ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দলের পরিকল্পনা ফিফার স্পেনকে ভয় পায় না ফ্রান্স: ইব্রাহিমা কোনাতে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো মরদেহ ভাসানোর খবর গুজব: ইউএনও ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে ২১ নতুন বোয়িং, বিনিয়োগ ১৪ হাজার কোটি টাকা সোনারগাঁয়ে বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা ইরানের রাজধানীতে দুর্ঘটনার শিকার জবি শিক্ষকদের বাস, আহত  ৩ নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬ বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত বিশ্বমঞ্চে ইল্লিয়ীন, ডি-৮ হালাল এক্সপোতে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফ্যাশন ঝিনাইদহে ফি দিতে দেরি, পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হলো শিক্ষার্থীকে ত্রাণ ও সহায়তা নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে যুবদল আনোয়ারায় ত্রাণ বিতরণে নাহিদ, বেড়িবাঁধ নির্মাণে লুটপাটের অভিযোগ জমিরউদ্দিন সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে বন্যা পরিস্থিতি: ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ, নিহত ৫১ নাটোরে সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি দেড় লাখ যে আমল ৩৬০ জোড়ার সদকা টেলিটক বিক্রি নয়, বরং আপগ্রেড করা হচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী ওসমানী বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নারী গ্রেপ্তার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি বৃক্ষরোপণ ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন? পুঁজিবাজারে স্থিতিশীল গতি প্রয়োজন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর বরখাস্ত সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও

স্পেনকে ভয় পায় না ফ্রান্স: ইব্রাহিমা কোনাতে

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১৯ এএম
স্পেনকে ভয় পায় না ফ্রান্স: ইব্রাহিমা কোনাতে
ইব্রাহিমা কোনাতে। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে আত্মবিশ্বাসী বার্তা দিয়েছেন ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে। তিনি বলেছেন, স্পেনকে ফ্রান্স ভয় পায় না, তবে প্রতিপক্ষের সামর্থ্য ও দুর্দান্ত রক্ষণভাগ সম্পর্কে তারা জানে। 

রবিবার (১২ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আপনি কোনো প্রতিপক্ষকেই ভয় পেতে পারেন না। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেব। আশা করি, শেষ পর্যন্ত ফল আমাদের পক্ষেই যাবে।’

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মাত্র একটি গোল হজম করেছে স্পেন। দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে এগিয়ে চলা দলটি পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ রক্ষণভাগের প্রদর্শনী উপহার দিয়েছে।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং ২০২২ সালের রানার্সআপ ফ্রান্স স্পেনের শক্তি-সামর্থ্য সম্পর্কে ভালোভাবেই জানে। কারণ, তারা ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনাল এবং গত বছরের নেশনস লিগের সেমিফাইনাল-দুই আসরেই স্পেনের কাছে হেরেছিল।

স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে আলাদা কোনো পরিকল্পনা না থাকলেও তার প্রশংসা করেছেন কোনাতে বলেন, ‘স্পেন একটি অসাধারণ দল। তাদের দলে অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে। তাই আমরা শুধু একজনকে নিয়ে ভাবছি না, যদিও লামিনে একজন দুর্দান্ত ফুটবলার।’

চলতি বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সেন্টার-ব্যাক হিসেবে নিয়মিত খেলছেন দায়ো উপামেকানো ও উইলিয়াম সালিবা। কোনাতে এখন পর্যন্ত কেবল নরওয়ের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে ফ্রান্স ও স্পেন মধ্যকার সেমিফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

এসজি/

২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দলের পরিকল্পনা ফিফার

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৪ এএম
২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দলের পরিকল্পনা ফিফার
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত

২০৩০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৪৮ থেকে বাড়িয়ে ৬৪ করার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

সুইস সংবাদমাধ্যম ব্লুউইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এবারের বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোতে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা ও আলোচনা করা হবে।’

বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ইনফান্তিনো বলেন, এই টুর্নামেন্ট কেবল ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্য আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক দেশেরই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখার সুযোগ থাকা উচিত। এখন বিশ্বব্যাপী দলের মান অনেক বেড়েছে এবং প্রতিনিয়ত তাদের আরও উন্নতি হচ্ছে। ছোট দেশগুলোকে যদি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে তাদের উন্নতির প্রেরণাও কমে যাবে।’

১৯৯৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপে ৩২টি দল অংশ নিলেও, চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপেই প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল খেলছে।

কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এবারের আসরের সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও স্পেন। নির্ধারিত ১০৪ ম্যাচের মধ্যে বাকি রয়েছে দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল।

ইনফান্তিনোর মতে, ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন ইতোমধ্যেই বড় সাফল্য প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি দলই উচ্চমানের ফুটবল খেলেছে। সব মহাদেশের দলই গোল করেছে এবং অন্তত একটি করে পয়েন্ট অর্জন করেছে। আফ্রিকার ১০টি দলের মধ্যে ৯টিই নকআউট পর্বে উঠেছে। অথচ আগের বিশ্বকাপে আফ্রিকা থেকে মাত্র পাঁচটি দল খেলেছিল। এটিই প্রমাণ করে, অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

২০৩০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশে। শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে প্রথম তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি দেশে হবে একটি করে ম্যাচ। এরপর বাকি ম্যাচগুলো আয়োজন করবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেন।

৬৪ দলের বিশ্বকাপ বাস্তবায়িত হলে ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ কেবল একটি করে ম্যাচ নয়, বরং গ্রুপপর্বের ম্যাচগুলো আয়োজনের সুযোগ পেতে পারে।

এসজি/

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর বরখাস্ত সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর বরখাস্ত সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ৩২ থেকে বিদায়ের পর কোচ পাপে থিয়াওকে বরখাস্ত করেছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। জাতীয় দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দায়িত্ব নেওয়া থিয়াওয়ের অধীনে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে প্রথম দুই ম্যাচে ফ্রান্স ও নরওয়ের কাছে হারে সেনেগাল। তবে শেষ ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে হারিয়ে সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী হয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় ‘তেরাঙ্গা লায়ন্স’রা।

সিয়াটলে অনুষ্ঠিত শেষ ৩২-এর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও জয় ধরে রাখতে পারেনি সেনেগাল। নির্ধারিত সময়ের শেষ পাঁচ মিনিটে দুই গোল হজম করে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। পরে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে ইউরি টিলেমানসের পেনাল্টি গোলে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় আফ্রিকার দলটি।

এরপর জাতীয় দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন শেষে কোচ পাপে থিয়াও ও তার পুরো কোচিং স্টাফকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে এফএসএফ।

এক বিবৃতিতে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন জানায়, ‘গত ১১ জুলাই অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় জাতীয় দলের প্রধান কোচ পাপে থিয়াও এবং তার পুরো টেকনিক্যাল স্টাফকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

ফেডারেশন আরও জানায়, ‘বিশ্বকাপের শেষ ৩২ থেকে বিদায়ের পর জাতীয় দলের ফলাফল ও সামগ্রিক পরিস্থিতির বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে সেনেগাল ফুটবলের বৃহত্তর স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ সুত্র: ইএসপিএন

পাপ্পু/রিফাত/

নরওয়ে ‘ডাকাতির’ শিকার: আলফ-ইঙ্গে হালান্ড

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
নরওয়ে ‘ডাকাতির’ শিকার: আলফ-ইঙ্গে হালান্ড
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছে নরওয়ে। ২-১ গোলের এই হারের পর রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আর্লিং হালান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড। তার দাবি, নরওয়ে মাঠে ‘ডাকাতির’ শিকার হয়েছে। 

মায়ামির এই ম্যাচে মূল বিতর্ক ছড়ায় টরব্যর্ন হেগেমের একটি গোল বাতিল হওয়া নিয়ে। কর্নার থেকে হেগেম গোলটি করেছিলেন। কিন্তু রেফারি দাবি করেন, আর্লিং হালান্ড প্রতিপক্ষের এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ধাক্কা দিয়েছেন। ফলে গোলটি বাতিল হয় এবং নরওয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায়।
ইংল্যান্ডের প্রথম গোলটি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে নরওয়ে। তাদের দাবি, বল স্টেডিয়ামের ওভারহেড ক্যামেরার তারে লেগেছিল। নরওয়ে কোচ স্টালে 

সোলবাকেন বলেন, বল তারে লেগে নিচে নেমে আসে। তবে ফিফার বল সেন্সর প্রযুক্তিতে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সাংবাদিক হেনরি উইন্টারের এক্স পোস্টের জবাবে আলফ-ইঙ্গে লেখেন, ‘রেফারির কারণে বেঁচে গেলেন। আশা করি তোমরাই এবার বিশ্বকাপ জিতবে। তবে আজ আমাদের মনে হচ্ছে আমরা স্রেফ ডাকাতির শিকার হয়েছি।’ জুড বেলিংহামের ম্যাচজয়ী গোলের পর তিনি ব্যঙ্গ করে লেখেন, ‘সাবাস বেলিংহাম এবং রেফারি!’

বাবার মতো রেফারিদের দোষ দেননি ছেলে আর্লিং হালান্ড। ম্যাচ শেষে নরওয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘সাধারণত সেরা দলগুলোই এমন সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে পায়। ইংল্যান্ড অন্যতম সেরা দল। আমি যখন ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলি, তখনও অনেক সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষেই আসে।’

পাপ্পু/রিফাত/

বীরের মর্যাদায় দলকে বিদায় জানালেন সুইসরা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
বীরের মর্যাদায় দলকে বিদায় জানালেন সুইসরা
ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে হেরে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও নিজেদের ফুটবল দলকে সম্মান জানিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের সমর্থকেরা। কোয়ার্টার ফাইনালে পরাজয়ের পরও দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তারা।

১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল সুইজারল্যান্ড। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন জাগালেও শেষ পর্যন্ত এক ধাপ আগেই থেমে যায় তাদের যাত্রা।

দলের গোল মেশিন জোহান মানজাম্বি ইনজুরির কারণে খেলতে না পারায় শুরু থেকেই চাপে ছিল সুইসরা। তার ওপর ৭২ মিনিটে এমবোলোর বিতর্কিত লাল কার্ড ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১০ জনের দল নিয়েও শেষ পর্যন্ত লড়ে যায় সুইজারল্যান্ড।

সুইস সমর্থক লাউরা কে. বলেন, ‘আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১০ জন নিয়ে যেভাবে লড়েছ, তাতেই আমরা গর্বিত। আমাদের হৃদয়ে তোমরাই বিজয়ী।’
সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের প্রশংসা করে বলেন, ‘আজকের হতাশা সত্ত্বেও এই দল পুরো দেশকে গর্বিত করেছে। অসাধারণ একটি বিশ্বকাপ অভিযান উপহার দিয়েছে তারা।’

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৬৭ মিনিটে ড্যান এনডোয়ে সমতা ফেরান। ম্যাচটি যখন অতিরিক্ত সময় পেরিয়ে টাইব্রেকারের দিকে এগোচ্ছিল, তখন শেষ মুহূর্তে জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের জোড়া গোলে ৩-১ গোলে জয় নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এবারের বিশ্বকাপ সুইজারল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা সাফল্য হয়ে থাকবে। ১৯৩৪, ১৯৩৮ ও ১৯৫৪ সালের পর আবারও শেষ আটে উঠে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে দলটি।

পাপ্পু/রিফাত/

বেলিংহাম হতে পারেন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ফুটবলার: লিনেকার

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
বেলিংহাম হতে পারেন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ফুটবলার: লিনেকার
ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি  স্ট্রাইকার গ্যারি লিনেকারের বিশ্বাস, জুড বেলিংহামের সামনে দেশটির সর্বকালের সেরা ফুটবলার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বিশ্বকাপে তার ধারাবাহিক দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।

নরওয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার। ১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের টানা দুটি নকআউট ম্যাচে জোড়া গোল করার কীর্তি গড়েন বেলিংহাম। তার নৈপুণ্যেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

ইংল্যান্ডের জার্সিতে বেলিংহামের করা ১২ গোলের মধ্যে ৯টিই এসেছে বড় টুর্নামেন্টে। চলতি বিশ্বকাপে তার ৬ গোল তাকে গ্যারি লিনেকার (১৯৮৬) ও হ্যারি কেইনের (২০১৮ ও ২০২৬) পাশে বসিয়েছে। ইংল্যান্ডের ইতিহাসে এক আসরে অন্তত পাঁচ গোল করার কীর্তি রয়েছে কেবল এই তিন ফুটবলারের।

নেটফ্লিক্সের দ্য রেস্ট ইজ ফুটবল অনুষ্ঠানে লিনেকার বলেন, ‘আমি মনে করি, ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ফুটবলার হওয়ার বা সেই উচ্চতায় পৌঁছানোর দারুণ সুযোগ রয়েছে বেলিংহামের। এটি অবশ্যই বড় একটি দাবি, কিন্তু তার সামর্থ্য সেই কথাই বলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইংল্যান্ডের হয়ে অনেক কিংবদন্তি খেলেছেন। ববি চার্লটন অবশ্যই সেই তালিকার শীর্ষে থাকবেন। হ্যারি কেইনও সেখানে জায়গা করে নিয়েছেন। তবে এই বয়সে বেলিংহাম যেভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে এবং দলকে জয়ের পথে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তা একজন প্রকৃত সুপারস্টারেরই বৈশিষ্ট্য।’

পাপ্পু/অনিক/