একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও স্বকীয়তার প্রথম পরিচয় বহন করে তার প্রধান ফটক। একজন শিক্ষার্থী, অভিভাবক কিংবা অতিথি ক্যাম্পাসে প্রবেশের আগেই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে প্রথম ধারণা পান এই প্রবেশদ্বার দেখেই। তাই প্রধান ফটক শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, রুচিবোধ ও মর্যাদার প্রতীক। দুঃখজনক হলেও সত্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও এর আশপাশের পরিবেশ বর্তমানে সেই পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিভিন্ন সময়ের স্লোগান, রং ও দেয়াললিখনের কারণে ফটকটির স্বাভাবিক সৌন্দর্য অনেকটাই ম্লান হয়েছে। আন্দোলন ও প্রতিবাদের ইতিহাস অবশ্যই সংরক্ষণ করা উচিত, তবে তার জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশদ্বারকে দীর্ঘদিন অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রাখা একটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির সঙ্গে মানানসই নয়। শুধু ফটক নয়, এর আশপাশের এলাকাও আরও পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও দৃষ্টিনন্দন করা জরুরি। সবুজায়ন, উন্নত আলোকসজ্জা, নিয়মিত পরিচর্যা ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে এ স্থানকে আরও আকর্ষণীয় করা সম্ভব। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী, সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা জোরদার করা দরকার, যাতে ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া কেউ ফটক বা আশপাশের সৌন্দর্য নষ্ট করতে না পারে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই প্রধান ফটক ও এর আশপাশের পরিবেশকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও নান্দনিক করে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।
মোসা. সাদিয়া আক্তার
শিক্ষার্থী, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]