ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আইএআইএলসি প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ সম্মাননা পাবেন বিজয়ী ৫৭ জন ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠান হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে বাড়ছে উদ্বেগ, আরও ৩ জনের মৃত্যু মানি লন্ডারিং মামলায় আ’লীগ নেতা এনু-রুপনের কারাদণ্ড মনোযোগ ও একাগ্রতা ধরে রাখার সুন্নাতি ফর্মুলা কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৪ দিনে ১৯ জনের মৃত্যু জুলাই একদিনে সংঘটিত হয়নি, আবার আওয়ামী লীগের পতনও একদিনে হয়নি : ডা. জাহেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের ভয়াবহতা জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল ওভারব্রিজ দ্রুত সংস্কার করা হোক ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপের আধিপত্য চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করতে চায় সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ৪ ভারতীয় নাগরিক ফিরলেন ভারতে ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু খুলনায় ভালো কাজের পুরস্কার পেলেন ট্রাফিকের ৩১ সদস্য বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ১ম পত্র উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, মক্তবে ৮ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেতৃত্বে যারা মাদারীপুরে ‘পদ্মা পাড়ে জীবন যুদ্ধ’ মাঠ মহড়া বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১৩ জেলে অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা সিডিএর মূল দায়িত্ব নয়: সিডিএ চেয়ারম্যান ছায়া বৃক্ষের নীরব বিদায় কাঁচপুর বাস টার্মিনালে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প নীতিগত অনুমোদন নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রচারণা, পঞ্চগড়ে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা পেনাল্টি মিসের কষ্ট নিয়ে মুখ খুললেন ব্রুনো গুইমারায়েস টুয়েলভ ক্লদিংয়ে বিশেষ অফার ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার হবে কবে এইউএসটি ও জার্মানির UNU-FLORES-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

বর্তমান আয়কর আইনে ‘জিরো রিটার্ন’ বা ‘শূন্য রিটার্ন’ বলতে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান বা শব্দ নেই। অথচ আমাদের দেশের করদাতাদের মধ্যে ‘জিরো রিটার্ন’ শব্দটির প্রচলন এবং জনপ্রিয়তা ব্যাপক। আইনে বিধান না থাকলেও বাস্তবে অগণিত ট্যাক্স ফাইলে এর অবাধ প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ প্রতিনিয়ত লক্ষ করা যাচ্ছে।

এই তথাকথিত জিরো রিটার্নের ফাইলগুলোর ভেতরে তাকালে এক অদ্ভুত চিত্র দেখা যায়। অধিকাংশ ফাইলেই আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনো সামঞ্জস্য বা যৌক্তিক মিল নেই; আয় ও ব্যয়ের খাতগুলো সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং ধোঁয়াশাপূর্ণ। বিনিয়োগের খাতগুলো যেমন পূর্ণতা পায়নি, ঠিক তেমনি সম্পদ ও দায়ের ঘরগুলোও অলংকৃত হয়ে আছে শূন্যতায়। নিয়মতান্ত্রিক বিনিয়োগ বা সঠিক হিসাবের অভাব থাকায় কর রেয়াতের সুবিধা তো হাতছাড়া হয়েই গেছে, পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রদত্ত করের পরিমাণও যথারীতি শূন্য! মূলত, এই হচ্ছে আমাদের দেশের সিংহভাগ জিরো রিটার্নের প্রকৃত হালচাল। প্রশ্ন উঠতেই পারে–এই দায়সারা ও ত্রুটিপূর্ণ ফাইলগুলো কারা তৈরি করছেন, আর কেনই বা তৈরি করছেন? আসল কথা হলো, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অনলাইনের যুগে এই ফাঁকিবাজি আর চলবে কতদিন?

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী ও সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন
[email protected]

জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

বর্তমান আয়কর আইনে ‘জিরো রিটার্ন’ বা ‘শূন্য রিটার্ন’ বলতে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান বা শব্দ নেই। অথচ আমাদের দেশের করদাতাদের মধ্যে ‘জিরো রিটার্ন’ শব্দটির প্রচলন এবং জনপ্রিয়তা ব্যাপক। আইনে বিধান না থাকলেও বাস্তবে অগণিত ট্যাক্স ফাইলে এর অবাধ প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ প্রতিনিয়ত লক্ষ করা যাচ্ছে।

এই তথাকথিত জিরো রিটার্নের ফাইলগুলোর ভেতরে তাকালে এক অদ্ভুত চিত্র দেখা যায়। অধিকাংশ ফাইলেই আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনো সামঞ্জস্য বা যৌক্তিক মিল নেই; আয় ও ব্যয়ের খাতগুলো সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং ধোঁয়াশাপূর্ণ। বিনিয়োগের খাতগুলো যেমন পূর্ণতা পায়নি, ঠিক তেমনি সম্পদ ও দায়ের ঘরগুলোও অলংকৃত হয়ে আছে শূন্যতায়। নিয়মতান্ত্রিক বিনিয়োগ বা সঠিক হিসাবের অভাব থাকায় কর রেয়াতের সুবিধা তো হাতছাড়া হয়েই গেছে, পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রদত্ত করের পরিমাণও যথারীতি শূন্য! মূলত, এই হচ্ছে আমাদের দেশের সিংহভাগ জিরো রিটার্নের প্রকৃত হালচাল। প্রশ্ন উঠতেই পারে–এই দায়সারা ও ত্রুটিপূর্ণ ফাইলগুলো কারা তৈরি করছেন, আর কেনই বা তৈরি করছেন? আসল কথা হলো, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অনলাইনের যুগে এই ফাঁকিবাজি আর চলবে কতদিন?

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী ও সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন
[email protected]

ওভারব্রিজ দ্রুত সংস্কার করা হোক

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম
ওভারব্রিজ দ্রুত সংস্কার করা হোক

সাইনবোর্ড নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মোড়। এটি রাজধানী ঢাকার প্রবেশপথগুলোর মধ্যে অন্যতম। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের  সংযোগস্থল হলো সাইনবোর্ড। প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন সাইনবোর্ড অতিক্রম করে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তা পারাপারের  একমাত্র ওভারব্রিজ বন্ধ থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত আড়াআড়ি পার হচ্ছে। বিশেষত নারী, শিশু, স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী, বয়োবৃদ্ধ এবং রোগীদের পারাপারের জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সন্ধ্যার পর এই সমস্যা আরও বেশি প্রকট হচ্ছে। ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এমতাবস্থায় ওভারব্রিজটি দ্রুত সংস্কারপূর্বক জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করে জরুরি ভিত্তিতে খুলে দেওয়া হোক। বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ ও জননিরাপত্তার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত থাকায় সংশ্লিষ্ট মহলকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার উদাত্ত  আহ্বান জানানো হচ্ছে।

মঈনউদ্দীন মুনাওয়ার
কলামিস্ট ও সংবাদ বিশ্লেষক
[email protected]

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে!

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে!

একটি ফেসবুক আইডি চিরতরে কেড়ে নেওয়া মানে শুধু একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা নয়; এটি একজন লেখকের কণ্ঠরোধ করা, তার বছরের পর বছর ধরে বুনে যাওয়া সৃষ্টিশীলতাকে এক নিমেষে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া।

২০২৪ সালের আগস্ট। মেটা নামক এক পরাশক্তি করপোরেট জায়ান্টের খেয়ালি রোবোটিক অ্যালগরিদম আমার মূল ফেসবুক আইডিটি চিরতরে সাসপেন্ড করে দেয়। আজ পর্যন্ত সেই আইডি আমি আর ফেরত পাইনি। অথচ সেই আইডিতে জমা ছিল আমার জীবনের সেরা সময়গুলোর সাক্ষী-লাখ লাখ শব্দ, অজস্র লেখা, গল্প, কবিতা আর চিন্তাভাবনা। একজন লেখকের কাছে তার লেখার চেয়ে মূল্যবান আর কী হতে পারে? প্রতিটি লেখা একেকটি সন্তানের মতো, যা বহু বিনিদ্র রজনী আর মানসিক শ্রমের ফসল। মেটা কোনো মানবিক পূর্বাবাস ছাড়াই, কোনো প্রকৃত মানুষের রিভিউ ছাড়াই, কেবল তাদের যান্ত্রিক নীতিমালার অজুহাতে আমার সেই অমূল্য সঞ্চয়কে চিরদিনের জন্য ডিলিট করে দিল। মেটা কোনো সাধু প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মুনাফালোভী করপোরেট জায়ান্ট। নিজেদের ব্যবসা এবং কোটি কোটি ডলারের বিজ্ঞাপন বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা স্ব স্ব দেশের সরকারের রাজনৈতিক বা আইনি চাপের কাছে মাথা নত করে। সুতরাং, যারা বলেন যে 'সরকার মেটাকে নিয়ন্ত্রণ করে'-তাদের কথা পুরোপুরি অমূলক নয়। আমার আইডিটি হারানোর পেছনেও হয়তো মেটার ত্রুটিপূর্ণ রোবটের পাশাপাশি কোনো মহলের সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট বা সরকারি কোনো সাইবার উইংয়ের পরোক্ষ অনুরোধ বা চাপ কাজ করে থাকতে পারে। সুতরাং, এনিয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমার আক্ষেপ থেকেই যাবে!

লিয়াকত হোসেন খোকন
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে

ব্রিটিশ শাসনামলে রেলপথের যাত্রা শুরু হলেও আজও ট্রেনযাত্রায় ভোগান্তি সাধারণ মানুষের নিত্যসঙ্গী। বিশেষ করে ঈদ, পূজা বা দীর্ঘ ছুটিতে স্টেশনে টিকিট কেটেও উপচে পড়া ভিড়ের কারণে অনেকে ট্রেনে উঠতে পারেন না। নিরুপায় হয়ে কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাদ বা জানালা দিয়ে যাতায়াত করেন, যা দেখে মনে প্রশ্ন জাগে যে, একটি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা কি দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নয়? অনলাইন ব্যবস্থা টিকিট সংগ্রহ সহজ করলেও সিগন্যাল ব্যবস্থার দুর্বলতা, কারিগরি ত্রুটি ও ইঞ্জিন বিকল হওয়ার কারণে ট্রেন প্রায়ই বিলম্বে চলে, যা যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, গত ৫ জুন ২০২৬ তারিখেও কমলাপুর স্টেশনে শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে শত শত যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে নাকাল হন।

এই অচলাবস্থা দূর করতে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে বাধ্যতামূলক টিকিট যাচাই, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রেলের আধুনিকায়ন, সময়সূচির লাইভ আপডেট দেওয়া এবং মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল হলে দ্রুত বিকল্প ইঞ্জিন ও কারিগরি দল মোতায়েনের ব্যবস্থা করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা ও সঠিক পরিকল্পনাই পারে এই দীর্ঘমেয়াদি অব্যবস্থাপনার অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের ট্রেনযাত্রাকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও সময়নিষ্ঠ করে তুলতে।

মোসা. সাদিয়া আক্তার
শিক্ষার্থী, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

জন-আকাঙ্ক্ষার বাইরে ক্ষমতায় থাকা যায় না

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
জন-আকাঙ্ক্ষার বাইরে ক্ষমতায় থাকা যায় না

ইতিহাসের পাতায় মাঝে মাঝেই এমন কিছু ক্ষণ আসে, যা একটি জাতির আত্মপরিচয়কে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করে। মানুষ যখন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়ায়, তখন ক্ষমতার সমস্ত সমীকরণ বদলে যায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তত্ত্ব থেকে ইতিহাসের বাস্তবতায় এই সত্য বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে, একটি স্বাধীন দেশের ক্ষমতার মূল মালিক আপামর জনসাধারণ। গত চব্বিশের ৫ জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্ববাসীকে আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছে যে, গণ-আকাঙ্ক্ষার চেয়ে বড় কোনো শক্তি রাষ্ট্রে হতে পারে না। জনগণের সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া কোনো শাসনব্যবস্থাই চিরস্থায়ী বা প্রশ্নাতীত হতে পারে না।

কোনো দেশের জনগণকে আড়ালে রেখে বা তাদের মৌলিক অধিকার ও মতামতকে উপেক্ষা করে দীর্ঘমেয়াদি শাসন পরিচালনা করা অসম্ভব। একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্রে জনগণের ইচ্ছাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া কেবল আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, বরং নৈতিক দায়িত্ব। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সার্থক হয়, যখন তা প্রতিটি নাগরিকের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ না হলে মেগা প্রজেক্টের জৌলুসও ফিকে হয়ে যায়। জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকেই সরকারের প্রতি জনআস্থার জন্ম হয়, যা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর। চব্বিশের ঐতিহাসিক শিক্ষা আমাদের এই বার্তাই দেয় যে, ক্ষমতার অহংকার বা জনবিচ্ছিন্নতা কোনো শুভ ফল বয়ে আনে না। টেকসই দেশ গঠনে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা এবং তাদের কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া অপরিহার্য।

ওসমান গনি 
সাংবাদিক ও কলামিস্ট
[email protected]