ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মাশহাদে সমাহিত হলেন খামেনি ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯০ হামে মৃত্যু ৭৪৭, এক দিনেই শনাক্ত ৯৪৬ মুক্তাগাছায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে হুইলচেয়ারসহ সহায়ক উপকরণ বিতরণ হঠাৎ দিক হারিয়ে সিরিজ হারল বাংলাদেশ মুনিরের সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপ, মার্কিন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা সাঙ্গু নদীতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে যুবদল কর্মী নিখোঁজ সিলেটের নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্রীয় শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে খামেনির মরদেহ সিএফমোটো ও ব্রেম্বোর নতুন অধ্যায় শুরু রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের মধ্যেই বন্যার আশঙ্কা উখিয়ার পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে দুর্যোগ সচিব গোপালগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু আসামির মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, পুলিশসহ আহত ১২ দুই দিন পর ফিরলেন সাজেকে আটকে পড়া ১৫০ পর্যটক চীনে জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৮ সাতকানিয়ায় পানিবন্দি ৮ নারী ও শিশুকে উদ্ধার করলেন এসিল্যান্ড ইরান হামলা না থামালে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা আরও ভয়ানক হবে: ট্রাম্প চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি হলেন সরোয়ার আলমগীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকার সভাপতি মোবারক, সম্পাদক সবুজ মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে যাওয়া নিখোঁজ তরুণের মরদেহ উদ্ধার জঙ্গি সন্দেহে সিঙ্গাপুর ফেরত ২ জন রিমান্ডে লাল কার্ডের রাজা এবার ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের রেফারি গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত, আশাবাদ ব্যক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ‘মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ’ বিলসহ সংসদে দুইটি বিল প্রত্যাহার এবার বাস্তবের ‘মোয়ানা’ আসছে পর্দায় দুই বছর পর খুলল আখাউড়া-ভারত ভ্রমণ ভিসার পথ মার্কিন বিমান হামলায় ৩ আইআরজিসি সদস্য নিহত সাতকানিয়ায় পানির স্রোতে ভেসে উঠলো ৩টি মরদেহ

প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

শুভ জন্মদিন প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। তোমার বয়স প্রতি বছর যেমন বাড়ে, তেমনি হাজারো স্বপ্নেরও বয়স বাড়ে তোমার প্রাঙ্গণে। মাত্র কিছুদিন আগেও আমি ছিলাম তোমার কাছে এক অপরিচিত মুখ। আজ তোমার ৭৫৩ একরের প্রতিটি পথ, প্রতিটি গাছ, প্রতিটি বিকেল আর প্রতিটি মুখ ধীরে ধীরে আমার আপন হয়ে উঠেছে। তোমার আঙিনায় আমি শুধু পড়াশোনা করতে আসিনি; নিজেকে গড়ে তুলতে, মানুষ হতে এবং স্মৃতির ভাণ্ডার পূর্ণ করতে এসেছি। তোমার ৭৩ বছরের অভিজ্ঞতা আমাকে পূর্ণ করুক, তুমি পূর্ণতা দিও। আমি তোমাকে হৃদয় আসনে রেখে দেব আমৃত্যু, আজীবন।

মো. আমিনুর রহমান 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, শিক্ষাবর্ষ ২০২৪-২৫
[email protected]

বহিরাগত প্রবেশে নিরাপত্তা শঙ্কায় ইবির শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
বহিরাগত প্রবেশে নিরাপত্তা শঙ্কায় ইবির শিক্ষার্থীরা

‎‎কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সারা দিন বহিরাগতদের আনাগোনা ১৭৫ একর ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করছে। বহিরাগতরা ঘুরতে আসা ছাড়াও এমন কিছু কাজ করে থাকে যা নিতান্তই দৃষ্টিকটু। ক্যাম্পাসের মীর মুগ্ধ সরোবর, স্মৃতিসৌধ অথবা বিভিন্ন নিরিবিলি এলাকায় তাদের অশোভনীয় আচরণ দেখতে পাওয়া যায়। আবার বহিরাগত ছেলেরা বা বখাটেরা ক্যাম্পাসের গাছের ফলমূল অযথা নষ্ট করে। বখাটেদের দ্বারা ক্যাম্পাসের নারী শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার ঘটনাও ঘটে থাকে। বহিরাগতরা কোনো নেতার ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাস মোটরসাইকেল শোডাউন করে থাকে। ছুটির দিনে বা কোনো বড়সড় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন কোনো ছোটখাটো বিনোদন কেন্দ্র হয়ে ওঠে। বহিরাগতদের এসব ক্রিয়াকলাপ ইবি ক্যাম্পাসের শান্ত পরিবেশকে নষ্ট করছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে তারা শিক্ষার্থীদের ওপর জোর খাটানোর চেষ্টা করে থাকে। দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য ইতোমধ্যই নানা নেতিবাচক ঘটনা ঘটে গেছে যা দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি করেছে। কিন্তু ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ আনাগোনা কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। বহিরাগতদের কাছে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের এভাবে কোণঠাসা হয়ে থাকা আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শাহ আজিজুর রহমান হলের পকেট গেটের পাশে ভাঙা প্রাচীর নাজুক নিরাপত্তাব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত দেয়। তাই ভবিষ্যতে কোনো বড় বিপদ হওয়ার আগেই ইবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা সীমিত করতে হবে। সেই সঙ্গে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা রক্ষীদের কাজে অবহেলা বন্ধ করতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহিরাগত প্রবেশ সীমিতকরণে ও নিরাপত্তা জোরদার করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে তাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 
‎‎
মো. শাহরিয়ার সৌরভ
‎শিক্ষার্থী, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল

বর্তমান আয়কর আইনে ‘জিরো রিটার্ন’ বা ‘শূন্য রিটার্ন’ বলতে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান বা শব্দ নেই। অথচ আমাদের দেশের করদাতাদের মধ্যে ‘জিরো রিটার্ন’ শব্দটির প্রচলন এবং জনপ্রিয়তা ব্যাপক। আইনে বিধান না থাকলেও বাস্তবে অগণিত ট্যাক্স ফাইলে এর অবাধ প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ প্রতিনিয়ত লক্ষ করা যাচ্ছে।

এই তথাকথিত জিরো রিটার্নের ফাইলগুলোর ভেতরে তাকালে এক অদ্ভুত চিত্র দেখা যায়। অধিকাংশ ফাইলেই আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনো সামঞ্জস্য বা যৌক্তিক মিল নেই; আয় ও ব্যয়ের খাতগুলো সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং ধোঁয়াশাপূর্ণ। বিনিয়োগের খাতগুলো যেমন পূর্ণতা পায়নি, ঠিক তেমনি সম্পদ ও দায়ের ঘরগুলোও অলংকৃত হয়ে আছে শূন্যতায়। নিয়মতান্ত্রিক বিনিয়োগ বা সঠিক হিসাবের অভাব থাকায় কর রেয়াতের সুবিধা তো হাতছাড়া হয়েই গেছে, পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রদত্ত করের পরিমাণও যথারীতি শূন্য! মূলত, এই হচ্ছে আমাদের দেশের সিংহভাগ জিরো রিটার্নের প্রকৃত হালচাল। প্রশ্ন উঠতেই পারে–এই দায়সারা ও ত্রুটিপূর্ণ ফাইলগুলো কারা তৈরি করছেন, আর কেনই বা তৈরি করছেন? আসল কথা হলো, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অনলাইনের যুগে এই ফাঁকিবাজি আর চলবে কতদিন?

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী ও সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন
[email protected]

ওভারব্রিজ দ্রুত সংস্কার করা হোক

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম
ওভারব্রিজ দ্রুত সংস্কার করা হোক

সাইনবোর্ড নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মোড়। এটি রাজধানী ঢাকার প্রবেশপথগুলোর মধ্যে অন্যতম। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের  সংযোগস্থল হলো সাইনবোর্ড। প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন সাইনবোর্ড অতিক্রম করে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তা পারাপারের  একমাত্র ওভারব্রিজ বন্ধ থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত আড়াআড়ি পার হচ্ছে। বিশেষত নারী, শিশু, স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী, বয়োবৃদ্ধ এবং রোগীদের পারাপারের জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সন্ধ্যার পর এই সমস্যা আরও বেশি প্রকট হচ্ছে। ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এমতাবস্থায় ওভারব্রিজটি দ্রুত সংস্কারপূর্বক জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করে জরুরি ভিত্তিতে খুলে দেওয়া হোক। বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ ও জননিরাপত্তার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত থাকায় সংশ্লিষ্ট মহলকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার উদাত্ত  আহ্বান জানানো হচ্ছে।

মঈনউদ্দীন মুনাওয়ার
কলামিস্ট ও সংবাদ বিশ্লেষক
[email protected]

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে!

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে!

একটি ফেসবুক আইডি চিরতরে কেড়ে নেওয়া মানে শুধু একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা নয়; এটি একজন লেখকের কণ্ঠরোধ করা, তার বছরের পর বছর ধরে বুনে যাওয়া সৃষ্টিশীলতাকে এক নিমেষে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া।

২০২৪ সালের আগস্ট। মেটা নামক এক পরাশক্তি করপোরেট জায়ান্টের খেয়ালি রোবোটিক অ্যালগরিদম আমার মূল ফেসবুক আইডিটি চিরতরে সাসপেন্ড করে দেয়। আজ পর্যন্ত সেই আইডি আমি আর ফেরত পাইনি। অথচ সেই আইডিতে জমা ছিল আমার জীবনের সেরা সময়গুলোর সাক্ষী-লাখ লাখ শব্দ, অজস্র লেখা, গল্প, কবিতা আর চিন্তাভাবনা। একজন লেখকের কাছে তার লেখার চেয়ে মূল্যবান আর কী হতে পারে? প্রতিটি লেখা একেকটি সন্তানের মতো, যা বহু বিনিদ্র রজনী আর মানসিক শ্রমের ফসল। মেটা কোনো মানবিক পূর্বাবাস ছাড়াই, কোনো প্রকৃত মানুষের রিভিউ ছাড়াই, কেবল তাদের যান্ত্রিক নীতিমালার অজুহাতে আমার সেই অমূল্য সঞ্চয়কে চিরদিনের জন্য ডিলিট করে দিল। মেটা কোনো সাধু প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মুনাফালোভী করপোরেট জায়ান্ট। নিজেদের ব্যবসা এবং কোটি কোটি ডলারের বিজ্ঞাপন বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে তারা স্ব স্ব দেশের সরকারের রাজনৈতিক বা আইনি চাপের কাছে মাথা নত করে। সুতরাং, যারা বলেন যে 'সরকার মেটাকে নিয়ন্ত্রণ করে'-তাদের কথা পুরোপুরি অমূলক নয়। আমার আইডিটি হারানোর পেছনেও হয়তো মেটার ত্রুটিপূর্ণ রোবটের পাশাপাশি কোনো মহলের সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট বা সরকারি কোনো সাইবার উইংয়ের পরোক্ষ অনুরোধ বা চাপ কাজ করে থাকতে পারে। সুতরাং, এনিয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমার আক্ষেপ থেকেই যাবে!

লিয়াকত হোসেন খোকন
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে

ব্রিটিশ শাসনামলে রেলপথের যাত্রা শুরু হলেও আজও ট্রেনযাত্রায় ভোগান্তি সাধারণ মানুষের নিত্যসঙ্গী। বিশেষ করে ঈদ, পূজা বা দীর্ঘ ছুটিতে স্টেশনে টিকিট কেটেও উপচে পড়া ভিড়ের কারণে অনেকে ট্রেনে উঠতে পারেন না। নিরুপায় হয়ে কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাদ বা জানালা দিয়ে যাতায়াত করেন, যা দেখে মনে প্রশ্ন জাগে যে, একটি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা কি দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নয়? অনলাইন ব্যবস্থা টিকিট সংগ্রহ সহজ করলেও সিগন্যাল ব্যবস্থার দুর্বলতা, কারিগরি ত্রুটি ও ইঞ্জিন বিকল হওয়ার কারণে ট্রেন প্রায়ই বিলম্বে চলে, যা যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, গত ৫ জুন ২০২৬ তারিখেও কমলাপুর স্টেশনে শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে শত শত যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে নাকাল হন।

এই অচলাবস্থা দূর করতে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে বাধ্যতামূলক টিকিট যাচাই, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রেলের আধুনিকায়ন, সময়সূচির লাইভ আপডেট দেওয়া এবং মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল হলে দ্রুত বিকল্প ইঞ্জিন ও কারিগরি দল মোতায়েনের ব্যবস্থা করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা ও সঠিক পরিকল্পনাই পারে এই দীর্ঘমেয়াদি অব্যবস্থাপনার অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের ট্রেনযাত্রাকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও সময়নিষ্ঠ করে তুলতে।

মোসা. সাদিয়া আক্তার
শিক্ষার্থী, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]