ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
নাটোরে সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি দেড় লাখ যে আমল ৩৬০ জোড়ার সদকা টেলিটক বিক্রি নয়, বরং আপগ্রেড করা হচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী ওসমানী বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নারী গ্রেপ্তার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি বৃক্ষরোপণ ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন? পুঁজিবাজারে স্থিতিশীল গতি প্রয়োজন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর বরখাস্ত সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও বন্যাপ্লাবিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন বিয়ের আনন্দ ম্লান, ডোমারে সড়কে ঝরল মা-দুই সন্তানসহ ৪ প্রাণ দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র টেকনাফ সীমান্তে বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ প্রাথমিকে বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে নোবিপ্রবির সৈকতের অনন্য প্রত্যাবর্তন ঈশ্বরদীতে বৃত্তির হাসি ২০৬ শিক্ষার্থীর মুখে রাজশাহী কলেজ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সামাজিক স্কুল ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংস্কার নিশ্চিত করা জরুরি মিয়ানমার সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে পাচারচক্র, আটক দুই যুবক নরওয়ে ‘ডাকাতির’ শিকার: আলফ-ইঙ্গে হালান্ড যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, হামলায় আহত ১০ সিআইপিএস এশিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের চার পুরস্কার বাংলালিংকের ত্রাণ বিতরণের পর হারুয়ালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ১০ লাখ নগরবাসীর সেবায় কাজ করছে রসিক: প্রশাসক বীরের মর্যাদায় দলকে বিদায় জানালেন সুইসরা বাকৃবি অধ্যাপক আব্দুল বাতেনের রাজকীয় বিদায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

রাজস্ব ফাঁকি রোধ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের কর ফাঁকি ঠেকাতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।’

রবিবার (১২ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিভিন্ন লিখিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে করপোরেট করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানে এপিআই সংযোগ এবং ঝুঁকিভিত্তিক নিরীক্ষা জোরদার করা হচ্ছে। ইচ্ছাকৃত কর ফাঁকিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, ‘নীতি সুদহার উচ্চ পর্যায়ে বহাল রাখার পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।’

ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে অতীতের অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মিলছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘পুরো আর্থিক খাতে একটি চলমান ‘ক্লিনিং প্রসেস’ পরিচালিত হচ্ছে এবং এ প্রক্রিয়ায় কোনো আপস করা হবে না।’

এদিকে তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ সুবিধা আরও সহজ করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এ ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ। এছাড়া স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণের সুবিধাও অব্যাহত থাকবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোই সরকারের লক্ষ্য।’

এলিস/রিফাত/

রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

রাজস্ব ফাঁকি রোধ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের কর ফাঁকি ঠেকাতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।’

রবিবার (১২ জুলাই) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিভিন্ন লিখিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে করপোরেট করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানে এপিআই সংযোগ এবং ঝুঁকিভিত্তিক নিরীক্ষা জোরদার করা হচ্ছে। ইচ্ছাকৃত কর ফাঁকিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানান, ‘নীতি সুদহার উচ্চ পর্যায়ে বহাল রাখার পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।’

ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকে অতীতের অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মিলছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘পুরো আর্থিক খাতে একটি চলমান ‘ক্লিনিং প্রসেস’ পরিচালিত হচ্ছে এবং এ প্রক্রিয়ায় কোনো আপস করা হবে না।’

এদিকে তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ সুবিধা আরও সহজ করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এ ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ। এছাড়া স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণের সুবিধাও অব্যাহত থাকবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোই সরকারের লক্ষ্য।’

এলিস/রিফাত/

বন্যাপ্লাবিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
বন্যাপ্লাবিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন
ছবি: সংগৃহীত

কয়েকদিনের টানা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে উদ্ধার তৎপরতা ছাড়াও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ ও চিকিৎসা সহায়তায় ১১ জেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। 

রবিবার (১২ জুলাই) বিজিবির সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 
বিজিবি জানিয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই ১১ জেলায় মোট ৯০টি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিজিবি। সেই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এতে বলা হয়, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও ভূমিধসে সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান ও ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় বান্দরবান, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বান্দরবানের বন্যাপ্লাবিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতোমধ্যে ১১৬ জন পর্যটকসহ ১২২টি পরিবারের ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও ৪৮ জনকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছে বিজিবি। পাশাপাশি বান্দরবান-রোয়াংছড়ি সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে উপরে পড়া গাছ ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে তারা। এছাড়াও নাইক্ষ্যংছড়িতে ভূমিক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া স্টিলের সেতু রক্ষায় জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করছে বিজিবি।

রিফাত/

দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম
দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্গত মানুষের জন্য দ্রুত ত্রাণ, চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করে উদ্ভূত পরিস্থিতি কার্যকরভাবে মোকাবিলার নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জনসহ মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সভায় বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি, আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা, উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ এবং চিকিৎসাসেবার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি, শিশু খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ, পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ সুবিধা সচল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশেষভাবে নারী, শিশু, প্রবীণ ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী এবং গর্ভবতী নারীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব।

সুজন মাহমুদ জানান, সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু চক্র যেন চুরি, ডাকাতি, মজুতদারি, ত্রাণ আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, নদ-নদীর পানির স্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এসময় চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হওয়া কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সেখানকার জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে, সিলেট অঞ্চলে মনু নদের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং রংপুর বিভাগে নতুন করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব তথ্য জানার পর প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ, প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা এবং জনগণের পাশে থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন উপ-প্রেস সচিব সুজন মাহমুদ।

বাসস/এসএন

প্রাথমিকে বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
প্রাথমিকে বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে
প্রতীকী ছবি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ করা হয়েছে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ- উভয় ক্যাটাগরির বৃত্তির টাকার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। তবে নতুন এই হার কার্যকর হবে ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শাহীনা ফেরদৌসী।

বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ৩০০ টাকা করে পেয়ে থাকে। 

অন্যদিকে সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা ও মাসিক ২২৫ টাকা পেয়ে থাকে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষা থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ৪৫০ টাকা এবং মাসিক ৬০০ টাকা করে পাবে। আর সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ৪৫০ টাকা ও মাসিক ৪৫০ টাকা করে পাবে।

বৃত্তির সুবিধা তিন বছর, অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কার্যকর থাকে।

অমিয়/

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতার কারণে পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া পর্যটক এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম স্টেশনে দুপুর ১২টায় পৌঁছে। সেখান থেকে ২০ মিনিট যাত্রাবিরতি শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বলেন, ‘রবিবার দুপুর ১২টায় পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার বেলা ১১টার দিকে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ষোলশহর স্টেশন পরিদর্শন করেন।’ 

এর আগে ৭ জুলাই টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে রেললাইন পানিতে তলিয়ে যায়। এতে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশন ও জানালি হাটের মাঝামাঝি এলাকায় আটকা পড়ে। পরে রাতে যাত্রা বাতিল করা হয় ট্রেনের। প্রায় ৮০০ যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে আসা ট্রেনটি যেতে পারেনি গন্তব্যে। পরে যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

রিফাত/