ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের ভয়াবহতা জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল ওভারব্রিজ দ্রুত সংস্কার করা হোক ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপের আধিপত্য চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করতে চায় সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ৪ ভারতীয় নাগরিক ফিরলেন ভারতে ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু খুলনায় ভালো কাজের পুরস্কার পেলেন ট্রাফিকের ৩১ সদস্য বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ১ম পত্র উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদরাসায় পাহাড়ধস, নিহত ৮ ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেতৃত্বে যারা মাদারীপুরে ‘পদ্মা পাড়ে জীবন যুদ্ধ’ মাঠ মহড়া বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১৩ জেলে অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা সিডিএর মূল দায়িত্ব নয়: সিডিএ চেয়ারম্যান ছায়া বৃক্ষের নীরব বিদায় কাঁচপুর বাস টার্মিনালে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প নীতিগত অনুমোদন নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রচারণা, পঞ্চগড়ে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা পেনাল্টি মিসের কষ্ট নিয়ে মুখ খুললেন ব্রুনো গুইমারায়েস টুয়েলভ ক্লদিংয়ে বিশেষ অফার ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার হবে কবে এইউএসটি ও জার্মানির UNU-FLORES-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উত্তাল নদী, বিচ্ছিন্ন হাতিয়ার জনজীবন সিলেট সীমান্তে জিরা, চা পাতা ও চিনিসহ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জাককানইবি ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিপৎসীমার ওপরে সাঙ্গুর পানি, বান্দরবানে বন্যা-আতঙ্ক হাতিরঝিলে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১৩ জেলে

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১৩ জেলে
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ও লঘুচাপের প্রভাবে সৃষ্ট ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ে তিনটি মাছধরা ট্রলার ডুবে গেছে। পৃথক তিনটি ঘটনায় অন্তত ১৩ জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে আরও অন্তত পাঁচটি মাছধরা ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ বলেন, দুপুর ১টার দিকে চর বিজয় সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ছয় জেলেসহ একটি ছোট মাছধরা ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় ট্রলারের মালিক মাসুদ মাঝিকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও অপর পাঁচ জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বঙ্গোপসাগরের প্রায় ১৭ কিলোমিটার গভীরে ফকিরহাটের এফবি মহিমা নামের একটি মাছধরা ট্রলার ১৮ জেলেসহ ডুবে যায়। বুধবার দুপুর পর্যন্ত ১৬ জন জেলেকে উদ্ধার করা হলেও এখনও দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।

এর আগে রবিবার (৫ জুলাই) বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৬০ কিলোমিটার গভীরে গলাচিপার খরিদা গ্রামের ইমাদুলের মালিকানাধীন অপর একটি ট্রলার ১১ জেলেসহ ডুবে যায়। এ ঘটনায় পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা খবরের কাগজকে বলেন, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড অভিযান পরিচালনা করছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হলেও নিখোঁজদের সন্ধানে সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এএফ/

বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ৪ ভারতীয় নাগরিক ফিরলেন ভারতে

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ৪ ভারতীয় নাগরিক ফিরলেন ভারতে
ছবি: খবরের কাগজ

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের পুশইনের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রেপ্তার চার ভারতীয় নাগরিক নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান তারা।

ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ওই চার ভারতীয় নাগরিক হলেন- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মুরারাই থানার ধিতরা গ্রামের বাসিন্দা সুইটি বিবি, তার দুই ছেলে কুরবান শেখ ও ইমাম দেওয়ান এবং দানিশ শেখ। 

তবে একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া সোনালী বিবি নামে আরেক নারী ও তার সন্তানকে ভারতে পাঠানো হয়েছিলো গত বছরের ৫ ডিসেম্বর। অন্তসত্ত্বা হওয়ায় মানবিক দিক বিবেচনা করে সে সময় সোনালী বিবিকে ভারতে পাঠানো হয়। 

সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম বলেন, ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চার ভারতীয় নাগরিককে ভারতে পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ সময় সেখানে রাজশাহীস্থ ভারতের সহকারী হাইকমিশনারসহ বিজিবি ও বিএসএফের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ২০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আলীনগর থেকে অন্তসত্ত্বা এক নারীসহ ৬ ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের কাছে তারা দাবি করে- ভারতীয় নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও কুড়িগ্রামের একটি সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশ ইন করে বিএসএফ। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দুই দেশেই তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ওই ছয় নাগরিককে দ্রুত ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। 

ওই নির্দেশনার পর অন্তসত্ত্বা সোনালী বিবি ও তার ৮ বছরের সন্তানকে ৫ ডিসেম্বর ভারতে পাঠানো হয়। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদালতে মামলা চলমান থাকায় বাকী চারজন যেতে পারেন নি। এই চারজনকে ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে ভারতে যাওয়ার অনুমতি দেয় বাংলাদেশ সরকার।

মো. আসাদুল্লাহ/এসএন

ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহ শহরে বাসার মধ্যে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে আজনান আমিন তালুকদার আয়াশ নামে ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে শহরের ব্রহ্মপল্লী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আয়াশ একই এলাকার রেজায়ানুল আমিন আবিরের ছেলে। আবির একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ঘটনার সময় শিশুরটির মা বন্যা আক্তার শিশুসহ ব্রহ্মপল্লী এলাকায় শিশুটির নানার বাসায় ছিলেন।

পুলিশ ও আয়াশের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাতভর বৃষ্টিতে বাসার ভেতরে পানি ঢুকে যায়। সকালে খেলাধুলা করার পর আয়াশকে নিয়ে তার মা ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে শিশুটির নানি এসে দেখতে পান আয়াশ জমে থাকা পানিতে ডুবে আছে। পরে তাকে দ্রুত পানি থেকে উঠিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির বাবা রেজায়ানুল আমিন আবির বলেন, প্রচণ্ড বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে বাসার ভেতরে পানি ঢুকে যায়। বাচ্চা হঠাৎ গড়িয়ে পানিতে পড়ে যায়। পরে তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। অপরিকল্পিত শহর আর অনুন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণেই বাসার ভেতরেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং আমার কলিজার টুকরো ছেলেটা মারা গেল।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাতে টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীতে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকায় পানি জমে গেছে। রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, অসাবধানতাবশত শিশুটি ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পড়ে যায়। শিশুটিকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/নাঈম

খুলনায় ভালো কাজের পুরস্কার পেলেন ট্রাফিকের ৩১ সদস্য

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
খুলনায় ভালো কাজের পুরস্কার পেলেন ট্রাফিকের ৩১ সদস্য
ছবি: সংগৃহীত

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) এর ট্রাফিক বিভাগের ৩১ জন কর্মকর্তা ও সদস্যকে (ফোর্স) সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) কর্মক্ষেত্রে গত এক মাসে প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বেলা ১১ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সম্মাননার পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

কেএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন পক্ষে অনুষ্ঠিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা।

অনুষ্ঠানে একজন পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন), ৫ জন সার্জেন্ট/টিএসআই, ৫ জন এটিএসআই এবং ২০ জন কনস্টেবল আর্থিক পুরস্কার গ্রহণ করেন।

পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। সন্দেহজনক মিছিল, মোটরসাইকেল মহড়া, অপরাধমূলক কার্যক্রম বা যেকোনো জরুরি ঘটনা চোখে পড়লে দ্রুত কন্ট্রোল রুমে বা বেতার যোগাযোগের মাধ্যমে জানাতে নির্দেশ দেন।

এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১২ হাজারেরও বেশি গাছের চারা সংগ্রহ করা হয়েছে, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর ও উপযুক্ত স্থানে রোপণ করা হবে। এ সময় তিনি সকল পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ বাড়ি, অফিস ও কর্মস্থলে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান এবং একে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সদকায়ে জারিয়ার একটি উত্তম মাধ্যম হিসেবে সকলকে স্বরণ করিয়ে দেন।

তিনি জানান, ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা সকল পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল) মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা।

এএফ/

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উলিপুর পৌরসভার বলদিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-বলদিপাড়া গ্রা‌মের আবু সাইয়েদ (৬৮) ও তার স্ত্রী রা‌বেয়া বেগম (৬০)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে নিজ বাড়িতে বৈদ্যুতিক বোর্ডের একটি সুইচে হাত দিতে গেলে আবু সাইয়েদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যান তার স্ত্রী রা‌বেয়া বেগম। স্বামীকে ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

ঘটনাস্থলেই প্রথমে আবু সাইয়েদের মৃত্যু হয়। পরে তার স্ত্রীও মারা যান। খবর পেয়ে তা‌দের মরদেহ উদ্ধার ক‌রে পু‌লিশ।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইব‌নে সি‌দ্দিক ঘটনার সত‌্যতা নি‌শ্চিত ক‌রে বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। প্রাথ‌মিক সুরতহাল শে‌ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এসএন/

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদরাসায় পাহাড়ধস, নিহত ৮

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদরাসায় পাহাড়ধস, নিহত ৮
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে একটি মাদরাসা ও হিফজখানার ওপর পাহাড়ধসে অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় আরও ৫ থেকে ৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর ব্লক এ-৩ এলাকায় অবস্থিত খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদরাসা ও হিফজখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (১৪ এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মৃত্যুঞ্জয় দে সজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন, ক্যাম্প-৫-এর এ-১১ ব্লকের বাসিন্দা রাশিদা বেগম (১৩), ক্যাম্প-৩-এর এফ-১ ব্লকের বাসিন্দা উম্মে নেজাতুল (১৩) ও উম্মে সালমা (১২), এবং ক্যাম্প-৫-এর এ-৮ ব্লকের বাসিন্দা উমাইসা বিবি (১৩)।

আহতরা হলেন, ক্যাম্প-৩-এর বাসিন্দা আসরা (৯), ক্যাম্প-৩-এর এফ-১ ব্লকের বাসিন্দা বেগম জান (১৫) এবং ক্যাম্প-৫-এর এ-৭ ব্লকের বাসিন্দা ফারেসা বিবি (১২)।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মৃত্যুঞ্জয় দে সজল জানান, নিহত ও আহত সবাই ৭ থেকে ১০ বছর বয়সের ছাত্রী। নিহতদের মধ্যে তিনজন ক্যাম্প-৫-এর ৩ নম্বর ব্লকের এবং আহত চারজন ৫ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা। দুর্ঘটনার সময় মাদরাসায় শিক্ষা কার্যক্রম চলছিল।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা জানান, পাহাড়ধসের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত অবস্থায় ৫ থেকে ৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় রোহিঙ্গা যুবক মো. ইদ্রিস জানান, পাহাড়ধসের সময় মাদরাসায় ৩০ থেকে ৫০ জনের বেশি ছাত্রী কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে হঠাৎ মাদরাসা ভবনের ওপর পড়ে। কয়েকজন ছাত্রী দৌড়ে বেরিয়ে আসতে পারলেও অধিকাংশ কাদা ও মাটির নিচে চাপা পড়ে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১০ জন নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে।

তরুণ রোহিঙ্গা ফটোগ্রাফার ইয়াসিন আব্দু মোনাব বলেন, ‘ক্যাম্প-৫-এর একটি কমিউনিটি বালিকা মাদরাসায় ভূমিধসের সময় প্রায় ৫০ জন ছাত্রী পড়াশোনা করছিল। তাদের মধ্যে প্রায় ১০ জন তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও, আনুমানিক ৪০ জন ছাত্রী কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক ও উদ্ধারকারী দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে কয়েকজন জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’

এর আগে রবিবার রাতে উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় আট রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। 

তারেকুর রহমান/এএফ