ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্যারাগুয়ে ম্যাচে নেই ফরাসি তারকা চুয়ামেনি স্বৈরাচারী পথেই বর্তমান সরকার, বড় ধরনের পরিবর্তন আসন্ন কৃষক কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ম্যাচে ইংল্যান্ড দলে ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি চকবাজারে আশিক টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট কেপ ভার্দে ফুটবলারদের সঙ্গে ছবি তুলে মেসির দুষ্টুমি দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতরা রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন পাবে’ সোনারগাঁয় আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম জাবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের ‘র‌্যাগিং’, জড়িতদের দায় স্বীকার সৌদি আরবে হামলার হুমকি হুথিদের কক্সবাজারে হাম উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ২০ ফ্রান্সের জার্সিতে কেন থাকে মোরগের প্রতীক? আনোয়ারায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মরদেহ উদ্ধার রজতজয়ন্তীতে গ্রাহকদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের আকর্ষণীয় অফার জীবননগরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ভ্যানচালকের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে রাতভর পুশইনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ বিএসএফ খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো ৫০০০ স্কুল জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক থেকে টাকা তুললেন? প্রতারকদের সুযোগ দেবেন না প্যারাগুয়ে ম্যাচের আগে সতর্ক ফ্রান্স কোচ দেশম, বড় বাধা তীব্র গরম শাহজাদপুরে বিদ্যালয়ে মদ্যপান করা সেই প্রধান শিক্ষককে শোকজ জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে জইশ-ই-মোহাম্মদের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার নরওয়ে ম্যাচে রাফিনহাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল তামিলনাড়ুতে অ্যামোনিয়া গ্যাস দুর্ঘটনা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

অগ্নিঝুঁকিতে ফেনী শহর : মানা হচ্ছে না নীতিমালা

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৪, ১১:১৯ এএম
আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৪, ১১:২৬ এএম
অগ্নিঝুঁকিতে ফেনী শহর : মানা হচ্ছে না নীতিমালা
পাখির চোখে ফেনী পৌর শহর

ফেনী বড় বাজারের ভেতরে আগে একটি পুকুর ছিল। আশপাশে কোনো জলাধার না থাকায় ওই পুকুরটিই ছিল অগ্নিনির্বাপণে পানি সংগ্রহের একমাত্র ভরসা। পরে পুকুরটি ভরাট করে সেখানে নিউ মার্কেট বানানো হয়। এখন ওই এলাকায় অগ্নিকাণ্ড হলে সবাইকে ফায়ার সার্ভিসের পানির ওপরই নির্ভর করতে হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপ্রশস্ত সড়কের বাধা!

পৌরসভার পক্ষ থেকে দুটি ওয়াটার রিজার্ভার (পানি সংগ্রাহাগার) দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা রয়েছে ‘প্রক্রিয়াধীন’ অবস্থায়। স্থানীয়রা বলছেন, ফেনী শহরে সুউচ্চ ভবনের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু এসব ভবন বানানোর সময় কোনো দপ্তরের নীতিমালা মানা হচ্ছে না। সবই হচ্ছে কর্তাব্যক্তিদের চোখের সামনে। পৌরসভাসহ বিভিন্ন সংস্থা অর্থের বিনিময় বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয় বলেও রয়েছে অভিযোগ।

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জলাধার সংকট ও অপ্রশস্ত সড়কের কারণে তাদের অগ্নিনির্বাপণে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। এ ছাড়া নীতিমালা না মেনে ভবন নির্মাণের কারণে পুরো শহরই রয়েছে অগ্নিঝুঁকিতে। আর জলাধার কমে যাওয়ায় এ সংকট বেড়েছে আরও কয়েকগুণ।

ফেনী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, শহরে নিয়মিত বহুতল ভবন গড়ে উঠলেও যথাযথ নীতিমালা মানা হচ্ছে না। ভবনগুলোতে কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও নেই। এরই মধ্যে অগ্নিঝুঁকিতে থাকা ২১টি ভবন চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এসব ভবনের তালিকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তারা। 

ফেনী বড় বাজারের ব্যবসায়ী নূর নবী বলেন, ‘এই বাজারের ভেতরে নিউমার্কেটের জায়গায় আগে বড় একটি পুকুর ছিল। যেকোনো প্রয়োজনে ওই পুকুরের পানি ব্যবহার করা হতো। অগ্নিকাণ্ড ইস্যুতে পুকুরটি ছিল সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা। কিন্তু এটি ভরাট করে মার্কেট বানানো হয়েছে। আমরা সব সময় সহায়-সম্বল হারানোর ভয়ে থাকি।’ একই কথা বলেন ওই বাজারের ব্যবসায়ী মানিক ও কাশেম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শহরের পৌর হকার্স মার্কেটের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আশপাশে কোথাও জলাধার নেই। আগুন লাগলে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। আমরা সব সময় আগুন আতঙ্কে থাকি! পৌরসভাসহ বিভিন্ন সংস্থা অর্থের বিনিময় বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়। ঝুঁকির পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।’ 
ফেনী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, ‘জেলার অধিকাংশ ভবনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। প্রতিনিয়ত আমাদের কাজ করতে হিমশিম খেতে হয়। শহরের বড় বাজারে গাড়ি নিয়ে ঢোকার কোনো ব্যবস্থা নেই। ওখানে যদি অগ্নিকাণ্ডের কোনো ঘটনা ঘটে তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে অনেক বেশি। এ ছাড়া ওখানে কোনো জলাধার বা পানির উৎস নেই। এগুলো সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে।’

শুধু বড় বাজার-ই নয়, শহরের বেশির ভাগ ওয়ার্ডের প্রবেশপথ অনেক ছোট। ওখানে ফায়ার সার্ভিসের কোনো গাড়ি ঢুকতে পারে না জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের কোনো ঘটনা ঘটলে উৎসুক জনতার ভিড়ের কারণে উদ্ধার কার্যক্রম চালাতে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। তার পরও নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

‘ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারী খবরের কাগজকে বলেন, ‘বড় বাজারে ছোটবড় মিলে সাত হাজার দোকান রয়েছে। এখানকার সবগুলো দোকানই অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে দুটি ওয়াটার রিজার্ভার বসানোর কথা ছিল। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষের এ প্রকল্পটি এখনো নাকি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস থেকে চিঠি আসলে আমরা ব্যবসায়ীদের জানাই। তবে বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ পৌরসভা ও ফায়ার সার্ভিস। বাজারে অনেক মার্কেট আছে, যেখানে পার্কিংয়ের জায়গাও ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে নোটিশ টানিয়ে দেওয়া গেলে ব্যবসায়ী ও ভবন মালিকের টনক নড়বে। অন্যথায় একটি দুর্ঘটনা ঘটলে এ বাজার রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে।’

ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী বলেন, ‘পৌরসভার নকশা অনুসরণ না করে শহরে বেশ কিছু ভবন বানানো হয়েছে। আমরা কয়েকটি ভবন মালিককে নোটিশ পাঠিয়েছি। কয়েকটি ভবন ভেঙে রাস্তা বড় করেছি। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বাসাবাড়ির মালিকদেরও নোটিশ পাঠানো হয়েছে। শহরের বেশ কিছু অপরিকল্পিত স্থাপনা রয়েছে সেগুলোতে পৌরসভার পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হবে।’
 
মেয়র আরও বলেন, ‘বড় বাজারে ওয়াটার রিজার্ভার বসানোর বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জায়গা নির্ধারণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় আখাউড়ার যুবক নিহত
নিহত যুবক। ছবি: খবরের কাগজ

সৌদি আরবের মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার এক প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ছয় বছর আগে সৌদি আরবে যান হানিফ। মক্কার একটি হাসপাতালে ক্লিনারের কাজ করতেন। কয়েক দিন আগে তার দাদি মারা যাওয়ার পর তার নামে ওমরাহ করতে যান তিনি। ওমরাহ শেষে তিন বাংলাদেশি সহকর্মীর সঙ্গে কর্মস্থলে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

হানিফের চাচা বেলাল হোসেন দীলিপ বলেন, 'বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। এরপর সবাই গাড়ি থেকে নেমে সড়কে দাঁড়ালে পেছন দিক থেকে আসা আরেকটি গাড়ি তাদের দিকে ধেয়ে আসে। তিনজন সড়কের আইল্যান্ডে উঠে প্রাণে বাঁচলেও হানিফ ঘটনাস্থলেই মারা যান।'

হানিফের চাচা আরও বলেন, দুর্ঘটনার ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই আমরা মৃত্যুর খবর পাই। এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে হানিফ ছিলেন বড়। এক মাস পর দেশে ফিরে তার বিয়ে করার কথা ছিল। এ জন্য পরিবারের সদস্যরা পাত্রীও দেখছিলেন। কিন্তু সেই অপেক্ষা এখন পরিণত হয়েছে গভীর শোকে।

হানিফের স্বজনরা জানান, তার কর্মস্থলের সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এখন সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ সবার সহযোগিতায় মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

জুটন বনিক/তামান্না রুপা/

দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা
দিনাজপুর বিভাগীয় পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনামূলক কর্মশালার বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

দিনাজপুরে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার রোধে বিভাগীয় পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্মসচিব) আ ন ম নাজিম উদ্দিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, দিনাজপুরের অতিরিক্ত পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি প্রমুখ।

কর্মশালায় দিনাজপুর জেলার হোটেল মালিক সমিতির সদস্য, বেকারি মালিক, শিক্ষক, মাছ ও মাংস ব্যবসায়ী, খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও পরিবেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের কথা গুরুত্ব দিয়ে অনুসরণ করে। তাই শিক্ষকেরা যদি নিয়মিত নিরাপদ খাদ্য, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং ভেজাল খাদ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও সচেতন হয়ে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল, বিষাক্ত রাসায়নিক ও ক্ষতিকর উপাদান মেশানোর প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এর ফলে ক্যান্সার, কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মানুষের গড় আয়ু ও সুস্থ জীবনযাপনও হুমকির মুখে পড়ছে। তাই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন প্রয়োগেরও বিকল্প নেই।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, উৎপাদক, বিক্রেতা এবং ভোক্তা সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিবেশন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে চলতে হবে।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং খাদ্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ভোক্তাদেরও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। জনসচেতনতা বাড়লেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অনেক সহজ হবে।

সুলতান মাহমুদ/তামান্না রুপা/

সোনারগাঁয় আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১ পিএম
সোনারগাঁয় আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম
সোনারগাঁওয়ে অভিযানে হামলার পর আহত তিন পুলিশ সদস্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় মোটরসাইকেল ছিনতাই মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য ও পুলিশের এক সোর্স। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চারজনই আহত হয়েছেন। পরে অভিযানে অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুরুজ্জামান, কনস্টেবল শাহীন, কনস্টেবল মাইনুল এবং পুলিশ সোর্স মাসুম মিয়া। আহত পুলিশ সদস্যরা সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত মাসুম মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত এসআই সুরুজ্জামান জানান, মোটরসাইকেল ও পিকআপভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে তিনি দুই কনস্টেবল শাহীন ও মাইনুলকে সঙ্গে নিয়ে সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় অভিযানে যান। এ সময় সাগর ও তার ভাই সজল দা দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে তিন পুলিশ সদস্য ও সোর্স মাসুম মিয়াকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ভাই সাগর ও সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ইমরান হোসেন/আজহার/

কক্সবাজারে হাম উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ২০

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
কক্সবাজারে হাম উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ২০
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারে হামের উপসর্গে আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে, যার মধ্যে তিনটি রোহিঙ্গা শিশু।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মারা যাওয়া শিশু আরফান (১৩ মাস) উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা নবী হোছনের ছেলে।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবের জানান, সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবের শুরুর দিকে কক্সবাজারে সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ছিল। তবে গত এক মাসে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় হামের উপসর্গে মৃত্যুর হার কমে আসে। কিন্তু গত ২১ জুন এক শিশুর মৃত্যুর পর ১৩ দিনের ব্যবধানে আবারও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, গত বুধবার (১ জুলাই) হামের উপসর্গ নিয়ে আরফানকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটি জ্বর, কাশি, খিঁচুনি, নিউমোনিয়া এবং রক্তে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণজনিত জটিলতায় ভুগছিল। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মধ্যরাতের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।’

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত কক্সবাজারে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৬৮ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪ হাজার ১৬৪ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১০৪ জন।

তারেকুর/খাদিজা রুমি/

আনোয়ারায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:১৬ পিএম
আনোয়ারায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পজেলার বটতলী ইউনিয়নের পূর্ব বরইয়া এলাকার গৃহবধূ উম্মে হাবিবার (২২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার সায়েদ ইমরানের স্ত্রী।

পরিবারের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে হাবিবা ইঁদুর মারার বিষপান করে। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে শনিবার (৪ জুলাই) আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের ঘনপুকুরপাড় এলাকায় একটি গাছের ঝুলন্ত অবস্থায় জেলে জিকু সর্দ্দারের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। জিকু ওই এলাকার ভট্টাচার্য নিবাস কলোনির একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন। তার বাড়ি একই উপজেলার বিলপুর হাঁড়িপাড়া এলাকায়।

জিকুর পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রীর বোনের স্বামীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে জিকুর বিরোধ ছিল। ওই জেরে তাকে হত্যা করা হতে পারে।

জিকুর স্ত্রী জানান, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের কথা জিকু তার স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি মানসিকভাবে বেশ হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। তবে তিনি সমস্যার কথা বিস্তারিত পরিবারকে জানাতেন না। 

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে জেলে জিকু সর্দ্দারের মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। দুটি ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আজহার/