ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
নীলফামারীর ডোমারে ট্রাকচাপায় নিহত ৪ দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র টেকনাফ সীমান্তে বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ প্রাথমিকে বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে নোবিপ্রবির সৈকতের অনন্য প্রত্যাবর্তন ঈশ্বরদীতে বৃত্তির হাসি ২০৬ শিক্ষার্থীর মুখে রাজশাহী কলেজ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সামাজিক স্কুল ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংস্কার নিশ্চিত করা জরুরি মিয়ানমার সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে পাচারচক্র, আটক দুই যুবক নরওয়ে ‘ডাকাতির’ শিকার: আলফ-ইঙ্গে হালান্ড যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, হামলায় আহত ১০ সিআইপিএস এশিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের চার পুরস্কার বাংলালিংকের ত্রাণ বিতরণের পর হারুয়ালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ১০ লাখ নগরবাসীর সেবায় কাজ করছে রসিক: প্রশাসক বীরের মর্যাদায় দলকে বিদায় জানালেন সুইসরা বাকৃবি অধ্যাপক আব্দুল বাতেনের রাজকীয় বিদায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু ‘আমি সকালে টাইগার খেয়ে আর্জেন্টিনার খেলা দেখেছি, এরপর কী হয়েছে জানি না’ পাঠ্যপুস্তকের বাইরের এক জীবন্ত ক্যাম্পাসের গল্প এক দিনে হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বাঁশখালীতে ইসলামী আন্দোলন মহাসচিবের ত্রাণ বিতরণ বেলিংহাম হতে পারেন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ফুটবলার: লিনেকার প্রতারণা মামলায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, সাঙ্গু-মাতামুহুরীর পানি বিপৎসীমার ওপরে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার ভবন ভাঙার সময় ককটেল বিস্ফোরণ, ২ শ্রমিক আহত ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে সাংবাদিক-শিক্ষক দম্পতির মেয়ে দেশজুড়ে আকিজ পাইপস নিয়ে এলো ‘ফুঁ-বল চ্যাম্পিয়নশিপ’ চুয়েটে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক উৎসবে সেরার মুকুট প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের চিলমারীতে পানিতে ডুবে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু

ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ পিএম
ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আমিনবাজার ও দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি প্রকল্প নিয়ে বৈঠক করেছেন।

রবিবার (১২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এ কথা জানান।

তিনি আরও জানান, বৈঠকে বলা হয় চীনের  সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি প্রতিদিন ঢাকা শহরের প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এছাড়া ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে প্রকল্পটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২৫ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বি এন্ড এফ কোম্পানি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে বর্জ্য থেকে প্রায় ১৫ হাজার টন মিথেন গ্যাস উৎপাদিত হবে, যা থেকে বছরে প্রায় ৮১ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এটি দৈনিক প্রায় ২২১ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমতুল্য।

তিনি বলেন, এছাড়া এ প্রকল্প থেকে সৌরবিদ্যুৎ, সার, পশুখাদ্য এবং পরিবেশবান্ধব ইকো-ব্রিকস উৎপাদন করা হবে। এ প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।

এটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

প্রকল্প দুটি দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন।

শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এএফ/

দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম
দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্গত মানুষের জন্য দ্রুত ত্রাণ, চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করে উদ্ভূত পরিস্থিতি কার্যকরভাবে মোকাবিলার নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জনসহ মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সভায় বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি, আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা, উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ এবং চিকিৎসাসেবার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি, শিশু খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ, পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ সুবিধা সচল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশেষভাবে নারী, শিশু, প্রবীণ ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী এবং গর্ভবতী নারীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব।

সুজন মাহমুদ জানান, সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু চক্র যেন চুরি, ডাকাতি, মজুতদারি, ত্রাণ আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, নদ-নদীর পানির স্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এসময় চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হওয়া কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সেখানকার জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে, সিলেট অঞ্চলে মনু নদের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং রংপুর বিভাগে নতুন করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব তথ্য জানার পর প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ, প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা এবং জনগণের পাশে থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন উপ-প্রেস সচিব সুজন মাহমুদ।

বাসস/এসএন

প্রাথমিকে বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
প্রাথমিকে বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে
প্রতীকী ছবি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ করা হয়েছে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ- উভয় ক্যাটাগরির বৃত্তির টাকার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। তবে নতুন এই হার কার্যকর হবে ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শাহীনা ফেরদৌসী।

বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ৩০০ টাকা করে পেয়ে থাকে। 

অন্যদিকে সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা ও মাসিক ২২৫ টাকা পেয়ে থাকে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষা থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ৪৫০ টাকা এবং মাসিক ৬০০ টাকা করে পাবে। আর সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ৪৫০ টাকা ও মাসিক ৪৫০ টাকা করে পাবে।

বৃত্তির সুবিধা তিন বছর, অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কার্যকর থাকে।

অমিয়/

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতার কারণে পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া পর্যটক এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম স্টেশনে দুপুর ১২টায় পৌঁছে। সেখান থেকে ২০ মিনিট যাত্রাবিরতি শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বলেন, ‘রবিবার দুপুর ১২টায় পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার বেলা ১১টার দিকে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ষোলশহর স্টেশন পরিদর্শন করেন।’ 

এর আগে ৭ জুলাই টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে রেললাইন পানিতে তলিয়ে যায়। এতে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশন ও জানালি হাটের মাঝামাঝি এলাকায় আটকা পড়ে। পরে রাতে যাত্রা বাতিল করা হয় ট্রেনের। প্রায় ৮০০ যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে আসা ট্রেনটি যেতে পারেনি গন্তব্যে। পরে যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

রিফাত/

এক দিনে হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
এক দিনে হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৫৮টি শিশু মারা গেছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৯। এই সময়ে ৮৪৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৪৩টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৪৮০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৫০০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৪ হাজার ৩৪০ রোগী, যাদের মধ্যে ৯০ হাজার ৬০৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

রিফাত/

শিক্ষার্থীদের ‘আকর্ষণীয়’ পাঠ্যবই দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম
শিক্ষার্থীদের ‘আকর্ষণীয়’ পাঠ্যবই দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: খবরের কাগজ

অতীতের সব ভুলভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে এসে আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত, মানসম্মত, প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় পাঠ্যপুস্তক উপহার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ‘চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালা’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে পাঠ্যপুস্তকের পান্ডুলিপিতে অসংখ্য বানান ভুল ও যাচ্ছেতাই বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। আমরা এবার শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গ্রুপভিত্তিক নিবিড় কাজ করছি।’ 

তিনি বলেন, ‘অতীতের সেই আবর্জনা পরিষ্কার করে, এবার শতভাগ নির্ভুল বই তৈরি করা হচ্ছে। মানসম্মত প্রিন্টিং ও কাগজের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।’

ড. মিলন বলেন, বইয়ের প্রচ্ছদ ও ভেতরের ছবিগুলো এমন প্রাণবন্ত হতে হবে, যাতে তা কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে আকর্ষণ করে; ছবি যেন নিজেই কথা বলে।

তিনি জানান, নতুন এই চারটি বইয়ের পান্ডুলিপি চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর গঠিত বিশেষজ্ঞ দলকে আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ক্রীড়া বিষয়ক অধ্যায়ের কনক্লুসিভ স্টেটমেন্ট এবং সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সাব-কমিটিও আগামী ৫ দিনের মধ্যে তাদের মতামত জমা দেবেন। এরপরই এই পান্ডুলিপি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে।

ভবিষ্যৎ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৭ সালের কাজ শেষ করেই আমরা বসে থাকব না। ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের পরিমার্জিত কারিকুলাম করার জন্য আগামী ১ আগস্ট থেকেই আমরা নতুন বইয়ের কাজে হাত দিব, যাতে হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে এবং কোনো তাড়াহুড়ো না হয়।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতের উন্নয়নকে নিজে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করেন। তার ভিশন বাস্তবায়নে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি চমৎকার ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আজহার/