ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
যে আমল ৩৬০ জোড়ার সদকা টেলিটক বিক্রি নয়, বরং আপগ্রেড করা হচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী রাজস্ব ফাঁকি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ছাড় নয়: অর্থমন্ত্রী ওসমানী বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নারী গ্রেপ্তার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি বৃক্ষরোপণ ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন? পুঁজিবাজারে স্থিতিশীল গতি প্রয়োজন বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর বরখাস্ত সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও বন্যাপ্লাবিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন বিয়ের আনন্দ ম্লান, ডোমারে সড়কে ঝরল মা-দুই সন্তানসহ ৪ প্রাণ দুর্গতদের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র টেকনাফ সীমান্তে বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ প্রাথমিকে বৃত্তির টাকা দ্বিগুণ, কার্যকর ২০২৬ থেকে নোবিপ্রবির সৈকতের অনন্য প্রত্যাবর্তন ঈশ্বরদীতে বৃত্তির হাসি ২০৬ শিক্ষার্থীর মুখে রাজশাহী কলেজ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সামাজিক স্কুল ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংস্কার নিশ্চিত করা জরুরি মিয়ানমার সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে পাচারচক্র, আটক দুই যুবক নরওয়ে ‘ডাকাতির’ শিকার: আলফ-ইঙ্গে হালান্ড যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, হামলায় আহত ১০ সিআইপিএস এশিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের চার পুরস্কার বাংলালিংকের ত্রাণ বিতরণের পর হারুয়ালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ১০ লাখ নগরবাসীর সেবায় কাজ করছে রসিক: প্রশাসক বীরের মর্যাদায় দলকে বিদায় জানালেন সুইসরা বাকৃবি অধ্যাপক আব্দুল বাতেনের রাজকীয় বিদায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু ‘আমি সকালে টাইগার খেয়ে আর্জেন্টিনার খেলা দেখেছি, এরপর কী হয়েছে জানি না’ পাঠ্যপুস্তকের বাইরের এক জীবন্ত ক্যাম্পাসের গল্প

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশ নেই

প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বন্যার কারণে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু দেশের একটি অঞ্চল যে বন্যায় ভেসে যাচ্ছে তা দেশের মানুষের আলোচনায় নেই। বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য যে নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত, এই চিন্তা আমাদের মাথায় এখন নেই। এখন আমরা ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে আছি! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় দেশের মানুষ ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মাতামাতি করছে কিন্তু দেশের একটা অঞ্চল যে বন্যায় তলিয়ে যাচ্ছে এ নিয়ে কোনো মানবিক প্রতিক্রিয়া নেই। অন্তত জুমার নামাজের পর তাদের জন্য তো আমরা দোয়াটুকু করতে পারতাম। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মসজিদ থেকে বের হয়েই মসজিদের বারান্দায় মানুষ একে অপরের সঙ্গে ফুটবল বিশ্বকাপের আলোচনা করছে। দুয়েকজন নয়, জোড়ায় জোড়ায় আলোচনা করছে। তাও আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সচেতন মানুষ এমন করছে। তাদের আলোচনার গভীরতা দেখে মনে হলো বাংলাদেশ ফুটবল বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে। অথচ এখন আমাদের আলোচনায় থাকার কথা বন্যাদুর্গত মানুষদের কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি। আমরা কেমন জানি একটা জাতি, নিজেদের নিয়ে আমাদের কোনো হুঁশ-জ্ঞান নেই। এভাবে আমরা আর কতকাল চলব? 

মুজতবা 
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন?

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
মফস্বলে পারে, রাজধানীতে পারে না কেন?

নোয়াখালীতে সড়কে বালু রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার খবর আমরা প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে দেখি। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন তাৎক্ষণিক তৎপরতা নিশ্চয়ই প্রশংসনীয়। কিন্তু একই আইনের প্রয়োগ যখন দেশের রাজধানী ঢাকার রূপনগর আবাসিক এলাকায় দেখা যায় না, তখন নাগরিক মনে গভীর ক্ষোভ ও প্রশ্ন জাগে। রূপনগর আবাসিক এলাকার প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ভেতরের গলিগুলোর চিত্র অত্যন্ত নাজুক। বছরের পর বছর ধরে এখানে নতুন ভবন নির্মাণের নামে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে প্রকাশ্যে বালু, রড, ইট ও সিমেন্টসহ নানা নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা হচ্ছে। অথচ আজ পর্যন্ত এই এলাকায় এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ভ্রাম্যমাণ আদালতের দৃশ্যমান অভিযান বা জরিমানা করতে দেখা যায়নি। শুধু নির্মাণসামগ্রীই নয়, রাস্তার সিংহভাগ দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে কাঁচাবাজার ও নানা ধরনের দোকানপাট।

ফুটপাত ও মূল সড়ক এভাবে বেদখল হয়ে থাকায় সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট ও মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খোলা অবস্থায় রাস্তায় বালু ও রড রাখার কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, যা পথচারীদের জীবনের জন্য প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি করছে। মফস্বল বা জেলা শহরগুলোতে যদি প্রশাসন জনস্বার্থে এত সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে, তবে রাজধানীর বুকে এমন প্রকাশ্য জনদুর্ভোগের পরও কেন কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে? স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জনদুর্ভোগ লাঘবে রূপনগর এলাকাতেও অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে রাস্তা ও ফুটপাত সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করা হোক।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

ঋণ গ্রহীতার ট্যাক্স ফাইল প্রস্তুতে সতর্ক হোন

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
ঋণ গ্রহীতার ট্যাক্স ফাইল প্রস্তুতে সতর্ক হোন

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট সীমার বেশি ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, এমনকি ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার ক্ষেত্রেও বর্তমানে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না যে, রিটার্ন প্রস্তুত এবং জমা দেওয়ার সম্পূর্ণ আইনি দায়িত্ব কিন্তু ঋণ গ্রহীতার নিজের অথবা তার দ্বারা মনোনীত ও অনুমোদিত ট্যাক্স আইনজীবীর। অনেক সময় দেখা যায়, লক্ষ্যমাত্রা বা টার্গেট পূরণের জন্য মূল ব্যাংক বা এজেন্ট ব্যাংকে কর্মরত ব্যক্তিরাও ঋণগ্রহীতার সম্মতিতে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সাবমিট করে দেন। এটি নিয়মসিদ্ধ বা দোষের কি না–তা এখানে আলোচ্য বিষয় নয়। সঠিক নিয়মে ঋণের হিসাব ফাইলে না দেখালে তা পরবর্তীতে ‘অপ্রদর্শিত আয়’ বা ‘কালো টাকায়’ রূপ নিতে পারে কি না, সেটাই ভাববার বিষয়। এমনকি ট্যাক্স ফাইলের ভুল ব্যাখ্যার কারণে বড় অঙ্কের জরিমানা পর্যন্ত আরোপ হবার আশঙ্কা থাকে। তাই ঋণ গ্রহীতার ফাইল প্রস্তুতকালে দক্ষতার সঙ্গে আইনি কলাকৌশল অবলম্বন ও ক্যালকুলেশন করা খুব বেশি প্রয়োজন। বিশেষত ফাইল প্রস্তুতের সময় খেয়াল রাখতে হয় ঋণের ক্যাটাগরি, ঋণের ব্যবহার, ঋণের প্রভাব, ঋণের প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি বিষয়াদি। এ ছাড়া আয়-ব্যয়, সম্পদ-দায়, বিনিয়োগ-প্রাপ্তি, ক্ষতি-খরচ, উৎসে কর, প্রদেয় কর এবং কর রেয়াতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলো সুনিপুণভাবে পরিগণনার কাজেও এক্সপার্ট হতে হয়। অনলাইন মানেই সবকিছু সোজা–বিষয়টা মোটেও এমন নয়। একটি ভুল বা অসতর্ক রিটার্ন সাবমিশন আপনাকে ভবিষ্যতের বড় আইনি ও আর্থিক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই ঋণ নেওয়ার আনন্দে মেতে ওঠার পাশাপাশি আপনার ট্যাক্স ফাইলে সব হিসাব ঠিকঠাকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে তো? সময় থাকতেই সচেতন হোন।

পলাশ কুণ্ডু
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তালিকাভুক্ত আয়কর আইনজীবী ও 
সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন
[email protected]

শিখা অনির্বাণ চালুর উদ্যোগ নিন

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
শিখা অনির্বাণ চালুর উদ্যোগ নিন

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি। এই স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী লাখো শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকে ধারণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্মৃতিসৌধ ও স্মারক নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত শিখা অনির্বাণ তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্মারক, যা মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি জাতির চিরন্তন শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি শিখা অনির্বাণের শিখা নিভিয়ে রাখার বিষয়টি জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে এ নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য, বিশ্লেষণ ও দাবি প্রচারিত হচ্ছে। তবে এসব দাবির সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করাই সমীচীন। শিখা অনির্বাণ কোনো ধর্মীয় উপাসনা বা আচার-অনুষ্ঠানের প্রতীক নয়; বরং এটি একটি জাতীয় স্মারক, যা মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করিয়ে দেয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেও জাতীয় স্মৃতিরক্ষার উদ্দেশ্যে অনুরূপ অনির্বাণ শিখা বা স্মারক সংরক্ষণ করা হয়। এসব স্মারকের মূল উদ্দেশ্য ইতিহাস সংরক্ষণ, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দেওয়া এবং জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমকে শক্তিশালী করা। তাই সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে শিখা অনির্বাণ পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক। পাশাপাশি, এটি বন্ধ রাখার কারণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা জনসমক্ষে তুলে ধরা হলে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শহিদদের আত্মত্যাগ এবং জাতীয় স্মৃতিচিহ্নের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

খান ইয়ামিন
আহ্বায়ক আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার
২ নং হাবেলী গোপালপুর সদর ফরিদপুর
[email protected]

প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
প্রাইমারি স্কুলের অনিয়মে নজর দিন

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাইমারি স্কুল একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম বিদ্যানগর। এটি ছোট্ট সোনামণিদের প্রাথমিক জ্ঞানের কেন্দ্র। তারা শিখবে নৈতিকতা, সুন্দর আচরণ ও আদর্শ। সম্প্রতি ভিডিও ফুটেজে লক্ষ করা যায় একজন শিক্ষিকা স্টুডেন্ট কর্তৃক পা ম্যাচেজ করাচ্ছেন এবং অন্য একজন ফোন ব্যবহার করছেন ইত্যাদি।

এটি শিশুদের জন্য যেমন ক্ষতিকর ও অনৈতিক শিক্ষাদানের লক্ষণ। তেমনি শিক্ষকদের জন্যও বড় লজ্জার এবং সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিক আচরণ। এমন আচরণ ছোট্ট শিক্ষার্থীদের আচরণে বিরূপ প্রভাব পড়বে। শিক্ষকদের পরিস্থিতি এরূপ হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে অনাগ্রহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অতএব, শিক্ষাব্যবস্থা সুন্দর পরিচালনায় দ্রুত অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফুটবল আবেগ এক নতুন সম্ভাবনা

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ফুটবল আবেগ এক নতুন সম্ভাবনা

ফুটবল বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে, বাড়ির ছাদে, গাড়িতে বাংলাদেশি বিভিন্ন দেশের ফুটবল সমর্থকরা নিজ নিজ সমর্থিত দলের পতাকা লাগিয়ে দেন। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকরা নিজেদের বাড়ি-গাড়ি পতাকা ও জার্সির রঙে রাঙিয়ে তোলেন। তারা প্রায় প্রতিটি পাড়ামহল্লা ও বাজারে শত শত ফুট লম্বা বিশাল পতাকা উত্তোলন করেন। এই উন্মাদনা বিশ্বে বিরল।

কিন্তু দুঃখের বিষয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ এই বাংলাদেশি ভালোবাসার কথা তেমন জানেন না। তাদের জাতীয় দলের জন্য বাংলাদেশে কী পরিমাণ আবেগ ও উৎসাহ। আমরা নিজেদের এই উৎসবের ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করি বাংলা কিংবা ইংরেজিতে। আর্জেন্টিনার মানুষ স্প্যানিশ আর ব্রাজিলের মানুষ পর্তুগিজ ভাষায় কথা বলেন। তারা বাংলা কিংবা ইংরেজি না জানায় আমাদের এই বিশাল সমর্থন তাদের কাছে পুরোপুরি পৌঁছায় না।

কে করবে এই উদ্যোগ? সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আলাদাভাবে কাজ করতে পারে। করপোরেট কোম্পানিগুলো স্পন্সরশিপ দিয়ে কাউকে আনলে তাদেরও ব্র্যান্ডিং হবে বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চে। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেম  আবেগের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সফট পাওয়ার। এই শক্তিকে যদি আমরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি তাহলে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। শুধু আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল নয়,  সারা বিশ্বে বাংলাদেশি ফ্যানদের কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার সময় এসেছে। এখনই শুরু করতে হবে। 

আরাবী নূর লিমা
কবি ও প্রাবন্ধিক
[email protected]