বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি মিসের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গুইমারায়েস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি বলেন, এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন।
গোলশূন্য সমতায় থাকা ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে স্পট-কিক নিতে এগিয়ে আসেন গুইমারায়েস। তবে তার নেওয়া শটটি নরওয়ের গোলরক্ষক অরজান নাইল্যান্ড দারুণভাবে রুখে দেন। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ১৯৯০ সালের পর এটি ব্রাজিলের সবচেয়ে দ্রুততম বিশ্বকাপ বিদায়।
ইনস্টাগ্রামে দেওয়া পোস্টে গুইমারায়েস লেখেন, ‘এই কথাগুলো লিখতে গিয়ে অসংখ্যবার শুরু করেছি, আবার মুছে ফেলেছি। দলের জয়ের সময় যেমন পাশে ছিলাম, তেমনি পরাজয়ের দায়ও আমার। ফুটবল আমাকে জীবনে অনেক কিছু দিয়েছে, আবার এই খেলাই আমাকে সবচেয়ে বড় কষ্টও দিয়েছে।’
ম্যাচে পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে গুমারায়েস ছিলেন ব্রাজিলের তৃতীয় পছন্দ। তবে নেইমার বেঞ্চে এবং রাফিনহা মাঠের বাইরে থাকায় ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আগে তিনিই শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এর মাধ্যমে ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপের মূল ম্যাচে পেনাল্টি মিস করা প্রথম ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হন তিনি।
নিজের হতাশার কথা জানিয়ে গুমারায়েস বলেন, ‘পেনাল্টি মিস করা এবং শেষ ষোলোর বাধা পেরোতে না পারা অত্যন্ত কষ্টের। তবে এটিও জীবনের আরেকটি চ্যালেঞ্জ। আমি জানি, সময়ের সঙ্গে এই দুঃসময়ও কেটে যাবে।’
তিনি জানান, কঠিন মুহূর্তে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা পেয়েছেন নিজের পরিবার থেকে। বাড়ি ফেরার পর সন্তানরা তাকে ফুটবল খেলতে ডাকলে তিনি উপলব্ধি করেন, ভালো কিংবা খারাপ-ফুটবলই তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।
পাপ্পু/নাঈম