রাঙামাটি জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি ইয়াবা কারবারি জলমনি চাকমা তিন হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে সহযোগীসহ গ্রেপ্তারের হওয়ার পর দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন।
শ্রক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাঙামাটি শহরের মারী স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার সহযোগী জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ধোপ্পাছড়া এলাকার নতুন বাবু তঞ্চঙ্গ্যা (৩৬)কেও গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করে ৩ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।
এর কয়েক ঘন্টার মধ্যে জলমনি চাকমার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্হা নিলো গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় 'গণঅধিকার পরিষদ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশক্রমে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলার সহ সভাপতি এস আই জলমনি চাকমাকে সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে'। রাঙামাটি জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান রোমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জলমনি চাকমা সদর উপজেলার কুতুকছড়ি এলাকার বাসিন্দা।
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দীন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী বিশেষ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দুই আসামির হেফাজতে থাকা তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দুজনই মাদক কারবারে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। উদ্ধার হওয়া এসব মাদকের স্হানীয় মূল্য সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক সেকান্দার বলেন, 'আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই মাদক চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে'।
'মাদক কারবার নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক পাচার ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে' বলেও যোগ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
জিয়াউর রহমান জুয়েল/এসএন