ঢাকা ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগ বাড়লো ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই গোপন বিয়ে নিয়ে উমর (রা.)-এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ও ক্রেডেন্স হাউজিং লিমিটেডের মধ্যে হোম লোন সুবিধা প্রদানে চুক্তি সই কামরাঙ্গীরচরে মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের চাঁদপুরে এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং নিয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ মেক্সিকোর মেয়র গুলি করে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা ফিফার সেরা একাদশে আর্জেন্টিনার ৩ জন, জায়গা পাননি কোনো ব্রাজিলিয়ান বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘৩৫টি দেশে ভিসা ছাড়া’ ভ্রমণ, বাস্তবতা কতটুকু? প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ফাস্টট্র্যাক আদালত ঘোষণা নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর রাজশাহীতে ভ্যানচালক হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের হুশিয়ারি ইরানের নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস এডমিরাল র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন কি পদত্যাগ করছেন? তাইওয়ানের গবেষণায় দাম্পত্যে ডিমেনশিয়ার নতুন আতঙ্ক ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১০ অঞ্চলে নদীবন্দর সতর্কসংকেত লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে ইয়েমেনের হুতিদের হামলা কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে স্মারকলিপি দিলো ইবি ছাত্রদল সিম কার্ডের এক কোণ কাটা থাকার রহস্য ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের দিন থেকেই সংস্কারের বিরুদ্ধে: আকতার হোসেন কলকাতা উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব তারিক চয়নের পদত্যাগ সিলেটে এবার স্থলবন্দরে বেসামাল সেই সাহাব উদ্দিন আ.লীগ নেতা, মৃত ব্যক্তি, প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা নাচোলে আগুন নেভাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তাকে পদায়ন সাউথইস্ট ব্যাংকের নিট মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ শতাংশেরও কম মানুষের সমর্থন ময়মনসিংহে নিখোঁজ যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা ও মরদেহ উদ্ধার ঈশ্বরদীতে ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ এএম
আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ এএম
করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু
ছবি: সংগৃহীত

দখল ও দূষণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এমন বেশ কয়েকটি কম্পোনেন্ট বা উপাদান বাদ দিয়েই বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

উত্তরাঞ্চলীয় জেলা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার খুলশী থেকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর পর্যন্ত এ নদীর ১২৩ কিলোমিটার খননসহ নানা ধরনের উন্নয়নে শিগগিরই কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে এ প্রকল্পে রাখা হয়েছে ইছামতী নদীর ৭২ কিলোমিটার ও গজারিয়া নদীর ৩৫ কিলোমিটার খননসহ অবকাঠামোগত নানা উন্নয়নকাজ।

প্রাচীন নদী করতোয়ার দখল-দূষণ রোধ ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার খুলশীতে নির্মিত স্লুইসগেট অপসারণসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ২০১৫ সালে পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) আদালতে যায়। এতে হাইকোর্ট খুলশীতে নির্মিত স্লুইসগেট অপসারণের পাশাপাশি দখল-দূষণ রোধসহ করতোয়া রক্ষায় সরকারকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেন। হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী ওই নির্দেশনার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড করতোয়া রক্ষায় ১০ বছর আগে ২ হাজার ৯৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জমা দেয়। প্রস্তাবিত প্রকল্পে বলা হয়, বগুড়া শহরের ভেতরে দখল রোধে করতোয়া নদীর দুই তীরে এলাকাভেদে ৫ থেকে ৬ মিটার প্রশস্ত ১৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার করে রাস্তা নির্মাণ করা প্রয়োজন। দূষণ রোধে একই সঙ্গে নদীতে তরল বর্জ্য ফেলা বন্ধে দুই পাশে ৩ মিটারেরও বেশি প্রশস্ত ২৭ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেন নির্মাণেরও সুপারিশ ছিল। আর শহরের বিভিন্ন ড্রেন দিয়ে আসা তরল বর্জ্য শোধনে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ইফলুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়। হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী আদেশের আলোকে প্রকল্প প্রস্তাবে কম্পোনেন্টগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হলেও সরকার প্রকল্প ব্যয় কমাতে গিয়ে দখল-দূষণ রোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ওই সব কম্পোনেন্ট বা উপাদান বাদ দেয়।

প্রকল্প প্রস্তাবের পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ১৯৮৮ সালে ভয়াবহ বন্যার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জের খুলশীতে তিন ভ্যান্টের একটি স্লুইসগেট তৈরি করলে করতোয়া নদীতে পানির প্রবাহ কমে যায়। দখল আর দূষণে অস্তিত্ব সংকটে পড়ে করতোয়া। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুরোধে ২০১৫ সালে বেলা হাইকোর্টে গেলে বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেন আদালত। সেসব নির্দেশনার আলোকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২ হাজার ৯৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প দাখিল করে; কিন্তু গত ১৬ জুন অনুমোদন করা হয় ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকার সংশোধিত প্রকল্প। প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হয় শহরে নদীর দুই তীরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ইটিপি, ওয়াকওয়ে, সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো ও প্রস্তাবিত সড়কের একাংশসহ গুরুত্বপূর্ণ অন্তত সাতটি কম্পোনেন্ট। 

বগুড়া সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে খুলশী থেকে খানপুর পর্যন্ত করতোয়া নদীর গভীরতা এলাকাভেদে বাড়ানো হবে বর্তমান সমতল থেকে গড়ে সাড়ে ৩ মিটার। আর প্রশস্ত হবে এলাকাভেদে ৩০ থেকে ৩২ মিটার পর্যন্ত। আরিফুর রহমান বলেন, নদীতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হলে দূষণ আর দখল দুটিই কমবে। একই সঙ্গে সৌন্দর্য বাড়বে করতোয়া নদীর। ঐহিত্যবাহী পুণ্ড্রুনগর বা মহাস্থানগড় এ নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে অন্তত আড়াই হাজার বছর আগে। করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পে রাখা সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে উজানে প্রায় ২০ কিলোমিটার জমির সেচ যেমন সহজ হবে, তেমনি ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেকাংশেই স্বাভাবিক থাকবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্যে বলা হয়েছে, করতোয়া নদীর পানির মান পরীক্ষার জন্য প্রতি মাসে বগুড়া শহরের দত্তবাড়ী, এসপি ঘাট এলাকাসহ চারটি পয়েন্ট থেকে পানি নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। বর্ষায় পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন বেশি পাওয়া গেলেও শুকনো মৌসুমে আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় অফিসের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান সরকার বলেন, শুকনো মৌসুমে করতোয়ায় যখন পানির প্রবাহ থাকে না, তখন দ্রবীভূত অক্সিজেন নেমে আসে প্রতি লিটার পানিতে শূন্যের কোঠায়। অথচ জলজ প্রাণী বেঁচে থাকার জন্য প্রতি লিটার পানিতে থাকতে হবে কমপক্ষে ৪ দশমিক ৫ থেকে ৮ মিলিগ্রাম পর্যন্ত। পানিতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না থাকায় জীববৈচিত্র্য হারাচ্ছে করতোয়া। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কী করতে হবে–এমন প্রশ্নের উত্তরে কামরুজ্জামান বলেন, তরল বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা যাবে না। নদীর তীরের তরল ও কঠিন বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

সাদাপাথরের পর ভোলাগঞ্জ সিলেটে এবার স্থলবন্দরে বেসামাল সেই সাহাব উদ্দিন

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম
সিলেটে এবার স্থলবন্দরে বেসামাল সেই সাহাব উদ্দিন
বিএনপি নেতা সাহাব উদ্দিন। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটের আলোচিত ‘সাদাপাথর’ লুটের অভিযোগে আলোচনায় আসা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে এবার ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরে আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবি, সাদাপাথর লুটের মামলায় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে দলীয় পদ ফিরে পাওয়ার পর সাহাব উদ্দিন আরও বেসামাল হয়ে উঠেছেন। ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরের সিএনএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং) এজেন্টদের মাধ্যমে তিনি বন্দর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। এর ফলে বৈধভাবে ভারত থেকে পণ্য আমদানি করেও অনেক ব্যবসায়ী সময়মতো পণ্য খালাস করতে পারছেন না বলে অভিযোগ তাদের।

গত ১৯ জুলাই সিলেট কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, সাহাব উদ্দিনের নিয়ন্ত্রিত ভোলাগঞ্জ সমিতি তার এলসিতে আমদানি করা পাথর খালাসে বাধা দিচ্ছে।

আব্দুল্লাহ আল মামুন খবরের কাগজকে বলেন, ‘এলসিতে আমদানি করা পণ্য কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সিএনএফ এজেন্টের মাধ্যমে খালাস করতে হয়। কিন্তু সিএনএফ এজেন্টদের ওপর সাহাব উদ্দিনের প্রভাব রয়েছে। ফলে তারা তার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেন। এমনকি ভোলাগঞ্জ সমিতিও তার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার সঙ্গে সাহাব উদ্দিনের ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নেই। তবে ভারতের রপ্তানিকারক প্রদীপ পালের সঙ্গে তার বিরোধ রয়েছে। সে কারণে প্রদীপ পালের কাছ থেকে যেসব আমদানিকারক পণ্য আনছেন, তাদের পণ্য আটকে দেওয়া হচ্ছে। শুধু আমার নয়, আরও চার থেকে পাঁচজন ব্যবসায়ীর পণ্য একইভাবে আটকে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আমি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেছি। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি আপস-মীমাংসার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

সাদাপাথর লুট, বহিষ্কার ও গ্রেপ্তার

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সিলেটের ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর এলাকা ও ধলাই নদীসংলগ্ন অঞ্চল থেকে ব্যাপক অবৈধ পাথর ও বালু উত্তোলনের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় সাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার পর পাথর লুট, সরকারি প্রায় দেড় শ একর জমি দখল এবং চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে। দলীয় বহিষ্কারের পর আত্মগোপনে গেলেও শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হন সাহাব উদ্দিন। খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) দায়ের করা পাথর লুটের মামলায় ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরীর কুমারপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৯। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওই সময় র‌্যাব-৯ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, সিলেটের প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর লুটের ঘটনায় সাহাব উদ্দিন ছিলেন ‘মূল হোতা’। র‌্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই মামলাসহ তার বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ পাথর উত্তোলনের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে খনি ও খনিজ সম্পদ নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর নভেম্বরে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।

দলীয় পদ ফিরে পেয়েই বেসামাল

কারাগার থেকে মুক্তির পর চলতি বছরের ১ জানুয়ারি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে সাহাব উদ্দিনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং তাকে দলে পুনর্বহাল করা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, দলীয় পদ ফিরে পাওয়ার পর তিনি এলাকায় আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। তাদের দাবি, বর্তমানে ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর, পাথর ও বালু ব্যবসাসহ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন লাভজনক খাত তার ও তার অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্থলবন্দরসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর নির্মাণের শুরু থেকেই সাহাব উদ্দিন এ প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন। প্রায় ১৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্পে সরকারি জমি দখলকে কেন্দ্র করে তিনি ও তার অনুসারীরা বাধা সৃষ্টি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় বন্দর কর্তৃপক্ষ মামলা করলে তিনি ওই মামলায় কিছু সময় কারাভোগও করেন বলে সূত্রটির দাবি।

এড়িয়ে চলছে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার সাহাব উদ্দিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরের ইনচার্জ গিয়াস উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ‘স্থলবন্দরে দুটি পৃথক কর্তৃপক্ষ কাজ করে। একটি বন্দর কর্তৃপক্ষ, অন্যটি কাস্টমস বিভাগ। আমরা কেবল অবকাঠামোগত সেবা দিয়ে থাকি। পণ্য ওজনের ব্যবস্থা, গুদাম সুবিধা এবং লোড-আনলোডের জন্য শ্রমিক সরবরাহ করি। এসব সেবার বিপরীতে নির্ধারিত ট্যারিফ আদায় করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘কোনো গাড়িতে কী পণ্য রয়েছে, তা পরীক্ষা করার এখতিয়ার বন্দর কর্তৃপক্ষের নেই। পণ্যসংক্রান্ত সব দায়িত্ব কাস্টমস বিভাগের। সিএনএফ এজেন্টদের লাইসেন্স ও তদারকির দায়িত্বও কাস্টমসের। কেউ অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের রয়েছে।’

ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা ইয়াকুব জাহিদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

নাচোলে আগুন নেভাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ এএম
নাচোলে আগুন নেভাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে টিসিবি পণ্যের গোডাউনে আগুন নেভাতে গিয়ে নয়ন (২০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের হাটবাকইল বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নয়ন হাটবাকইল গ্রামের আব্বাসের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ৯টার দিকে নেজামপুর ইউনিয়নের হাটবাকইল বাজারের একটি দুতলা ভবনের নিচতলায় হঠাৎ আগুন লাগে। ভবনটির দোতলায় ইসলামী ব্যাংকের শাখা এবং নিচতলায় টিসিবির পণ্য সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন ডিলার মো. সুজন। এই আগুন নিভাতে গিয়ে নয়ন মারা যান। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ আগুন নেভাতে গিয়ে নয়নের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাচোল ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার ইমদাদুল হক বলেন, রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

তিনি আরও বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে  ধারণা করা হচ্ছে।

আসাদুল্লাহ/হীরা/

ময়মনসিংহে নিখোঁজ যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা ও মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
ময়মনসিংহে নিখোঁজ যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা ও মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে সাত দিন ধরে নিখোঁজ সোহেল মিয়া (২৬) নামে এক যুবকের বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত পৌনে নয়টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত যুবক সোহেল মিয়া (২৬) ময়মনসিংহ সদরের পরানগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া নূরুল ইসলাম ও জুলেখা বেগমের সন্তান। এলাকায় তিনি গাছ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

নিহতের স্বজনরা জানায়, ১৬ জুলাই রাত আটটার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সোহেল মিয়া নিখোঁজ হন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় বুধবার (২২ জুলাই) সকালে নিহতের বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরের অম্বিকাগঞ্জ কলেজের একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণের স্থান নির্বাচনের কাজ চলছিল। জায়গার মাপজোখ করছিলেন কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারী। এ সময় উৎকট দুর্গন্ধ ভেসে আসছিল। এর উৎস খুঁজতে গিয়ে পাওয়া যায় সোহেলের মাথা ও দেহের অবশিষ্ট অংশ।

কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, বিকেল পৌনে তিনটার দিকে সেখানে গিয়ে দেখি আমাদের সীমানাপ্রাচীর ভাঙা ও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। সেই দুর্গন্ধের কারণ খুঁজতে গিয়ে চারদিকে খোঁজ করতেই মানুষের মাথা দেখতে পাই। পরে তাৎক্ষণিক বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পুলিশ আসে। এটি এলাকার নিখোঁজ যুবকের ছিল বলে পরিবার শনাক্ত করেছে। 

নিহত সোহেলের শ্বশুর আলাল উদ্দিন বলেন, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে একটি বিচ্ছিন্ন মাথা দেখতে পেয়ে তারা পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। এরপর মরদেহের বাকি অংশও উদ্ধার হয়। শরীরে কাপড় দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে মরদেহটি সোহেলের।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আশরাফুল করিম বলেন, মাথাটি পাওয়া যায় ঘাসের ওপর। ধারণা করা হচ্ছে, গর্ত থেকে কোনো প্রাণী মাথাটি টেনে তুলে ফেলেছে। এর ফলে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করে। পরে মরদেহের বাকি অংশের সন্ধানে পাশেই মাটি খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়। একপর্যায়ে মাটির ভেতর থেকে দুটি গ্লাভস পাওয়া যায়। রাত পৌনে নয়টার দিকে কয়েক ফুট গভীরে পাওয়া যায় মাথাবিহীন দেহ।

তিনি বলেন, ওই মাথা ও দেহ নিখোঁজ যুবক সোহেলের। পিবিআইয়ের মাধ্যমে আঙুলের ছাপ মিলিয়ে এ পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া শরীরের কাপড় দেখে মরদেহটি সোহেলের বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিচারের সদস্যরা। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/খাদিজা রুমি/

ঈশ্বরদীতে ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
ঈশ্বরদীতে ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার ঈশ্বরদীতে ব্যবসায়ীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঝুটবোঝাই দুটি ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায়  ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় ঝুট ব্যবসায়ী জিয়াউল হাসান বিপ্লব বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। 

পাঁচ আসামি হলেন- পাকশীর নতুন রূপপুর এলাকার মো. নবী (৪০), দিয়াড় বাঘইল এলাকার মো. নিজাম (৪৫) ও মো. মিজান (৪০), নতুন রূপপুরের মো. রাজিব (২৮) ও বাঘইল এলাকার হাজী সেলিম (৪০)।

থানায় মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে ঈশ্বরদী ইপিজেডের আই এইচ গার্মেন্টস কারখানা থেকে ৬ ট্রাক ঝুট ক্রয় করে জিয়াউল হাসান বিপ্লব। ওজন করানোর জন্য সেখান থেকে ট্রাক ৬টি আনা হয় পাকশীর দিয়াড় বাঘইল এলাকার বাবু মন্ডলের বিডি স্কেলে । এ সময় ছিনতাইকারীরা এসে বিপ্লবের কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে ট্রাক নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেয়। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা বিপ্লবের পকেটে থাকা ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা জোর করে ছিনিয়ে নেয়। এরপর তারা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ঝুটবোঝাই দুটি ট্রাক নিয়ে চলে যায়। দুটি ট্রাকবোঝাই ঝুটের মূল্য ৪ লাখ টাকা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এদিকে গোয়েন্দা পুলিশ মঙ্গলবার রাতেই অভিযান চালিয়ে ঝুটসহ ট্রাক দুটি উদ্ধার করে। 

পাবনা ডিবি পুলিশের ইনচার্জ মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, 'এটি একটি  ডাকাতির ঘটনা।  ১০-১২ জনের একটি দল পরিকল্পনা করে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ড্রাইভার, হেলপার, মালামালসহ ট্রাক দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।'

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, 'এ ঘটনায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।'

জাহাঙ্গীর হোসেন/তামান্না রুপা/

বন্ধ হল কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:০১ এএম
আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২১ এএম
বন্ধ হল কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট
বন্ধ হল ১৬ জলকপাট। ছবি: খবরের কাগজ

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (কপাবিকে) স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট খোলা রাখার পর তা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১১টায় কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমানায় নেমে আসায় সবগুলো জলকপাট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মূলত ৪ জুলাই বিকেল থেকে টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় উজানে বন্যা দেখা দেয়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ বাঁধের জলকপাট খুলে দিয়ে পানি অপসারণ শুরু করেন। তবে এখন বৃষ্টিপাত কমে আসায় পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমায় নেমে আসায় স্পিলওয়ের এসব জলকপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন কর্তৃপক্ষ।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার রাত এগারোটায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা পরিমাপ করা হয় ১০৩ দশমিক দুই ছয় ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। ১০৯ ফুট এমএসএল ধারণক্ষম কাপ্তাই বাঁধের বিপদসীমা ধরা হয় ১০৮ দশমিক পাঁচ শূন্য ফুট এমএসএল। তবে দেশের একমাত্র এই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকায় প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি হ্রদ থেকে অপসারণ হচ্ছে। আর এতে উৎপাদিত ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা আপাতত নিরাপদ সীমায় আসায় কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পানির স্তর আবার বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জিয়াউর রহমান জুয়েল/তামান্না রুপা/