ চাষি ও মধু সংগ্রহকারীরা এখন দিশেহারা। আধুনিক প্রযুক্তি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাজারজাতকরণের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় লোকসানের মুখে পড়ে অনেকেই এই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন।

স্থানীয় চাষি ও পরিবেশকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আলীকদমের পাহাড়ি বনাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে নানা জাতের ফুল ফুটত, যা ছিল মৌমাছির প্রধান খাদ্য উৎস। কিন্তু গত কয়েক বছরে জ্বালানি কাঠের জন্য এবং অবৈজ্ঞানিক উপায়ে পাহাড় কাটার ফলে কমে গেছে বন্য ফুল ও লতাগুল্মের সংখ্যা। ফলে তীব্র খাদ্য সংকটে পড়েছে মৌমাছিরা। অনেক সময় পুরো মৌ-কলোনি বা ঝাঁক এই অঞ্চল ছেড়ে গভীর জঙ্গলে পরিযায়ী হয়ে যাচ্ছে।

উপজেলার ছিলিমপুর এলাকার মৌচাষি মংথোয়াই মারমা বলেন , ‘আগে পাহাড়ে প্রচুর গর্জনের ফুল আর বুনো লতাগুল্ম ছিল। বাক্স বসালেই কয়েক দিনের মধ্যে মধু পাওয়া যেত। এখন পাহাড় ন্যাড়া হয়ে যাচ্ছে, গাছ নাই তো ফুলও নাই। মাছিরা খাবার না পেয়ে বাক্স ছেড়ে পালিয়ে যায়। গত বছর আমার ১০টি বাক্সের মধ্যে ৫টার মাছিই উড়ে চলে গেছে।’

অসময়ের ভারী বৃষ্টিপাত, তীব্র দাবদাহসহ বিরূপ আবহাওয়ার কারণেও মধুর উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে বলে মনে করেন মধু সংগ্রহকারী জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, ‘এখন আবহাওয়া আর আগের মত নাই। যখন ফুল ফোটার সময়, তখন হয় অতিরিক্ত গরম পড়ে, না হয় অসময়ে বৃষ্টি এসে ফুলের সব রেণু ধুয়ে নিয়ে যায়। গরম বেশি হলে মৌচাকের ভেতরে ডিম নষ্ট হয়ে যায়। আগে এক একটা বড় চাক থেকে ১৫ থেকে ২০ কেজি মধু পাইতাম, এখন ৫ কেজি পাওয়াই ভাগ্য।’ 

আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের অভাবকেও বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন চাষিরা। তারা বলছেন, কোনো ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই পাহাড়ি খাড়া দেয়াল বা উঁচু গাছ থেকে জীবন বাজি রেখে মধু সংগ্রহ করতে হয় তাদের। তাছাড়া উৎপাদিত মধু প্রক্রিয়াজাতকরণের কোনো ব্যবস্থা আলীকদমে নেই। পাহাড়ি মধুর আর্দ্রতা বেশি থাকায় তা দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর এই সুযোগটি নেয় শহরের একটি সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীরা। 

অঞ্চলটির একাধিক চাষি জানান, অনেক কষ্ট আর ঝুঁকি নিয়ে মধু সংগ্রহ করলেও সঠিক দাম পান না তারা। আলীকদমে মধু রিফাইন করার কোনো মেশিন নেই। এতে নষ্ট হওয়ার ভয়ে কম দামেই শহরের পাইকারদের কাছে বিক্রি করতে হয় মধু। কেজি প্রতি ৪০০-৫০০ টাকা পান চাষিরা। অথচ মধ্যস্বত্বভোগীরা ঢাকা-চট্টগ্রামে নিয়ে তা ১৫০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকারের কাছে কম সুদে ঋণ আর মধু প্রসেসিং সেন্টারের দাবি স্থানীয়দের। 

এ বিষয়ে বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, আলীকদমে মৌচাষের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৌবক্সসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। তবে রানি মৌমাছির সংকটের কারণে উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সুযোগ ও বরাদ্দ অনুযায়ী প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জয়পুরহাটে কমেছে পাট চাষ, জাগ দেওয়াই মূল সংকট

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:২০ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ এএম
জয়পুরহাটে কমেছে পাট চাষ, জাগ দেওয়াই মূল সংকট
ছবি: সংগৃহীত

জয়পুরহাটের কৃষকরা পাট চাষে ভালো লাভের স্বপ্ন দেখলেও কাটার পর তা কোথায় জাগ দেওয়া হবে, তা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। সরকারি খাল-পুকুর লিজ হওয়া এবং কৃষি বিভাগের সঠিক তদারকি না থাকায় উপযুক্ত জায়গার খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছেন তারা।

জানা গেছে, সোনালী আঁশ হিসেবে পরিচিত পাট নিয়ে স্বপ্ন দেখেন জয়পুরহাটের কৃষকরা। তবে নানা প্রতিকুলতায় এবার জেলায় কমেছে পাটের চাষ। সদরের বুলুপাড়া, নিশির মোড়, বেলআমলা, কেশবপুর, দোগাছী, জামালপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গত বছর ব্যাপক পাট দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এবারের চিত্র আলাদা। এসব এলাকায় অনেকেই পাট চাষ বাদ দিয়ে অন্য ফসলের চাষ করেছেন।

আগামী ২০ দিনের মধ্যে শুরু হবে পাট কাটা। চলতি মৌসুমে জেলায় ২ হাজার ৪৩৭ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে, যা গতবছরের তুলনায় ২০০ হেক্টর কম। এ থেকে উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ২৯৩ বেল।

কৃষকরা জানায়, বিঘাপ্রতি জমিতে পাট চাষ করতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। আর বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। তবে কৃষকদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পাট পঁচানোর জন্য জাগ দেওয়ার জায়গা। আশেপাশের খাল, ছোট ছোট পুকুরগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় ও মাছ চাষ করায় কমে গেছে জাগ দেওয়ার জায়গা। অনেকেই দূর-দূরান্তে উপযুক্ত জলাশয়ের খোঁজ করছেন, আবার কেউ অতিরিক্ত খরচে বিকল্প ব্যবস্থা করছেন। অধিকাংশ কৃষক জানেন না, রিবন রেটিং পদ্ধতি, এতে জায়গাসঙ্কটে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

বেল আমলা এলাকার কৃষক গোপাল চন্দ্র বলেন, ‘পাট চাষ করে বাজারে ভাল দাম না পেলে লাভ হয় না। সবচেয়ে বড় সমস্যা পাট জাগ দেওয়ার জায়গা নেই। এখন যাদের নিজস্ব পুকুর আছে তারাই পাট চাষ করে। সরকার থেকে আমরা কোনো সহযোগিতা পাই না।’

করিমনগর গ্রামের রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। সেই হিসেবে আমরা পাটের দাম পাই না। পাট জাগ দেওয়ার জায়গার অভাবে এই এলাকায় এবার অনেকে পাট চাষ করেননি। পুকুর ভাড়া নিতে হয়। আবার নদীতে জাগ দিলে পাট ভেসে যায়। সরকারের পাট জাগ দেওয়ার বিষয়ে আমাদের কোনো প্রশিক্ষণ নেই, আমরা জানিও না সেই পদ্ধতি। কৃষি অফিস থেকে আমাদের কোনো খোঁজও নেয় না। সরকারের কাছে আবেদন এবার যেন আমরা পাটের ন্যায্যমূল্য পাই।’

কেশবপুর গ্রামের মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ‘এবার দুই বিঘা জমিতে পাটের চাষ করেছি। কিন্তু কয়দিন পর পাট কেটে কোথায় জাগ দিব, সেই জায়গা খুজে বেরাচ্ছি। আশপাশে কোনো পুকুর নাই। সরকারি যেসব পুকুর ছিল তা লিজ দিয়েছে। অনেকের পুকুরে মাছ চাষ করার জন্য পাট জাগ দেওয়া যায় না।’ 

একই গ্রামের আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমরা পাট চাষ করে বাজারে বিক্রি করতে গেলে সঠিক মূল্য পাই না। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পাটের দামে কমিয়ে দেয়। সরকারের কাছে অনুরোধ এবার যেন আমরা পাটের মূল্যটা পাই। পাটের টাকা পাটোক (শ্রমিককে) দিতেই চলে যায়। তাহলে আমাদের পাট চাষ করে লাভ কি?’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) সাদিয়া সুলতানা বলেন, ‘অল্প পানিতে পাট পঁচানো যায়, বা রিবন রেটিং পদ্ধতি সম্পর্কে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। রোগবালাই বিষয়ে আমাদের মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন।’ 

পাট চাষ কমার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আগে পাটকেন্দ্রিক অনেক শিল্প-কারখানা ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কারখানা এখন বন্ধ হয়ে গেছে। তাই পাটের চাহিদা কিছুটা কমায় চাষও কমেছে। তবে সরকার থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে করে পাটের আবারও সুদিন ফিরে আসবে।’

সাগর/খাদিজা রুমি/

কৃষিকে আধুনিকায়নে ঝিনাইদহে ৯০ কৃষকের হাতে উঠল স্প্রে মেশিন

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২০ এএম
কৃষিকে আধুনিকায়নে ঝিনাইদহে ৯০ কৃষকের হাতে উঠল স্প্রে মেশিন
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে ৯০টি কীটনাশক স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ শহরের আল হেরা স্কুল মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব কৃষি উপকরণ কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। 

আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষিকাজকে আরও সহজতর করার লক্ষ্যে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা (এডিপি) খাতের বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে এসব বিতরণ করা হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আলী আজম মো. আবু বকর। 

তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের কৃষিখাতকে আরও আধুনিক ও উৎপাদনমুখী করতে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিব্যবস্থার বিকল্প নেই। কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো এবং সময় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগে এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ড. হাবিবুর রহমান, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি আলমগীর হোসেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ সময় বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত শতাধিক কৃষক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

কৃষি উপকরণগুলো সম্পূর্ণ সরকারি ক্রয়বিধি মেনে সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বিশেষ বরাদ্দ থেকে এগুলো কেনা হয়। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। সেই সঙ্গে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তারা এটিকে একটি সময়োপযোগী ও কৃষিবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

মাহফুজুর/খাদিজা রুমি/

গোপালগঞ্জে ‘বিনা তোষাপাট-১’ চাষে নতুন দিগন্তের সূচনা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৩০ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ পিএম
গোপালগঞ্জে ‘বিনা তোষাপাট-১’ চাষে নতুন দিগন্তের সূচনা
ছবিঃ খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জে পাট চাষে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল পাটের জাত ‘বিনা তোষাপাট-১’।

চলতি মৌসুমে এই নতুন জাতের পাটের বাম্পার ফলন এবং মানসম্মত বীজ উৎপাদন স্থানীয় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। 

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশেই এই জাতের পাটের বীজ উৎপাদন করলে একদিকে যেমন কমবে আমদানি নির্ভরতা, অন্যদিকে ভারতীয় বীজ কেনা বাবদ দেশের অন্তত ১০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। 

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সুচিডাঙ্গা গ্রামের কৃষক সমীর মজুমদার। বিগত কয়েক বছর ধরে বাজার থেকে বীজ কিনে করছিলেন পাটের চাষ। তবে সার, কীটনাশক ও সেচ দিয়েও সেসব বীজ থেকে আশানুরূপ ফলন পাননি তিনি। ফলে গুণতে হয়েছিল লোকসান। এরপর বিনা উপকেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে পাটের বীজ নিয়ে নিজের তিন বিঘা জমিতে আবাদ করেন ‘বিনা তোষাপাট-১’। এবছর তার জমির পাট অনেক ভালো হয়েছে। ফলে এ বছর লাভের আশা দেখছেন তিনি।   

শুধু সমীর মজুমদার নয়, আরও ২৫জন কৃষক বিনা উপকেন্দ্র থেকে পাটের বীজ নিয়ে রোপন করছেন। ফলন ভালো হওয়ায় খুশি তারা।  

প্রচলিত অন্যান্য জাতের তুলায় ‘বিনা তোষাপাট-১’ লম্বায় বড় হওয়ার পাশাপশি এতে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ অনেক কম। এ জাতের আঁশের ফলন হেক্টরপ্রতি ৩.২ টন থেকে প্রায় ৪ টন। এই পাটের জীবনকাল মাত্র ১০০ থেকে ১০৭ দিন হওয়ায় কৃষকরা দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন। 

প্রতি বছর তোষাপাটের বীজের জন্য একটি বড় অংশ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়। এছাড়া সঠিক সময়ে মানসম্মত বীজ না পাওয়া এবং চড়া মূল্যের কারণে প্রায়শই প্রান্তিক কৃষকেরা লোকসানের মুখে পড়েন। 

‘বিনা তোষাপাট-১’ জাতের পাট থেকে হেক্টর প্রতি প্রায় ১ হাজার কেজি বীজ উৎপাদন করা সম্ভব। সেই সাথে পাটের পাতার ক্লোরোফিল এর ঘনত্ব বেশি থাকায় এই জাতের পাটের আঁশ ও বীজ উৎপাদন বেশি হওয়ায় কৃষকরা অর্থিকভাবে লাভবান হবেন। 

কৃষকরা যদি নিজেদের প্রয়োজনীয় বীজ নিজেরাই উৎপাদন করতে পারেন, তবে বিদেশ থেকে পাটবীজ আমদানির আর প্রয়োজন হবে না। 

বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ‘বিনা তোষাপাট-১’ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিনা উপকেন্দ্র গোপালগঞ্জে মাঠ দিবসের আয়োজন করে। 

মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোঃ মামুনুর রহমান। 

বিনা উপকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বিনা ময়মনসিংহের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফাহমিনা ইয়াসমীন, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুননবী মজুমদার, কৃষিতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: হাবিবুর রহমান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তারসহ কৃষি কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।  

সুচিডাঙ্গা গ্রামের কৃষক কাজী শাবান বলেন, বিগত দিনে বিভিন্ন ধরনের পাট বীজ রোপন করে লোকসানের মুখোমুখি হয়েছি। তাই এবার বিনার কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে ‘বিনা তোষাপাট-১’ জাতের পাটের আবাদ করেছি। বর্তমানে ক্ষেতের পাটের ফলন ব্যাপক হয়েছে। পাট গাছ লম্বা হয়েছে ও আঁশ ও অনেক মোটা হয়েছে। আশা করি এবার লাভবান হবো।   

সুকতাইল ইউনিয়নের ১নং ইউপি সদস্য মান্নান শেখ মান্নু বলেন, ‘বিনা তোষাপাট-১’ জাতের পাট অনেক ভালো হয়েছে। এতে কৃষকেরা আগামী মৌসুমেও এই জাতটি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বাজারে এর চাহিদা অনেক বেশি। 

বিনা উপকেন্দ্র, গোপালগঞ্জ এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ হারুন অর রশিদ বলেন, ‘বিনা তোষাপাট-১’ জাত একটি উচ্চ ফলনশীল জাত। ৫২ শতাংশের বিঘায় অন্যান্য জাতের তুলনায় ৪ থেকে ৫ মন ফলন বেশি হয়। তাই আমরা কৃষকদের ‘বিনা তোষাপাট-১’ জাত চাষে পরামর্শ দিচ্ছি এবং বিনামূল্যে বীজ সরবরাহ করছি। এ জাতের পাটের জীবনকাল মাত্র ১০০ থেকে ১০৭ দিন। ফলে কৃষকরা তাদের ফসল আগাম ঘরে তুলতে পারবেন, সেই সাথে একই জমিতে আরো ৪টি ফসল করতে পারবে।    

বিনা ময়মনসিংহ এর উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রধান ড. ফাহমিনা ইয়াসমীন বলেন, এক সময় যখন পাটের দুর্দিন চলছিলো তখন গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরের কৃষকদের জন্য ভারত থেকে বীজ আনা হতো। এ জাতের পাট চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাট বীজের আমদানি নির্ভরতা শূন্যের কোঠায় আসার পাশাপশি ১০০ কোটি টাকারও বেশি সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।   

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোঃ মামুনুর রহমান বলেন, এ বছর গোপালগঞ্জ জেলায় ২৫ হাজার ৩৬৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। অধিকাংশ পাটের বীজ ভারত থেকে আমদানি করতে হয়। এতে অনেক সময় পাটের বীজের মান ভালো থাকে না। ফলে এ বছর বিনার পক্ষ থেকে “বিনা তোষাপাট-১” জাতের বীজ কৃষকদের দেয়া হয়। অন্যান্য জাতের তুলনায় এই জাতের পাট ভালো হয়েছে।  

সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ‘বিনা তোষাপাট-১’ জাতের বীজ উৎপাদন বৃদ্ধি করা গেলে দেশের সোনালী আঁশের গৌরব ফিরে আসবে বলেও মনে করেন তিনি। পাশাপাশি আমদানি নির্ভরতা কমবে ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

বাদল সাহা/অদিতি/