আগামী ৯ জুলাই মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে আলী খামেনেইর দাফন সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে তার তিন ছেলে উপস্থিত থাকলেও দেখা মেলেনি তার উত্তরসূরি ও নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তেহরানে আয়োজিত এই বিশাল জানাজা ও বিদায় অনুষ্ঠানে মোজতবার অনুপস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের গ্র্যান্ড মসজিদে শুরু হওয়া এই কয়েক দিনব্যাপী শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে খামেনির তিন ছেলে মোস্তফা, মেয়সাম এবং মাসউদ খামেনি অংশ নেন। তবে নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে শেষ মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত হননি মোজতবা খামেনি।
নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, ইসরায়েলি গোয়েন্দা নজরদারি এবং নতুন করে হামলার আশঙ্কার কারণেই মূলত শীর্ষ নেতৃত্ব মোজতবাকে জনসমক্ষে আসতে নিষেধ করেছেন।
কিছুদিন আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্টজ মোজতবা খামেনিকে হত্যার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করার পর ইরানের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন আলি খামেনি। এরপর মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন।
ওই হামলায় মোজতবা নিজেও আহত হয়েছিলেন এবং তার স্ত্রী ও সন্তান নিহত হন। এরপর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। কেবল রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তার আগে রেকর্ড করা কিছু বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন স্থানে আগামী কয়েক দিন ধরে আলি খামেনির এই শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা চলবে, দাফন সম্পন্ন হবে ইরানের মাশহাদ শহরে। এই বিশাল আয়োজনের মাঝে দেশের নতুন প্রধান নেতার অনুপস্থিতি ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
আজহার/অমিয়/