ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বালোগুনের পর এবার ওলিসে, ফিফার দ্বারস্থ ফ্রান্স পর্তুগাল-স্পেন ম্যাচে কে জিতবে, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গ্রামসরকার গঠন করলে নেতৃত্ব বিকশিত হবে: মির্জা ফখরুল মিরপুরে অফিসার্স কোয়ার্টারে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩ টন জিরা আমদানি ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু নওগাঁয় মানত পূরণে সাঁতরে নদী পার হতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল ছেলে ৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট আফগানিস্তানের উন্নয়নে নারী-পুরুষ সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ তুরস্ককে এফ-৩৫ না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নেতানিয়াহুর আহ্বান জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড বিশ্বে জাহাজভাঙা শিল্পে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার: পাটমন্ত্রী তানধান ডিপিটি রিনিউয়েবল ডিভিশনের সৌর ও লিথিয়াম পাওয়ার সলিউশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সূচনা বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাইকা প্রেসিডেন্ট চলতি বছরে সুদানে অন্তত ৩৩০ শিশু হতাহত: জাতিসংঘ জুলাইয়ের প্রথম পাঁচদিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পাহাড়ধসের শঙ্কা: রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরতে মাইকিং নাটোরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে হিন্দু যুবক কারাগারে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রের বিষপান চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু ২৫ বছর পূর্তিতে দেশের সবচেয়ে ইমপ্যাক্টফুল ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে ব্র্যাক ব্যাংকের সম্মাননা নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি বৈষম্য-সহিংসতা প্রতিরোধে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা জরুরি: ডেপুটি স্পিকার পাকুন্দিয়ায় বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জনের মৃত্যু চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে নিখোঁজ কলেজ শিক্ষার্থী বাংলাদেশি সিনেমায় যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ

৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট
মাইক্রোসফট অফিস। ছবি: সংগৃহীত

ব্যয় সংকোচন এবং এক্সবক্স গেমিং বিভাগে বড় ধরনের পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। এ সংখ্যা প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক কর্মীর প্রায় ২ শতাংশ।

সোমবার (৬ জুলাই) মাইক্রোসফট জানায়, ছাঁটাইয়ের অংশ হিসেবে এক্সবক্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে গেমিং বিভাগ থেকে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কর্মী ছাঁটাই করা হবে। পাশাপাশি চারটি গেম স্টুডিওকে পৃথক করা বা বিক্রি করা হবে এবং আরও একটি স্টুডিওকে পর্যালোচনার আওতায় আনা হয়েছে, যার পরিণতিতে সেটি বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিপুল বিনিয়োগের মধ্যে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক গণছাঁটাইয়ের সর্বশেষ পদক্ষেপ এটি। এআই-সক্ষম ডেটা সেন্টার ও কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বর্তমানে কয়েক দশমিক বিলিয়ন (কয়েক হাজার কোটি) মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে।

মাইক্রোসফটের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যামি কোলম্যান সব কর্মীর উদ্দেশে পাঠানো এক বার্তায় বলেন, ‘আমাদের চারপাশের বিশ্ব যেমন বদলাচ্ছে, তেমনি আমাদের ব্যবসাও বদলাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান তার শিল্পখাত পরিবর্তিত হবে কি না, তা নির্ধারণ করতে পারে না। তবে সেই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে বদলাবে কি না, তা নির্ধারণ করতে পারে।’

কোলম্যান জানান, ছাঁটাইয়ের বড় অংশই মাইক্রোসফটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং এক্সবক্স বিভাগে হয়েছে। বাদ দেওয়া পদগুলো ‘এআই দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে না’। তবে তিনি স্বীকার করেন, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানজুড়ে কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে।

বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে ঘোষিত ২৫০ কোটি (২ দশমিক ৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৬ হাজার প্রকৌশলীকে বিভিন্ন করপোরেট গ্রাহক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত করা হবে, যাতে এআই প্রযুক্তি গ্রহণে অনাগ্রহী গ্রাহকদের দ্রুত উৎসাহিত করা যায়।

এক্সবক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশা শর্মা কর্মীদের উদ্দেশে পৃথক এক বার্তায় জানান, তাৎক্ষণিকভাবে এক হাজার ৬০০ কর্মী ছাঁটাই করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ছাঁটাই ২০২৭ অর্থবছর পর্যন্ত ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে।

২০২৪ সালে প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত দীর্ঘ নিয়ন্ত্রক পর্যালোচনা শেষে ৬ হাজার ৮৭০ কোটি (৬৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারে অ্যাকটিভিশন ব্লিজার্ড অধিগ্রহণের পর থেকেই এক্সবক্সে কয়েক দফা কর্মী ছাঁটাই হয়েছে।

শর্মা বলেন, এক্সবক্সের ব্যবসার বর্তমান অবস্থা ‘সুস্থ নয়’। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় এ বিভাগের মুনাফার হার ‘তিন থেকে ১০ গুণ কম’।

তিনি দীর্ঘদিনের এক্সবক্স প্রধান ফিল স্পেনসারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। স্পেনসার চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অবসর নেন। শর্মা ২০২৭ সালের মধ্যে বিভাগটিকে আবার প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ইতিহাসে এমন অনেক প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ রয়েছে, যারা দীর্ঘদিন টিকে থাকাকেই নিজেদের অবধারিত ভবিষ্যৎ বলে মনে করেছিল। আমরা তাদের মতো হতে চাই না।’

পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে চারটি স্টুডিও এক্সবক্স থেকে পৃথক হয়ে যাবে।

এর মধ্যে কমপালশন গেমস এবং ডাবল ফাইন প্রোডাকশনস স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালাবে। তারা নিজেদের মেধাস্বত্ব ও গেমের ক্যাটালগ নিজেদের কাছেই রাখবে।

অন্যদিকে নিনজা থিওরি এবং আনডেড ল্যাবস নতুন মালিকানায় যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। নতুন মালিকেরা তাদের চলমান প্রকল্পে অর্থায়ন অব্যাহত রাখবেন।

এদিকে, ফ্রান্সে আরকেইন স্টুডিওর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্মী পরিষদের (ওয়ার্কস কাউন্সিল) সঙ্গে বাধ্যতামূলক পরামর্শ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। 

শর্মার ভাষায়, সেখানে ‘সম্ভাব্য কৌশলগত বিকল্প’ পর্যালোচনা করা হবে। এ প্রক্রিয়ার ফলে স্টুডিওটি বিক্রি বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
৪,৮০০ কর্মী ছাঁটাই করছে মাইক্রোসফট
মাইক্রোসফট অফিস। ছবি: সংগৃহীত

ব্যয় সংকোচন এবং এক্সবক্স গেমিং বিভাগে বড় ধরনের পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। এ সংখ্যা প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক কর্মীর প্রায় ২ শতাংশ।

সোমবার (৬ জুলাই) মাইক্রোসফট জানায়, ছাঁটাইয়ের অংশ হিসেবে এক্সবক্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে গেমিং বিভাগ থেকে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কর্মী ছাঁটাই করা হবে। পাশাপাশি চারটি গেম স্টুডিওকে পৃথক করা বা বিক্রি করা হবে এবং আরও একটি স্টুডিওকে পর্যালোচনার আওতায় আনা হয়েছে, যার পরিণতিতে সেটি বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিপুল বিনিয়োগের মধ্যে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক গণছাঁটাইয়ের সর্বশেষ পদক্ষেপ এটি। এআই-সক্ষম ডেটা সেন্টার ও কম্পিউটিং অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বর্তমানে কয়েক দশমিক বিলিয়ন (কয়েক হাজার কোটি) মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে।

মাইক্রোসফটের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যামি কোলম্যান সব কর্মীর উদ্দেশে পাঠানো এক বার্তায় বলেন, ‘আমাদের চারপাশের বিশ্ব যেমন বদলাচ্ছে, তেমনি আমাদের ব্যবসাও বদলাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান তার শিল্পখাত পরিবর্তিত হবে কি না, তা নির্ধারণ করতে পারে না। তবে সেই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে বদলাবে কি না, তা নির্ধারণ করতে পারে।’

কোলম্যান জানান, ছাঁটাইয়ের বড় অংশই মাইক্রোসফটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং এক্সবক্স বিভাগে হয়েছে। বাদ দেওয়া পদগুলো ‘এআই দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে না’। তবে তিনি স্বীকার করেন, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানজুড়ে কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে।

বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে ঘোষিত ২৫০ কোটি (২ দশমিক ৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৬ হাজার প্রকৌশলীকে বিভিন্ন করপোরেট গ্রাহক প্রতিষ্ঠানে যুক্ত করা হবে, যাতে এআই প্রযুক্তি গ্রহণে অনাগ্রহী গ্রাহকদের দ্রুত উৎসাহিত করা যায়।

এক্সবক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশা শর্মা কর্মীদের উদ্দেশে পৃথক এক বার্তায় জানান, তাৎক্ষণিকভাবে এক হাজার ৬০০ কর্মী ছাঁটাই করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ছাঁটাই ২০২৭ অর্থবছর পর্যন্ত ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে।

২০২৪ সালে প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত দীর্ঘ নিয়ন্ত্রক পর্যালোচনা শেষে ৬ হাজার ৮৭০ কোটি (৬৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারে অ্যাকটিভিশন ব্লিজার্ড অধিগ্রহণের পর থেকেই এক্সবক্সে কয়েক দফা কর্মী ছাঁটাই হয়েছে।

শর্মা বলেন, এক্সবক্সের ব্যবসার বর্তমান অবস্থা ‘সুস্থ নয়’। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় এ বিভাগের মুনাফার হার ‘তিন থেকে ১০ গুণ কম’।

তিনি দীর্ঘদিনের এক্সবক্স প্রধান ফিল স্পেনসারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। স্পেনসার চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অবসর নেন। শর্মা ২০২৭ সালের মধ্যে বিভাগটিকে আবার প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ইতিহাসে এমন অনেক প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ রয়েছে, যারা দীর্ঘদিন টিকে থাকাকেই নিজেদের অবধারিত ভবিষ্যৎ বলে মনে করেছিল। আমরা তাদের মতো হতে চাই না।’

পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে চারটি স্টুডিও এক্সবক্স থেকে পৃথক হয়ে যাবে।

এর মধ্যে কমপালশন গেমস এবং ডাবল ফাইন প্রোডাকশনস স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালাবে। তারা নিজেদের মেধাস্বত্ব ও গেমের ক্যাটালগ নিজেদের কাছেই রাখবে।

অন্যদিকে নিনজা থিওরি এবং আনডেড ল্যাবস নতুন মালিকানায় যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। নতুন মালিকেরা তাদের চলমান প্রকল্পে অর্থায়ন অব্যাহত রাখবেন।

এদিকে, ফ্রান্সে আরকেইন স্টুডিওর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্মী পরিষদের (ওয়ার্কস কাউন্সিল) সঙ্গে বাধ্যতামূলক পরামর্শ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। 

শর্মার ভাষায়, সেখানে ‘সম্ভাব্য কৌশলগত বিকল্প’ পর্যালোচনা করা হবে। এ প্রক্রিয়ার ফলে স্টুডিওটি বিক্রি বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

আফগানিস্তানের উন্নয়নে নারী-পুরুষ সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
আফগানিস্তানের উন্নয়নে নারী-পুরুষ সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ
ছবি: সংগৃহীত

ভয়াবহ মানবিক সংকট মোকাবিলা এবং বিপুলসংখ্যক প্রত্যাবাসিত মানুষের পুনর্বাসনে আফগানিস্তানের নারী ও পুরুষ উভয়ের মেধা ও সক্ষমতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

সোমবার (৬ জুলাই) তারা বলেন, দেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমাজের সব সক্ষমতাকে কাজে লাগানো ছাড়া বিকল্প নেই।

২০২১ সালে তালেবান কাবুলে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে নারীদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং অবসর সংক্রান্ত নানা কর্মকাণ্ডের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে তাদের জনজীবনের বহু ক্ষেত্র থেকে কার্যত বাদ দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রো বলেন, ‘সব মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আমাদের হাতে থাকা সব ধরনের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে হবে। এর মধ্যে যেমন পুরুষদের মেধা রয়েছে, তেমনি নারীদের মেধাও রয়েছে।’

উত্তর আফগানিস্তানের নাহর-ই-শাহিতে সম্প্রতি দেশে ফেরা নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া একটি কার্পেট বয়নকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পাকিস্তান ও ইরান অভিবাসননীতি কঠোর করার পর এ পর্যন্ত ৬০ লাখেরও বেশি আফগান নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

দীর্ঘ কয়েক দশকের যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে এ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রত্যাবর্তনের ফলে আবাসন, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

ডি ক্রো আফগান কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মেয়ে ও নারীদের জন্য শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা হওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

তালেবান সরকার নারীদের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষার পর পড়াশোনার সুযোগ বন্ধ করা, বিভিন্ন পেশায় কাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং পার্কে প্রবেশে বাধা।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তালেবান সরকার জাতিসংঘের দপ্তরগুলোতেও নারীদের কাজ করা নিষিদ্ধ করেছে। এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে আসছে জাতিসংঘ।

আফগানিস্তর সফররত জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ এএফপিকে বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি আফগানিস্তানের মানুষের জন্য আমাদের সেবা পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতার ওপর বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছে।’

তিনি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কাবুলে তালেবান কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে জাতিসংঘের নারী কর্মীদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাবেন।

সালিহ বলেন, ‘আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য। তবে আমাদের কার্যকরভাবে সহায়তা করতে হলে সহযোগিতা ও সমন্বয় প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘এ সমাজের সম্ভাবনাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। আর এর জন্য নারী-পুরুষ, ছেলে-মেয়ে সবারই দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রাখার সুযোগ থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, নারী ও মেয়েদের অংশগ্রহণ ছাড়া আফগানিস্তানের উন্নয়ন সম্ভব নয়।

এদিকে, গত এপ্রিল মাসে প্রকাশিত জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ওপর বিধিনিষেধের কারণে আফগানিস্তানের প্রতি বছর অন্তত ৮ কোটি ৪০ লাখ (৮৪ মিলিয়ন) মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে।

এএফ/

তুরস্ককে এফ-৩৫ না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নেতানিয়াহুর আহ্বান

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম
তুরস্ককে এফ-৩৫ না দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে নেতানিয়াহুর আহ্বান
এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কের কাছে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তার দাবি, এ ধরনের বিক্রি মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান সামরিক শক্তির ভারসাম্য নষ্ট করবে।

সোমবার (৬ জুলাই) নেতানিয়াহু এ দাবি জানান।

ফক্স নিউজের সকালের অনুষ্ঠান ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি মনে করি না, তাদেরকে (তুরস্ককে) এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কিংবা তাদের যুদ্ধবিমানের জন্য ইঞ্জিন দেওয়া উচিত। কারণ এতে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হবে।

নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবারই ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

চলতি বছরে সুদানে অন্তত ৩৩০ শিশু হতাহত: জাতিসংঘ

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম
চলতি বছরে সুদানে অন্তত ৩৩০ শিশু হতাহত: জাতিসংঘ
ছবি: সংগৃহীত

সুদানে নিয়মিত সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে চলমান যুদ্ধে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে অন্তত ৩৩০ শিশু নিহত বা আহত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) এসব তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)।

খার্তুম থেকে এএফপি জানায়, ইউনিসেফের সুদানবিষয়ক প্রধান শেলডন ইয়েট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘শিশুরা তাদের নিজ বাড়িতে, সড়কে, বাজারে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সেবায় পৌঁছানোর চেষ্টা করার সময়ও নিহত ও আহত হচ্ছে।’

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে একসময়কার মিত্র সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে কয়েক কয়েক হাজার নয়, দশ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে ত্রাণকর্মীদের ধারণা, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ২ লাখেরও বেশি।

কার্যত অচলাবস্থায় পৌঁছে যাওয়া এ সংঘাতে উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে ড্রোন হামলার ওপর নির্ভর করছে।

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, শুধু চলতি বছরেই এসব হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। কর্দোফান অঞ্চলে শিশু হতাহতের প্রায় ৬০ শতাংশের জন্য দায়ী এসব ড্রোন হামলা।

উত্তর কর্দোফানের আল-ওবাইদ শহর কয়েক সপ্তাহ ধরে আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলার মুখে রয়েছে। এসব হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও বিদ্যালয়সহ বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাতিসংঘ সতর্ক করে জানিয়েছে, আরএসএফ আল-ওবাইদ শহরে বড় ধরনের প্রাণঘাতী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

সংস্থাটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে এল-ফাশের শহরে আরএসএফের হামলার সময় যে ধরনের নৃশংসতা সংঘটিত হয়েছিল, আল-ওবাইদেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। জাতিসংঘের এক তদন্তে ওই হামলায় ‘গণহত্যার সুস্পষ্ট বৈশিষ্ট্য’ পাওয়া গেছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, ‘পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে আরও বেশি শিশু মৃত্যু, আহত হওয়া, বাস্তুচ্যুতি এবং অন্যান্য গুরুতর সুরক্ষা ঝুঁকির মুখে পড়বে।’

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সুদানজুড়ে ৫০ লাখ শিশু অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। এছাড়া লাখো মানুষ খাদ্যসংকটে ভুগছে। এর মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী ৮ লাখ ২৫ হাজারের বেশি শিশু তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত।

এএফ/

দক্ষিণ ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ দাবানল, ঘরবাড়ি ছেড়েছেন হাজারো মানুষ

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:০০ পিএম
দক্ষিণ ইউরোপজুড়ে ভয়াবহ দাবানল, ঘরবাড়ি ছেড়েছেন হাজারো মানুষ
দাবানলের আগুনের ধোঁয়া। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে হাজারো মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দাবানলের ভয়াবহতা আগের চেয়েও বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে বিখ্যাত ট্যুর দ্য ফ্রান্স সাইকেল প্রতিযোগিতার একটি ধাপে দর্শক প্রবেশও নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স ও গ্রিসে কয়েক শত দমকলকর্মী দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। এসব আগুনে ১৯ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমি পুড়ে গেছে। এর আয়তন নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের দ্বিগুণেরও বেশি।

এরই মধ্যে আবারও তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অঞ্চলের কয়েকটি স্থানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। সম্প্রতি রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের ধাক্কা এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি এই অঞ্চল।

ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পেরপিনিয়াঁ শহরের কাছে দুর্গম এলাকায় ছড়িয়ে পড়া ‘বিশাল’ দাবানল নিয়ন্ত্রণে ৭০০ দমকলকর্মী এবং বিশেষায়িত বিমান কাজ করছে। এ ঘটনায় ১০ হাজারের বেশি স্থানীয় বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রবল বাতাস, তীব্র গরম এবং অস্বাভাবিক শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে রবিবার ভোরের পর থেকে আগুনের বিস্তার প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। এতে ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। আহত হয়েছেন একজন দমকলকর্মী ও একজন স্থানীয় বাসিন্দা।

নিজের পদবি প্রকাশে অনিচ্ছুক ত্রেভিয়াখ গ্রামের ৫৩ বছর বয়সী বাসিন্দা পাত্রিস বলেন, ‘আগুন বাড়িঘর থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে চলে আসে। এত দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়বে, তা কল্পনাও করিনি। পরিস্থিতি আতঙ্কের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।’

৩০ বছর বয়সী শার্লট পিনিওল বলেন, রবিবার ভোরে যাদের প্রথমে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তিনি তাদের একজন।

তিনি বলেন, ‘রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধোঁয়া দেখতে পাই। এরপর ধীরে ধীরে তা আমাদের আরও কাছে চলে আসে। রাত ১টার দিকে সিটি হলের একজন এসে দরজায় কড়া নেড়ে আমাদের চলে যেতে বলেন।’

গত জুনের ভয়াবহ তাপপ্রবাহের পরপরই এই দাবানল দেখা দিল। এটি ছিল ইউরোপের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ তাপপ্রবাহ। এতে অতিরিক্ত কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিজ্ঞানীদের সংগঠন ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন জানায়, জলবায়ু পরিবর্তন না হলে এমন তাপপ্রবাহ ‘প্রায় অসম্ভব’ ছিল।

আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ বলছে, এ বছরের গ্রীষ্মকালীন দাবানলের মৌসুম স্বাভাবিক সময়ের এক মাস আগেই শুরু হয়েছে।

ফরাসি ফায়ার সার্ভিসের কর্নেল এরিক বেলজিওইনো বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন এখন বাস্তবতা। আমরা এর পরিণতি ভোগ করছি। অথচ জুলাই মাসের শুরুই মাত্র।’

পিরেনিজ পর্বতমালার কাছে দাবানল এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দাবানলের বিরুদ্ধে লড়াই করা সদস্যদের জন্য মৌসুমটি দীর্ঘ হবে। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন।’

এদিকে, ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার পিরেনিজ অঞ্চলে অনুষ্ঠিত ট্যুর দ্য ফ্রান্স সাইকেল প্রতিযোগিতার তৃতীয় ধাপ দর্শক ছাড়া আয়োজন করা হবে।

প্রতিযোগিতার এ ধাপে সাইক্লিস্টরা সোমবার স্পেন থেকে ফ্রান্সে প্রবেশ করবেন। আঞ্চলিক প্রিফেক্ট পিয়ের রেনো দ্য লা মোথ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফ্রান্সের অংশে শুধু প্রতিযোগী সাইক্লিস্ট এবং প্রতিযোগিতা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহন চলাচল করবে।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে রেসের পথ কিংবা গন্তব্যস্থলের কাছে না যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। অর্থাৎ, দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, অন্তত ফ্রান্সের অংশে এবার ট্যুর দ্য ফ্রান্স দর্শকশূন্যভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।’

অপরদিকে, গ্রিসে সপ্তাহের শেষে উত্তরাঞ্চলীয় থেসালোনিকিতে বনাঞ্চলের আগুন ছড়িয়ে পড়ে দু’টি কারখানায়। এতে আশপাশের এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি বাসিন্দাদের জানালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্পেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোস্তা ব্রাভা উপকূলের কাছে লাগা আগুন দুই দিনে ২ হাজার ২০০ হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়িয়ে দিয়েছে। দমকল বাহিনী জানায়, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং আগুনের ভেতরে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা স্থানের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ আরও কঠিন হবে।

পর্তুগালে জরুরি সেবা বিভাগ জানায়, দেশটির উত্তরাঞ্চলে প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর বন ও ঝোপঝাড় ধ্বংস করা দাবানলের প্রায় ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে।

এ ছাড়া ক্রোয়েশিয়ার হভার দ্বীপ ও আলবেনিয়ার তালে এলাকায় বড় ধরণের দাবানলে কয়েক শত হেক্টর বন, আঙুরখেত ও ঝোপঝাড় পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পর্তুগাল, স্পেন ও দক্ষিণ ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েক দিনের জন্য তাপপ্রবাহ সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা জানান, সোমবার শুরু হওয়া নতুন তাপপ্রবাহ উত্তর দিকে ছড়িয়ে পড়বে এবং আগামী সপ্তাহের শেষ দিক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। সূত্র: এএফপি

নাঈম/