ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে? চোখের জলে শেষ হলো রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ মুহূর্তের গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন, পর্তুগালের বিদায় প্রথমার্ধে গোলশূন্য পর্তুগাল-স্পেন বালোগুনকে আটকাতে পারল না বেলজিয়াম, আবেদন নাকচ ফিফার পর্তুগাল-স্পেনের একাদশ ঘোষণা বালোগুনের পর এবার ওলিসে, ফিফার দ্বারস্থ ফ্রান্স পর্তুগাল-স্পেন ম্যাচে কে জিতবে, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গ্রামসরকার গঠন করলে নেতৃত্ব বিকশিত হবে: মির্জা ফখরুল মিরপুরে অফিসার্স কোয়ার্টারে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ টন জিরা আমদানি ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু নওগাঁয় মানত পূরণে সাঁতরে নদী পার হতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল ছেলে ৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট আফগানিস্তানের উন্নয়নে নারী-পুরুষ সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ তুরস্ককে এফ-৩৫ না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নেতানিয়াহুর আহ্বান জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড বিশ্বে জাহাজভাঙা শিল্পে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার: পাটমন্ত্রী তানধান ডিপিটি রিনিউয়েবল ডিভিশনের সৌর ও লিথিয়াম পাওয়ার সলিউশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সূচনা বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাইকা প্রেসিডেন্ট চলতি বছরে সুদানে অন্তত ৩৩০ শিশু হতাহত: জাতিসংঘ জুলাইয়ের প্রথম পাঁচদিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পাহাড়ধসের শঙ্কা: রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরতে মাইকিং নাটোরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে হিন্দু যুবক কারাগারে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রের বিষপান

নারীর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আফরোজা পারভীনের পডকাস্ট

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩০ পিএম
আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩২ পিএম
নারীর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আফরোজা পারভীনের পডকাস্ট

আফরোজা পারভীন দেশের একজন খ্যাতনামা সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তা। নারীদের সৌন্দর্যচর্চা সেবা কেন্দ্র রেড বিউটি স্যালনের তিনি ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এ ছাড়াও তিনি নারীদের উন্নয়নে প্রতিষ্ঠা করেছেন উজ্জ্বলা ফাউন্ডেশন। উজ্জ্বলা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি দেশের বিউটি ও গ্রুমিং সেক্টরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। 

সম্প্রতি তিনি পডকাস্টের মাধ্যমে নারীদের জন্য নিয়ে আসছেন নতুন বার্তা। আফরোজা পারভীন বলেন, ‘বহুদিন ধরে আমি দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নারীদের নিয়ে কাজ করছি। এই কাজ করতে গিয়েই অনুভব করলাম, আমাদের দেশে মানুষ তার শরীরে অসুখ হলে চিকিৎসা নিলেও মনের ব্যাপারে একদমই অসচেতন। বিশেষ করে নারীরা। অথচ আমাদের সুস্থ থাকতে, যেকোনো কাজে নিজেকে দক্ষ প্রমাণ করতে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা খুব জরুরি। পডকাস্টে আমরা নারীদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে কথা বলব। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমাদের নারীরা প্রায় পতিটি সেক্টরেই নিজেদের দক্ষ প্রমাণ করেছেন।

প্রায় প্রত্যেক সেক্টরে কাজও করছেন। তবু ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে, কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ কমছে। এর পেছনে নানা কারণ রয়েছে। যেমন- যাতায়াতব্যবস্থা নারীবান্ধব না হওয়া, কর্মক্ষেত্রে নানাভাবে হয়রানি, ধর্মের দোহাই দিয়ে নারীদের আটকে দেওয়া। এসব হয়রানির জন্য শুধু যে পুরুষ দায়ী, তা-ও কিন্তু না। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে নারীরাও নারীদের টেনে ধরছেন, কটাক্ষ করছেন, তাদের চলার পথে নানা রকম বাধার সৃষ্টি করছেন।

আমরা এসব বিষয় নিয়ে কথা বলব। অনেক সময় দেখা যায়, একজন নারী তার চারপাশের পরিবেশের কারণে মানসিক শক্তি হারিয়ে ফেলেন। হয়তো অল্পবয়সে তারও স্বপ্ন ছিল নিজের পায়ে দাঁড়ানোর, স্বাবলম্বী হয়ে পরিবার ও দেশের জন্য কিছু করার। অথচ সেই নারীই পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণে তার সেই ইচ্ছা থেকে দূরে সরে যান। বিষণ্ণতায় ভোগেন। অথচ সময়মতো কাউন্সেলিং নিলে তিনি মানসিকভাবে সুস্থ হবেন, মনের জোর বাড়বে। আমরা এই কাজটিই করতে চাই।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘অনুষ্ঠানে প্রতি পর্বে আমার সঙ্গে একজন করে বিশেষজ্ঞ অতিথি থাকছেন। বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত নারীদের অভিজ্ঞতাও শুনব আমরা অনুষ্ঠানে। শুনব তাদের সাফল্যের গল্পটা, যা অন্য নারীদের উৎসাহিত করবে। আবার ভুক্তভোগীরাও আসতে পারবেন আমাদের শোতে।’আফরোজা পারভীন বলেন, ‘পাশাপাশি শিশুদের জন্যও আমরা কাজ করব। আমাদের শিশুরাও নানা রকম মানসিক সমস্যায় ভোগে, যা আমরা গুরুত্ব দিই না।

একটি শিশু বেড়ে ওঠার জন্য তার অনুকূল পরিবেশ খুব বেশি পায় না। অনেক সময় সহপাঠীদের দ্বারা বুলিংয়ের শিকার হয়, শিক্ষকের সঙ্গে সহজ হতে না পারা, এমনকি পরিবারেও তার কথা বলার এবং শোনার পরিবেশ না থাকলে সেসব শিশুর মানসিক অবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। আমাদের শোতে শিশু, অভিভাবক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। অলোচনার মাধ্যমে তারা সমস্যার সমাধান বের করতে চেষ্টা করবেন।’ 

/রোদসী 

হোটেল আমারি ঢাকায় শুরু হলো ইন্টারন্যাশনাল লাঞ্চ বুফে

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
হোটেল আমারি ঢাকায়  শুরু হলো ইন্টারন্যাশনাল লাঞ্চ বুফে

রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল আমারি ঢাকা তাদের জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ আমায়া ফুড গ্যালারিতে নতুন আন্তর্জাতিক মধ্যাহ্নভোজ বুফে চালু করেছে। ‘লাঞ্চ লাইক অ্যা চ্যাম্পিয়ন’ শীর্ষক এই আয়োজনের মাধ্যমে অতিথিদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় নানা স্বাদের খাবার উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি এই নতুন বুফে সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক রন্ধনশৈলীর বৈচিত্র্যকে এক ছাদের নিচে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বুফেতে বিভিন্ন দেশের জনপ্রিয় খাবারের পাশাপাশি রয়েছে লাইভ রান্নার বিশেষ স্টেশন, দেশি-বিদেশি প্রিমিয়াম পদ এবং দক্ষ শেফদের তৈরি আকর্ষণীয় ডেজার্টের সমাহার।

আমারি ঢাকার অভিজ্ঞ রন্ধনশিল্পীদের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত প্রতিটি পদ অতিথিদের জন্য একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও স্মরণীয় খাবারের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়িক মধ্যাহ্নভোজ, পারিবারিক আয়োজন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এই বুফে হতে পারে একটি উপযুক্ত গন্তব্য। আন্তর্জাতিক স্বাদের বৈচিত্র্য, থাই আতিথেয়তার উষ্ণতা এবং পাঁচতারকা মানের সেবার সমন্বয়ে অতিথিদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়েই এই আয়োজন সাজানো হয়েছে।

নতুন এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে আমারি ঢাকার এক মুখপাত্র বলেন, “আমরা সবসময় এমন ডাইনিং অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চাই, যা মানুষকে একত্রিত করে এবং স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করে। এই নতুন মধ্যাহ্নভোজ বুফের মাধ্যমে অতিথিরা আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন খাবার, সরাসরি রান্নার অভিজ্ঞতা এবং আমাদের বিশেষ আতিথেয়তার সমন্বয় উপভোগ করতে পারবেন। আমরা আশা করি, এটি রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় মধ্যাহ্নভোজ গন্তব্যে পরিণত হবে।”

নতুন বুফে সেবার উদ্বোধন উপলক্ষে আমারি ঢাকা একটি বিশেষ মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং জীবনধারাবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বুফের বিভিন্ন পদ উপভোগের পাশাপাশি নতুন এই আয়োজন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পান।

এ ছাড়া উদ্বোধন উপলক্ষে নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় ও আকর্ষণীয় সুবিধার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

/এমটি 

 

 

পদ্মফুলের গল্পে ভিজুক বর্ষা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
পদ্মফুলের গল্পে ভিজুক বর্ষা

বর্ষা মানেই প্রকৃতির এক অন্যরকম রূপ। আকাশজুড়ে মেঘের আনাগোনা, টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ, সজীব সবুজ আর চারপাশে এক প্রশান্ত আবহ। এই ঋতুর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যে রংটি মিশে আছে, তা হলো নীল। মেঘলা আকাশ, বৃষ্টিভেজা প্রকৃতি এবং জলরাশির আবেশ যেন নীল রংকে আরও জীবন্ত করে তোলে। তাই বর্ষাকালে ফ্যাশনপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় নীল রঙের কামিজ, শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের ড্রেস থাকে শীর্ষে। লিখেছেন মুশফিরাত তাসকিন 


শাড়িতে বর্ষার রোমান্টিক আবেদন
বাংলাদেশের নারীদের ফ্যাশনে শাড়ির আবেদন চিরন্তন। বর্ষাকালে নীল শাড়ি যেন এক বিশেষ অনুভূতির নাম। বৃষ্টিভেজা দিনে নীল জামদানি, তাঁত, কটন বা মসলিন শাড়ি সহজেই এনে দেয় স্নিগ্ধ ও মার্জিত সৌন্দর্য। গাঢ় নীলের ওপর সাদা নকশা কিংবা আকাশি নীলের সঙ্গে রুপালি কাজের শাড়ি বর্ষার আবহের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। বর্তমানে টাই-ডাই, ব্লক প্রিন্ট, বাটিক ও হ্যান্ডপেইন্ট করা নীল শাড়িও বেশ জনপ্রিয়।

নীল শাড়ির সঙ্গে রুপালি বা অক্সিডাইজড গহনা অসাধারণ মানিয়ে যায়। চাইলে মুক্তার গহনা বা ছোট্ট রুপালি কানের দুলও বেছে নেওয়া যেতে পারে। মেকআপে হালকা বেস, কাজল এবং ন্যুড লিপস্টিক রাখলে পুরো লুকটি হয়ে ওঠে আরও পরিশীলিত।


বর্ষার ফ্যাশনে কাপড় নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ
বর্ষাকালে ফ্যাশনের পাশাপাশি আরামকেও গুরুত্ব দিতে হয়। এ সময় ভারী কাপড় এড়িয়ে হালকা ও দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন কাপড় বেছে নেওয়া ভালো। কটন ব্লেন্ড, লিনেন, রেয়ন বা সফট ভিসকসের পোশাক আর্দ্র আবহাওয়ায় বেশি স্বস্তিদায়ক। অতিরিক্ত লম্বা পোশাক বা খুব ভারী ঘেরযুক্ত ডিজাইন বৃষ্টির দিনে কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে। তাই পোশাক নির্বাচনের সময় ব্যবহারিক দিকটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

নীলের সঙ্গে মানানসই অনুষঙ্গ
নীল পোশাকের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে সঠিক অনুষঙ্গ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। নীল কামিজ, শাড়ি বা ড্রেসের সঙ্গে সাদা, রুপালি, বেইজ বা ধূসর রঙের ব্যাগ ও জুতা দারুণ মানিয়ে যায়। গহনার ক্ষেত্রে অক্সিডাইজড সিলভার, মুক্তা বা মিনিমাল ডিজাইনের অলংকার লুকে আনে আভিজাত্য। বর্ষাকালে ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট স্যান্ডেল বা আরামদায়ক ব্লক হিল ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলের সাজে খোঁপা, পনিটেইল বা খোলা চুলের সঙ্গে সাদা কদম ফুল কিংবা ছোট্ট ফ্লোরাল হেয়ার অ্যাকসেসরি যোগ করলে সাজে ফুটে উঠবে বর্ষার স্নিগ্ধ আবহ।


বর্ষার ফ্যাশনে চিরন্তন নীল
বর্ষা ও নীল যেন একে অপরের পরিপূরক। মেঘলা আকাশ, বৃষ্টির ধারা আর প্রকৃতির সজীবতার সঙ্গে নীল রঙের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। তাই প্রতি বর্ষাতেই ফ্যাশনে নতুন করে ফিরে আসে আকাশি, টারকোয়েজ, রয়্যাল ব্লু কিংবা নেভি ব্লুর মতো নানা শেড।
ফ্যাশনের ধারা বদলালেও নীলের আবেদন কখনো ফুরায় না। স্নিগ্ধতা, আভিজাত্য ও স্বাচ্ছন্দ্যের অনন্য মিশেলে নীল রঙের কামিজ, শাড়ি বা ড্রেস বর্ষার ফ্যাশনে সব সময়ই থাকে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। তাই এই মৌসুমে নীল হতে পারে আপনার স্টাইলের সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ।


পদ্মফুল ও বৃষ্টির ছন্দে রঙ বাংলাদেশের বর্ষা সংগ্রহ
জলজ বাংলার সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক পদ্ম। পবিত্রতা, মমতা ও প্রেমের প্রতীক হিসেবে যুগ যুগ ধরে পদ্মফুল স্থান পেয়েছে বাঙালির সাহিত্য, সংগীত ও লোকজ ঐতিহ্যে। আর শান্ত জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে যে মৃদু তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাতেও যেন ধরা দেয় বর্ষার নিজস্ব ছন্দ। প্রকৃতির এই দুই অনন্য অনুষঙ্গ পদ্মফুল এবং জলে বৃষ্টির ফোঁটার অপূর্ব দৃশ্য এবার পোশাকের নকশায় রূপ দিয়েছে রঙ বাংলাদেশ।

বর্ষা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে এসেছে পদ্মফুলের নান্দনিকতা এবং জলে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার মুহূর্ত থেকে অনুপ্রাণিত শাড়ি ও পাঞ্জাবির বিশেষ ম্যাচিং সংগ্রহ। জলরঙের মতো কোমল রঙ, পদ্মের পাপড়ির সূক্ষ্ম বিন্যাস এবং জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার ছন্দময় বৃত্ত—সব মিলিয়ে প্রতিটি পোশাক যেন হয়ে উঠেছে একেকটি জীবন্ত ক্যানভাস।

বাংলার বর্ষা শুধু প্রকৃতির নয়, সম্পর্কেরও ঋতু। এক ছাতার নিচে পাশাপাশি হাঁটা, হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কিংবা বিকেলের চায়ের আড্ডা এসব ছোট ছোট মুহূর্তেই জমে থাকে ভালোবাসার গল্প। সেই গল্পগুলোকে আরও রঙিন করে তুলতেই রঙ বাংলাদেশের এবারের আয়োজন। শাড়ি ও পাঞ্জাবির এই ম্যাচিং সিরিজে রয়েছে দম্পতিদের জন্য বিশেষ নকশা, যেখানে পদ্মফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলের বুকে বৃষ্টির ফোঁটার সৃষ্ট বৃত্তাকার তরঙ্গও উঠে এসেছে সূক্ষ্ম মোটিফ ও অলংকরণে। ঐতিহ্য ও সমকালীন রুচির মেলবন্ধনে ফুটে উঠেছে বাংলার নিজস্ব বর্ষার রূপ।

আরামদায়ক কাপড়, পরিমিত রঙের ব্যবহার এবং সূক্ষ্ম নকশার সমন্বয়ে তৈরি এই সংগ্রহে রয়েছে বর্ষার মায়া, বাংলার প্রকৃতি এবং ভালোবাসার কোমল স্পর্শ। পরিবারের সঙ্গে কিংবা প্রিয় মানুষটির হাত ধরে বর্ষাকে উদযাপন করার জন্য এই সংগ্রহ হতে পারে অনন্য এক সঙ্গী।

নতুন সংগ্রহটি পাওয়া যাচ্ছে দেশের সকল রঙ বাংলাদেশ আউটলেট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। ঘরে বসে কেনাকাটার জন্য রয়েছে www.rang-bd.com এবং  রঙ বাংলাদেশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ।

শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
শোবার ঘর হোক শান্ত ও আরামদায়ক

ব্যস্ত দিনের শেষে মানুষ যে জায়গাটিতে ফিরে এসে স্বস্তি খোঁজে, সেটি হলো শোবার ঘর। একটি শান্ত, পরিপাটি ও আরামদায়ক শোবার ঘর শুধু ঘুমের মানই উন্নত করে না, মানসিক প্রশান্তি ও কর্মক্ষমতাও বাড়ায়। তাই শোবার ঘর সাজাতে শুধু সৌন্দর্য নয়, গুরুত্ব দিতে হবে আরাম, পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক পরিকল্পনায়। লিখেছেন রোদসী 

রঙের সঠিক ব্যবহার
শোবার ঘরের পরিবেশ তৈরিতে রঙের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উজ্জ্বল এবং চড়া রঙের পরিবর্তে হালকা ও নরম শেড যেমন অফ-হোয়াইট, হালকা নীল, প্যাস্টেল সবুজ, ল্যাভেন্ডার কিংবা হালকা ধূসর ব্যবহার করলে ঘরে এক ধরনের প্রশান্ত ভাব তৈরি হয়। এসব রং চোখকে আরাম দেয় এবং মনকে স্থির রাখতে সাহায্য করে। দেয়াল, পর্দা ও বিছানার চাদরে মিল রেখে রং নির্বাচন করলে ঘরটি আরও পরিপাটি ও নান্দনিক দেখায়।

সঠিক আলো ব্যবস্থাপনা
আলো শোবার ঘরের আবহ তৈরির অন্যতম উপাদান। খুব বেশি উজ্জ্বল আলো ঘুমের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে। তাই সাদা তীব্র আলো বাদ দিয়ে উষ্ণ ও নরম আলো ব্যবহার করা ভালো। বেডসাইড ল্যাম্প, ডিম লাইট বা ওয়াল লাইট ব্যবহার করলে ঘরে একটি কোমল পরিবেশ তৈরি হয়। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো প্রবেশের সুযোগ রাখা উচিত। জানালায় হালকা পর্দা ব্যবহার করলে আলো নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। 

আরামদায়ক বিছানা ও সঠিক আসবাব
শোবার ঘরের মূল আকর্ষণ হলো বিছানা। আরামদায়ক ম্যাট্রেস, নরম কিন্তু সাপোর্টিভ বালিশ এবং মানসম্মত চাদর ঘুমের মান উন্নত করে। বিছানার উচ্চতা, আকার ও অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাঝামাঝি বা দেয়ালের পাশে সঠিকভাবে বিছানা স্থাপন করলে চলাচলে সুবিধা হয়। অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কমিয়ে ঘরকে খোলামেলা রাখা উচিত। বেশি আসবাব ঘরকে ভারী ও অগোছালো করে তোলে, যা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। প্রয়োজনীয় একটি ওয়ারড্রোব, ছোট ড্রেসিং টেবিল বা সাইড টেবিল যথেষ্ট।

পরিচ্ছন্নতা ও গুছিয়ে রাখা
পরিচ্ছন্ন ঘর মানেই মানসিক স্বস্তি। বিছানা, টেবিল বা মেঝেতে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমিয়ে না রেখে নির্দিষ্ট স্থানে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিদিন সকালে বিছানা গুছিয়ে রাখা এবং নিয়মিত ঝাড়পোঁছ করলে ঘর সতেজ থাকে। অগোছালো পরিবেশ ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই বই, পোশাক বা ব্যক্তিগত সামগ্রী আলাদা বক্স বা ড্রয়ারে সংরক্ষণ করা ভালো। চাইলে মিনিমালিস্ট স্টাইল অনুসরণ করে কম জিনিসে ঘর সাজানো যেতে পারে।

শব্দ ও গন্ধ নিয়ন্ত্রণ
শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে শব্দ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বাইরে থেকে শব্দ বেশি এলে ভারী পর্দা বা সাউন্ডপ্রুফিং উপকরণ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে নরম সংগীত বা হালকা প্রাকৃতিক শব্দ ঘুমে সহায়ক হতে পারে। সুগন্ধিও ঘরের পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।হালকা সুগন্ধি মোমবাতি, রুম ফ্রেশনার বা প্রাকৃতিক ফুল ব্যবহার করলে ঘর আরও সতেজ লাগে। তবে অতিরিক্ত তীব্র গন্ধ এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত রাখা
শোবার ঘরে টেলিভিশন, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখের ওপর চাপ পড়ে। তাই শোবার ঘরকে প্রযুক্তিমুক্ত বা কম প্রযুক্তিনির্ভর রাখার চেষ্টা করা উচিত। ঘুমের অন্তত ৩০ মিনিট আগে মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করলে ভালো ঘুম নিশ্চিত করা সহজ হয়।

ব্যক্তিগত স্পর্শ
শোবার ঘর যেন আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন হয়। তাই সাজসজ্জায় এমন উপাদান রাখুন, যা আপনাকে স্বস্তি দেয় এবং আপনার পরিচয় বহন করে। পরিবারের ছবি, প্রিয় কোনো মুহূর্তের ফ্রেম বা ছোট শিল্পকর্ম ঘরে উষ্ণতা যোগ করে। যারা বই পড়তে ভালোবাসেন, তারা বেডসাইডে কয়েকটি প্রিয় বই রাখতে পারেন। এতে নান্দনিকতা যেমন বাড়ে, তেমনি ঘুমের আগে পড়ার অভ্যাসও তৈরি হয়। এ ছাড়া ছোট টবের মানিপ্ল্যান্ট বা সাকুলেন্টের মতো ইনডোর গাছ ঘরে সতেজতা আনে। তবে সবকিছুই সীমিত ও গুছিয়ে রাখাই মূল কথা। তাহলেই শোবার ঘর হয়ে উঠবে আরামদায়ক ও আপন।

 

মাছির উপদ্রব কমাতে

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০২ পিএম
মাছির উপদ্রব কমাতে

ঘরের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে মাছির উপদ্রব একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় মাছির সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়; যা শুধু বিরক্তির কারণই নয়, বরং বিভিন্ন রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকিও বাড়ায়। খাবার ও বসবাসের জায়গা নিরাপদ রাখতে তাই মাছি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। লিখেছেন রোদসী 

পরিচ্ছন্ন পরিবেশই প্রথম প্রতিরোধ
মাছির উপদ্রব কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা। খোলা খাবার, ময়লা-আবর্জনা কিংবা অপরিষ্কার রান্নাঘর মাছিকে সহজেই আকৃষ্ট করে। তাই খাবার সব সময় ঢেকে রাখা এবং রান্নার পরপরই টেবিল ও রান্নাঘরের স্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ডাস্টবিন নিয়মিত খালি করা এবং ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়ি ব্যবহার করলে মাছির বংশবিস্তার অনেকটাই কমে যায়। 

রান্নাঘর ও খাবার সংরক্ষণে সতর্কতা
মাছি সাধারণত খাবারের গন্ধে দ্রুত আসে। তাই রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় খোলা অবস্থায় রাখা উচিত নয়। ফলমূল, মিষ্টি বা রান্না করা খাবার ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ করলে মাছি আসার ঝুঁকি কমে। বিশেষ করে ঈদ বা পারিবারিক আয়োজনের সময় খাবার বেশি প্রস্তুত করা হলে এ বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

প্রাকৃতিক উপায়ে মাছি নিয়ন্ত্রণ
রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহারের পাশাপাশি কিছু প্রাকৃতিক উপায়ও মাছি দূরে রাখতে কার্যকর। লেবু ও লবঙ্গ একসঙ্গে রেখে দিলে তার গন্ধ মাছি দূরে রাখতে সাহায্য করে। তেজপাতা, তুলসী বা পুদিনা পাতার গন্ধও মাছির জন্য অপছন্দের। জানালার পাশে এসব প্রাকৃতিক উপাদান রাখা যেতে পারে। এছাড়া ভিনেগার বা লেবুর রস মিশ্রিত পানি দিয়ে রান্নাঘর পরিষ্কার করলে পরিবেশ সতেজ থাকে এবং মাছির উপস্থিতি কমে। 

দরজা-জানালায় সুরক্ষা ব্যবস্থা
ঘরে মাছি প্রবেশের অন্যতম পথ হলো খোলা দরজা ও জানালা। তাই জানালায় নেট বা জালি ব্যবহার করা একটি কার্যকর সমাধান। দিনের বেলায় আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ রেখেও মাছি প্রতিরোধ করা সম্ভব। দরজার সামনে পর্দা বা এয়ার কার্টেন ব্যবহারের মাধ্যমেও মাছির প্রবেশ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

আশপাশের পরিবেশের যত্ন
শুধু ঘরের ভেতর নয়, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। জমে থাকা পানি, খোলা ড্রেন বা আবর্জনার স্তূপ মাছির বংশবিস্তারের প্রধান স্থান। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে মাছির সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসে।

রান্নাঘরের তেল চিটচিটে ভাব দূর করতে

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
রান্নাঘরের তেল চিটচিটে ভাব দূর করতে

রান্নাঘর বাসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিদিনের রান্নাবান্না, খাবার প্রস্তুত এবং নানা ব্যবহারের কারণে এ জায়গাটি দ্রুত নোংরা হয়ে যায়। সময়মতো পরিষ্কার না করলে এটি শুধু দেখতে খারাপ লাগে না, বরং দুর্গন্ধ, জীবাণু এবং পোকামাকড়ের সমস্যাও বাড়াতে পারে। তাই রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখতে নিয়মিত তেল চিটচিটে ভাব দূর করা জরুরি। লিখেছেন রোদসী 

কেন জমে তেল চিটচিটে ভাব
রান্নার সময় তেল, মসলা ও বাষ্প বাতাসে ছড়িয়ে আশপাশের দেয়াল, তাক, চুলা কিংবা ক্যাবিনেটে জমে যায়। ধুলাবালির সঙ্গে মিশে তা আরও আঠালো হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ভাজাপোড়া বেশি হলে এ সমস্যা দ্রুত দেখা দেয়। অনেক সময় শুধু শুকনো কাপড় দিয়ে মুছলে এটি ওঠে না, বরং আরও ছড়িয়ে যায়। 

গরম পানি ও সাবানের সহজ সমাধান
রান্নাঘরের হালকা তেলচিটে ভাব দূর করতে গরম পানির সঙ্গে লিকুইড সাবান মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। একটি কাপড়ে সেই পানি লাগিয়ে চুলা, টাইলস বা কাউন্টার মুছে নিন। গরম পানি তেল আলগা করতে সাহায্য করে এবং সাবান ময়লা সহজে তুলে ফেলে। পরে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিলে জায়গাটি ঝকঝকে দেখাবে।

বেকিং সোডা ও ভিনেগার
জেদি তেলচিটে দাগ দূর করতে বেকিং সোডা ও ভিনেগার কার্যকর উপায় হতে পারে। প্রথমে জায়গাটিতে বেকিং সোডা ছিটিয়ে দিন, এরপর সামান্য ভিনেগার স্প্রে করুন। কয়েক মিনিট রেখে নরম স্পঞ্জ বা ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করুন। এতে জমে থাকা তেল ও দাগ সহজে উঠে আসে।

লেবুর ব্যবহার
লেবু প্রাকৃতিক ক্লিনার হিসেবে বেশ উপকারী। এর অ্যাসিডিক উপাদান তেল কাটতে সাহায্য করে এবং দুর্গন্ধও দূর করে। একটি লেবু কেটে সরাসরি তেলচিটে স্থানে ঘষতে পারেন অথবা লেবুর রস গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে রান্নাঘরে সতেজ ঘ্রাণও থাকবে।

ক্যাবিনেট ও কাঠের অংশ পরিষ্কার করবেন যেভাবে
কাঠের ক্যাবিনেট বা তাক পরিষ্কারে বেশি পানি ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে কাঠ নষ্ট হতে পারে। হালকা ভেজা কাপড়ে সাবান পানি লাগিয়ে মুছে নিন, তার পর সঙ্গে সঙ্গে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। চাইলে অল্প ভিনেগার মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা যেতে পারেন।

চুলা ও এক্সহস্ট ফ্যান পরিষ্কার রাখুন
চুলার ওপর সবচেয়ে বেশি তেল জমে। রান্না শেষে চুলা ঠাণ্ডা হলে প্রতিদিন মুছে ফেললে দাগ শক্ত হবে না। এক্সহস্ট ফ্যানেও দ্রুত তেল জমে যায়। মাসে অন্তত একবার ফ্যানের ফিল্টার খুলে গরম পানি ও ডিটারজেন্টে ভিজিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। 

প্রতিদিনের ছোট অভ্যাসে মিলবে বড় ফল
রান্নাঘর সবসময় পরিষ্কার রাখতে কিছু ছোট অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন-
•    রান্না শেষে চুলা ও কাউন্টার মুছে রাখুন
•    সপ্তাহে এক দিন টাইলস ও দেয়াল পরিষ্কার করুন
•    ভাজাপোড়া করার সময় ঢাকনা ব্যবহার করুন
•    এক্সহস্ট ফ্যান চালু রাখুন
•    ময়লা কাপড় বা স্পঞ্জ নিয়মিত ধুয়ে নিন