ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
হাতে কামড় দিয়ে বখাটের কবল থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী আমের নাম যেভাবে এল শাবিপ্রবির আশরাফুলের চিকিৎসায় প্রয়োজন ৬০ লাখ টাকা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র সিলেটে দেশের প্রথম থানা ভিত্তিক ‘প্রবাসী হেল্প ডেস্ক’ উদ্বোধন নরওয়েকে কখনোই হারাতে পারেনি ব্রাজিল জনবল নেবে ওয়ান ব্যাংক সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে জাককানইবির শিক্ষক বরখাস্ত জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর আগেই মর্মান্তিক পরিণতি একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ঐতিহ্যের টানে বরেন্দ্র জাদুঘরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার কুইরোজকে রেখে দেওয়ার পক্ষে জর্ডান আইয়ু বোয়ালমারীতে সাবেক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জামায়াত নেতার লিজের জমি দখলের অভিযোগ সৃজন পাঠচক্রে ‘সংস্কৃতি: দ্বন্দ্ব ও সমন্বয়’ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই আসছে নতুন ডিজাইনের ম্যাকবুক প্রো আবারও চালু হলো সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট, প্রবাসীদের ফুল দিয়ে বরণ মুম্বাইয়ে ভারী বৃষ্টিতে রেড অ্যালার্ট জারি তিন সন্তানকে পাশে নিয়ে তৃতীয় বিয়ে করলেন আমির খান রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলে ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে নিউইয়র্কে গোলাগুলি, আহত ৮ খামেনির শেষকৃত্যে মোজতবা ছাড়া উপস্থিত ছিলেন অন্য ৩ ছেলে নারীর জীবনের এ সিদ্ধান্ত কী শুধুই ব্যক্তিগত? কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মাদককারবারি ও মাদকসেবীদের ছাড় নয়: এমপি তমিজ উদ্দিন পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পরিবেশ রক্ষায় মানববন্ধন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসির উদ্দিন সারোয়ার প্রত্যাহার ধেয়ে আসছে নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই
আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তার পুত্রবধূ প্রকাশক রাজিয়া রহমান জলি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বেলা সাড়ে ৩টার দিকে খবরের কাগজকে বলেন, ‘আব্বা আর নেই। তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছেন। আমরা কিছুক্ষণ আগে তাকে বাসায় নিয়ে এসেছি।’ এরপর কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি আর কোনো কথা বলতে পারেননি।

মৃত্যুর আগে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল।

বাংলা একাডেমির কর্মকর্তারা তার বাসায় যাচ্ছেন।

বাংলাদেশের সমকালীন বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাষ্ট্রচিন্তার জগতে আবুল কাসেম ফজলুল হক এক উজ্জ্বল ও স্বতন্ত্র নাম। প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক এবং সমাজবিশ্লেষক হিসেবে দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে তিনি দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চার ধারায় অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক এই গুণী ব্যক্তিত্বের প্রয়াণে শিক্ষা ও সংস্কৃতি অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মুহাম্মদ আবদুল হাকিম এবং মা জাহানারা খাতুন। পারিবারিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা ফজলুল হক স্কুলজীবন থেকেই মেধার স্বাক্ষর রাখেন। শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি মুনির চৌধুরী, আহমদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ ও নীলিমা ইব্রাহিমের মতো বরেণ্য শিক্ষাবিদদের সান্নিধ্য লাভ করেন, যা তার প্রগতিশীল চিন্তাধারাকে ঋদ্ধ করে।

১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরবর্তীকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। কর্মজীবনের একটি বড় সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতায় অতিবাহিত করেছেন এবং বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

অধ্যাপনা ছাড়াও তিনি দেশের মানুষের মুক্তি, গণতন্ত্র ও অগ্রগতির প্রশ্নে সবসময় কলম ধরেছেন। ১৯৮২ সাল থেকে তিনি ‘লোকায়ত’ নামক মননশীল পত্রিকা সম্পাদনা করছেন, যা সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এছাড়া আহমদ শরীফ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘স্বদেশ চিন্তা সংঘ’-এর সভাপতি হিসেবে ২০০০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশের মুক্তি ও উন্নয়নের জন্য ‘আটাশ দফা’ কর্মসূচি প্রণয়ন করেন। ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়।

পারিবারিক জীবনে তিনি ফরিদা প্রধানের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছেন। তাদের দুই সন্তান- মেয়ে শুচিতা শরমিন ও ছেলে ফয়সল আরেফিন দীপন। শুচিতা শরমিন বর্তমানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, তার ছেলে জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপন ২০১৫ সালে দুষ্কৃতকারীদের হামলায় নিহত হন, যা দেশের বুদ্ধিজীবী মহলে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছিল।

আবুল কাসেম ফজলুল হককে একজন নীতিবাদী রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে গণ্য করা হয়। রাষ্ট্র, সমাজ, অর্থনীতি, দর্শন ও মনোবিজ্ঞানের মতো জটিল বিষয়গুলোকে তিনি সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে নিজস্ব যুক্তিগ্রাহ্য ভাষায় তুলে ধরেন। তার লেখা বইয়ের সংখ্যা একুশটিরও অধিক। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘মুক্তিসংগ্রাম’, ‘উনিশশতকের মধ্যশ্রেণি ও বাঙলা সাহিত্য’, ‘রাজনীতি ও দর্শন’, ‘বাঙলাদেশের রাজনীতিতে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা’, ‘অবক্ষয় ও উত্তরণ’ এবং ‘মানুষের স্বরূপ’। এছাড়া বার্ট্রান্ড রাসেলের বেশ কিছু রচনার অনুবাদসহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘সাম্য’ গ্রন্থটির সম্পাদনাও তিনি করেছেন।

তার সৃজনশীল কর্ম ও রাষ্ট্রচিন্তার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন একাধিক সম্মাননা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৪), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮১), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৭) এবং অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার (২০০৬)।

জনগণের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ ধারণকারী এই চিন্তাবিদ মনে করেন, সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে সাধারণ মানুষের সৎ চিন্তার জাগরণের মাঝে। আজীবন জ্ঞানচর্চায় নিবেদিত আবুল কাসেম ফজলুল হক তার লেখনী ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাহিত্য ও রাজনৈতিক দর্শনে এক অমোচনীয় স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক, গবেষক, ঐতিহাসিক, অনুবাদক, সমাজবিশ্লেষক, সাহিত্য সমালোচক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ। তিনি রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক। তিনি নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চিন্তা ও তত্ত্বের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তার রচনা স্বদেশ ভাবনা ও রাজনৈতিক চিন্তায় ঋদ্ধ। 

জয়ন্ত সাহা

একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

রবিবার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ৬৪৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০৬ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২৫। এ সময়ে ৮৭৮ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৪ শিশু।

আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮ হাজার ৮৪৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১২২ জন।

রিফাত/

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই
আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তার পুত্রবধূ প্রকাশক রাজিয়া রহমান জলি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বেলা সাড়ে ৩টার দিকে খবরের কাগজকে বলেন, ‘আব্বা আর নেই। তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছেন। আমরা কিছুক্ষণ আগে তাকে বাসায় নিয়ে এসেছি।’ এরপর কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি আর কোনো কথা বলতে পারেননি।

মৃত্যুর আগে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল।

বাংলা একাডেমির কর্মকর্তারা তার বাসায় যাচ্ছেন।

বাংলাদেশের সমকালীন বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাষ্ট্রচিন্তার জগতে আবুল কাসেম ফজলুল হক এক উজ্জ্বল ও স্বতন্ত্র নাম। প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক এবং সমাজবিশ্লেষক হিসেবে দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে তিনি দেশের মুক্তবুদ্ধি চর্চার ধারায় অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক এই গুণী ব্যক্তিত্বের প্রয়াণে শিক্ষা ও সংস্কৃতি অঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মুহাম্মদ আবদুল হাকিম এবং মা জাহানারা খাতুন। পারিবারিক পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠা ফজলুল হক স্কুলজীবন থেকেই মেধার স্বাক্ষর রাখেন। শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি মুনির চৌধুরী, আহমদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ ও নীলিমা ইব্রাহিমের মতো বরেণ্য শিক্ষাবিদদের সান্নিধ্য লাভ করেন, যা তার প্রগতিশীল চিন্তাধারাকে ঋদ্ধ করে।

১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরবর্তীকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। কর্মজীবনের একটি বড় সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতায় অতিবাহিত করেছেন এবং বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

অধ্যাপনা ছাড়াও তিনি দেশের মানুষের মুক্তি, গণতন্ত্র ও অগ্রগতির প্রশ্নে সবসময় কলম ধরেছেন। ১৯৮২ সাল থেকে তিনি ‘লোকায়ত’ নামক মননশীল পত্রিকা সম্পাদনা করছেন, যা সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এছাড়া আহমদ শরীফ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘স্বদেশ চিন্তা সংঘ’-এর সভাপতি হিসেবে ২০০০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশের মুক্তি ও উন্নয়নের জন্য ‘আটাশ দফা’ কর্মসূচি প্রণয়ন করেন। ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাকে বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়।

পারিবারিক জীবনে তিনি ফরিদা প্রধানের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছেন। তাদের দুই সন্তান- মেয়ে শুচিতা শরমিন ও ছেলে ফয়সল আরেফিন দীপন। শুচিতা শরমিন বর্তমানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, তার ছেলে জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপন ২০১৫ সালে দুষ্কৃতকারীদের হামলায় নিহত হন, যা দেশের বুদ্ধিজীবী মহলে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছিল।

আবুল কাসেম ফজলুল হককে একজন নীতিবাদী রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে গণ্য করা হয়। রাষ্ট্র, সমাজ, অর্থনীতি, দর্শন ও মনোবিজ্ঞানের মতো জটিল বিষয়গুলোকে তিনি সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে নিজস্ব যুক্তিগ্রাহ্য ভাষায় তুলে ধরেন। তার লেখা বইয়ের সংখ্যা একুশটিরও অধিক। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘মুক্তিসংগ্রাম’, ‘উনিশশতকের মধ্যশ্রেণি ও বাঙলা সাহিত্য’, ‘রাজনীতি ও দর্শন’, ‘বাঙলাদেশের রাজনীতিতে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা’, ‘অবক্ষয় ও উত্তরণ’ এবং ‘মানুষের স্বরূপ’। এছাড়া বার্ট্রান্ড রাসেলের বেশ কিছু রচনার অনুবাদসহ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘সাম্য’ গ্রন্থটির সম্পাদনাও তিনি করেছেন।

তার সৃজনশীল কর্ম ও রাষ্ট্রচিন্তার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন একাধিক সম্মাননা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৪), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮১), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৭) এবং অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার (২০০৬)।

জনগণের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ ধারণকারী এই চিন্তাবিদ মনে করেন, সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি নিহিত রয়েছে সাধারণ মানুষের সৎ চিন্তার জাগরণের মাঝে। আজীবন জ্ঞানচর্চায় নিবেদিত আবুল কাসেম ফজলুল হক তার লেখনী ও কর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাহিত্য ও রাজনৈতিক দর্শনে এক অমোচনীয় স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক, গবেষক, ঐতিহাসিক, অনুবাদক, সমাজবিশ্লেষক, সাহিত্য সমালোচক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ। তিনি রাষ্ট্রভাষা বাংলা রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক। তিনি নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চিন্তা ও তত্ত্বের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তার রচনা স্বদেশ ভাবনা ও রাজনৈতিক চিন্তায় ঋদ্ধ। 

জয়ন্ত সাহা

আবারও চালু হলো সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট, প্রবাসীদের ফুল দিয়ে বরণ

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
আবারও চালু হলো সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট, প্রবাসীদের ফুল দিয়ে বরণ
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই রুট চালু থাকা নিশ্চিত করাসহ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। ছবি: খবররে কাগজ

চার মাসেরও বেশি সময় বিরতির পর সিলেট-ম্যানচেস্টার রুটের সরাসরি ফ্লাইট আবারও চালু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

সোমবার (৫ জুলাই) ম্যানচেস্টার থেকে ২৬৮ জন যাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট (বিজি ২০৮) সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীদের মধ্যে ২২৭ জন সিলেটে এবং ৪১ জন ঢাকায় নামেন।

এ সময় সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির যাত্রীদের এয়ারপোর্টে ফুল দিয়ে বরণ করেন।

জানা যায়, হজ মৌসুমের কারণে ফ্লাইটসংকটের কথা বলে প্রায় চার মাস আগে এই রুটের ফ্লাইট সাময়িক স্থগিত করেছিল সরকার। রুটটি বন্ধ হওয়ার পরপরই প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়, এটি আদৌ আর চালু হবে কিনা তা নিয়ে।

সিলেটের প্রবাসীদের অধিকাংশই ম্যানচেস্টারসহ ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে বসবাস করেন, তারা দেশে ও প্রবাসে দুই জায়গাতেই আন্দোলন চালিয়ে যান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বারবার স্মারকলিপি জমা দেন। তাদের মূল দাবি ছিল একটাই সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হোক।

সরকারও হজ মৌসুম শেষ হলেই এই লাভজনক রুট পুনরায় চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই দাবিকে বাস্তবে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির।

ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও এই রুট চালু থাকা নিশ্চিত করাসহ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজকে এই ফ্লাইট এখানে এসে পৌঁছেছে। সিলেটবাসীর প্রতি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর একটা আলাদা সফট কর্নার আছে, এবং আমরাও সেই সফট কর্নারের মধ্যে চলে এসেছি। প্রবাসী ভাই-বোনদের জন্য শুরু হওয়া এই সেবা ধারাবাহিকভাবে চালু থাকবে এবং যাত্রীসেবা আরও নিশ্চিত ও নির্ভরযোগ্য করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে।’

সিলেট-ম্যানচেস্টার রুট ভবিষ্যতে আবার বন্ধ হয়ে যাবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ’আমরা কোনো আন্দোলন চাই না। আমরা চাই যে রুটটা চালু করেছি, সেটা চালুই থাকবে। আর সে ব্যাপারে আপনাদের সবার সহযোগিতাও লাগবে। আপনারা জানেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এটা চালু হয়েছে। সুতরাং এটা বন্ধ হওয়ার কোনো অবকাশ নেই। আমরা ইতোমধ্যে বিমান লিজ নিচ্ছি। এয়ারক্রাফট চলে এলে এটা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা আর থাকবে না।’

তিনি আরও বলেন, ’সিলেট-ম্যানচেস্টার রুট চালু ছিল একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা এবং একজন উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সহযোগিতায় এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে।’

হিথ্রো থেকে ঢাকা ও সিলেটের ভাড়ার মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য (৭০০-৮০০ পাউন্ডের বিপরীতে ১২০০ পাউন্ড) নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ’এটা আমি যখন লন্ডনে গিয়েছিলাম, তখনও শুনেছি। এটা নিয়ে ইতোমধ্যে আমরা কাজ করছি। বিশেষ করে আমাদের রেমিট্যান্সযোদ্ধারা যারা আছেন, তাদের একটু বেশি প্রায়োরিটি দিয়ে ভাড়া আরও কমানো যায় কিনা, সেদিকে কাজ করছি।’

সিলেট-ঢাকা রুটে টিকিটের দাম ১০-১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়া এবং সিন্ডিকেটের অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ’দীর্ঘদিনের একটা অব্যবস্থাপনা থেকে বের হয়ে আসতে আমাদের একটু সময় লাগবে। বিমান ভাড়া নিয়ে আমরা কাজ করছি। মধ্যবিত্তরা যাতে স্বস্তিতে ভ্রমণ করতে পারেন, আমরা সেদিকেও কাজ করছি।’

সিলেট-কক্সবাজার রুট বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ’বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যে আলাপ হয়েছে, এটা নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। আমরা চাচ্ছি যত দ্রুত সম্ভব এটা চালু করার চেষ্টা করব।’

বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আরও বলেন, ’সিলেট বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্প এক্সটেনশনের কাজ চলছে, আপনারা ধরে নিতে পারেন ২০২৭ সালের দিকে আমরা হয়তো এটা হাতে পেয়ে যাব। এটা আন্তর্জাতিকভাবে আরও ফোকাসড হয়ে যাবে। আমাদের লক্ষ্য এটাকে বেশি প্রায়োরিটি দেওয়া, কারণ এখানে আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা অনেক বেশি আসতে চান। আমরা শুধু বিমান যাত্রী আনা-নেওয়াই নয়, আমরা চাই ট্যুরিজমটাও সিলেটে একটা ভালো পর্যায়ে নিয়ে যেতে। এখানে অনেক জায়গা আছে, যেটাকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে তৈরি করা যায়। আমরা সেভাবেই কাজ করছি।’

আজহার/

কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:১২ পিএম
কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে দেশের কার্বন ক্রেডিট বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

রবিবার (৫ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বৈঠকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।

সভায় প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ, জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন, বন সংরক্ষণ এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন শোষণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এর পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন।

এ সময় তারেক রহমান কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর কথাও বলেন। প্রধানমন্ত্রী কার্বন ক্রেডিট অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।

সভায় উপস্থিত মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, কার্বন নিঃসরণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ বাড়বে।

উল্লেখ্য, কার্বন ক্রেডিট হলো পরিবেশ সুরক্ষার একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা। বায়ুমণ্ডলে এক মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমপরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো বা অপসারণের বিপরীতে একটি কার্বন ক্রেডিট দেওয়া হয়।

এএফ/

পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন।

রবিবার (৫ জুলাই) সকালে ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিটের পাশাপাশি একটি উদ্বোধনী খাম এবং ৫ টাকা মূল্যমানের ডাটাকার্ডও প্রকাশ করা হয়েছে।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

৬ জুলাই ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রতিবছর বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড প্রকাশ করে।

এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও পল্লী উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া এবং দিবসটির গুরুত্ব জনসাধারণের কাছে তুলে ধরা।

এএফ/