কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সারা দিন বহিরাগতদের আনাগোনা ১৭৫ একর ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করছে। বহিরাগতরা ঘুরতে আসা ছাড়াও এমন কিছু কাজ করে থাকে যা নিতান্তই দৃষ্টিকটু। ক্যাম্পাসের মীর মুগ্ধ সরোবর, স্মৃতিসৌধ অথবা বিভিন্ন নিরিবিলি এলাকায় তাদের অশোভনীয় আচরণ দেখতে পাওয়া যায়। আবার বহিরাগত ছেলেরা বা বখাটেরা ক্যাম্পাসের গাছের ফলমূল অযথা নষ্ট করে। বখাটেদের দ্বারা ক্যাম্পাসের নারী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনাও ঘটে থাকে। বহিরাগতরা কোনো নেতার ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাস মোটরসাইকেল শোডাউন করে থাকে। ছুটির দিনে বা কোনো বড়সড় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন কোনো ছোটখাটো বিনোদন কেন্দ্র হয়ে ওঠে। বহিরাগতদের এসব ক্রিয়াকলাপ ইবি ক্যাম্পাসের শান্ত পরিবেশকে নষ্ট করছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর জোর খাটানোর চেষ্টা করে থাকে। দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য ইতোমধ্যই নানা নেতিবাচক ঘটনা ঘটে গেছে যা দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি করেছে। কিন্তু ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ আনাগোনা কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। বহিরাগতদের কাছে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের এভাবে কোণঠাসা হয়ে থাকা আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাহ আজিজুর রহমান হলের পকেট গেটের পাশে ভাঙা প্রাচীর নাজুক নিরাপত্তাব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত দেয়। তাই ভবিষ্যতে কোনো বড় বিপদ হওয়ার আগেই ইবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা সীমিত করতে হবে। সেই সঙ্গে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা রক্ষীদের কাজে অবহেলা বন্ধ করতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহিরাগত প্রবেশ সীমিতকরণে ও নিরাপত্তা জোরদার করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে তাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. শাহরিয়ার সৌরভ
শিক্ষার্থী, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]