ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে ২১ নতুন বোয়িং, বিনিয়োগ ১৪ হাজার কোটি টাকা সোনারগাঁয়ে বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা ইরানের রাজধানীতে দুর্ঘটনার শিকার জবি শিক্ষকদের বাস, আহত  ৩ নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬ বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত বিশ্বমঞ্চে ইল্লিয়ীন, ডি-৮ হালাল এক্সপোতে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ফ্যাশন ঝিনাইদহে ফি দিতে দেরি, পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হলো শিক্ষার্থীকে ত্রাণ ও সহায়তা নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে যুবদল আনোয়ারায় ত্রাণ বিতরণে নাহিদ, বেড়িবাঁধ নির্মাণে লুটপাটের অভিযোগ জমিরউদ্দিন সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে বন্যা পরিস্থিতি: ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ, নিহত ৫১ নাটোরে সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি দেড় লাখ যে আমল ৩৬০ জোড়ার সদকা টেলিটক বিক্রি নয়, বরং আপগ্রেড করা হচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী ওসমানী বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নারী গ্রেপ্তার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি বৃক্ষরোপণ ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন? পুঁজিবাজারে স্থিতিশীল গতি প্রয়োজন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর বরখাস্ত সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও বন্যাপ্লাবিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন বিয়ের আনন্দ ম্লান, ডোমারে সড়কে ঝরল মা-দুই সন্তানসহ ৪ প্রাণ দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন
ছবি: সংগৃহীত

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১২ জুলাই) নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান রাজধানীর বনানীতে নৌবাহিনী সদর দপ্তরে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান’ উদ্বোধন করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৯ জুলাই দেশব্যাপী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ অভিযানের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বৃক্ষরোপণ অভিযানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান গ্রহণ করেছে। নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধনের সময়ে নৌবাহিনী প্রধান ছাড়াও নৌবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, নৌ অঞ্চলসমূহের আঞ্চলিক কমান্ডার, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং নাবিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আইএসপিআরে জানিয়েছে, 'বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সকল নৌ ঘাঁটি, স্থাপনা এবং উপকূলীয় এলাকাসমূহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছে। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নৌবাহিনী প্রধান সরকার ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ অভিযান বাস্তবায়নে প্রত্যেক নৌসদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানোর আহবান জানান। 

আলমগীর হোসেন/এসএন

ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে ২১ নতুন বোয়িং, বিনিয়োগ ১৪ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
ইউএস-বাংলার বহরে যুক্ত হচ্ছে ২১ নতুন বোয়িং, বিনিয়োগ ১৪ হাজার কোটি টাকা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস তাদের বহর বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য বিনিয়োগ করা হচ্ছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা (১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বহরে যুক্ত হবে আরও ২১টি নতুন বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ। এর মাধ্যমে ইউএস-বাংলার বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হবে। 

২০২৭ সালের মধ্যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে ইউএস-বাংলা। এ জন্য বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠান (লেসর) থেকে ২১টি বোয়িং ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন বিনিয়োগে কেবলমাত্র ইউএস-বাংলার বহর ও আন্তর্জাতিক রুটই সম্প্রসারিত হবে না, পাশাপাশি দেশের বিমান পরিবহন শিল্পের সক্ষমতাও অনেক খানি বাড়বে। 

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনকে পাঠানো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের একটি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের এই উড়োজাহাজগুলো বহরে যুক্ত হওয়ার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তুলবে ইউএস-বাংলা। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ারলাইনসটি।

চিঠিতে বলা হয়, রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ২৯ জুলাই ২১টি নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের এই পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগিহ, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারক্র্যাফট লিজিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ দেশি-বিদেশি এভিয়েশন, ট্রাভেল ও পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে বিনিয়োগ পরিকল্পনা, উড়োজাহাজ সরবরাহের সময়সূচি এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ কৌশলের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। 

বিডা চেয়ারম্যানকে দেওয়া চিঠিতে ইউএস-বাংলা আরও বলেছে, নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন শুধু একটি ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ নয়; বরং এটি দেশের এভিয়েশন খাতে একটি যুগান্তকারী বিনিয়োগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ইউএস-বাংলা শুধু বহরের আকার বৃদ্ধিই নয়, যাত্রীসেবায়ও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। নতুন উড়োজাহাজগুলোয় আন্তর্জাতিক মানের কেবিন ইন্টেরিয়র এবং প্রিমিয়াম সিট থাকবে। প্রতিটি উড়োজাহাজে থাকবে আধুনিক ওয়্যারলেস ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম। এর মাধ্যমে যাত্রীরা নিজেদের স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে কোনো তার ছাড়াই দেশি-বিদেশি সিনেমা, নাটক, টিভি অনুষ্ঠান, সংগীতসহ হলিউড-বলিউডের বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিটি উড়োজাহাজে ইন-ফ্লাইট ওয়াই-ফাই সুবিধাও থাকবে। ফলে যাত্রীরা আকাশে ভ্রমণের সময়ও ইন্টারনেট ব্যবহার, বার্তা আদান-প্রদান এবং ফোন কলে কথা বলতে পারবেন। এ ধরনের সুবিধা বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনেক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসেই থাকলেও বাংলাদেশের কোনো বেসরকারি এয়ারলাইনসের জন্য এটি হবে অন্যতম বড় প্রযুক্তিগত সংযোজন।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করবে লিজিং প্রতিষ্ঠানগুলো। এই উদ্যোগে ইউএস-বাংলার বহরে শুধু নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যাই বাড়বে না, বাড়বে পরিচালন সক্ষমতাও। উড়োজাহাজগুলো যুক্ত হলে আরও বেশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চালু, বিদ্যমান রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং যাত্রী পরিবহনের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি পাইলট, প্রকৌশলী, কেবিন ক্রু, কারিগরি জনবলসহ বিভিন্ন পর্যায়ে শত শত কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এতে দেশের পর্যটন, বাণিজ্য এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে ইউএস-বাংলা। 

বর্তমানে ইউএস-বাংলা দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি এয়ারলাইনস। তাদের বহরে রয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ। এর মধ্যে নয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, তিনটি এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০, ১০টি এটিআর ৭২-৬০০ এবং তিনটি অন্যান্য উড়োজাহাজ। নতুন ২১টি বোয়িং যুক্ত হলে উড়োজাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৪৬টি হবে। 

দেশের সব অভ্যন্তরীণ গন্তব্যের পাশাপাশি ইউএস-বাংলা বর্তমানে ভারতের কলকাতা ও চেন্নাই, মালদ্বীপের মালে, ওমানের মাসকাট, কাতারের দোহা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, শারজাহ ও আবুধাবি, সৌদি আরবের জেদ্দা ও রিয়াদ, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, চীনের গুয়াংজুসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আরও কয়েকটি গন্তব্যে সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে এয়ারলাইনসটির।

এসএন/

নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন
ছবি: সংগৃহীত

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

রবিবার (১২ জুলাই) নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান রাজধানীর বনানীতে নৌবাহিনী সদর দপ্তরে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান’ উদ্বোধন করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৯ জুলাই দেশব্যাপী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ অভিযানের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বৃক্ষরোপণ অভিযানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান গ্রহণ করেছে। নৌবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধনের সময়ে নৌবাহিনী প্রধান ছাড়াও নৌবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, নৌ অঞ্চলসমূহের আঞ্চলিক কমান্ডার, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং নাবিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আইএসপিআরে জানিয়েছে, 'বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬' সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সকল নৌ ঘাঁটি, স্থাপনা এবং উপকূলীয় এলাকাসমূহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছে। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নৌবাহিনী প্রধান সরকার ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ অভিযান বাস্তবায়নে প্রত্যেক নৌসদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানোর আহবান জানান। 

আলমগীর হোসেন/এসএন

ত্রাণ ও সহায়তা নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে যুবদল

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
ত্রাণ ও সহায়তা নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে যুবদল
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বন্যাদুর্গত মানুষের চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মেডিকেল টিম।

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম বিভাগের বাঁশখালী, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং সিলেট বিভাগের সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন জেলার দুর্গত মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে গঠিত মেডিকেল টিম মাঠপর্যায়ে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ওষুধ বিতরণ এবং ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. লোহানী তাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান, সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন, ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল এবং ডা. সানিয়া নাসরিন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির দিকনির্দেশনায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এসএন/

জমিরউদ্দিন সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
জমিরউদ্দিন সরকারকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের নামাজে জানাজা জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে ৫টায় অনুষ্ঠিত জানাজা শেষে তার মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জানাজায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।

এর আগে জোহরের পর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানাজায় অংশ নেন আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় মানুষ। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাবেক এ স্পিকারের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।  জাতীয় সংসদের নির্ধারিত জায়গাতেই তাকে দাফন করা হবে।

রবিবার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। প্রবীণ এই রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বার্ধক্যজনিত ও বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে বেশকিছু দিন ধরে তিনি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার (১১ জুলাই) রাতেই জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন।

জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেন এবং ১৯৬০ সালে আইন পেশায় যোগ দেন। তিনি বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

এসএন/

দেশে বন্যা পরিস্থিতি: ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ, নিহত ৫১

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
দেশে বন্যা পরিস্থিতি: ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ, নিহত ৫১
খাগড়াছড়ি থেকে তোলা। ছবি: খবরের কাগজ।

দেশে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে দেশের ৭টি জেলায় ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা আক্রান্ত জেলাগুলো হলো- খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। বন্যায় মোট ৫৮টি উপজেলার ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে।

বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার। দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৫১ জন নিহত এবং ৩৯ জন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহায়তায় ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই থেকে ১২ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মানবিক সহায়তা হিসেবে বড় অঙ্কের নগদ অর্থ ও চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ত্রাণ কার্য হিসেবেই মোট ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৬৪টি জেলার জন্য পৃথকভাবে ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, এতে সর্বমোট চাল বরাদ্দ করা হয়েছে ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন।  দুর্যোগ সহায়তায় নগদ অর্থের পরিমাণ ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

সাতটি উপদ্রুত জেলায় গত কয়েকদিনের ত্রাণ সহায়তার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৬৫ লাখ টাকা ও ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, কক্সবাজার জেলায় ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, বান্দরবান জেলায় ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলায় ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন চাল, রাঙ্গামাটিতে ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছে মন্ত্রণালয়। মৌলভীবাজারে ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং হবিগঞ্জ জেলায় ৫ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) তাদের কেন্দ্রীয় জরুরি কার্যক্রম কেন্দ্রের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বিভিন্ন জেলা ইউনিটে নগদ অর্থ ও উদ্ধার সরঞ্জামও পাঠাচ্ছে তারা। বিডিআরসিএস ১২টি জেলা ইউনিটে রবার বোট, লাইফ ভেস্ট, রেইনকোট, ছাতা, জেনারেটরসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। তারা বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে খাবার ও মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। 

দুর্যোগের তীব্রতা মোকাবিলায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, সেভ দ্য চিলড্রেন ও কারিতাস বাংলাদেশের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও তাদের আগাম সতর্কতামূলক ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/