প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে প্রাথমিকে বৃত্তি পেয়েছেন ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী।
রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিন বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালে আবারও বৃত্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল শেষ হয়।
এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮,৮১০টি বিদ্যালয়ের মোট ৬,৪৫,০৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৪,১৯,৯৮২ জন। পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯,২৪৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর বিবেচনায় পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ।
বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি–৪৩,৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪.৭১%) এবং ৩৫,৮৯২ জন ছাত্র (৪৫.২৯%) বৃত্তি পেয়েছে।
মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩২,৯৬৫ জন পেয়েছে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬,২৮১ জন পেয়েছে সাধারণ বৃত্তি। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭,৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯,৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।
সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪,৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা, সবচেয়ে কম ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলায় এবং সবচেয়ে বেশি ৮,৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়।
পরীক্ষার নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়া হবে। এরমধ্যে ট্যালেন্টপুলে বা মেধাবৃত্তি দেয়া হবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীকে। আর সাধারণ বৃত্তি পাবে সাড়ে ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী। যেখানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ২২৫ টাকা ও মাসিক ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ২২৫ টাকা ও মাসিক ২২৫ টাকা পাবেন।
এএফ/